Skip to main content

Full text of "Shri Shri Chandi Tattwa O Sadhan Rahasya শ্রী শ্রী চন্ডীতত্ব ও সাধন রহস্য"

See other formats


& নদশ্চগ্ডিকায়ে । 


সাধন-সুগম প্রস্থাবলী-৩ 





ইন ৪ মান্য 


উত্তর খণ্ড 
[উত্তম চরিত্র-প্রেমতক্তি ও আনন্দ লাভ ] 
দমৃত্যোর্মাহমুতং গময়”-_ জন্ম-মরণাদি বিকার হইতে উদ্ধার 


করত, আমাকে সা বহি কর। 





স্বামী যোগানন্দ প্রণীত। 


গারোছিল যোগাশ্রম হইতে 
সেবক মার্কগু কর্তৃক প্রকাশিত। 
(প্রথম সংস্করণ । 


সব্ধস্ সংরক্ষিত ১৩৪৫ বঙ্গা মূল্য ২২ ছুই টাক! । 


জ্বাল ত্যোঙ্গানস্ল প্রণীত 
 সাধন-সুগম ্রস্থাবলী__ 


3৯। স্নান, ্ধ্ ও মানব-জীবন। 
.. ছেতীয সা) ুলা-১২. 
.£ ২। আীশ্্রীকষ্ণলীলামৃত। । ্বিতীর সংস্করণ ) মূলা--৯৭ 
.. ৩। শ্রীপ্রীচণ্ী-তত্ব ও সাধন-রহস্থ_ 
0. প্রথম খণ্ড, ১২ মধ্যম খণ্ড ১২ উত্তর খণ্ড২২ 
ঃ যোগানন্দ-লহরী | ( পরিবদ্ধিত তৃতীর সংস্করণ ) চা 
€। ছেলেদের দেবদর্শন। (দ্বিতীয় মরণ) মূল 
৬) হরিছ্ারে কুম্তমেল]। | চতুর্থ সংস্করণ) মূলয-* 
বি রানি (১ কাথ্যাধা্গ, যোগানন- কুটির 
২১০৯ | ময়মনসিংহ। 
(২). গুরুদাস চট্টোপাধ্যার এগ সন্দ-- 

এ, ই*৩১নং কণওয়ালিস ক্টাট, কলিকাত। 

সাত শা গ্স্থান £গ্রন্থের শেষ পৃষ্ঠায় তরষ্টবা। 


॥ 
রি 
টা 








উদয়ন প্রেস, ময়মনসিংহ | ॥ 
প্রিষ্টার-_শ্রীবীরেন্্রচন্জ দে। 


দারা | 
০ 5ললাঃ! 
্১টশ্র ৮0্া 


শিতা-পাম-প্রাপ্র ভগবত সেবা নিরত-- 
মদীন পিতৃদেব জগবন্ধু এবং মাতৃদেবী নিত্য স্থন্দরী__ 
শ্শ্নীচরণ-সরোরুহেু। 
স্সেহময় পিতঃ! 
আমার অষ্টমবর্ষকালে তুমি স্বর্গে মহাপ্রয়াণ করিয়াছিল । 
যে কতিপয় বংসর তোমার সঙ্গলাভের স্থৃতি হদর-পটে অঙ্কিত, 
তাহাতে মনে আছে- তুনিই এই দীনের হদয়-ক্ষেত্রে ধশ্ম-ভাব 
এবং ভক্তি-বীজ রোপণ করিঘাছিলে-উহ্ভা অঙ্কুরিত তইয়া? 
বন্তমানে কি আকার ধারণ করিয়াছে, এবিষয়ে তুমিই উত্তম 
দষ্টা! এজন্য যোগ্যাযোগোর বিচার না. করিম তোমার দেওয়া 
পরমপন সহযোগে প্রাপ্ত বস্থ, মাজ তোমারহ উদ্দেশে সমর্পণ 
করিলান। এশ্বমোর অধো অবস্থান করিলেও, মাধুযামগ্ডিত 
এবং নিপিপু ছিল, তোমার চিত্ত _সমুদ্বৎ বিশাল, দয়-দাঞ্ষিন্যে 
এবং মহাগভবহার পণ ছিল, তোমার প্রাণ 1-উা এক্ণে 


আলাপ পা 


সি 


নিশ্চয়ই দিবা মহাভাবে বিভাপিত: তাই ভরমা আছ্ছে, 
অকিঞ্চনের ক্ষুদ্র দান, হোগার নিকট উপেক্ষিত হইত 
স্েহময়ি মাত; ! 

শৈশবে পিতৃহারা হইলেপ। তোমার অফুরন্ত মেভ-ধাবা 
পিতৃদেবের অভাব পুঝিতে দেয় নাই '-_অনন্ত বঞ্ধারাতের মধ্যেও 


00000 


টি সি শি উ নিটউ। 


||] 


|] 


0] 


৯॥ 


বা 


80000000000 ৯ 


11001112151 1111 «শন 


|]! 


আমাকে বুকে বীরয। মতত এগ! 
পুত্র বিধায়, আমাকে কতই না আদর ধঃ করিতে আমিই যে 
ছিলাম তোমার, “সবে ধন নীলমণি তথাপি অরুতজ্ঞের মত 
তোমার বুকে শেলাঘাত করত যন সংসার তাগ করিয়া চলিয়া 
যাই, তখন তুমি আমাকে কিরাইবার চেষ্টায়। কত স্থানে 
ঘুরিয়াছ_কত তাঁথ পধাটন করিয়া দীর্ঘ নিশ্বাম এবং অশ্রপাও 
করিয়াছ । পরিশেষে ৬ কাশীধামে বাস করিঘাও), আমারি চিন্থা 
পরিত্যাগ করিতে অসমথ হইয়া, “অতি দুঃখিত) হইরাছালে 


তখন বাব। বিশ্বনাথ, তাহার চিরখান্িমঘ অভয় শ্রুপাদপনে 


|] 


চিরে শাশ্রগ দান করত, তোমাকে দিব ধাখে লইয়। ঘান। 
করুণামগরি মা! তোমাকে কাদাহঘ! যে এভারুত গৃহণ করিয়া, 


11 


ভিলাম, ভ্াহার যং কিঞ্চিৎ ফল, চান? স্মৃতি তর্পনে উৎসঃ 
করিয়া, আজ আশবশ্ত বোধ করিতিছি 1 হত হাগা। মল? 


আপরাপ ক্ষম! করিঘা, স্বেহদট্টি এবং দিবা আনীব্বাদ পিহিরপ 


||] 


করি৫এ--ইহভাই শেষ অনাবাণ | 


জগজ্জননি ভগবতি ম1! 


ভোঁষার কত স্ুঘোগা ৪ কুতী সন্তান থাক সারি? তুগি 


||] 


| 


|] 


স্বেচ্ছা যে প্ররুতর ভার, এক আথেগা অক্ুতী মন্থানের উপরে 
হপ্ত করিঘাছিলে, সে গ্ররুভার বন করুভ গন্থবা স্থানে 


পৌছিয়া, তোমার মঙ্গলমর ইচ্ছা তিশার করিতে পারিব কিনা 


1 


এবিষয়ে বিশেষ মানত ছিল কিন্কু তোদার এবং পকূদোবের 


অস্তেতৃকী রূপায়। হোমার প্রদ দিবা গ্েমোপকরণসমূহ আগ 


|||] 


বিশ্ববাসীর হস্তে প্রদান করিতে মক্ষম হইয়া, বিপুল আননা ইল 


00000000000 


||] 


21 









































| 





এবং অনন্ত প্রশান্তি লাভ রা ম| জগদন্গে! তোমার 
স্মমঙ্গল ইচ্ছ। পূর্ণ হউক্‌। এক্ষণে তোমার নিকটে শেষ প্রার্থনা- 

ভবের অনিত্য খেলার অবসান করিয়া, তোমার অভয় নিত্য 
(প্রমানন্দময় ক্রোড়ে স্কান প্রদান কত, এই সন্তানকে ধন্য ও 
কৃতার্থ কর আমি আত্মার! হইয়া যেন তোমাতে অচিরে 
ব্গ-নির্বাণ লাভ করি। ও নমশ্চপ্ডিকারৈ ! জয় মা) আনন্বমগ়ী 1 


নিনিরাসারলর 


তোমাদের চির-ক্সেহে রব 


|] ]1]1111011]1 


] 
008/000000000000000000000078700100॥ 


1 





[]]]]|]11111]111]11 
0 


নী 


00000000000 


৯ 


$148810111111181110811111158565$5588068518518$06861 082 


|11/00101011101000101010101000018 ১ 


সী] ॥ 


3 ৮] [15 
ভ্রম মংশোধন। 


সতর্কতা ও যত্ব নেওয়া সান্বেও, দূর হইাতে কতকাংশ 
প্রুফ দেখা হেতু এবং সংকাঁধা বিদ্বুসঙ্কুল বিধায়, এই 
গ্রন্থের প্রতোক খণ্ডেই কোন কোন স্থানে মুদ্রাকর 
ভ্রম বা বর্ণাশুদ্ধি রহিয়া গিয়াছে; এতদ্বাতীত মুদ্রণ 
কর। কালীন কোন কোন স্থানের অক্ষর উঠিয়া 
যাওয়ায়, বিভ্রাট ঘটিয়াছে। আশা করি, স্ধী ও 
সহগদয় পাঠকগণ, হ্দীয় উদাধা গ্াণে এসকল শ্রম 
যংশোধন করিয়া লইবেন | 


নি 


||] 


১৯2 26 3৯ 


|||] 


1 
1 


||] 





||] 


2] 


বিশিষ্ট সূচীপত্র 








উত্তর খণ্ড '*- 
পঞ্চম অধ্যায় দ্ধানন্দ গিরির সিদ্ধি. ৮৯-৯১ 
পঞ্চকোষ ভেদ ১১1 কামতত্ ৯২-৯৫১০৩৪৮-৪০৩, 
কাম-ক্রোধতত্বে শুস্ত-নিশুস্ত : বষ্ঠ অধ্যায় 
রা রা চি ১১১ নিভিরত: ৯:85 
চগা-সাধনায় জাবনুক্ত অবস্থা (৮ কেশ দিত 
অধিকার-ভোগ রহস্য ১৮ | ১৯ ১০৬-১৩১ 
সতম্্র-দল পন্ম ২২। ২৩, ৬১, ২৫৪- যুদ্ধে লৌকিক রহস্য ১০৯. 
প্রণামের সার্থকতা ২৪ হা সপ্তম অধায় ৫ 
নিদ্রাতত্ ৩২ ৩৩ 1 পঞ্চ মহাবীজ তত্ব ১২০. 
পঞ্চ কোষের আহার ৩৪ : মুণ্ডমালা রহস্য ১২২। ১২৩. 
নারী-ৃষ্তির এশ্বধা ৪২ ] কালের ক্রিয়া রহমত ১২৯৯ 
আজ্ঞা-চক্রের বৈশিষ্ট্য ৪৮। ৪৯, | উপায় ও উদ্দোশ্ত ১৩৩) 
৬৮1 ৬৯১ ১০৩) ২৪৫) ৩৫০) ৩৯৮ ; মহ| অসিতত্ব ১৩৬. 
সরস্বতী তত ৫১ ; সন্ধিপূজা রস ১৩৪ 
চগ-মুণ্ড রহস্য ৫৩। ৫৪, ১১৬। ১১৭ ; বিশ্ুদ্ব-চক্রে দ্ধ টি 
ইন্দিয়াধিপতিগণের উশ্বধ্য ৬০-৬৬ | কশাঘাত না আশীর্বাদ বৃ 
হস চিঠি ৬৫১ ১৫৪ | ১৫৫ অষ্টম অধ্যায় 
যড়েশ্বধ্য বৃহন্য ৬৭ 


অষ্ট শক্তি; তাব-রহস্য ও " 
আধুনিক দক্ষ-্জ 5 অষ্ট শক্তির আবি ভা 
্ আস্থরিক শ্রেণী-বিভাগ, ১৪১-১৪৯ 
ভজন ও শরণাগতি ৭৭-৭৯, ১১৯ ৪ 


প্রতিজ্ঞা-বাণী রহস্য ৮৩। ৮৪, ৮৮ অষ্ট জীব-র্শ রর টি | 
মদন ভন্ম ৮৫) পঞ্চতত্বের দুর্গ ১৪৯ 
দেবী-মাভাক্মে পঞ্চ মহাভাব অদৃশ্য শক্তিতত্ব ১৫৩ 


৮৬-৮৮ [ জপমালা রহন্ত ১৫৫. 


৪ 

গরুড় তত্ব ১৫৮ 
্রহ্গঙ্ঞানী গ্রহলাদ ১৫৯।১৬০ | 
অই ঈশ্বর-ধর্শ ১৬০।১৬১ 


শিবদূতী রহমত ১৬২/১৬৩১৬৫-১৬৭ 
| চক্রশক্তিগণের যুদ্ধ-বিলাদ ১৬৯-১৭৩ 
রক্তবীজ তত্ব... ১৭৪-১৭৬ 
জীবের ত্রিবিধ গর্ভভোগ ১৭৭1১৭৮ 
জিবিধ সাধন-রহস্ত. ১৮৬১৮৭ 
রক্তবীজ ও কালীয় দমন 
ভাবোচ্ছাসের অপকারিতা ১৯, 


১৮৪৯ 


রক্তবীজে পঞ্চতত্্‌ ১৯১1১৯২ ; 
+€”... নবম অধ্যায় 
অন্তর্মথী ক্রোধ ১৪৫ 
. ক্রোধের স্বরূপ ২০১২০২ 
কামের অষ্টবাহু-রহস্য ২০২-২০৪ 
কাম দমন ২০৫-২০৮ 
ক্রোধের অধুত বাহু ২০৯ 
মহারিপু ক্রোধ ২১২ 
নুসিংহরপী সিংহ ২১৩ 
. অষ্টপাশ ও জীব-ধশ্খ নাশ ২১৪-২১৭ 
দশম অধ্যায় 
বিশুদ্ধ আমি ২১৯-২২০ 
একৈবাহং মহাবাক্য ২২৩ 
২২৪-২২৬ 


সংখ্যা-বিজ্ঞান রহশ্য 
নিই রত 





স্চীপত্র 

৷ গীতার মঙ্তাকাল ও চণ্তীর চামুণ্ত 
ূ ২২৬ 
অষ্টাবন্র ও জনক রাজার ত্রদ্মানন্দ- 

ূ বিলাস ২২৯-২৩১ 
প্রারন্ধ ও রুড্র-গ্রন্থি ২৩৭ 
মাতৃ-পৃজার উপকরণ ২৩৮/২৩৯ 
প্রেমময় স্পর্শ ২৪২ 
২৪৪ 


চতুঙ্জগৎ রহস্য 





৷ সাধক-জীবনে উত্থান-পতন 
ৰ ২৪৭-২৪৮ 
র প্রেম-দোলা ২৪৯ 
৷ রুদ্র-গ্রস্থি ভেদ ২৫* 
র পরমহংস ভাব ২৫১ 
| শুস্তের মাতৃ-পূজা ২৫৬ 
| একাদশ অধায় 
: পৃথিবীর এই্ববা ২৬০।২৬১ 
৷ অষ্টাদশ বিগ্য ২৬২ 
ৃ নারারণ ও রুষ্চের পার্থক্য. ২৬৪ 
| মৃতু-রতস্য ২৬৫|২১১৬ 
। ত্রিগ্ুণের স্বরূপ ২৬৭ 
ৰ বুহান্র তত্ব ২৭১ 
র দখমহারাতি “ দশমহাশিব ২৭২ 
৷ কষ্ণভজনের রীতি ২৭৪ 
ক্রমোন্তির স্তর ২৮৪।২৮৫ 





স্চাপত্র 


মধু-চত্র নির্মাণ 
দ্বাদশ অধ্যায় 
কামকল] তত্ব 


এাসি্টি 9 ঠিিঠ দিসি ছি ছি ৯৪ 


২৭২ 


২৯৫-৩১১ 


তিথিভেদে কাম-সোম কলার দেহ] 


পরিভ্রমণ ২৯৮-৩০৫ 

মানব-দেহে অদ্ধনারীশ্বর অবস্থা ২৯৬ 

মহাকুগ্ুলিনী 

ভোগময় ও ত্যাগময় পাতাল 
৩০১1 ৩০২ 


৩০০ 


জন্ম-কুগুলী ও কলা-রহস্য ৩০৩ 


স্ক্ম কামকলা ৩০৭-৩১১ 
দেহে চারি মহ্াবিন্দু. ৩০৭-৩০৮ 
নারী-দেহে গজা-যমুনা.. ৩১৭ 
ত্রিপুরা ভৈরবী ও চক্র বিদ্যা 

৩১* | ৩১১ 
ষড়রিপু বলি রহস্ত ৩১৪ । ৩১৫ 
মানস পা বৃহশ্যয ৩১৫ 


আধ্যাত্মিক মহাপৃজা উরি 


বাৎসরিক পৃজাদিতে সাধনার ক্রম, 


৩১৮-৩২৪ 
সংযম ও যণ্ঠী দেবী ৩১৯ 
পঞ্চ উপাসন। ৩২৫ 
দুর্গাপূজার বৈশিষ্ট্য. ৩২৫-৩২৭ 
ষড়ধতুতে ্টচক্রভেদ ৩২৭-৩২৯ | 





৮ সিসি সিসির সিীিািতা সপন এটিও ২. ২০৯ উঠি সির অত ১৯৮৫5 ৫িরা তি ২১) 


দেহে ্রহাধিকার 
জীবন-তরীর সাধনা 
বিপরীত ভাব | 
ত্রয়োদশ অধায় রা 
শ্তি-সমুদ্র ও গতি- হস্ত ন্‌ রর 
৩৪৪ । ৩৪৫ 

বিজ্ঞানে শিবশক্তি-তত্ব ৩৪৬। ৩৪৭ 


পঞ্চবিধ খণ ৩৪৯ 
প্রতিমা পৃজার শ্রেষ্টত্ ৩৫, 
দেহে নৈমিষারণ্য ৩৫১ 
ভাগ্যলক্ষ্মী রহন্ত ৩৫৭ 
জীবনুক্তি ৩৫৯। ৩৬৫৯ 
উত্তম চরিত্রে ত্রিগুণ লক্ষণ 

৩৬৩ | ৩৬৪ , 
উপসংহারে বক্তব্য ৩৬৪-৩৬৭ 

পরিশিষ্ট 

গীতা ও চণ্তীর সমন্বয় 2৬৯-৩৮৪ 


ব্যক্তিগত জীবনে গীতার মাধন-স্তর 


৩৭২-৩৭৪ 

দেবী-মাহাজ্যে যট্চক্রভেদ 
সি 
| দে২-রাসলীলা ৪০১-৪১৭ 
সঞ্চশতী রহস্য্জয় ৪১৮-৪২২ 


পপি 


রর ও নমশ্চপ্ডিকায়ৈ | 
রা উত্তমচরিত্রন্ত রুদ্রখধিঃ। মহাসরম্বতী দেবতা । 
অনুষ্পছন্দঃ। তীমা শক্তি; | ভ্রামরী বীজম্‌। সৃষ্যস্তত্ম্‌। 
সামবেদন্বরূপম।  মহাসরস্বতীগ্রীত্যর্থম উত্তমচরিত্রজপে 
বিনিয়োগঃ ॥ 
ধ্যানম্‌-_ 
ঘণটাশূলহলানি শঙ্খমুসলে চক্রং ধনু; সার়কং, 
হস্তাজৈরর্ধতীং ঘনাস্তবিলসচ্ছীতাংশুতুল্য-প্রতাম্‌। 
গোরীদেহসমুস্তবাং ত্রিনয়নামাধারভূতাং মহা- 
পূর্ববামত্র সরন্বতীমনুভজেচ্ছুন্তাদিদৈত্যান্দিনীম্‌ ॥ 





রুদ্র খষি- আধ্যাত্মিক জগতের প্রথম ও দ্বিতীর স্তরের চণ্তী- 
সাধনা দ্বারা সাধক সত্যে ও জ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত হইয়াছেন, এক্ষণে তৃতীয় 
স্বর কারণাংশে । সাধকের চিত্ত-ক্ষেত্রে কারণাংশে বা বীজাংশে থে 
সকল আস্থরিকভাব বা বৃত্তি লুক্কারিত আছে, তাহা আত্ম-সমর্পণকারী 
সাধকের পক্ষে জ্ঞানময় ভ্িলোচন রুঁদ্রদ্ব খুজিরা বাহির করত বিলয় 
করিবেন- এজন্ত তমো গ্ুণা্মুক মঙ্গলময় রুদ্র, এই চরিত্রের দরষ্ট। বাখষি। 
_ মহাসরম্বতী দেবতা নিবৃত্তিপরারণ সাধকের চিত্তের বী্জাংশে 
অবস্থিত মালিন্ত ব] চাঞ্চলা, কোন কারণে ফুটিয়া উঠিলে, তিনি রুদ্র- 
তেজে উহা! বিলয় করিতে রৃতসংকল্প হন; এজন্য ভিনি বাহিরে সত্ব 
গুণময় হইলেও অন্তরে তমোগ্তণান্বিত এবং লয়কারীরূপে বিরাজ করেন 
ইহাই মহাসরম্বতীর প্রভাব এবং স্বভাব--এজন্ত মধাম চরিত্রের 
দেবতা, জ্ঞানবৃদ্ধা মহাসরস্বতী | 





অনু পছন্দ__খথেদের মতে, আট পছন্দে মন পা বনে 
পাঠকের ্বর্গ বা পরমানন্দ লাভ হইয়া থাকে এজন্য রাজা স্থরখের 
এরহিক ও পারত্রিক স্থুখলাভ, সমাধি বৈশ্ঠের মোক্ষ বা পরমানন্দ লাভ 
্রস্ৃতি ব্যাপারে এবং মহাশক্তির অনন্ত আনন্দভাবের অভিব্যক্তিযুক্ত 
উত্তম চরিত্রের ছন্দ-_অনুষ্ট প। কি 


ভীমা শক্তি__ভীনা, সাধকের সৎ অসং ভাব প্রলয়কারিণী তামলী 
কালিকা মৃত্তি) অতিরিক্ত ভাবোচ্ছাস, কর্তব্য পালনে বাধা জন্মায়, 
আর স্বরূপত্ব লাভের পক্ষেও উহ। বিরোধী; এজন্য নকল সত্বগুণজাত 
রক্তবীজরূপী ভাবোচ্ছাস ও চাঞ্চলা ভীম! মা, গ্রাস করিয়া লর় করেন, 
এজন্য উত্তম চরিত্রের শক্তি--ভীমা। 

ভামরী বীজ-ত্রমর বা মধুকরের ন্যার খণ্ড খণ্ড আনন্দ 
মধু-বিন্দৃসমূন্ধ আহরণপূর্বক একত্র করত, প্রেমানন্দের অম্তমর মধূচক্র 
নিশ্ব।ণ করিতে হইবে; আর রজোগ্তণের অন্থন্মখী শক্তিদ্বারাই রজো- 
গুণমর বহিন্থ্খী উদ্বেলন নষ্ট করিয়া, উহা প্রেনান্থুরাগে পরিণত করিতে 
হইবে ইহাই ভ্রামরী-শক্তির কাঙ্গ। উত্তম চরিক্রে এই সকল ভাব 
অভিবাক্ত, এজন্য উহার বীজ ব। কারণ-ত্রামরী | 


স্্্য-তত্ব- আদিত্যের তরিগুণদয় শক্তি বা তেজ দ্বারাই জীবাত্মার 
জীবভাব অপসারিত হইয়া আত্মভাঁব 'গ্রতিষ্টিত হয়, তখন সাধক, পরমাত্মা- 
বূপী সুষের তনয় সাবণিরূপে প্রতিভাত হন। মধ্যম চরিত্রে সাধক 
সর্ববতোমুখী তেজ বা শক্তিসমূহ সংহরণ করিয়। আত্মস্থ হইয়াছেন; এক্ষণে 
আত্মারাম হইবার জন্ত, চণ্ডীর তৃতীয় স্তরের সাধনা । এই অবস্থায় জগত- 
প্রবাহের স্ষ্টি-স্থিতি-লয়ের অন্যতম কারণস্বরূপ স্্ধাদেবের অসীম প্রভাব 
ৰা এক্তিসম্টিকে জ্ঞাত হইয়া, সর্বত্র আনন্দ-প্রতিষ্ঠা কর! প্রয়োজন; 


ৃ 
[ 
রঃ 


টি ীচতী- "তত্ব ও সাধন-রহন 


কেননা ই জগন্মঙ্গর রবি কার্ধো দেবতাগণের সহায়ক *1 এজন্য 


| এ কেহ কেহ ু্যাকে দেব ভাব সমূহের সমষ্টিকূপে বর্ণনা করিয়া থাকেন; 


(কেহবা আদিত্য অর্থাৎ মৃলতত্বরূপে গণা করেন; আবার অসীম প্রভাব- 
সম্পন্ন হধ্যকে জীনগণের আস্মারাপেও জ্োতিষশাস্তরে বর্ণনা করা হইয়াছে। 
ূ্য্য সকলের বন্ধুতুলা, এজন্ত তাহার অন্ত নাম মিত্র [ এই মিত্র শব হইতে 
মিতু এবং মিতুর অপত্রংশ 'ইতু' নামেও সুর্দোের পুজা প্রচলিত আছে ।] 
নিবৃত্বিপরারণ চত্ডী-সাধকের সর্ববিধ শক্তিময় কাধো, আননদ-প্রতিষ্টাই 
লক্ষা এবং অন্যতম কর্তব্য । এইসব কারণে উত্তম চরিত্রের তত্ব_কৃ্য। 
সামবেদত্বরূপ--এই চরিত্রে, জ্ঞান এবং শক্ির প্রেমময় অনস্ত 
আনন্দ-বিলালদ্বার নাধকের তন্ময়ত লাঁত বা স্বরূপত্ব বিকাশ হয়;.আর 
শম.বেদেও সুগ্রস্থিত এবং ছন্দের সহিত সুসজ্জিত মন্ত্রমুহ তালমানলয়ে 
গীত হইলে, তক্স্ধ ব!স্বরূপত্থ প্রদান করে; এজন্য উত্তম চরিত্রের 
দ্ক্ূপ__লান বেদ সতপ্চণমহী মহাসরম্থতী শরণাগত সাধকের 
চিত্ত-ক্ষেত্রের বীজ:ংশে অবস্থিত আন্থরিক ভাবসমৃত বিলয় করত 
সাধককে অভীষ্ট ব! শোক কল প্রদানে ধন্য ও কুতার্থ করেন; এজন্য 
তাহার প্রীতি উৎপাদনের নিমিত্ত, উত্তম চরিত্র জপের ব্যবস্থ। | 


পা পাট 


কী 











*স্য্য-রশ্ি চন্দ্র তত হ্‌ইয়। চন্্রকে প্রকাশ করেন; সুধ্যতাপে উত্তপ্ত হইয়া | বায়ু, 
সবেগে প্রবাহিত হয়; সুষ্যতেজে পৃথিবীর শস্তোৎপাদিক৷ শক্তি জন্মে; আবার সৃধ্যভীপে 
কা্ঠাদি বিশুদ্ধ হইলে, অগ্নি প্রজ্মলনে সহায়ত। করে। নুর্্যতাপে সমুদ্র হইতে জল 
বাপাকারে উিত হইয়া, পুনরায় মেঘ-দলরপে পৃথিবীতে বধিত হয়, নতুষা পৃথিবী 
মরুভূমিতুল্য হইয়া ফাইভ! এইসব কারণে হ্যা, সকলের প্রাণময় শিস বা 
আম্মা এবং ত্ত্রীক্ষণগণেরও মন্ততম উপান্য | 





শল্স অক 28 
দি থু ও আভত্ত| ওর ভ্তন্ষ: . 


উত্তম চরিত্র 
( পৌরাণিক সত্য বিবরণ ও *তব-সুধা” নামক ব্যাখ্যা) 
শপ্রগুস অধ্র্যান্স-শনী ও দৃণ্ডি সংন্যান্চ। 
খধিরুবাচ ॥ ১ | 

পুরা শুপ্তনিশুস্তীভ্যা মন্তুরাভ্যাং শরচীপতেঃ। | 
_জ্রৈলোক্যং যজ্ঞভাগ।শ্চ হত! | মদবলাশ্রয়াৎ 8. 13 
সত্য তিল্র্পুপ ! খধি বলিলেন -পূর্বকালে জনগন নাক 
অন্ধ্র গর্ব ও বল্ল প্রভাবে চি লাগান্জি। ও বজন্কাগ 
লমৃছ হরণ করিয়াছিল ।--(১২) 8৮ জনন, তি 








১২ টু প্ররচতীতত ও সাদর -রহন্ত 


সচিৎ বা-টৈভন্তষয়-অরস্থ। ব্যতীত আনন্দোয় বিকাশ কইপভোগ হয মা). 
ভায়ার 'আনলন্দ হ্যান্তীত চিথএর বিকাশও' ্ 


নু্য্কিনজগ যেন জড় বন্তকে প্রকাশ কির 
হন) কেনন। শৃন্তময় কিন্ধা গুধু বায়ু স্থানে রী গা 
পান রস্ততে রা নি পারছে রী করি সহ 








বাকের গিজ্ঞয নী হা | লন র্প প্রান ্ ছে 
ভংপর যম চিরে তে বাহিরে বিশ্বর্ূপে সিডর 
স্কায়ের জ্যোতির়্ রূপ দর্শনে অভ্যন্ত হইয়া তিনি জানে অুপ্রতিহিত 
হই ছে, এক্ষণে নাধক সর্বত্র সর্বভাবে আসান্বস্কসকজী মায়ের 
জন্কানন্দে ও প্রেষানন্দে গ্রতিঠিত হইতে পারিলেই দেহ-রথের 
হরক্ষাজ্ঘাত্রা সাফলা মণ্ডিত হইবে! এইরূপে ভাগ্যবান সাধকের 
উদঘালিত মহাব্রত'সিদ্ধ হইলে, অপরাজিতা ম| সাধক ভক্তকে বিজ 
ভিবাক পরাইয়| দিবেন এবং স্বীয় ব্রহ্ষাননদময় ক্রোড়ে গ্রহণ করাত 
টেষানন্দ-নুধা পান করাইয়! পরিডূণ্ত করিবেন। | 
_পরঙাস্মাভিমুখ্খী বিলোষ গতিপ্রাপ্ত ৰবগণাদ্থিত সাধক; পাপ 
তমোগুগময় অবস্থার পীড়নে তীব্র বৈরাগাযুক্ত হইয়। ভ্রীগুরঃ অ্ধাগিত 
হইলেও, কিরূপ তাহাকেও আহ্মরিক চাল ঘার! অতি দুধ সইতে 
হয়, ভাহা! প্রথম চরিত্রে গ্রদণিত হইয়াছে। তৎপর মত্যে প্রতিষিত 
সব্বণময় সাধকের যঞ্চিত কর্মবীজ জমূহ আক্কুরিক রাজোখগময় সুপ 




















ভা চা্চল্যদূপে তেজবর *) ্াপনয় ক্ষেতে প্রকট সই ছার তোরা 
টিলা এর জো ৃ 
হয়) এই ভার মধ্যণ চরিত বরদিত।হইয়াছ। "প্রক্ষক্থে, € চা ্ 
বি সন্বগুণবর' সাধকের চিত্তের জারগাংশে। এছ 1 রর টি 

84 উহা নাগ বিছানা হরিয়ানা 










বিনষ্ট হর না! . এজ: লা ব্যাক্তিকে স্রাররধ: কার গত 
গবস্ঠাই গ্রহণ করিষ্টে হয়|: এই স'কারণে, তম চকে আরা, রা 
সমূহের '্মনন্ত বিকাখ ও বিলাস প্রদর্শন করত রানঙয়। যি জীবনি 
লাভের উৎকৃষ্ট উপায় নিষ্ধীরণ করিঘাছেন।' নান 
(2মীঙ্গিজ্ আ্যা)াক-_ কুলকুগুলিনী শক্কি. রিশ্ ৃ 
সাধককে বা প্রাণময় জীব-চৈতন্তকে রোডে মইয়া আকাশততবময় বি | 
চক্রে বা রারণময় ক্ষেত্রে আরোছণ করিয়াছেন; তাই সাধক এনে 
উত্থিত হইয়া নিলি ও নিঃসঙ্গ ভাব প্রান্ত হওয়ায়, বিশুদ্ধ দ্যানক 
প্রশান্তি ভোগ করিতে লাগিলেন। ৬ইরূপে ভি পুনরায় গুল মে 
কারণাত্ুক ত্রিলোক সমন্বিত দেছ-পুবের ইজ ছইজেন? ০০০ নি 
ইজিয় ও বৃত্তিরূপা মারিক প্রকৃতি সমূহের অধীর বা শগউনিল্পা্ি 
রূপে প্রতিষ্ঠিত হইলেন। অতঃপর কুলকুগুবিনী শক্তি; লে নি | 
পর়স্থিত সং অসৎ বৃত্তি ও ভাৰ সমূহ, যাহা ইতিপূর্বে ফারপাংপে 
* শীল প্রকৃতি ব| মায়া) সুতরাং প্রকৃতিতে অধিঠিত বা উপহিত 
টৈতন্ই শচীপতি। : শ্রুতি, পতি বাইরে বরণে এবং চীফ 
দায়ারগে উল্নে্গ করিদ্বাছেন। ৬ উন ক্িও 














188 শীতচতী-তত্ব ও সাধন-রহত্য 


পরার বীজরূপে খবস্থিতি করিতেছিল, তাহাক্িগকে এক্ষণে বিদ্ুদ্ধ এখং 
পরা করিতে মাগিলেন। টা কারণময় রি ভাব সঃ 









এরটানিপাীলরাশতিরওটিন দেছে বিদীন করত ৪ এন. মুখ 
আত্ঞা চক্রে উিড করিলেন; তাঁহার সংস্পর্শে ছিদল পম্মটী বিকপিত 
ছইন্া উঠিল এবং ক্রমে দেবতাগণও তথায় বিকশিত হইলেন। 

মধ্যম চরিজে দেবী ভগবভী মহিষান্থর়কে জর্দবিকপিত অবস্থায় 
স্বতিত করিয়া সেই অর্ধাংশ বিরায় করিয়াছেন, ইহার কারণ মধ্যম খণ্ডে 
আলোচিত হইয়াছে । এইরূপে জন আাঞ্ত রী মহিষান্থরের অর্ধাংপ 
বা ুক্ষভাব নষ্ট হইলেও তাহার অপর অর্ধাংশ বা ম্ষাক্জপীভাৰ 
পেরিছুণাত্র বিকৃত হয় নাই! এজন্ত কারণময় বিশুদ্ধ চক্রটী বিক্ষোভিত 
হওয়ায়, অহংভাব সাক্ষাৎ স্ছাঞ্স-ক্রাগঞ্খরপী শুস্ত-নিশুস্ত বা অতি 
ঈশোভন 'আন্মরিক কারণ-ূর্তিরপে গ্রকটিত হইল। তথায় কারণাত্মক্‌ 
. অভিমানরপ মদ প্রভাবে গব্বিত্ত এবং কদর্পের দর্পে বলীয়ান হইয়া 
বিশুদ্ধ ক্ষেত্রে বিকাশ প্রাপ্ত দেবভাব সমূহকে তাহাদের স্ব স্ব অধিকার. 
 ছাজিত।বঞ্ি করিয়। পরাতৃ করিল *ুন্ভ' শবের অর্থ অতিনুশোভম) 
 কগাং রজোগ? সমুড়ূত কাম-কামনার অতিন্ুশোভন কন্দর্প বা মদন 
-দুর্বিই শুুজ্ত । আর কাঁমকামনার সহভাবাপন্ন ব৷ আপেক্ষিক ভাবধৃক্ত 
 ক্ষোধ-মর্তিই ভ্িগুওভ্ভ ; কেননা কাম-কামন। কোন প্রকারে প্রতিহত 
| বাধাপ্রাপ্ত হইলেই উদ্বেলিত রজোগুণ সুরজিত হইয়া ক্রোধরূপে 
আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য ক্রোধরূপী নিশুস্তও রুদ্রতেজে প্রদীপ্ত ও 
স্থশোভন মূ্িধারী | বিশেষতঃ শুস্ত যে আ্া-আুভিড, ইহা শান্- 
সন্মত মত্য ; কেননা দেবীর পরি গুস্ভের কামাষক্তিই তাহার মৃত্য 








আকাশে ঞ্চতাধ রিনি 
সংঘটনের অন্যতম কারগ ৪1 . লাখ ্ ৰ 
ক্রোধরপী নিশুস্ত অযুত বা দশপহতর বাহ প্রসারিত কর 
করিয়াছিল! ফাষের অষ্ট বাই যোগশান্ত্রো অই্টাদ মৈথুন; শর 
ূ পাওনা রিয়়ও অসংখ্য 
অনস্ত-_ইহাই দশ সহম্র ব| 'অযুত বাহু বলার তাৎপর্য)  এবিহরে 
মি বিস্তারিতভাবে আলোচন। করা হইবে।  *. & 
কাম ক্রোধ মোহ (লোভ-মোহ শোক এবং ভয়, এই পঞ্চভাঁব, 
_ব্যোম্‌ ব! আকাশতত্ব হইতেই উত্তব ; আকাশতন্ব হইতে অনিল, অনি 
হইতে অনল, া. তেল, তেজ হইতে অপ. এবং অপতত্ব হইতে 
ভিতবের উন হইমাছে ) সুতরাং আকাশ-তত্বই পঞ্চতৃতের জননী 
বা কারখ: স্ব. “জন গকাশতত্বে পঞ্চতত্ব নিহিত আছে,। , 
শস্ডতের আকাশ জ। শ- শোক € কেনন! শোকদ্বার! নিঃপঙ্গ ও 
দিল শি হক), 'আক্কাশতত্বের বায়ু অংশে-কাম (কাম 
ঠ'ইইলে বামুর গতি র্ঘ হট আকাশ তত্বের তেজ 




















 *শুস্ত-নিশুস্ত কম্তপের ওরসে ঘনুর গর্ভে জাত। ইহারা! 'অবধা 
হওয়ার জ্তবর্ধার তপন্তা করিলে, ধা তু হইয়, এইরূপ বর প্রদান. 
করিয়াছিলেন যে-প্ষদি কোন অযোনিসন্তব। কনা ্ত্ী-পরীরবূ্ সি টি 
হইতে উদ্ভব হন, তিনি যদি পুরুষের ্পর্শমাত্রও প্রাপ্ত ন| হন, এইরপ 
দুজ্জয় শক্তিশালিনী নারীমুত্তির প্রতি কামাসক্ত হইলে, তোমরা : উবে 
বধ হইবে » পরিকর | রি 


মতান্তরে, কাম ক্রোধ লোভ মোহ এবং ব্জ। এই পচ . 
আকাশের গুণ বলির কথিত, যথা_একামং ক্রোধ তথ! মোহং লা 
লোক পঞ্চমম। নভঃ চা প্রোক্কা জানেন হতে” ॥ 
স্জ্ানবঙ্লিনী তন্তব। ৮4টি 














১৯ শীীচী-ত $ লাখ 


অংপে--ক্রোধ ( ক্রোধ হইলে দেছে উহ তেজমযরপে রি মম. আকা 
প্রকাশ পায়)) আকাশ তত্বের অপ অংশে--লোভ-মোহ নার 
হালে রসনা! আর্ত হয় এবাং তৎসহ্ .মোহ আসে) এজন্ত লোড-যোছ 
গ্রকাত্মভাবাপন্ন ); আকাশ-তত্বের পৃর্থী ঃশে-_-ভয় বা মতাস্বরে লঙ্জা 
(ভর পাইলে লোক জড়ত্ব প্রাণ্ত হয়”-কথায় বলে, ভীত ব্যক্তি কাঠ, 
 হয়েষার'! বার লঙ্জাতেও. সর ভাব প্রাণ হয়) ভয়বা 
বুজ্ধ। উপরক্ষণ স্লা, . লঙ্দাদি অষ্ট পাশেই পৃ বা. ক্ষি ফষিভিতদব হইতে 
(উরন/ হারগ (বুঝিতে. সপ যাঁনধ-দেহের বিশুদ্ধ চক্র 
জাকাশৈ-কনের। বিশিষ্ট. অভিব্যক্তি ন্থতরাং সাধকের এ চক্রটী 
. টিক্ষাভিত হওয়ায়, সেই ডন্রস্থিত সমস্ত তবই বিদ্ধ হইয়াছে, ইহাকে 
ঝুলছে অবকাশ নাই) সুতরাং আকাশভনজাক কান. ক্রোধ 
জান্কমোহ লোক এবং ভয়-লজ্জাধি: অইপাশও আলোড়িত .ও সংকনধ 
(সই! সাধকের বিওদধ-ক্ষেতে মহাযুকধর পূর্বাভাস স্ৃত্ করিয়াছে !-+ 
ওই সত ব্যাপার স্বাভারিক। অতি সমীচীন এবং যুক্কিসঙ্গত ) এইসব 
তব ও রুহভই মহামায় মায়ের যুদ্ধলীলারপে উত্তম চরিত্রে অভিব্যক্ত [| ; 
সাধক বিশুদ্ধ ক্ষেত্রে তদীয় দেবভাব, সমূহকে স্ব স্ব অধিকার ভেগে 
ক রাখিয়া, ষে নির্্লন আনন্দ.ভোগ করিতেছিলেন, এক্ষণে সেই 
জমৃতোপম আনন্দ-তে।গ হইতে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হইলেন -ইহাই মস্ত্রোক্ত 
 ধর্ী-ভাগ-হরণেক রহন্ত। এতদ্যতীত এই চরিত্রে ধণিত চু 
সথরদয়কে কারণ-ক্ষেত্র হইতে জাত লোভ ও মোহরপে পরে ব্যাখা! 
করা হইবে। রজোগুণনয় অহংতরে জাত কাম ক্রোধ, এলাভ 
যোহাঁদির আদ্ধর্ধিক অত্যাচার, মানব মাত্রেই জন্ম-সনমাস্তরে হলে সপন 
ঈক্গারদে এবং নানাবিধ অবস্থাতে ভোগ করিয়া নিছে, ্ ছা 
| ডা ৰা বাুকাব বলার উদ্দেস্ত ও তাৎপর্ধ্য॥. ৃ 


























যদ চোট ০5০ সান 


জীবনুক্তি ১৭ 
. চত্তী-সাধনার এই তৃতীয় বা বিশিষ্ট অমূতময় স্তরে সাঁধকের, 
আত্মপর ভেদাভেদ থাকে না-_তীহার নিকটে জীবন. মরণ, হুখ-ছুঃখ, 
সমন্তই একাকার হইয়া যায়__তিনি জীবিত থাকিয়াই যুক্তির পরম 
ভাব আ্াখ্াদন করত / জীবনুক্তয়পে বিরাজ করেন! প্রারন্ধের ফলে 
স্থখময় বা. খর থেকোন অবস্থা উপস্থিত হউক না কেন, সকল 
অবস্থাতেই তিনি পরমানব্দ ভোগ করিয়! থাকেন। বিশেষত; সাধনার 
প্রাথমিক অবস্থায় বৈরাগ্যের তাড়নে সাধক যাহা যোগ-বিস্নকরবোধে 
পরিত্যাগ করিয়াছিলেন, তাহাও এক্ষণে প্রেমাননে গ্রহণ রি লেন 
অর্থাং এইরূপ মধুমতী অবস্থায় স্্রীপুত্র সমস্থিত সংসারকে বদ্ধানের 
কারণ বলিয়! মনে হয় না, বরং সাধকের দিতে উদ্থারা শধাননীতর 
চিন্নয়বন্তরূপে প্রতিভাত “হয়! তখন পুত্রকে দেখিলে ্ ক, 
ভগবান চিদাননদ-ঘন-বিগ্রহরপী বালকমুস্ঠি ধারণ কা আঁ কৈ: 
বাৎসল্যা-রমে অভিষিক্ত করিতেছেন 1 কন্ঠাকে দেখিয়া মনে' ইন: 
হৈমবতী উমা আমাকে ধন্য করিবার জন্যইতো! বালিঙ্কাবেশে আমার 
সমীপে সমাগতা হইয়াছেন! প্রিয়তমার পর্চবিধ সেবাতে'& বা 
্রেমালিঙ্গনে প্রেমিক সাধক মনে করেন--প্রিয়তম ভগবান অভি 

























পাশে ধর! | দিয়াছেন  এইরপে সাধক সংসারের থা রিডার 
সর্ববিধ চেতন বা অচেতন বস্তর মধ্যে ইন উর 
* স্বামী স্ত্রীর মধো ভান যথা £--(১) গতির- সমীগে 
থাকিয়া জ্ঞানোপদেশ শ্রবপাদিতে শান্ত-রস; (২) পাদ স্বেনাদিতে 
দবাস্ত-রস; (৩) প্রমোদ এবং বিলাদাদিতে সথ্য-রস। (8) আহার 
প্রান কালে বাৎসল্য-রল এবং (৫) সর্ধতোভাবে আত্ম-নিবোনে ৭ 
তক্মপনভাবে নিয়ত পরিচিস্তনে মধুর-রসের অভিব্যক্তি হইয়া থাকে । 











৯:25 


১৮ | রত তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


দর্শন ও অনুভব করিয়া পরমানন প্রাপ্ত হন ।_ ইহাই চ্রী-সাধনাতে 
মধুময় এবং অস্ৃতময় প্রেমানন্দের স্তর ।_(১২) 
... তাবে নুষ্যতাং তদ্বদধিকারং তখৈন্ববমূ। 

_ কৌবেরমথ যাম্যঞ্চ চক্রাতে বরুণস্য চ ॥৩ 

_ তাবেৰ পবনপ্ধিঞ্চ চক্রতু বহিকম্ম চ॥৪ 

সত্য বিবরণ। সেই উভয় অস্থর, স্থধা, চন্দ্র, কুবের যম এবং 
বরুণের অধিকার ভোগ করিয়াছিল ।--(৩) ॥ তাহারা উভয়ে পবনের 
অধিকার এবং বহ্ছির অধিকারও ভোগ করিাছিল ( এবং অন্তান্ত 
 আবাণের , ,অধিকারও গ্রহণ করিয়াছিল )1--1 ৪) 
ৃ . তররসযা। ুর্ঘ্য-_চক্ছ এবং প্রানের. দেবতা প্রাণে প্রাণে সর্ধোতো- 
ভাবে অন ভাব বা ভগবংলীলা অন্ুভর এবং চক্্দারা অন্তরে বাহিরে 
রে 'আরতপ দর্শন বা দ্যানাদিদ্বারা প্রমন্তা লাভ করাই দেহস্থসুধ্য-দেবতার 
4 অধিকার ভোগ । দেবতাগনের অধিকার ভোগ সম্বন্ধে মধ্যম থণ্ডে 
_.্রাটাসুট আলোচনা করা হইয়াছে তথাপি এখানে সংক্ষেপে কিঞ্চিৎ 
রে আলোচনা কর! প্রয়োজন । কাম-কামনার স্থশোভন মৃষ্ঠি শুল্ত এবং 
_ তেঙ্জোময় ক্রোবমৃনতি নিশুস্ত সুধ্য-দেবতার অর্ধিক” নিজেরাই ভোগ 
করিতে লাগিল-_অর্থাৎ বিশুদ্ধ চিত্-ক্ষেত্রে ভগবত ধ্যা*. নীলা পরিচিন্ত- 
নি বারা ল্ধ তম্মরতা ও সাধকের আননদভাব নি এরিয়া প্রারন্ধ 
 র্মানথযা়ী কাম-কামনামূলক আন্মরিক চাঞ্চলোর দেলন প্রকট্‌ 
করিল। ইনু বাচন্দ্র_নের অধিপতি দেবতা । মনে ক্ষেত্রে ন্ 
রা নর অভাব এবং নিশ্তরঙ্গ ভাবে ভগবৎ বিষয়ক পরমভাব ধারখা 
সারা চিত্তের পরিতুষ্টি সম্পাদন, কিস্বা খেচরী সাধনা দ্বারা স্থধা-রস পান, 
করাই দেহস্থ'চন্দ্র-দেবতার অধিকার ভোগ--ইহাই সাধকের সোম-যজ্ঞের 
অনুষ্ঠান বা আনন্দগ্রদ সোম-রস পান দ্বারা আত্ম-তুষ্টি লাভ। কুবের-_ 

















শিকার ভোগ চা 


পাথিব ধন এশ্বধধ্যাদির অধিপতি; পাধিব এশ্বর্ষোর মধ্যেও ভগবত আধুষ্য 
অন্থভব করা, কিন্বা পাথিব ধনদ্বার] ধর্ধ কাধ্যাদি সদনুষ্ঠান এবং যথাসাধ্য 
পরোপকারাদি মহৎকার্ধ্য সম্পাদন করাই কুবের-দেবতার অধিক 
ভোগ। যম- পায়ু ইন্দ্রিরের অধিপতি; দেহের পক্ষে যাহা অপরারী 
এবং অপবিত্র মলস্বরূপ, উহা! বিদূরিত করিয়া বিশুদ্ধি সম্পাদনপূর্ব্ক 
দেহকে ভগবৎ মন্দিরবূপে পরিণত করাই যম-দেবতার অধিকার ভোগ ।' 

বরুণ-_রসনেন্ত্রিয়ের অধিপতি ; সাধক যখন ভগবত প্রীত্যর্থে আহা 
বস্ত গ্রহণ করেন, কিম্বা সর্ধবিধ আহাধ্য বাঁ ভোগ বস্ত মান্বাদনে' যখন, 
অনুভব করেন-_সর্ববাস্তবামী ভগবান এ সকল ভোগদ্ধারা স্বয়ং পরিতৃপ্ত 
হইতেছেন। তখনই বরুণদেব ষথার্থভাবে অধিকার ভোগ করিয়া 
থাকেন। পবন-স্পর্শ বা ত্বগেন্তিয়ের অধিপতি ; অনিলের ুখয়, 
ও শান্তিময় স্পর্ণকে জগন্মাতার সুকোমল ন্বেহময় আত্মহারা ্পর্ণরূপে 
অনুভব করা; কিস্বা প্রলয়কারী প্রভগ্রন মৃষ্তিকে ভান জের ক... 
ক্র মৃষতিরূপে দর্শন এবং অন্থতব করিয়া সম্রন্ধ অভিবাদন ঝরাঁও 
পবন-দেবতার অধিকার ভোগ । আগ্নি- বাগিক্ডিয়ের পতি রি 
মহাশক্তিময় ভগবানের নাম-জপ, লীলা-কীত্তন বা -হাত্ম্য প্রচারাদি 
ধন্ম কাধ্যই বাগিস্দিয়ের সার্থকতা; এতংবাতীত মহাসস্বতীই বা 
সমূহের অধীশ্বরী কিন্বা স্বয়ং বাকারপা, এপ প্রতাক্ষান্ভৃতিও অনি 
দেবতার অধিকার ভোগ। এইবূপে লাধকের বিশুদ্ব-ক্ষেত্রে 
ইন্ত্িয়াধিপতি দেবগণ যথাযথভাবে তাহ .র স্ব স্ব অধিকার ভোগ 
করিেছিলেন, কিন্তু শুস্ত-নিশুস্ত কর্তৃক দেবভাব সমূহ পরাভূত বা. 
অভিভূত হওয়ায়, সাধকের চিত্তে বা কারণময় ক্ষেত্রে অনিচ্ছাসত্বেও 
পুনরায় দেবভাবের বিপরীত ও বিরোধী আন্থরিক ভ ভানু উদ্ধত 
হইল, ইহাই তীৎপর্য্য | (৩1৪) 











২০. ী্রীচণডী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


ততে। দেবা বিনির্ধ.তা অষ্টরাঁজ্যাঃ পরাজিতাঃ | 

হৃতাঁধিকারা স্ত্রিদশাস্তাভ্যাং সব্রে নিরাকৃতাঃ। 

মহাস্থুরাভ্যাং তাং দেবীং সংস্মরন্তাপরাজিতাম্‌ ॥ ৫ 

তবয়াম্মীকং বরোদত্তো যথাপৎসু স্বৃতাখিলাঃ। 
_. ভবতাং নাশয়িস্যামি তৎক্ষণাৎ পরমাপদঃ ॥ ৬ 

ইতি কৃত্বা মতিং দেবা হিমবন্তং নগেশ্বরমূ। 

জগুস্তত্র ততে। দেবীং বিষু্মায়াং রুষ্ট ॥ ৭ | 

সত্য ৰিবরণ। অনন্তর পরাজিত রাজা-্র্ট অধিকার চাত ও 

ভরর-কল্পিভ দেবগণ, লেই ছুই মহান্থুর কর্তৃক স্বর্গ হইতে দূরীরুত হইয়া 
অপির দেবীকে স্মরণ করিয়াছিলেন। --(৫)॥ তিনি. 
জআয়াদিগনকে এইকপ বর প্রদান করিয়াছিলেন_“আপৎকালে তোমরা 
উাথাকে ন্মরণ করিলে, আমি তৎক্ষণাৎ তোমাদের পরম আপদ বা. 
ফছাবিপদসূহ সমূলে বিনাশ করিব” | --(৬)| দেবগণ এই চিন্তা 
করিয়া পর্বতরাজ হিমালয়ে গমন করিলেন এবং তথায় দেবী. 
বিষয়কে স্তব করিতে লাগিলেন । --(৭)। | রী 

তত্ব-স্থধা। সাধক বিশুদ্ধ-ক্ষেত্রে উিত হইয়া আধ্যাত্মিক 
সমুন্নত অবস্থা প্রাপ্ত হইলেও, আস্থরিক কারণজাত উদ্বেলন প্রভাবে 
পরাজিত হওয়ায়, অত্যন্ত ভীত হইয়াছেন; কেনন| এরূপ উন্নত হইয়া 
যদি আস্থরিক ভাবের প্রাবল্যে পরাজয় বা পতন সম্ভব" হয়, তবে: র্ 
চরম অভীষ্ট লাভ সথদূরপরাহত বলিয়া প্রতীয়মান হও) স্বাভাবিক ; 
কেনন! এই অবস্থায় নৈরাপ্যের অন্ধকার আসিয়া সাধকের বিশুদ্ধ অস্তর 
প্রদেশ অধিকার করে এবং তাহার সন্তাবরাশির ক্রিয়াশীলতাও সামকিক- 
ভাবে শিখিল বা নিষ্ছিয় হইয়া পড়ে। এই সব কারণ উপলক্ষ করিয়াই 
মন্ত্রে সাধকের দিব্যভাবরূপী দেবগণকে বিশেধিত করা হইয়াছে-- 








আশার জ্যোতি; : ২১ 


'পরাজিত, রাজাতরষ্ট হৃতাধিকার এবং ভয়-কম্পিত” ! এবন্বিধ ছুঃখময় . 
অবস্থায় সাধকের একমাত্র আশার জ্যোতিঃ _-জগন্নাতা অপরাজিতা 
এবং তাহার অহেতুকী কুপ1! তাই মাতৃলাধক গাহিয়াছেন_-“নিরাশ 
আধারে মাগে, তুমি যে আশার জ্যোতিঃ। এখানেও ব্রিতাপ- | 
তাপিত ভীত সাধকগণ অপরাজিত! মাকে পুনঃ পুনঃ স্মরণ পূর্ববক, 
সর্বতোভাবে তাভাব শরখাগত হইয়া স্তবপরায়ণ হইয়াছেন। স্তব-স্তুতি 
দ্বারা যে নিজেদেরই অশেষ কল্যাণ সংসাধিত হইয়া থাকে, এবিষয়ে 
মধ্যম খণ্ডেও বিস্তারিতভাবে আলে।চনা করা হইয়াছে । 

দুর্গা মা ইতিপূর্বে দেবগণকে বর দিয়াছিলেন যে, ঘোর বিপদে 
পড়িয়া তাহাকে স্মরণ করিলে, তিনি আসিয়া সর্ব্ববিধ বিপদ হইতে 
বিমুক্ত করিবেন; কিন্তু ইহা শুধু দেবগণের প্রতি বর নহে ইহা যে 
বরা! বা বরাভয়-করা অভয় মায়ের নিত্য ও চিরন্তন স্বভাৰ--. 
তিনি যে প্রেম করুণায় সদা পরিপূ্ণা, দু্গতিহরা দুর্গা, সুধা বিতরণ: 
কারিণী অন্নপূর্ণা! তাই শ্রীমুখে বছবার ষলিয়ছেন-“এই পে যখস.. 
যে কোনভাবে আস্থরিক অত্যাচার সংঘটিত হইবে, তখন সেইভাবেই 
আমি আবিভূর্তী হইয়া, শক্র সংহার করিব। ॥ এই প্রকারুবহ 
আবির্ভাব লীলা ও অভয় বাণী, দেবী মাহাজ্বোে এবং অন্তান্ত শা 
. গ্রন্থে বিবৃত হইয়াছে । দাধক যখন পাথিব এবং অপাধিব “পরম 
আপদ? বা মহা উৎপাত দ্বারা সন্ভাপিত হন, যখন পারিপাঙ্থিক 
তমোগুণমন়্ অবস্থার গীড়নে তাহার অন্তরে বাহিরে চতুদ্দিকে নিরাশার 
ঘন অন্ধকার ঘনাইতে থাকে, তখন করুণারূপিণী জগদন্থা মা, সাধকের 
তিতাপ-তাপিত নিরাশ হৃদয়ে নানাপ্রকারে সান্তনা প্রদান করেন 
ক্রমে জ্যোতিরূপে সাধকের হ্ৃদয়াকাশে উদিত হইয়া! তাহার র্কাবিধ ্ 
সম্তাপ হরণ করিয়া থাকেন। সাধক তখন বলোদ্দীপ্ত হইয়া অঙ্জুনে 















টু রঃ নর তত্ব ও সাধন-রহস্য 
মত বলিয়া উঠেন--“করিষ্বে বচনং তব” হে জগদদ্থে! তুমি 
: যাহা করাইবে, আমি তাহাই করিয়া যাইব মামার হন আর কিছুই 
ৎ 1 আমি সাক্ষীরূপে দেহ-ক্ষেত্রে তোমার লীলা খেলা প্রতাক্ষ 
করিব এবং তোমার আদেশ প্রতিপালন করিয়া কৃতার্থ হইব । তাই 
- সিদ্ধ মাতৃসাধক গাহিয়াছেন__ 
_. পভভাল দিবি মা “তাই তাই" আমিও বলব “তাই-ভাই?। 
যা বলবি তুই আমারও তাই, তাই বলি মা তাই তাই” ॥ 
যৌগিক ব্যাখ্যায়_মেকুদওই দেহস্থিত হিমালয়ন্পে 
টা ধারণক্ষম ও শক্তিশালী করিয়াছে; এই হিমালয়রপী 
রি শানে অধিষ্ঠান ০ ক্ষেত্র, কৈলাস ধাম টি নগর 
রি. বা পরমাত্ম-লোক এবং ভন্তগণের গ্লৌলক বা নিত বৃন্দাবন ধায় । 
স্ক্তের আকুল আহ্বানে বাঁ আকর্ষণে বিচলিত হইয়া ভগবান বা ভগবতী 
রঃ ইউ দেব-দেবীরূপে দ্বিদলে অবতরণ পুর দর্শন দানে এব) অতীঃ পুরণ 
 ক্কতার্থ করেন। বিশেষতঃ দ্বিদল পন্মই মহাশৃন্তমর ! না 
এবং পরম তীর্ঘন্বরূপ ; এজন্য সাধকের ই দেব-দেবীর দর্শনা 


দা 











_অনাহত চক্রে সাময়িকভাবে সাধিত হইলেও, রা 
ক্ষেত্রেই সম্পন্ন হইয়া থাকে ; আর সহশ্রার পদ্ুটা .. বাপ 1 এজন 
_ ষট্চক্র ভেদ হইয়া সহশ্ারে গমন করিতে দার এল বা.জ্ঞানী 
_পরমাত্বার সহিত যিলিত হইরা নিব্বিকল্প সমাধি 1 ত্রক্গনির্্বাণ লাভ 
করেন-_-আব ভক্ত সচ্চিদানন্দময় নিত্য-দেহ লাভ করিয়া নিতয-লীলায় * 
প্রবেশ করেন ।_ভগবৎ ইচ্ছা ব্যতীত সেখান হইতে সহজে পুনরায় 
ডি কপ “সহস্রপত্র কমলং গোকু লাখাং শুচিস্মিতে। তংকর্ণিকা মহদ্ধাম্‌ 
| রুকন স্থানমুতমম্‌ ॥”-_বাস্থদেব রহস্ত তন্ত্। 





বিষ্ু-মায়া 


ক্গাগতিকভাবে ফিরিবার আর সম্ভাবনা থাকেনা! 1 এসব কারণে দবগণ, 
কুগুলিনী শক্তির সাহাযো পর্বতরাজ হিমালয়ের উচ্চ শৃদরপ আঙ্ঞাচকে 
সমুখিত হইলেন এবং বিশুদ্ধ মনোমদ্র ক্ষেত্রে সমবেত ও সমাহিত রর 
হইয়া বিষু-ঘায়। ভগবতীর স্তব করিতে লাগিলেন । * 
বিষুকুমায়া ভগবতীকে প্রসন্না করিতে পারিলেই অনায়াসে র্বাবাধা 
প্রশমন এবং সর্ববাভীষ্ট পূরণ হইয়া থাকে । তাই ব্রজলীলায়ু গোগীগণ রঃ 
্রীকৃষ্ণকে পতিরূপে পাইবার জন্য একমাস ব্যাপী কাতায়নী মায়ের পূজা 
করিয়া প্রার্থনা করিতেন_-হে মহামায়ে দ্রেবি কাত্যার়নি! আপনি 
মহাযোগিনী এবং সমস্ত সম্পদের অধীশ্বরী, আপনাকে পুজা করিয়। 
আমরা এই প্রার্থনা করিতেছি যে, শ্রীনন্দ-গোপ-নন্দন ্রকষ্জকে আমরা 
_ ষেন পৃতি পে প্রাপ্ত হই, আপনাকে প্রণাম জানাইতেছি”। মহামায়ার 
| কৃপায় অ্সতান্তে গোগীগণের কামনা সিদ্ধ হইয়াছিল। বিষু-মায়া 
সমন্ধে বিজু পুরানের উক্তি__“দর্বভূতের আত্মা স্বরূপ বিষ্ণুর ্বরূপভূতা 
চিত্শক্তি বা বিষু-শক্তি দ্বারা অধিষ্ঠিত প্রধান (প্রকৃতি) ও. পুরুষ, 
নিয়মা-নিয়্ত্ব বা কাধ্য-কারণভাবে অবস্থিত সেই চিংশকিই প্রলফ, 
কালে গ্রধান ও পুরুষের বিচ্ছেদের কারণ, সবিতিকালে স সংযোগের কারণ 
এবং কুষ্টিকালে ক্ষোভের কারণ হয়” * | . 
জীবত্বের অভিমান সহজে নষ্ট হয়না; কোন কারণে যা? মাতার 
উহা] সামরিক ভাবে নাশ হইলেও, কারণাংশ হইতে পুনরাম্ন & ভাব 
প্রকট্‌ হওয়ায় সম্ভাবনা থাকে । অভিমান 'জীব মহাশক্তিময় ভগবান 
বা সদগরুর মহত্ব শরেষত্ব 'এবং প্রভৃতবের নিকটে সঙজে অবনত বাঁ 
শরণাগত হইতে চাছে না; তবে ধাহারা সদগুরুর আশ্রিত ও রুপা- 
প্রাপ্ত তাহারা স্ব-স্ততির মধ্য দিয়। অনায়াসে উন্নত হইয়া অভীষ্ট লাভ 


স্দীপিপাশপপপিপপশ পপি পিসপপী শিমলা 


৯ বিষুপুরাণ, দ্বিতীর অংশ সপ্তম অধ্যায়__২৯1৩০ স্লোক। 











০০ উরি প্পীপীপিপাপ শাপিশাাপিশপিদি শীপীপাত 


রহ 


১ ২৪. | রশ্রচতী- তত্ব ও সাধন-রহন্য 


রর করিতে সমর্থ। ী শ্রুতি বলিয়াছেন__“আচাধ্যবান্‌ পুরুষো বেদ, 
আচাধ্যাদেব বি্তা বিদ্বিতা তরতি শোকম্”। 
অর্থাৎ, যিনি আচার্য বাঁ সদ্‌গুরু লাভ করিরাছেন, তিনিই আত্মাকে 
বা. ভগবানকে জানিতে পারেন, তিনিই শ্রীপ্তর হইতে সর্ববিষ্া লাভ 
করত শোক-দুঃ খময় সংসার-সাগর পার হইয়া থাকেন। আত্ম- কপা, 
ঈদ্র-কপা এবং গুরু-কুপা, এই ত্রিবিধ কৃপা দ্বার! যখন, দেহেঙ্্রির 
 পরিতৃপ্তির ছুশুরণীয় মোহ এবং আকাথ্ধা বিদুরিত হইয়া ইষ্ট দেব- 
দেবীতে প্রীতি সংস্থাপিত হয়, তখন সাধকের কঠিন হৃঘয় কোমল হইয়া 
স্বাভাবিক ভাবেই ্রদ্ধা-ভক্তিতে অবনত হইতে থাকে ! দেহাত্ম-বোধে 
গঞ্িত জীব-ভাঘকে অবনমিত ও প্রেমভাবে বিভাবিত টি 
ভব-প্রণামাদির অন্যতম উদ্দেস্ট | | - 
প্রণাম ও স্তব-স্তুতি সাধন-পথের বিশেষ ২ সহায়ক), ্ রি রী 
কি ক যোগী, কি জ্ঞানী কি ভক্ত, সকলেই উহা দ্বারা উপরুত ও লাভবান 
হইয়া থাকেন। অহংকারী জীবের মন্তক সহজে অবনত হইতে 
জঙ্েনা; তাই জীব-ভাবীয় অহংকারকে অবনমিত করিবার জন্ত 
জা্টীনকালে, বালাকাল হইতেই পিতামাতা প্রভৃতি গুরুজনকে 
খ্রোভিনিন চি করিবার জন সকলকে শিক্ষা দেওয়া হইত। ইহা দারা 
রর পাকার নীগণের  দ্াততিঃ প্র ও মধুষয় হইয়া উঠিত এবং হা 
্বাভাবিকরূপেই দেবতাতেও ভক্তিভাব বিকাশ প্রাপ্ত হইত । আধুনিক 
যুগেও কিছুকাল পূর্বে ৬ঈশ্বরচন্্র বিদ্যাসাগর, স্তর গুরুদাম, স্তর: 
আশুতোষ প্রভৃতি মহাত্মাগণও জননীর পদধূপি গ্রহখান্তে প্রতিদিন 
বশ কর্মে প্রবৃত্ত হইতেন-_আনে হয়, এই প্রণামময় ভক্তিভাবই 
তাহাদের ভাবী জীবন সাফল্যমণ্তিত করিয়াছিল । প্রণামকারীর স্তরে 
্রণমা সন্ধে ্েঠত্ব বা গুরুত্ব ভাবের অন্নভূতি না হইলে, যথাযথ প্রণাম গাম. 


















স্তবের ফল | | ২00 


হইতে পারে না) স্থৃতরাং এবিধ উত্তম চিন্তা বা অস্ৃভূতির ফলে : 
তিতা অন্তরে ক্রমে গুরু বা..তষ্ট ভাবের বিকাশ হওয়া : 

স্বাভাবিক। প্রণাম ও স্তব-স্তিই শরণাগতির সুচনা বা পূর্বরাগস্বরূপ। 
শরণাগতিমূলক প্রণাষময় বিনম্র ভাবের উপরই ভাগবত-ধর্্ প্রতিষ্টিত। 
সর্বশাস্ববের সমন্বয়রূগী গীতাতেও স্তব-প্রণামের বাহুলা ও প্রশং লা ষ্ রি ; 
হর়। বিশেষতঃ প্রণাম ও স্ততি, প্রাণে অপূর্ব বাঞ্জনা ও মৃচ্ছন ৃ 
আনয়ন করিয়া থাকে ! উহ] দেহের মর্মস্থলে প্রবেশ পূর্বক দেহ মন ও 
প্রাণ মাতাইয়া তুলে_স্ততি ছারা দেহের সপরস্তর যেন ভেদ হইয়া যায় 
৮. এবং স্কুল সু এ কারণময় পরম সূহও যেন অভিনব তালে ও স্থরে৷ ্ 
বস্কার দিতে থাকে 1 তাই মর্রববিধ শাস্ত্রেই প্রণাম ও স্তব-স্তৃতির প্রাধান্ত 
িতাগিপ- চি নিজ অহংকারকে অবনমিত 











দেব। উচুঃ।॥ ৮ 
মো দেব মহাদেব্যৈ শিবাঁয়ে সততং নমঃ | 
নমঃ প্রকৃত্যৈ ভদ্রায়ৈ নিয়তাঃ প্রণতাঃ ম্ম তাম্‌।৯ 





[স্ব মন্ত্র পমূহের অন্থবাদ এবং শবাহগগত যাখা এখানে 
স্তবাকারে পর পর প্রদত্ত হইল; এতদ্যতীত বিশিষ্ট তাৎপর্য, লোক 
ব্যাখ্যার পর, বন্ধনী মধো প্রদত্ত হইল]... : 

দেবগণ বলিলেন-_দেবীকে প্রনাম, মহাদেবী শিবাকে নতত প্রণাম, 
 ভঙ্জ্া গ্রকতিকে প্রণাম, একাগ্রচিত্ত হইয়া ভাহাকে (জিগণাতীতা 
পরমাত্মময়ীকে ) প্রণাম 1-(৮৯)॥ হে সত্যন্থরূপিণি সময় স্বপ্রকা শা 
াজদলীলা দেবি! তোমার সথলরপকে আমরা পরা ক নে 









্ রীশ্রীচণ: ৬ত্ব ও সাঁধন-রহস্ত- 


মা তুমি মহৎ বা ব্রদ্মাদিকেও কষ্ট্যাদি ব্যাপারে প্রবত্তিত কর-_ তোমার 
সেই চিন্সরী জোতির্ঘরী স্প্মমৃত্তি মহাদেবী শিবাকে সতত প্রণাঘ 
করিতেছি । হে জগদদ্ধে! তুমিই সর্বমঙ্গলা ভদ্রারূপিণী মূলা 
প্রকাতি-তোমার সেই পরমানন্দময়ী কারণ-ৃত্তিকে আমর! প্রণাম 
. করিতেছি) মহাকারপরূপিণি মী! তোমার অবাউনসগোচণ অব্যক্ত 
 মুত্তিকে আমরা সংযত ও সমাহিত হইয়া ভক্তিভরে প্রণাম করিতেছি। 
হে মহামায়ে চণ্ডিকে! তোমার প্রথম চরিত্রের জগন্ঘত্ি তামসী 
.মহাকালী দেবীকে প্রণাম করিতেছি । তোমার মধ্যম চরিত্রের 
খজ্যাতি্দরী র্বানত্ধামীকৃষ্ চিন্মরী মহাদেবী : রাণী মহালক্ষ্মী বা. 
১ মৃত্তিকে প্রণাম করিতেছি । তোমার উত্তম চরিত্রের কারণরপিবী 
আহ্লাদিনী ভূত্্্ূপ। সাত্বিকী মহাসরম্বতী বা কৌষিকী-যৃত্তিকে 
প্রণাম করিতেছি। আর সর্ব মৃত্তির সম্বয়ভাবাপন্না মহাকারণ 
বা তুরীয়ভাবরূপিণী তোমার পরমাত্মমী মহাশক্তিকেও প্রণাম 
করিতেছি। হে নিরঞ্রনরূপিণি মা! তুনিই বিশ্বের সকল বস্তর স্থুল- 
শরীরাবচ্ছিন্ন চৈতন্য ; তূমিই তাহাদের স্থক্্রশরীরাবচ্ছিন্ন চৈতন্য, তুমিই 
এ'জীব-জগতে সকলের কারণাবচ্ছিন্ন চৈতন্ত; আবার তুমিই সমস্ত 
_ চৈতন্তের সমষ্টিভৃতা মহাজ্যোতিস্বরূপিণী নিরূপাধিক টচতন্য 
_ কেননা তুমি যে, “জ্যোতিযাং জ্যোতি: মহাদুাতিরূপিণী ! এবছিধা 
তোমাকে আমরা কায়মনোবাক্যে এবং আন্তরিক অব্যক্ত ও অপ্রকাহা 
শ্রদ্ধ/-ভক্তিসহকারে প্রণাম করিতেছি-তুমি প্রসন্লা হও1 ৯ « 

[ এখানে অধিকাংশ প্রণাম-স্তবের প্রত্যেক ক্লোকে চারবার করিয়া 
প্রণাম করা হইয়াছে ইহাতে যথাক্রমে স্থুল শুক্ম কারণ এবং 
ছুরীয়ভাব লক্ষ্য করা হইয়াছে; কিন্বা কণ্ জ্ঞান ও ভক্ষিমূলক এবং এই 
ভিভাব সমন্বিত প্রেমময় ভাবযুক্ত অবস্থাও উপলক্ষিত। ইহা ছাড়া 


. দেবী প্রণাম ৮ টিন 


কায়িক বাচিক ও মানসিক, এই ক্রম-সথ্মভাবযুক্ত ব্যক্ত অবস্থা এবং . 
তৎপর অব্যক্ত ভাব দ্বারা সশ্রদ্ধ আত্ম-নিবেদনের মহাভাবও প্রণাম-মন্ত্র 
সমূহে পরিব্যক্ত হইয়াছে। এতৎব্যতীত এইসকল স্তব-মন্ত্রে 
চতুর্বিংশতি তত্ব ক্রমে বিলয় করিয়া, জীবভাবকে বিশুদ্ধ করিবার 
পরম ভাবও নিহিত আছে; এবিষয়ে যথাস্থানে আলোচনা করা রঃ 
হইবে।] ৫ 
রৌদ্রায়ৈ নমে। নিত্যায়ৈ গৌ্্যৈ ধাত্র্য নমোনমঃ 0 
জ্যোতস্নায়ৈ চেন্দুরূপিণ্যে সুখায়ৈ সততং নমঃ 0১০ 
কল্যাণ্যে প্রণত। বৃদ্ধ্যে সিদ্ধ কুল্মো ঘা 
নৈখত্যৈ ভূভৃতাংলক্ষ্যে শর্বণাণ্যে তে নর 75 ্‌ 
বৌন্রাকে প্রণাম, নিতযা গৌরীকে প্রণাম, ধা্রীকে পুনঃ পুন: 
প্রণাম । চন্দ্র ও জোংন্াকূপিণীকে এবং স্বথস্বরূপাকে সতত প্র . 
কল্যাণীকে প্রণাম করি, বৃদ্ধি ও সিদ্ধিরূপিণীকে প্রণাম করি নৈষষ তি ) 
রাজলম্্ীকে প্রণাম করি, শর্বাণি (বা সর্বাণি) তোমাকে পুনঃ ছু: 4 
প্রণাম করি ।-(১০১১)॥ হে জ্ঞানময়ি কুর-শকিন্ধপা বৌন্রা। মা 
তুমি ভীষণাদপি তীষণা দারুণ সংহারিতরী তামসী তত ধারণপূর্বক 
মানবের দন্ত দর্প অভিমান চূর্ণ করত তাহাদের জ্ঞান-চস্কু উদ্িলন 
করিয়া জ্ঞান প্রদান কর; তোমার এই সংহারিশী গৌরী যৃত্িই সর্ববিধ.. 
সংহা'র কার্ধের পর অর্থাৎ প্রলয়ান্তে একমাত্র অবিকৃতা নিঙ্যা রূপেই 
অবশিষ্ট থাকেন। এইরূপে দূত ভবিষ্যৎ বর্তমান, এই ত্রিকাঙ্গের অনন্ত .. 
পরিবর্তনের মধ্যেও তোমার কোন পরিবর্তন নাই !--তাই তুমি নিত্য 
চির-যৌবনা গৌরীরূপা। হে বিশ্ব-প্রলবিনি বিশ্ববিধায়িনি মা! কু রা 
সংহার কাধ্যে নিরতা থাকিলেও তোমার জগক্জননীক বিবাহ দাঃ ্ 
তাই রি রজোগুণমগী ধাত্রী বা. বিধাত্রীপা হজমকারিণী - 



















২৮ প্রীঞ্ীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্থ 


তোমাকে নমস্কার। হ্ষ্ট বন্ধমাত্রকেই তোমার জ্ঞোতন্ারূপ 
স্থধাধারায় অভিষিক্ত করিয়া তুমি পরিপালন বা পরিপুষ্ট করিয়া থাক, 
তাই তুমি স্ধাময়ী ইন্দু বাচন্ত্রদূপা। এইরূপে তোমার সিদ্ধ স্থুশীতল 
জ্যোতম্নারূপটা জগতের শশ্যাদি ও উষধিসমূহ সম্পদময় ও পুষ্ট করিয়! 
জগতবাসীর সর্ববিধ স্থখ-সাচ্ছন্দোর বিধানপূর্বক জগত পালনের সহায়তা 
করিতেছে, তাই হে স্বখস্বরূপা পরমানন্দময়ি, তোমাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার 
করিতেছি। এইবূপে হে মঙ্গলময়ি মা! তুমি সর্ববতোভাবে জগতের 
কল্যাণই লাধন করিতেছ; তুমি জীব-জগতে সম্পদ অভ্যুদয় বা ধা. 
বিতরণ কর, তাই তুমি বৃদ্ধিরূপা, আবার সকল কার্ধ্ে তুমিই সিদ্ধি দান 
করিয়া থাক; এজন্য তৃষি, সিদ্ধিরপা- অতএব তোমাকে পুনঃ পুন 
নমস্কার .করি। হে সদসৎ রূপিণি মা! তুমিই ধাস্মিকের গে 
|শ্মরস্মীরূপে বা আন্মরী-শক্তি তামসী নৈখতিরূপে বিরাজ কর,' আ 
রঃ পরাণ রাজপূে রালক্ষ্ীরূপে অধিষ্ঠান কর। হে শিবশক্িনপাঁ 
 শরধাণি বা সর্ধারূপিণি। তোমাকে পুনঃ পুনঃ নমঞচ, '০৭১১)। রর 
:- ছুরগীয় ছূ্গপারায়ৈ সারায়ৈ সর্ববকারিণ্যে। 

_ খ্যাত্যে তথৈব কষ্জায়ৈ ধৃতায়ৈ সততং নম? ॥১২ 
... অতিসৌম্যাতিরৌদ্রায়ৈ নতাত্তন্তৈ নমোনমঃ। 
: নঙ্গো জগপ্রতিষ্ঠায় দৈব্যৈ কত্যৈ নমোনম:ঃ 


রস, ছুর্গপারা, সারা, সর্ধকারিপী খ্যাতি কৃষ্ণা এব'  গ্রাকে সতত 
নমস্কার। অতি সৌমা। অতি রৌত্রাকে. অবণত ইক পুনঃ. 
নমস্কার; জগংপ্রতিষ্ঠারপিণী মাকে এবং ক্ৃতীদেবীকে : বারঙ্কার 
ননড়ার /3২/0. হে ছ্গতিনাপিনি দুর্গে! . তুমি -ছুরধিগম্যা হজে 
চুলি দি সংসার..হইতে পরিআাপকারিবী এবং. সারা ৯৭ 



















দেবী প্রণাম... ৬. 
অর্থাৎ অসার-সংসারে সর্ধবশ্রেষ্ঠা স্থস্থিরা ও নিত্যভাবাপন্না__ তোমাকে 
আমর! ভক্তি শ্রদ্ধা সহকারে নমস্কার করিতেছি । হে বিশ্বজননি 
তুমিই সর্ধকারিণী রজ্োগুণময়ী ক্রিয়াশক্তিরূপিণী; তুমিই 
প্রকাশাঝ্মিকা সত্বগুণময়ী জ্ঞান বা খ্যাতিরূপা, তুমিই তামসী ধম! বা 
য্জাগ্নি-শিখাবূপা, আবার তুমিই ব্রহ্ষজ্ঞানময়ী কুষ্ণবূপা বা কৃষ্ঞা-_সর্ব- 
কারপরূপিণী মূলা প্ররুতি ; সমস্ত বিরূদ্ধ ধর্ম, তত্ব ও ভাবসমূহ তোমার. 
্হ্মজ্ঞানময় কৃষ্ণ রূপেতে বিশ্রাম লাভ করে বা বিলীন হয়! অতএব 
হে রুষ্ন্বরূপিণি মা! তোমাকে সতত নমস্কার ॥১২॥ হে ত্রিগ্ুণময়ি মা? 
তুষি তোমার সবত্বগুণময়ী সৌমা। মৃত্তিতে জীব-জগতে করুণাধারা এবং 
আনন্দ-স্থধা বিতরণ করিয়া থাক; তামসী অতি ভীষণ রৌদ্রা মৃত্তিতে 
বিষয়াসক্তি বা আসক্তির বস্তরসমূহ ধ্বংস করত শাসন ও নিধ্যাতনের মধ্য 
দিয়াও করুণা প্রকাশ করিয়া থাক! আবার রজোগুপময়ী কর্দরূপা বাঁ." 
কার্য প্রধানা ক্ৃতীশক্তিরূপে জগত প্রতিষ্ঠা করিয় বাক) অর্থাধাতুমিই-. 
প্রকৃতিরূপে জগতের উপাদান কারণ, আবার প্রতিষ্ঠা বা আশ্র পে 
তুমিই জগতের নিষিত্ব কারণ স্বরূপাঁ; অতএব হে ভিডিও দেবি! ]. 
তোমাকে বারগ্ার নমস্কার ।_(১৩) পা 

নমস্তস্তৈ নি ৬ রি নম নমোনমঃ র ১৬. ূ 

য। দেবী সর্ববভূতেষু চেতনেত্যভিধীয়তে । 

উট (১৭) নমস্তস্তৈ (১৮) বমস্তন্তৈ নমৌনমঃ ॥ ১৯ 

যে দেবী সর্বভূতে বিষুমায়া নামে অভিহিতা হন, তাহাকে নমস্কার, 
তাহাকে নমস্কার, তাহাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার । যে দেবী সর্বস্তে 
চেতনা নামে অভিহিতা, তাঁহাকে নমস্কার, তাহাকে নমস্কার, ! হাত 














৩৪ পা শ্ীত্রীচ্ী-তত ও সাধন- . ্ রঃ 


বিগত এবং ভ্রিগুনময়ী নারায়ণীরপে হ্র-নর কর্তৃক পৃজিভাঁ” হইয়া 
খা; তাই দেবগণ তোমায় ভ্তব করিয়াছিলেন-__“গণাশ্রয়ে ওণময়ে 
নাবায়ণি নমোহিস্তব তে*_এইরূপে তোমারই একাংশে ভ্রিগুণময় বিকার 
বা পরিণামযুক্ত জীব-জগন্সয় ভাব, আবার অপরাংশ গুণাতীত নিষ্বিকার 
বা অপরিনামী স্বরূপ ভাব। হে পরব্রন্ব-শক্তি-রূপিণি মা! তুমিই 
 ভ্িগুশময়ী বিষ্ণুমায়ারূপে ভ্রিধা-বিভক্ত হইয়! ক্রিয়া ইচ্ছা ও জ্ঞান 
. শক্িরূপে হুষ্টি স্থিতি ও লয়াদি কার্য সম্পাদন করিতেছ। তুমিই 
_বিষুঁযায়ারূপে জীবের বন্ধন ও মুক্তির একমাত্র কারণ; কেননা সমস্ত 
বিরুদ্ধ ভাব ও ধর্ধের একত্রে সমাবেশ একমাত্র তোমাতেই সম্ভব | 
হে মহাশক্তিরূপিণি মহামায়ে! তুমি স্বীয় অতুলনীয় মায়ার প্রভাবে 
 অসীমকেও সসীমরূপে প্রতিভাত কর, বিশ্বাতীত পরম পুরুষ বিশ্বেশ্বরকেও 
_বিশ্বরূপে পর্যবসিত করিয়া থাক; আবার অকাল পুরুষকেও, কালপুরুষ * 
বা যজ্ঞ পুরুষরূপে পরিশত করিতে সমর্থ! অতএব হে মহিমময়ি মা! 
তোমাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার | 

 মহামারার উপরোক্ত গুণময় ভ্রিধা ভাব এবং গুণাতীত স্বরূপ 
ভাব লক্ষ্য কক্গিয়াই প্রণাম মন্ত্রসমূহে চারিবার নমস্কার করা 
হইয়াছে ]1--(১৪-১৬) | 
.* হেজ্ঞানমরি চৈতন্য- স্বরূপিণি মা! তুমিই নিষিবিক্ স্বরূপ-চেলনা, 
বা জ্ঞানম্বরূপা, আবার তুমিই সবিকল্প জ্ঞান বা জন্য-চেতনা-_-তোমার 
_ চেতনা সর্বজ্ঞ পরিব্যাপ্ধ থাকিলেও, বিশিষ্ট আধারের আধা শিয়া উহা 
_ বিশেষভাবে অভিবাক্ত হয় বা আত্ম-প্রকাশ করে; তাই তম. নিধ্বিকল্প: 
রঃ সবিকয্পভাবে জন্য-চেতনা স্বরূপা--ীবের বুদ্ধি, ন্হা? ধা 

ত্জ * কালপুরুষ_নাদি অনস্ত ব্যাপক নিরঞ্কন ও শাঙ্গতঃ। আর 
| চজকে সাদি, সাস্ত পরিচ্ছিন্, সাঞচন এবং অশাশ্বত।... 





দেবী প্রণাঙ্গ ডি এ ৩৯ 


তৃষ্ণা প্রভৃতি সমন্ভই তোমার জন্য-চেতনা এবং অনস্ত বিষয় ভোগের 
মধা দিয়াও তোমার জন্ত-আনন্দই অভিবাক্ত হয়; কেননা তোমার: 
চিদানন্ধ ওতপ্রোতভাবে বিজড়িত ! হে চিৎশক্তিরূপিণি মা! তোমার 
স্বরূপ বা তুরীয় চেতনাও ত্রিগ্রণময় হইয়া স্থুলে, বিশ্ব বা বিরাট্রূপে 
অর্থাৎ রাজসী ব্রহ্ধ-চেতনারূপে অভিবাক্ত, সুম্ধে তৈজন বা সাত্বিকী 
বিষ্ু-চেতনারূপে, আর কারণে প্রাজ্ঞ বা তামসী ঈশ্বর-চেতনারগ্রে 
প্রকটিত হইয়া ত্রিধা-বিভক্ত হইয়াছে। এইবূপে বিভক্ত হুইয়াও তুমি. 
স্বরূপ-চেতনারূপেই অবশিষ্ট ও নিত্যারূপে বিরাজিত ইহাই তোমার: : 
অপূর্ব মহিমা ও মাহাত্ময 1--(১৭-১৯) 
যা দেবী সব্বভূতেষু বুদ্ধিরূপেণ সংস্থিতা। 2. 

নমস্তান্তৈ (২০) নমস্তস্তৈ (২১) নমস্তাম্যৈ নমোনমঃ ॥ ২২. 

যা দেবী সর্ববভূতেষু নিদ্রারূপেণ সংস্থিতা। 

নমস্তস্তৈ (২৩) নমস্তস্তৈ (২৪) নমন্তস্তৈ নমোনমঃ ॥ ২৫. | 

য়ে দেবী সর্ধভূতে বুদ্ধিরূপে অবস্থান করিতেছেন, তাহাকে নমস্কার 
তাহাকে নমস্কার, তাহাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কীর ॥ যে দেবী সর্বভূতে 
নিত্রারূপে অবস্থান করিতেছেন, তীহাকে নমস্কার তাহাকে নমস্কার 
তাহাকে বারম্বার নমস্কার ॥ ২*-২৫॥ হে জ্ঞানময়ি বুদ্ধিঝপিণি 
মা! তুমি সত্বগুণের আদি বিকার-ন্বরপা মহতত্বম়ী, তুমিই বিশ্ব 
রন্মাণ্ডের সমষ্টি বুদ্ধিরপা; আবার ব্যষ্টিভাবেও তুমি প্রতি: জীবে 
নিশচযাস্তিকা .বুদ্ধিরূপে ক্রিয়াশীল হও । এইরূপে তুমিই: জীবের 

অন্তঃকরণে আত্মাভিমুখী বা ভগবৎ বিধয়ক সান্বিকী ুদ্ধির্ূপে প্রকাশিত 
হইয়া সুখ প্রদ্ধান করিনা থাক; পৃথক্‌ পৃথক্‌ বিষয়গোচর জ্ঞান বা. 
বৈষমিক,রাজনী বুদ্ধিরপে ক্রিয়াশীল হাঃ তুমি জীরকে ছাখ প্রদান 
করিয়া থাক; আর ছুমিই পরমার্থ বিরোধী কিনব পরের অনিষ্টকারী 












৩২ শ্রীশ্রীচণ্ডী-তত্ব ও সাধন-রহ্স্থ্য 


ভামসী বুদ্ধিন্ূপে প্রকটিত হইয়া জীবকে মহত কর; আবার এই 
সকল গুণময় বুদ্ধি বিশুদ্ধ করিয়া পরমানন্দ প্রা, নারী বিশুদ্ধ বুদ্ধিকপে 
... তুমিই আত্মগ্রকাশ করিয়া থাক! ্তরাৎ এবহিধ বিভিন্ন বুদিদপী 
.. ভোমাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার | [এই সকল স্বব-মন্ত্রে যে সমস্ত বিশিষ্ট : 
সুতি যা ভাব ক্রমে বিবৃত হইয়াছে, উহার ব্যষটিভাবে প্রতি জীব-দেছে 
র্‌ আর সমষ্টিভাবে বিশব-্ধাতর সরবত সর্বভাবে ক্রিয়াশীল 1-(২*-২২), 
নু হে নি্রারপিণি তামসী মা! তুমি জগতপতি বিষু। হইতে 
' কীটাহকীটি পর্যন্ত সকলেরই নিপ্রারূপে অবস্থিতা; এইরূপ তুমি জা 
সপ শু সবযুগ্ধ এই ভ্রিবিধ অবস্থাযুক্ত নিদ্রা দ্বারা বিশ্বের সকলকে 
| অভিভূত করিয়া শান্তি ও আনন, প্রদান করিয়া থাক। হে করুণামরি 
১ম! যখন জীবের ইন্দ্রিয় সমূহ কণ্ম করিতে করিতে অবসন্ন বা 
 শরিশ্রান্ত হইয়া পড়ে, তখন সেই সকল্‌ শ্রাস্তি ও ক্লেশ বিদূরিত করিবার 
জনতা, তুমিই তামসী মৃত্তিতে নিদ্রারূপে আবিভভূতা হইয়া জীবমাত্রকেই 
তোমার অভয় ও শান্তিময় ক্রোড়ে আশ্রয় দান করিয়া থাক! অর্থাৎ 
তখন তোমারই তমোগুণ জীবের কর্মময় অবস্থাকে অভিভূত ও আচ্ছন্ত্ত 
করায়, রজোগণমযী কর্ম-প্রচেষ্টা এবং ততবিষয়ক সন্বগুমর় জ্ঞান একে- 
বারে বিলুপ্ত হয়। এইরূপে তুমি তামসী নিজ্রামৃত্তিতেও জীব-জগতের 
শাস্তি ও আনন্দ প্রদান করিয়া থাক; অতএব ফিক মা! 


তোমাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার 1--(২৩-২৫) রর 
[ পঞ্চকোধময় জীব-দেহের সর্বত্র অর্থাৎ চারিটা অন্তঃকরণ এবং শট 


রা 0)... ণ 

















বছিঃকরণ (পঞ্চ জ্ঞানোক্তিয় এবং পঞ্চ করোনি) এই চঁতৃদ্িশ 'করণে 
্‌ যখন: চেতনা পরিব্যাপ্ত থাকে, তখনই জীবের জাগ্রত অবস্থা; তৎপর 
হইতে যখন. চেতনা সংহরিত হয়, তর্থনই তন্জাবস্থা আসে; 






বইতে কন সা ই লো 


ত্রিবিধ অবস্থা | ৩৩ 
কোষে অবস্থান করে-_উহাই জীবের স্বপ্লাবস্থাঁ। অনন্তর মনোময় 
কোষ হইতেও চেতনা সংহরিত হইয়া, যখন বিজ্ঞানময় ও আনন্দময় 
কোষে অবস্থান করে, উহা জীবের আননদপ্রদ সুযুণ্তি অবস্থা? 
এই অবস্থা মনোময়, (কোষের রা এজন লি়াডল উহার আরাম- 
না| এই হি খা এ | সাক খণ্ড প্রলয়) কেনা 
এই অবস্থায় দর্শন-শক্তি শ্রবণ-শক্তি প্রভৃতি ইন্ি-শ্িসমহ এব" 
কশ্মময় বীজসমূহ কারশাংশে বিলীন থাকে । এইরপে তযোস্তণ,, 
রজঃ ও সত্বপগ্ুণকে চাপিয়া রাখাহেতু ক্রমে শক্তিক্ষয় হইতে থাকে, তাই 
_ চিরকাল কেহ নিদ্রিত থাকে না, এবং স্বাভাবিক নিয়মে তমোগুণ ক্ষীণ 
হইলেই, কশ্মম্য রজোগুণ এবং প্রকাশখয় পত্বগুণ পুনরায় প্রবল হইয়া 
' দেহের জাগ্রত অবস্থা, অর্থাৎ খণ্-প্রলয়ান্তে পুনরায় স্ট্টির অবস্থা: 
আনয়ন করে। স্বল্প নিদ্রা--সান্বিক ভাবাপন্ন ; নিয়মিত নিত্রা-রাঙ্গস 
ভাবাপন্ন; দীর্ঘকাল ব্যাগী বা অতিনিত্রা-_তামস ভাবাপন্ন )--(২৩-২৫) 
যা! দেবী সর্বভতেষু ক্ষধারূপেণ সংস্থিতা। 
 তমস্তস্ভৈ (২৬) নমস্তস্তৈ (২৭) নমস্তত্তৈ নগ়োনমঃ ২৮ | 
যা দেবী সর্বভূতেষু ছায়ারূপেণ সংস্থিতা | রা 
নমস্তত্তৈ (২৯) নমস্তস্তৈ (৩০) নমস্তশ্যৈ নমোনমঃ ॥৩১ 
ঘে দেবী সর্বভূতে ক্ষুধারূপে অবস্থান করিতেছেন, তাহাকে নমস্কার 
তাহাকে নমস্কার তাহাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার ॥ যে দেবী সর্ধভৃতে 
ছায়াঁরপে অবস্থিতি করিতেছেন তীহাকে নমস্কার, তাহাকে নমস্কার, 
তাহাকে বারদ্বার নমস্কার ॥ ২৬-৩১| "হে জগক্জননি ! তোমার ক্ধাময়ী 
মৃত্তিই জীবকে বিষয়-সেবাতে বা ভোগে প্রবৃত্ত করে; আবার, ০ 
তোমার কপায় ভব-্ুধা বিদরিত হয়, তখন তোমার ক্লুধা মী মূর্তি 

























৩ 


1. 


| আদভিই-সাত্তিকী কা; বৈষয়িক উশবধা লাভের প্রচে্ট--রাদসী 


॥ 


3. 








৩৪. ্রত্রীচ্তী- তত্ব ও সাধন-রহস্য 


অস্বৃত পানের জন্য প্রলুন্ধ করিয়া মানবর্কেগবানের দি দিকে আকর্ষণ 

করিতে থাকে। এইক্ধপে তুমি ক্ষুধাময়ী বুভূক্ষ। মৃত্তিতে বিশ্বের সর্ব 

চাঞ্চল্য উপস্থিত কর; আবার অব্বপূর্ণ। মুদ্তিতে যথাযোগ্য ভোগা দানে - 
সমস্ত ক্ষুধা বিলয়পূর্বক শান্তি ও আনন্দ দানে পরিতৃপ্ত কর। হে 

সর্ববূপিণি মা! সমষ্টিভাবে তোমার ক্ষুধাময়ী ভাব যেরূপ ভগতের সর্বত্র 

ক্রিয়াশীল, মেইবূপ পঞ্চকোষমর় জীব-দেহেও তোমার জাব্বকী রাজী ও 

তামসী ক্ষুধা-মূত্তি সতত ক্রিয়াশীল; অতএব হে ক্ষুপানূপিণি মা! তুমি 

করুণা প্রকাশপূর্বক আমাদের ভব-ক্ষুধা নাশ করত আনন্দরূপ অমৃত্ত 

প্রদানে পরিতৃপ্ত কর; তোমাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার | 

ক্লময় কৌষে- পবিত্র নিরমিত স্িপ্ধ আমুবদ্ধক আহাধো 

ত্বকী: ছুধা। রদনার তৃপ্তিদায়ক বিভি্ন প্রকার ভোজো 


/ ৃতি--রাজমী ক্ষুধা। শরীয়ের পক্ষে অপকারী শান্স-বিরুদ্ধ বা. 





পরত আঙ্াধ্যে গ্রবথি-ভদসী কুধা। প্রাণময় কোষে. 
শাক শকিলাভের ইচ্ছা--সান্বিকী ক্ষুণ!-. ধিক শক্তিলাভের 
ধা-রাজদী। অপরের অনিষ্ট করিবার জন্য শক্তিন। চেষ্ট--তামসী 
ধা । মনোময় কোষে- বর্গ আত্মা বা ভগবানের প্রতি 


ধা; কুচিন্ত| কুতর্ক প্রতৃতিতে লিপ্ত হইয়া উহ্তা উপভোগ চেষ্ট-- 
তামপী ক্কুধ। বিজ্ঞানময় কোষে- সর্বত্র ভিত ও নিরদ্ুত 
অন্ৃভবেচ্ছা--সান্বিকী ক্ষুধা) আম্ম-কর্তৃ্  ৩ব--া 'জমী। 
 দ্েহাত্বাভিমান উপভোগ-তামসী ক্ষধার যা , আনন্দময় 


: কোষে-_আধ্যাত্মিক আনন্দ লাভের কষুধা-_সাত্বিকী ; বিষয়-সম্পদ ভোগ 
/- দ্বারা আনন্দ লাভের ্ধা--রাজনী। আর দেহেস্্রিয়ের পরিতৃপ্তি দ্বারা 
| জন্গ-আানন্দ লাভের স্কুধা-_তামসী ।]-(২৬-২৮) | 





ছায়া বা আশ্রয় 


হে ছায়ারূপিণি মা!--তোধারই পরমাত্মমরী ছায়া জীবাত্মীরূপে 
প্রতিফলিত হইয়া জীবকে আত্মময় ভাবে প্রতিষ্ঠিত করিয়াছে! 
তামারই শক্তিমর ইচ্ছা বাঁ সত্য-কল্পনা, জীব-জগতরূপে অর্থাৎ 
তোমারই ছায়া বা প্রতিবিদ্বর্ূপে উদ্ভাসিত হইয়াছে । এন্বন্ত 
স্বগত ন্বজাতীয়, ও বিজাতীয়, এই ত্রিবিধ ভেদ ভাবও তোমারই ছায়া বা 
প্রতিবিহ্বস্বরূপ। অতএব হে আত্ম-্বরূপিণি ! হে ভ্রিবিধ ভেদরূপিণি 
যা! তোমাকে পুনঃ পুনঃ প্রণাম । হে ছারারূপিণি মাতঃ। বৃক্ষাদির 
ছার়ার্ূপে আশ্রয় প্রদান করত, তুমিই জীবকে স্ুশীতল করিয়া থাক। 
তুমিই আবার ধান্মিকরূপে নিস্বার্থভীবে অনেককে ছায়া বা আশ্রয় দান: 
কিন্বা অভয় দাঁনপূর্ব্ক তীহাদের সর্বান্দীন মঙ্গল করিয়া থাক- ইহা 
তোমার সাত্বিকী ছায়া দান; তুমিই ব্লবানরূপে দুর্ববলকে আশ্রয় 
দানপূর্বক তাহাকে রক্ষা করিয়া থাক_ইহা তোমার রাজসী ছায়া ;*. 
আবার তুমিই ছুরভিসদ্ধিতে বা স্বার্থ সাধনের জন্য কাহাকেও সাময়িক 
ভাবে আশ্রয় দান কর-_-ইহা তোমার তামমী ছায়া! হে 
ছারারূপিণি এবং সর্বববিধ ছায়াতীতা৷ নিরগ্রনরূপিণি মা! তোমাকে 
বারখ্থার প্রণাম ।--(২৯-৩১) | . 

যা দেবী সব্বভূতেষু শক্তিরূপেণ সংস্থিতা। রে 

নমস্তস্তৈ (৩২) নমস্তস্তৈ (৩৩) নমস্তস্তৈ নমোনমঃ ॥৩৪. 

যা দেবী সর্ধবভূতেষু তৃষ্ণাবপেণ সংস্থিতা 

নমস্তস্তৈ (৩%) নমস্তস্তৈ (৩৬) নমস্তস্তৈ নমোনমঃ ৩৭ 

যে দেবী সর্বভূতে শক্তিরূপে অবস্থান করিতেছেন, তাহাকে নমস্কার, 
তাহাতে নঘস্কার, তাহাকে পুনঃ পুনঃ ননস্কার ॥ যে দেবী র্বভূতে রর 
ভৃষ্জান্নগে অবস্থিতি করিতেছেন, তাহাকে নমন্তার, তাহাকে নমন্ধার, . 
. তাঙ্াক্ষে বারম্বার নমস্কার ॥-(৩২- ৩৭) রি 
হি মা। তুমি ত্রিগুনময়ী ক্রিয়াশক্তি ইচ্ছা চঃ 


৩৬. | | ্ীত্ীচ্ী-ত ও সাধন-রহস্ত 


জ্ঞানশক্তিকপে সর্ববিধ হৃষ্িস্কিতি লয়াদি কাধা সম্পাদন করিয়া থাক; 
আবার সচ্চিদানন্দমরী স্বরূপ শক্তিরূপে অর্থাং 'এপ| সন্ধিনী, চিংরূপা 
সন্ধিদা এবং আনন্দরূপা হলাদিনী শ্িসৌ একমাত্র তোমারই 
ত্রিধা-বিকাশ | এইরপে বিশ্ব-ব্রঙ্গাণ্ডে বা দেহ-ত্রন্মাণ্ডে যা কিছু শক্তির 
ব্যক্ত বা অবাক্ত ভাব বিদ্যমান সমস্তই তুমি! বিশেষতঃ সর্বপ্রকার 
শক্তির প্রকাশে ব! বিলাসে তোমারই মতা চেতনা এবং আনন্দভাব 
নিহিত ও বিলসিত ! এইরূপে আত্ম-ভাবও শক্তিময়, আবার অনাঙ্খু- 
ভাবসমূহও শক্তি বাতীত আর কিছুই নহে! সুতরাং বিশ্ববক্ষাড 
 জীব-জগত সমস্তই সচ্চিদানন্দস্বরূপ ভগবান বা ভগবতীর অনন্ত শক্তিষ় 
উচ্ছাস! অতএব হে টৈতগ্যময়ি আননদস্বরূপিণি মহাশতি! তোমাকে: 
. পু পুন প্রণাম রা? ূ তা 


০. 11 
॥ 





তৃষ্ধারূপে ক্রিয়াঈীলা ; হু আনন তৃষা ভি বলেই টান 
পান করিবার জন্য বান্ত--বাশ্মিকের ধর্-তৃষা আনন্দের জন্য.) রুপথের 
ধনউিফাও আনন্দ লাভের নিষিত্ব; লম্পটের ামপটাও আনন্দ লাভের 
তৃষা পর্ধযবসিত ! অতএব হে তৃষ্ণাময়ি। তো বারস্বার প্রণাম 
. করিতেছি তুমি কুপাপূর্ক্রক বিষয়-ভোগে বিভৃ আনয়ন কর 
_ বানের প্রতি $ষিত চাতকের মত তৃষ্ণণ প্রদান কর, আমাদিগকে 
ধন্য ও রুতার্থ কর ॥-(৩৫- -৩৭)/ 
[স্থুল ভাবের তৃষ্ণাতে বা জলপানেও বিবিধ ও চাব বিদ্যমান; 
 যথা-শ্বচ্ছ জল বা দু'্ধপান_পান্বিক; সরবৎ সোড নশ্রত জল ব। 
“ চা পান__রাজপিক ; অবিশ্তদ্ধ ঘোল। জল বা মগ্য-পানেচ্ছা তামসিক ] 


... যা দেরী সর্বভূতেষু ক্ষান্তিরপেণ 'সংস্থিতা। | 
নক (৩৮) নমত্তততৈ (৩৯) নমত্তন্তৈ নমোনমঃ ॥ ৪৯. 


দয়াময়ী রঃ ৮০ ঃ না 
যাদেবী রবসতেঘু জাতিরপেণ স্থিত: 7 
নমস্তন্তৈ (৪১) নমস্তন্যৈ (৪২) নমন্তন্যৈ নমোনমঃ ॥ ৪৩. 
যে দেবী সর্বভূতে গ্ষাস্তি (ক্ষমা) রূপে অবস্থান করিতেছেন, 
তাহাকে নমস্কার, তাহাকে নমস্কার, তাহাকে পুনঃপুনঃ নমস্কার ॥ যে 
দেবী সর্ধভূতে জাতিরূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাহাকে নমন্কার, 
তাহাকে নমস্কার, তাহাকে বারম্বার নমস্কার ॥৩৮-৪৩। হে ক্ষ্ান্তিূপিণি 
মা! অনস্থদোষে দোষী জীবকে তুমি যদি ক্ষমা না করিতে, তাহা হইলে 
অন্স্ত কালেও জীবের মুর্তিলাভ সম্ভবপর হইত না! তাই তুমি 
করুণাময়ী ক্ষমা মুষ্ঠিতে আবির্ভতা! এজন্য তোমার পরম ভক্ত 
'শঙ্করাচাধধ্য বলিয়াছেন_-“আমার মত পাতকী কেহ নাই, আবার 
' তোমার যত দয়ামী বা ক্ষমাশীলাও কেহ নাই”। আর সাধকও, 
গাকিয়াছেন--“যোর অধিকার অপরাধ করা, তোমার করিতে ক্ষমা। 
চিরদিন হতে যুগ-যুগাস্তরে, এ সম্বন্ধ তোমা আমা”। হে হে করুণাযয়ি যা! .. 
যখন কেহ প্রতিকার করিতে সক্ষম হইয়াও ক্ষমার আশ্রয় গ্রহণ-করে, 
তখন তুমি তাহার হৃদয়ে সাত্বিকী ক্ষমারূপে আত্ম-প্রকাশ ক্র যেখানে 
কেহ প্রতিষ্ঠা লাভের আশাতে ক্ষমাশীল হয়, সেখানে তুমি রাজমী 
ক্ষমারূপে প্রকটিতা; আর যেখানে ভয় বা স্বার্থ সিদ্ধির জন্ত কেহ 
ক্ষমাপরায়ণ হয়, সেখানে তোমার তামসীভাব অভিব্যক্ত হয়; অতএব ৃ 
হে ক্ষমারূপিণি মা! আমাদের জল্ম-জন্মান্তরে এবং ইহকালে কৃত 
অপরাধ ক্ষমা করিয়! ভ্রিতাঁপ জালা! উপশমিত কর |--(৩৮-৪০) 
হে ভগবতি যা! তুমিই জগতের মঙ্গলের জন্য গুণ ও কর্খের বিভাগ ছ 
অস্থসারে ব্রাহ্ষণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূড্র এই চতুববর্ণ বা চারি জাতির -. 
টি করিয়াছ__এইরপে সত্গুণে রা্মণ রজোগুণে ক্ষত্রিয়, রজস্তীমোগুণ 


০১ 


। মিশ্রণে বৈশ্া এবং তমোগুণে ৪০১ জাঁতিরপে তোমারই চি পর. 















৩৮ শীট এস্ী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


বিকাশ। আবার সমগ্রিভাবে কৃমি গণময় মানব জাতি) আর 
সাম্প্রদায়িক ভাবেও তুমিই বিভিন্ন জাতিরূপে জগতে হ্থপ্রতিষ্টিতা হও! 
অতএব হে জাতিরূপিণি মা এবং সর্ববিধ জাতি-ভেদের অতীত 
 নিরঞন সত্ব রূপিণি মা! তোমাকে পুনঃ গুথাম-তুমি আমাদের 
-. হৃদয় হইতে জাতি-ভেদ্জনিত হিংসা বিদুরিত, করিয়া আমাদিগকে 
. বিশ্বপ্রেষে উদ্ধদ্ধ কর।-_(৪১-৪৩) - 
... ঘা দেবী সর্বভূতেষু লঙ্জারূপেণ সংস্থিতী। |) 

. নমস্তস্তৈ (8৪) নমন্তন্যৈ (8৫) রিতে অরে ॥ ৪৬ 

য! দেবা সর্বভূতেষু শাস্তিজপেণ সংস্থিতা । রর 

নমস্তস্তৈ (৪৭) নমস্তন্তৈ (৪৮) নমস্তন্তৈ নমোনমঃ ॥ %€৯ 

যে দেবী সর্বভূতে লক্জারূপে অবস্থান করিতেছেন, তাহাকে নমস্কার, 
তাহাকে নমস্কার, তাহাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার ॥ যে দেবী সর্বভূতে 
' শাস্তিক্ূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাহাকে নমস্কার, ভাহাকে নমস্কার, 
_ ত্বাহাকে কারম্বার নমস্কার ॥ ৪৪-৪৯ ॥ হে লজ্জারূপিণি মা! তুমি 
অকার্যে বিমুখত। বা লজ্জারূপে জীব-জগতে অবস্থিতি করাতে পাশবিক 
ভাব-বনুল সংসার, দেবভাবাপন্ন ও মধুময় হইয়াছে। পশু-পক্ষীর লজ্জা 
নাই, এজন্য মান্ব-জীবনে লজ্জাই তোমার কল্যাণগ্রদ সৌম্য ও শ্রেষ্ঠ 
অভিব্যক্তি। হে মঙ্গলময়ি মা! যেখনে শান্ত্-বিধি নান্ত বা পালন 
করিবার জন্য অকর্মমে লঙ্জা আসে, সেখানে তোমার সান্বিকভাবের 
বিকাশ; যেখানে আত্ম-প্রতিষ্টার্থে বা ধশ অঞ্জন রি জন্য লক্ষ 
হয়, সেখানে তোঘার রাজসী ভাবের অভিবাক্তি; আর যেখানে 
অপরকে প্রতারণার জন্য, কিন্বা! লোকে ঠাট্টা করিবে এপ আশঙ্কায় 
অধকার্থো বিমুখতা বা চক্ষুলজ্জা উপস্থিত হয়, মেখানে তোমার তামপিক 
লঙ্জা গ্রকটিত হয়। অতএব হে জলা! চা 805 রী 

পুনঃ পুনঃ গ্রণাম 1--(৯৪-৪৬), 
৫ ৃ 














শাস্তি ও শ্রদ্ধা | ৩৯ 


হে শ্াস্তিরপিণি ঘা! যেখানে ইন্জিয় সংযম বা চিত্ব-বৃত্তি নিরোধ 
হয়, সেইখানেই তুমি শাস্তিমৃগ্তিতে অধিষ্ঠান করত সাধকগণকে আনন্দ ৃ 
প্রদান করির] থাক । তুমিই শাসন্্র-বিধি পরিপালনে সাত্বিকী শাস্তিরূপে 
প্রকাশিত হও) আত্ম-প্রতিষ্ঠাকামী সংষমীর হৃদয়ে তুমি 'রাজনী : 
শাস্তিক্বপে অভিব্যক্ত হও; আবার অনিষ্টকারী বা কপটাচারী লমীর 
নিকটে তুমি তামসী ভাবে প্রকটিত হও! অতএব হে প্রপান্ধিময়ি ঘা 
তুমি দাব-দগ্ধ ংসার-মকুতে শাস্টিবারি অভিসিঞ্চন করত জীব-জগথ 
স্গীবিত ও সমুস্তাসিত কর ! তোমার চরণে বারস্থার প্রণাম ।--(৪৭-৪৯), 
যা দেবী সর্বভৃতেষু শ্রদ্ধারপেণ সংস্থিতা। 
নমস্তন্তৈ (৫০) নমস্তন্তৈ (৫১) নমস্তন্তৈ মমোন মঃ॥৫২ 
যা দেবী সর্ধ্বভূতেষু কাস্তিরপেণ সংস্থিতা ৷ ডু 
৪৯ (৫৩) নমস্তন্তৈ (৫৪) নমস্তত্তৈ নমোনমঃ 1৫৮ * 
যে দেবী সর্ববভূতে শ্রদ্ধানূপে অবস্থিতা তাহাকে নমস্কার, কাযাকেন : 
নগ্কার তাহাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার ॥ যে দেবী সর্বভূতে কান্তিরূপে : 
অবস্থান করিতেছেন তাহাকে নমস্কার, তাহাকে নমস্কার, তাহাকে 
বারগার নঘস্কার ॥--(৫০-৫৫) 
হে শ্রদ্ধীরূপিণি মা! তুখিই শাস্ত্র বা গুরুবাক্যে বিশ্বাস বা. 
আস্তিক্যবুদ্ধিরূপা শ্রদ্ধা। ঘিনি সর্বত্র এক বা ব্রহ্ববুদ্ধিতে ভগবানের : 
উপাসনা করেন, তাহার প্রাণে তুমি শাত্বিকী শ্রদ্ধারপে প্রকাশিত হও, 
যিনি ভেদ বুদ্ধিতে বিভিন্ন দেবতার পূজা বা উপাসনাদি করেন, তাহার 
হৃদয়ে তুমি রাজসী শ্রদ্ধারূপে অভিব্যক্ত হও) আর যে ব্যক্তি অপরের . 
অনিষ্ট করিতে পারিবে, এই বিশ্বাসে পুজা বা যজ্ঞাদি করে, তাহার ; 
নিকটে.ভুমি তামসী শরন্ধারূপে প্রকটিতা। অতএব হে শস্ধারূপিণি না 
এবং শ্রদ্ধাতীতা স্বর্ূপবিভাবিনি মা! তোমাকে শত শত, ধাম, 








৪০ ্ীক্ীচডা-তৰ ও সাধন-রহস্য 


হে কাস্তিক্বপিণি সৌনদ্ধাময়ি মা! যখন সাধক নিজ দেহ-কান্তিকে ভগবং 
মন্দিরের. শোভারূপে দর্শন করেন, তখন তুমি সেই দেহে সাত্বিকী 
কাজিূপে আত্ম-প্রকাশ কর; যখন কেহ আত্ম-তপ্তির জন্য দেহ-কান্তির 
উৎকর্ষ বিধান করে, তখন উহ তোমার রাজী কান্তি, আর যখন কেহ 


_ দেহ-কাস্তি বারা অপরকে আকর্ষণ বা সাক্মোহ্ন করার জন্য চেষ্টা করে, 
তখন উহা তোমার তামসী কান্তিরূপে প্রকটিত; অতএব হে কাস্তিময়ি 


জ্যোতিরূপিণি মা! তোমাকে অনন্ত প্রণাম ।--(৫০-৫৫) 
যা দেবী সর্ব্বভূতেষু লক্ষমীরূপেণ সংস্থিতা। 
নমস্তশ্যৈ (৫৬) নমস্তস্যৈ (৫৭) নমস্তস্যৈ নমোনমঃ ॥৫৮ 
যা দেবী সর্ব্বভূতেষু বৃত্তিরূপেণ সংস্থিতা |... 
নমস্তস্যৈ ৫৯) নমস্তস্যৈ (৬০) নমস্তস্যৈ নমোনম: ॥৬১ 


রে "থে নবী সর্বভূতে লক্ষমীরপে অবস্থিতি করিতেছেন, হাকে 


তাহাকে নমস্কার, তাহাকে পুনঃপুনঃ নমস্কার ॥ যে দেবী 





গর ৃত্বিরপে বিকশিতা তাহাকে নমস্কার, তাহাকে নমস্কার তাহাকে 
সারার নমস্কার ৫৬-৬১ ॥ হে লঙ্ষ্মীরূপিণি : মা। তুমিই ধনরত্ব ও. 
শা ধ্যক্রপে ভীব-জগতে বিরাজিতা_যিনি দাতা ও পরোঁপকারী, 








সাহার পৃ তুমি সান্বিক সম্পদ্রূপে অধিষ্ঠিত, বনি আত্ম-ভোগ যশ বা 
প্রতিচালাভের জন্ত এশ্বধ্য সেবা করেন, তাহার গৃহে তুমি রাজনী 
বন্মীরপা; আর য়ে বাক্তি পরের অপকারার্থে কিস্বা চরিত্রহ্থীনতার জন্য 
্র্্য অপবায় করেন, তাহার গৃহে তুমি তামসী লক্ীরূপা। হে 
অতুাদয়রূপিণি! তোমাকে প্রণাম । হে ৰ্ত্তিরূপিণি মা! তুমিই জীবের 
রুষি-বাণিক্যাদি জীবিকা নির্বাহের উপায়রূপা বৃত্তি; আবার. জীব-দেহে 
তুমিই ইন্জিয়রূপা বৃত্তি । তোমার ভ্রিগুণময়ী বৃত্িকে এবং জিগুবাতীতা 
দিপকে নমকার | (ব্রাহ্মণের জন-যাজনাদি যটকর্দ--সানধিক বৃত্তি; 














স্মৃতি ও দয়! | ৪১. 


ক্ষত্রিয়ের দেশ রক্ষাদি-__রাজস বৃত্তি; বৈশ্যের মরি 
বৃত্তি। শৃদ্রের দাশ্ক--তামস বৃত্তি ] (৫৬-৬১) 
যা দেবী সব্বভৃতেষু স্মৃতিবূপেণ সংস্থিতা । 
উজ (৬২) নমস্তন্তৈ (৬৩) নমস্তন্তে নমোনমঃ ॥ ৬৪ 
যা দেবী সর্ভূতেষু দয়ারপেণ সংস্থিতা। চর 
নমস্তন্তৈ (৬৫) নমস্তন্তৈ (৬৬) নমস্তস্ভৈ নমোনমঃ ॥ ৬৭ 
যে দেবী সর্ধভূতে স্থৃতিরূপে অবস্থিতি করিতেছেন, ' তাহাকে 
নমস্কার, তাহাকে নমস্কার, তাহাকে নমস্কার, তাহাকে পুনংপুনঃ নমস্কার ॥ 
যে দেবী সর্বভূতে দয়ারূপে অবস্থিতা, তাহাকে নমস্কার তাহাকে নমস্কার, 
তাহাকে নমস্কার, তাহাকে পুনঃপুনঃ নমস্কার ॥ ৬২-৬৭। হে সবৃতিরপিবি 
মা! তুমিই মানবের প্রাক্তন এবং ইহকালীন বোধময় সংস্কাররাশি 
চিতত-ক্ষেত্রে ধারণ করিয়া থাক । আবার তুমিই জ্ঞানময় স্বৃতি-শাস্তরূপে 
আত্ম-প্রকাশ করিয়া জীব-জগতের দঙ্গল বিধান করিতেছ। তুমিই 
মানবের অন্:করণে ত্রিগুময় বিভিন্ন অন্নভূতি বা স্থৃতিরূপে উদৃদ্ধ 
হইয়া থাক, তোমাকে নমস্কার । হে করুণাময়ি জননি! ভোদার, ডা 
জীব-জগতে অলীম অনস্ত ও অফুরস্তভাবে সতত উৎমারিত /জাং বার 
ব্যষ্টিভাবে মানব-হৃদয়েও তুমি ত্রিগুণময় দয়ারূপে অনন্তভাবে আত্ম- 
প্রকট করিয়া থাক; তোমাকে বারশ্বার নমস্কার | [ অহেতকী দয়া 
_সাত্বিক; যশ প্রতি্ঠার্থে দয়া_রাজস; স্বার্থ- সিদ্ধির জন্য দয় | 
ভামস 1--(৬২-৬৭) 
যা দেবী সব্বভৃতেষু তুষ্টিরপেণ সংস্থিতা । 
রে (৬৮) ননস্তন্তৈ (৬৯) নমস্তস্তৈ নমোনঃ 
যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা । 7৮ 8 
নিট? (৭১) নমন্তপ্তৈ (9২) নমস্তস্তো নমোনমঃ ৭৬. 








:ং রঃ ক 8 | ী্ীী-ত সাধন-রহস্ত 


| আসক তু্িরপে মবস্থিতা তাহাকে নমন্ধার, উহাকে 
নমস্কার, তীহাকে নমস্কার, তাহাকে পুনঃ পুলঃ নমন্ধার॥ যে দেবী নর্বদভূতে 
ঃ টি অবস্থান করিতেছেন তাহাকে নমস্কার, তাহাকে নমস্কার, 
রা তাহাকে নমস্কার, বারষার নমস্কার 1৬৮-৭৩|॥ হে তুষ্টিরপিণি মা! 
_এজগতে সয়াট হইতে ভিখারী পর্যন্ত সকলেই আপন অবস্থাতে 
অসন্তষ্ট !' আশ! আকাঙ্ধার লেলিহান জিহ্বা সকলকেই: জালা দিতেছে 
--কাহারও সন্তোষ নাই। কিন্তু হে আনন্দময়ি মা! তুমি তুষ্টিরূপে 
ধাহার অন্তরে বিরাজ কর, তিনি সকল অবস্থাতেই সন্তষ্ঠ থাকেন, 
কোন.বিরুদ্ধ অবস্থাই তাহাকে বিচলিত করিতে পারে না! অতএব 
হে মাত; ! তোমাকে প্রণাম । [ভগবৎ আরাধনা বা আত্ম-নিবেদন 
জনিত তুষ্টি-_সান্বিক; নিজ গৃহ-সম্পদ বা অভ্তুদয়জনিত তুষ্টি-রাজস; 
পরিছিন্ন বিষয়-ভোগজনিত তৃষি__তা'দস 1 
হে বিশ্বজননি " তুমি যেমন বাহা-জগতে সমষ্টিভাবে ত্রিগুণাত্মক 
সুষ্টি স্থিতি লয়াদি কাধ্য সম্পন্ন করিয়া থাক, সেইরূপ বাষ্টিভাবেও 
জগতের নারী-দেহরপ ব্রদ্ধা্ডে একাধারে স্ষ্টি স্থিতি লয়াদি কাগা তুমিই 
সম্পন্ধ করিতেছ-_তুমিই নারী-মৃত্তিকে রজোগুণা্িত। হইয়! সম্তানকে 
গর্ভে ধারণ পূর্ববক গুসব করিয়া স্ষ্টি-কাধ্য সম্পাদন কর; সত্বগুণান্বিতা 
হুইয়া স্তন্ত-সথধা দান ও লালন পালন।দি দ্বারা তাহার স্থিতি-কাধা 
সম্পন্ন করিয়া থাক; আবার মনোহর রমণী মৃদ্তির ত্বাভাবিক আকর্ষণ 
বারা পুরুষকে সন্মোহিত বা রূপ-মুগ্ধ করত, লয়-কাধ্য তুঘিই সম্পন্ন 
করিয়া থাক। এইবূপ একাধারে কৃষ্টি স্থিতি লয়াত্মুক” বিশিষ্ট কাধ্য 
একমাত্র নারী-দেহেই সম্ভব--তাই দেবগণ তোমার স্তব কালীন 
বলিয়াছেন__“রিষ্তাঃ, সমস্তাত্তব দেবি ভেদ: স্বিযঃ সমস্তাঃ  সকলা 
 জগহস্থ”| অর্থাৎ, হে দেবি! সর্ধবিধ .বিদ্ভা তোমারই অংশভৃতা 








চট 7২8১১১৬৭০০১০:০-... 


সাতুরূপ দর্শন: 


সন্ত কলা, দল) এবং জগতে শি ট্ গণ 
. তোমারই অংশকষপা ! __এক্স্য শাস্কার : জগতের . মারীমা্রফেই : 
গৌরীরূপে দর্শন করিবার ব্যবস্থা দিয়া ঘোষণা, করিয়াছেন_-“ষজ নারী" 
তত্র গৌরী”। আবার পিতৃ-দেহে মাতৃবৎ বাংসল্য-রসের যে দু ; 
হয় তাহাও তোমারই অংশভূতা_-অতএব হে সর্বতাস্বরগতা সর্বান্তর্যামি 
মাতঃ! তোয়ার মাতৃরপকে পুনঃপুনঃ নমস্কার । [ গীতাতেও ভগবান 
্রকুতি-জননীর সর্বত্র বিশ্ব-মাতৃত্ব প্রতিপর করত বলিয়াছেন_/বৃক্ষা্ি 
স্থাবর এবং পশু-পক্ষী ও মানবাদিতে ফে জীবোত্পত্তি- সম্ভব হয়, তাহার 
কারণ মাতৃপূপা মহত প্রকৃতি বা ব্রঙ্মযোনি, আর আমি উহাতে বীজপ্রদ 


পিত।”__এইরূপে স্থাবর-জঙ্গমাত্মবক সকল যোনিতে জীবের উৎপত্তির 
একমাত্র কারণ জগম্মাত এবং জগতপিতা ] 1--(৬৮-৭৩) 


যা দেবী সব্বভৃতেষু ভ্রান্তিরপেণ সংস্থিতা | 22. 
নমস্তত্তৈ (৭8) নমস্তন্তৈ (৭৫) নমস্তত্তৈ নমোনমঃ ॥৭৬ 

যে দেবী সর্ধভূতে ভ্রান্তিরূপে অবস্থিতা, তাহাকে নমস্কার তাহাকে 
নমস্কার, তাহাকে নমস্কার, পুন; পুনঃ নমস্কার ॥৭৬॥ হে ভ্রান্তিরূপিণি 
মা! তোমার ভ্রান্তিকূপটাই জীব-জগতের সকলকে পরিধৃত করিয়া 
রাখিয়াছে-ত্রান্ত হইয়াই জীব পরমানন্দের পরম পথ পরিত্যাগ করত 
ছুঃখময় প্রবৃত্তিমূলক পথে প্রধাবিত হয়! হে মাতঃ! জাগতিক 
“ লীললাসমূহ অব্যাহত ও পরিচালিত করিবার জন্যই তুমি ভ্রান্তিমযী মুদি 
ধারণ করিয়াছ-_-তাই রজ্ছবুতে সর্প ভ্রম, শুক্তিতে রৌপা ভ্রম, স্ধাকিরণে 













বা মরুভূমিতে জল ভ্রম, আকাশে নীলিমা ভ্রম এবং দর্পণে নগর. ভরমের 
্তায়, মহাশভ্ডিময ভগ্নবানে বা ব্রন্ষেই জগত ভ্রম উত্পাদন করত | 
জীবকে ,বিমোহিত করিয়! রাখিয়াছ। অতএব হে অঙ্গজ, জন্নি ! 
তোমার ভ্রান্তিময় মায়া -মরীচিকা বা বনিকা অপসারিত: করিয়া 








88. 7 রী্রীচতী-তব ও সাধন-রহস্ত 


তুমি আমাদের জান-চ্ছু উক্মিলন করত সত্য জান ও আনন্দের গথে 
রাবি কর, তোমাকে পুনঃ পুনঃ প্রণাম ।--(৭8-৭৬) 

: ইন্দ্রিয়াণামধিষ্টাত্রী ভূতানাঞ্চাখিলেষু যা । 

কৃতেষু সততং তন্তৈ ব্যাপ্তিদেব্যে নমোনমঃ ॥৭৭ 

_ চিতিরূপেণ যা কৎসমেতদ ব্যাপ্য স্থিতা জগৎ | 

নমস্তস্যৈ (৭৮) নমস্তস্যৈ (৭৯) নমন্তস্যৈ নমোনমঃ ৮০ 

খিনি অধিল ্ধাণ্ডে বা সর্বরভীবে তৃতসমূহের এবং ইন্দিয়গণের 
অধিষ্ঠাত্রীরূপে পরিব্যাপ্ত রহিয়াছেন, সেই ব্যাপ্তি দেবীকে পুনঃ পুনঃ 
নমস্কার ॥*৭॥ যিনি চিৎশক্তি বা চিতিশক্তিরূপে সমুদায় জগত ব্যাপিয়া 
অবস্থিত, তাহাকে নমস্কার, তাহাকে নমস্কার, তাহাকে নমস্কার, তাহাকে 
বারবার নমস্কার ॥৭৮-৮০| 
হে ভগবতি কুরীকুগ্ুলিনীরূপিণি য! তুমিই অখিল ব্রদ্ধাণ্ডের বা 
দেহ-ভাণ্ডের ক্ষিত্যাদি পঞ্চভৃতের অধিষ্ঠাতী। তুমিই ক্ষ্যাদি 
ইন্জিয়াধিপতিগণরূপে বা তাহাদের নিয়ন্্র-কর্ত্রীকূপে বিরাজিতা ; 
হে ব্রহ্মমন্ি! চতুর্দশ ভূবমাত্বক দেহব্যাপিনী প্রকাশশীলা চিংশক্তি! 
তোমাকে বারগ্থার নমস্কার। হে মহাশক্তিম্ধি মা! যেশক্তির বলে 
চক্ষু দর্শন করিতে সমর্থ, কর্ণ শববণ করিতে, নামিকা ভ্রাণ লইতে, 
জিহবা আস্বাদন করিতে এবং ত্বক্‌ স্পরশীশ্তভব করিতে সমর্থ_ধাহার 
অসীম প্রভাবে কর্শেকরিয়সমূহও কাধযক্ষম হইয়াছে, সেই ব্যান্তি দেবী 
চিচ্ছতিরপে তোমারই অপূর্ব বিকাশ ! তোমাকে নমস্ধাৰ (৭৭) 

[উপরোক্ত প্রথম লোক বা মন্তরটা যোগ-শাস্ে ফুলকুণগুলিনীর 
প্রণামন্ধপে ব্যবহৃত হয়; আর এই মন্তুটাকে প্রধানত: তিন ভাগে বিভক্ত 
করা ধাইতে পারে, ধথা_(১) অধিলভূতের সমঠটি ইন্দ্রিয় সমূহ" বা 
তদন্ত সম বুদ্ধি; (২) সমট্ি ইন্জরিয সমূহের 'অধিষ্ঠাত্রী” ব 








বায যা 5 নি 

(0 ৪5 7858 

।181 মা ১ চাই, এছ 
১2 1 টা 

পু 

রা ঃ 


অধিপতি দেবগণ। (৩) ঠা সবার. পরিবাত: বাঃ | সুতা 
ব্যাপ্তি দেবী? বা মা তাহাকে প্রণীম। এই তিনটা প্রধান 
বিভাগে দেবী- -মাহাক্মোর তিনটা চরিত্র উপলক্ষিত; আবার এই তিনটা, 
বিভাগে বিুপুরাণোক্ত বুদ্ধিসর্গ, দেবসর্গ এবং ভূতসর্গের ভাবও 
নিহিত আছে *। ইসা নিয়ে অতিসংক্ষেপে প্রদখিত হইল। প্রথমতঃ 
মহত্ত্ব (সমষ্টি বুদ্ধির কারণ বা মহাকারণ )_-এই তত্ব বাঁ ভাবাই 
: দেবী মাহাম্মোর প্রথম চরিত্রে বখিত শেষ-শষ্যায় শয়ান বিশতদ্ধস্প্ময ৃ 
বিঞু। মহত্ত্ব হইতেই অহততত্বরপী মধু এবং পঞ্চ তঙ্াত্রা-ততময় 
কৈটভের উদ্ভব; এ সঙ্ধন্ধে এই গ্রন্থের প্রথম থণ্ডে বিবৃত হইয়াছে ইহাই 
বিফুপুরাণের বুদ্ধিসর্গ। মহাকারণরূপ সপ্ততত্বের নানাপ্রকার মিশ্রণে 
ও ব্যঞ্জনায় অনন্য ব্রঙ্গাণ্ডের কৃ্টি। দেবার সংমিশ্রণে সমুদ্র মন্থন দ্বারা 
যেমন দিব্যসম্পদ ও অমুতের উত্তব সম্ভব হইয়াছিল, সেইরূপ দৈরী , 
শক্তি সমূহ এবং আন্ুরী শক্তি সমূহের পরস্পর সংঘর্ষ দ্বারাই প্রপঞ্চময়ী 
প্ররুতিরূপিণী মহাশক্তি স্থপ্রতিষ্টিতা হইয়া থাকেন। এইরূপে আস্থরিক 
ভাব সমূহকে দমন কিঙ্গা উহাদের সাম্রস্ত বিধানপূর্ববক ব্রদ্ধাওকে 
স্থপ্রতিষ্ঠিত করত ইন্দ্রিয়াধিপতি দেবগণকে যজ্জভাগী করাই দেবী- 
মাহাত্যের মধ/ম চরিত্রের অভিগ্রায়_ইহাই বিষুপুরাণের দেব সর্গ। 
অতঃপর বিশব-্্ধাণ্ডে চতুর্ষিংশতি-তত্বময় ও ও দেবান্থর সম্পদ্ময় অনন্ত 


পপ শা শািশিশাপীিপিিকিপাপপ পাশ 























*এবখিধ তত্ব সব্থন্ধে শাস্ত্র উক্কি__“ং প্রথমং মহত অ্ট, দ্বিতীয়ং 
তত্ব সংস্থিতম্‌ তৃতীয়ং সর্বভূতস্থং তানি জ্ঞাত বিুচ্যতে” | অর্থাৎ - 
প্রথমে, মহত্তত্বাদি সৃষ্টি ; দ্বিতীয়ে, তত্বগুলিকে সম্যক্ষণপে স্থাপন বা 
সঙ্ঘবদ্ধ করা? তৃতীয়ে উহ দ্বারা সর্বভূতগ্রাম বিকাশ এবং তন্মধ্যে 
রবব্যাগী মহাশভিকে অনুতব__-এই শক্তিতৰ অবগত হইলে মুক্তিলাভ 

সুনিশ্চিত ।-_ ইহাও দেবী মাহাজ্সোর তিনটা চিজ এবং, ৯ 
তিনটী বিশিষ্ট সর্গ। | 








বকা ও লিল খা 
7 মহাশি নন ও বিজ কী বাত রি 
প্রতিষ্ঠা করাই দেবী-মাহাত্োর উত্তম চরিত্রের উদ্ধেন্ত ওলক্ষ) 


ইহাতে বিফুপুরাণোক্ত ভৃতসর্গের ভাব নিহিত ]1 
_যেবিশুদ্ধ চৈতগ্াময়ি চিতিশক্তিরূপিণি মা! তুমি বি 


এ জীব-ন্ধাণ্ডের সর্ধত্র অন্কু-পরমাম্তে পরিব্যাপ্ত হইয়া অবস্থান 
 করিতেছ ।_তুমিই 'সাংখ্র পুরুধ, পাতঞ্জলের পরাত্মা, বেদান্তের 
ও উপনিষদের ব্রহ্ধ এবং তঙ্ত্রের মহাশক্তি মহ|কালী বা মহামায়া । 
ভাষাকে পুনঃ পুনঃ প্রণাম । [স্তব মঙ্থের প্রথমাংশে উক্ত “চেতনা? 
ব্রন্বের সঞ্ঙণ ভাব; আর এখানে চিতিশক্তি, নিগুণ পরমাত্মভাব 
কেননা এইখানেই স্তব-মালার আছতি বা শেষ। আর চারিবার 
প্রণাষের শেযাংশটীতেও নিগুণ বাঁ নিরঞ্জন সত্ত। উপলক্ষিত। কিশ্ষেতঃ 
নিও ভাবও *গখহীন বা শক্তিহীন ভাব নতে; বরং উহা ব্রহ্থানন্দময় 
অহ্ভৃতিতে পরিপূর্ণ এবং উহা মহাশভির বিশুদ্ধ ও 


বাপ ৪. |--(৭৮-৮০) 
[ দেবগণের প্রার্থনা ] 


*স্তুতা সুরৈঃ পৃর্ববমভীষ্টসংশ্রয়াৎ 
তথ! সুরেন্দ্রেণ দিনেষু সেবিতা 
করোতু সা নঃ শুভহেতুরীশ্বরী 





শা লাসিলাটিলসপ্পাবেপালরন 





রসমািরীশাচ রন ্ততে 
, “ষাচ স্বতা ততক্ষণমের হস্তিনঃ 
সর্ধবাপদো ভক্তিবিন্র-মৃত্তিভিঃ 0৮২ 








গে বা বধ খাল অত নিধির নই দে 
প্রতিষিন সাহার স্বব.-ও সেবা: পূজা করিয়াছিলেন সম্রাভিং [ও 
নিশুভাদি ] দৈতাগগণের অত্যাচারে সন্তাশিভ হই ক্আমরা যে 
পরমেশ্বরীকে প্রণাম করিতেছি, ভক্তি-বিনন্ মৃষ্ঠিতে স্মরণ করিলে, 
ধিনি তৎক্ষণাৎ আমাদের সমস্ত আপদ বিনাশ করেন, সেই মঙ্বদাযিনী 
ঈশ্বরী আমাদের মঙ্গল বিধান করুন এবং আমাদের আপন বিন. 
করুন ॥৮১৮২ ক 

তত্ব-স্তুধ। প্রথম চরিত্রে ব্রন্মাকত স্তবে, বব কিঃ ভাবের ঃ 
স্ততি ঝা প্রশংসা, দশমহাবিদ্যারূপে স্তব, বিষ্ণুকেও নিদ্রাবশে রাখার. 
অতুলনীয় প্রভাব, ত্রদ্ম।-বিষু-ঈশানের জননীত্ব প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি ভাব ছারা 
জগন্মরী মায়ের নিত্য সং যুদ্তির প্রতিষ্ঠা। মধ্যম চরিত্রে__মহষিগণ ও 
দেবগণের মিলিত স্তবে, মায়ের বিভিন্নমুখী শক্তিসমুহকে একজ্রিত করিয়া . 
মহাশক্তিরূপে পরিশত করত, উহা বিশ্ব-দেহে ও সাধকের নিজ দেহে 
উপলব্ধি করত প্রাণে ও জ্ঞানে সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার ভাব অভিব্ক্ত। 
উত্তম চরিত্রে__জীব-জগতের সর্বত্র আননদময়ী মায়ের আনন্দ প্রতিষ্ঠার 
বিরাট আয়োজন, তাই এই চরিত্র ভক্তি ও স্তব-প্রধান | | 

মূল! প্রকৃতি, মহত্ত্ব, অহংতত্ব, পঞ্চতন্মাত্র, একাদশ ইন্দ্রিয় এবং. 
পঞ্চমহাভূত-_-এই চতুর্কিংশতি-তন্তেই জীব-জগত সৃষ্ট ধৃত এবং 
লয়প্রাপ্ধ হয়; ইহাই মহামায়া যায়ের সগুণ ভাবের ক্রিয়াশীলতা। 
অর্গল। সবের স্তায় এখানেও চতুর্বিংশতি-তত ক্রমে লয় করত নিরগুন বা 
স্বরূপ ভাব লাভের ইঙ্গিত আছে, যথা +“নমো দৈব্যৈ” প্রভৃতি প্রথম 
পাঁচটা ক্লোক দ্বার! মূলা প্রক্কতিরূপিণী ভগবত দুর্গার বিভিন্ন উর ুত্তি 
প্রকট করত ত্রিগুণময়ী মাকে স্থপ্রতিষ্টিত করিয়া স্তর করা হইয়াছে: রি 
তৎপর বিমা, চেতনা! প্রস্থৃতি বিভিন্ন ভাবমী যৃষ্ঠির উল্লেখ করত 








৫৪ | ্রীচ্তী- ও সাধন-রহস্ত 


এজন প্রকাশময়ী বা. কনতী এই সব: 7 অংশ, পার্বতী 
কাত 


- দেবীর দেহ-কোষ হইতে বহি্গত হওয়ায়, তিনি “কী! 
হইরে। মন্োকত নূপ-নন্দন স্বাকাীও 












্ রি 
, স্তোঅং মমৈতৎ ক্রিয়তে নারে রঃ 
দে; সমেতৈঃ সমরে নিশুস্তেন পরাজিতৈত ॥ ৮৬ 
শরীর কোষাদ্‌ যত্বস্যাঃ পার্বত্যা নিঃ স্তাস্বিকা । 
_ কৌধিকীতি সমস্তেযু ততো লোকেষু গীয়তে ॥ ৮৭ 
_জত্য ব্বিরণ। দ্ধ নিশুস্তক্ক পরান্তিত এবং শুসত-দৈত কর্তৃক 
বর্গ হইতে দুরীকৃত দেবগণ সমবেত হইয়া আমারই এই ভ্তব 
করিতেছেন ॥ ৮৬॥ সেই পার্তীর শরীর-কোষ হইতে নির্গতা হইলে 
বলিয়া আঙ্গিকা সমস্ত লোকে কৌধিকী নামে প্রসিদ্ধ! হইলেন ॥ ৮৭ 
তত্ব-স্ুধা * কাম-কামনা প্রতি হইলেই ক্রোধরণে প্রকাশ 
পায়; ক্রোধের পাজ্ঞাপাত্র হিতাহিত বচার নাই; একজন ক্রোধ-দীপ্ত 
পনিশুস্ত, সমস্ত দেবতাগণকে পরাজিত করিয়াছিল। আর কামক্ষপী- 
শুস্, হ্র্গরাজোর অধিপতি হওয়ায় শচীপতিও হইয়াছে । একসম্য শা 
. দ্বেবতাগণকে শুধু পরাস্ত করিয়াই সে ক্ষান্ত হয় নাই, গন্ধ ফাহা? 
স্বর্গরাজ্য হইতে বহিষ্কত করিয়া দিয়াছিল? দেরগণ লে হইয়া 
 শ্ার্থন! ও পূঙ্গা করিয়াছেন, তাই মহাশক্ষির আবিাৰ অতি হুলত 
| মর বারা [ংঘ-শক্তির প্লচা প্রধান এবং উপকারিতা 
পরোসেজির ভিন দার রিল পিন নিকাশ হয 








দর্তীত্ তা 


| 

ম্াকারপনপিদী পৌরীৰ ব। ার্বতীর এরি হইতে  হিনিতি 

হওয়ায় জগগ্াতা 'অদ্ধিকার নাম কৌবিকী হইয়াছে। ইনিই উত্তম 

চিরে দেবতা সন্বপপ্রধানা বাগভব বীজরপা সরন্বতী 

হাঈরশ্বতী। পরস্ান্ত শবের অর্থ চিদানদময় কারগ-সমূর, সাহারই 
শি তং যা ঠা দে রর 















অবস্থা নানা উন চরিত্রের পভ ক 
আজ্ঞাচক্রের কারণময় স্তরে অনুষ্ঠিত । এজন্য কাপ ্ টা 
সরস্বতীই উত্তম চরিত্রের দেবতা। এতংব্যতীত স্ ধাতুর অর্থ গতি, 
অন্ত অর্থ প্রসারণ; স্থধাতু অঙ্থন্‌ প্রত্যয় যোগে সরস্‌ পদ নিষ্পন্ন। 
সুতরাং যাহার গতি বা প্রসারণ আছে, উহ্াই সরস্। সরসের শত বা 
অধিষ্টাক্্রীই সরস্বতী। গতি ও ছন্দ একাত্ম ভাবাপন্ব_-উহা অব্যক্তের 
ব্যক্ত অবস্থা। কাহারও মতে, গতির সক্রিয় অবস্থাই আলো, আর 
অবরুদ্ধ অবস্থাই অন্ধকার * । গতিকে অবাক্ত হইতে ব্ক্তভাবে 
ক্রিরাশীল করাই রজোগুণময় ক্রিদ্লাশক্তির কাধা ; গতি সমূহের সামরস্ত 
বিধানই পত্বৃগুশময় ইচ্ছাশক্তির কাধ্য; আর গতির বা প্রমারণের 
স্থিতি স্থাপকত্ে নিরন্তর জাড্য বা জড়তা! আনয়ন করাই তমোগ্ুণময় 
জ্ঞান-শক্তির কার্ধ;)। উত্তম চরিত্রের হাসরশ্বতী ু্ধ সনগুনমযী 
নহেন-ইনি বাহিরে সত গ্রধান। হইলেও) অন্তরে সর্বলয়কারিদী 
গৌরী বাদা মাহেস্বরীন্বরূপা ! _-(৮৬ উড ০ 

* বৈজানিক মতের সহিতও ইহার সান" আছে খান শর 
9৮155 15 ৫8101595, ৪০320 ঢ8০0০ 5 118৮ 2 





০২, ১০৭ পিপিপি? কপি শিপন পি পাদ িলিশপপাপাট পিপিপি পশলা পিন শন 





৫২... রীপ্রীচণতী-ত্ ও সাধন-রহসত 


.তস্তাং বিনির্গতায়াস্ত কৃষ্ণাভৃৎ সাপি পার্বতী । 
_ কালিকেতি সমাখ্যাতা হিমাচলকৃতাশ্রয়া ॥ ৮৮ 
অতা বিবরণ । এইরপে শরীর-কোষ হইতে কৌধিকী 


| আবিষত৷ হইলে, পার্বতী রুফবর্ণা হইলেন এবং হিমাচলবাসিনী 
_ কালিকা নামে প্রসিদ্ধা হইলেন ॥৮৮। [ অন্ঠ-প্রকার বাখা ]_সেই 


পরযেশ্বরী প্রস্থান করিলে, কৃণবর্ণা যে পার্ধতী (কৌষিকী) 
তথায় রহিলেন, তিনিই কালিকা নামে প্রসিদ্ধা হইয়া হিমাচলে অবস্থান 
করিতে লাগিলেন ৮৮ 

: তত্ব-ন্ত্রধা। ত্রিগুণময়ী মহাশক্তি হইতে সবগুণাংশ বহির্গত, 
হইলে অর্থাৎ প্রকাশময় ভাবটা পৃথক করিলে, অবশিষ্ট কারপময় মৃষ্টিটা 


৷: ক্ুষ্কবর্ণ রূপ ধারণ করা স্বাভাবিক। [ মত্গ্রণীত “সনাতন-ধর্শা ও 


মি মানুব-জীবন” গ্রন্থে শিব-শক্তির ধিবরণে এবিষয়ে বিশেষ আলোচন। 


হইয়াছে] সন্বপ্ুনপ্রধানা কৌধিকী দেবী বিনিগগতা হইলে, পার্ঝতীর 
: গৌরকান্তি কৃষ্কবর্ণা হওয়ার ইহাই তাংপর্ধা। অনন্তর পার্বতী বা 

কৌধিকী দেবী কালিকা নামে বিখ্যাতা হইয়া, দেহের মেরুদগ্রূপ, 
_ হিমালয়ে আশ্রয় গ্রহণ করিলেন। প্রথম্খণ্ডে বলা হইয়াছে যে, 


কুলকুগুলিনী শক্তি এক মুখে বরক্ষবার রোধ করত অখগ্ড ব্রহ্মানন্দ ভোগ 
করেন, আর অন্থমুখদ্বারা জীব-শক্তিরূপে বিষয় ভোগজনিত পরিচ্ছন্ন 
ধগ-বিপ্রণ্ড আনন্দ-মধুকশা সমৃহও পান করেন! ইনিই দেহস্থ 
মেকুদপুরূপ হিমালয়-নিবাপিনী কাপিকা দেবী বা কুলকুগুলিনী শক্তি! 


অর্থাৎ ইনিই একভাবে তমোগুণময়ী কালিকারপে দেহ-মেরুর 


মূলাধারে কৃতাশ্য়া, তর্্ার-:রাধকারিণী, প্রাণ-চৈতন্ত _ বিফুরও, 
নপরানধপিনী_ দেবী মাহাআ্মের ভাষায় ইরি-নেত্র রুভালয়া” যোগ- 
ি্াপিনী মহামায়া! 1 আবার ইনিই দ্িদলস্থ দেশ্বাসিন মনোহর 


জ্যোতি রূপধারিণী স্বপ্রধানা পাপী কৌধিবী ্া অধিক ৰ 
দেবী ।--(৮৮) র্‌ 

ততোহম্বিকাং পরং রূপং বিভ্রাণাং ্থমনোহরম্‌। 

দদর্শ চণ্ডোমুণ্্চ ভৃত্বযো শুস্তনিশুস্তয়োঃ ॥ ৮৯. 

সত্য বিবরণ। অনস্তর শুল্ত-নিশুস্তের ভৃত্য চগ্ড এবং মুড স্যনোহর 
পরম রূপধারিণী সেই কৌিকী অস্বিকা দেবীকে দেখিতে পাইল ।_(৮৯) 

তত্ব-সুধা। অনস্তর জগজ্জননী অদ্বিকা, অতুলনীয় সৌন্দর্া-মপ্ডিত 
মন-বিভ্রান্তকারী জ্যোতিষী পরমা স্থুন্দরী রূপ ধারণ করত আজ্ঞা- 
চক্রস্থ মেরু-ূঙ্গরূপ মঞ্চে সমাসীন! হইলেন। শুস্ত-নিশুস্তবূপ কাম- 
ক্রোধের অঙ্চচরছয--লৌভরপী চণ্ড এবং মোহরপী মুণ্ড অস্থিকা 
মায়ের সেই পরম রূপ দর্শন করিল। এখানে বিশেষ প্রণিধানযোগ্য 
বিষয় এই যে_এই চরিত্রে বধিত আন্ধরিক বৃত্তিগুলি মুক্তিরূপ প্রলয়ের 
অভিমুখে ধাবমান; এজন্য ইহাদের বাখ্ভাব তামসিক হইলেও, অন্তর 
প্রদেশে সাত্বিকাংশ ক্রিয়াশীল। বিশেষত; সান্তিক ভাব না থাকিলে 
_কাহারও দেবদর্শন সম্ভবপর হয় না। চগ্-মুণ্ডের পরম সৌভাগা, তাই 
এ জ্যোতিষ্বয়ী মাতৃরূপ দর্শন করিতে সক্ষম হইয়াছে । এখানে চণ্ড- 
মুণরূপী লোভ-মোহের গতি, বহুমুখী ভোগাসক্তি বা ভোগ-বিলামের 
দিকে নহে; বরং আত্মাভিমুখী বা ভগবৎমুখী একত্বের দিকে! 
লোভরূপ চণ্ডের আশা__এ পরমা সুন্দরী রমণীকে কামনারূণী শুপ্তের 
কাছে যেরূপেই হউক, লইয়া যাইতে হইবে ; আর মোহ এ মৃষ্ঠি দর্শনে 
এমন মোহিত যে, সহজে কাধ্য সিদ্ধি না হইলে, বল-গ্য়োগ দ্বারাও এ 
স্ুন্দরীকে আপন প্রভুর কবলে আনিবেই আনিবে! শ্ত-নিশুস্ত বা 
কাম-ক্রোধ যেরূপ সহভাবাগন্ন চণ্ুমুণ্ড বা লোভ-মোহও লেইকপ) 
কেননা লোভ স্বারা আক্রান্ত হইলে মোহও সেখানে উপস্থিত হইবে, | 


০ পির 





অক ও ৪ সাধন-াহসত 


| চা মনকে তি ডিভূত করিবে । খাহারা বাছিক তপ্ত যোগ-সধনা, ৃ 
পূজা, যাগ-বজ অ্রতাচরণারদি সাত্তিক অস্ুষ্ঠানে জীবন যাপন করেন এবং 
মনে করেন যে, এইসকল আচরণের প্রভাবে অনায়ামে ৷ ইষ্ট দর্শন 
| করিবেন! ইহা চণ্রূপী সা্বিক লৌভের ভাব বা গরভাৰ। আর 
ছারা যনে করেন, এসকল যাত্বিক আছরণ ছারা ভগ্রীম দর্শন. দিতে 





 বিশবদ্ধ জান-ভক্তি ব্যতীত শুধু কর্ধের তাবে আদ ). 
কিবা তিনিও দর্শন দিতে বাধ্য হন না। সর্ববিধ কর্ম ভগব২ ্রীার্ে 
সম্পাদন পূর্বক কর্মফল ভগবানে অর্পন করা বা শরণাগত হওয়াই 
ভগবংপ্রাপ্তির ত্েষ্ঠ উপায়ম্বরূপ 1 গীতাতে ১ভগবান পুনঃ গুন এই 
রর শিক্ষাই প্রদ্ধান করিঘ্াছেন? আর. দেবী- মাহাম্য্েরও মুল স্মুত বা প্রা 
:.. শরশাগতি-_কেননা। এখানকার প্রত্যেক" ুন্ধীরাতে বা. শক 
নাতে উদার বিশিষ্ট বাকি দৃষ্টি হইয়া থাকে ৬৯)... 
টি .. তাভ্যাং স্তসতায় চাখ্যাতা অর্তীব স্ব্মনোহরা । 
.্কাপ্যানত স্ত্রী মহারাজ ভাসাযন্্ী হিমাচুলম্‌। উড 
_ নৈবতাদৃক্‌ কচিন্রপং দৃষ্ট কেনচিুত্বমম্‌। ৯ 
জ্ঞায়তাং কাপ্যসৌ দেবী গৃহতাঞ্চানুরেশ্বর ॥ ৯১ ্ 
্ীরনমতিচার্ককী স্যোতযন্তী দিশস্তিষা । 
.. সাতু তিষ্ঠতি দৈত্যেন্্ তাং ভবান্‌ ষ্টরমর্থতি ॥ ৯২ 
: সত্য বিবরণ । তাহারা (্ত-ুণড)শুস্তের নিকটে যাওয়া বলিল-_ 
মহারাজ ! অতীব সুন্দরী অনির্বচনীয়া এক রমণী হিদা০৭ সমুস্তাসিত 
করিয়া অবস্থান করিতেছেন ॥ ৯০ ॥ তাদৃশ অতি উত্তরণ কেহ কোন্‌ 
কালে বা কোন দেশে দেখে নাই! হে অস্ধরেশ্বর ! এই দেবী কো? 
. তাহ! আপনি প্রথমে অবগত হউন এবং ইহাকে গ্রহণ কুন ॥৯১॥ 


















 ্ছ কী রগ কাস্ঠিতে ্ : উ্ভায়িভ কারিয়া' রা রি 
করিতেছেন 1 ভীহাকে আপনার দেখা ধিশেষ কী? তাং তিন 
বিশেষরূপে আপনার দর্শনযোগ্যা 11--৯২ 8, 

তত্বসুধা। মায়ের রূপ এমনি বটে! কন হস হর 
রূপ কেহ কোন .দিন দেখে নাই।. মের্ুদওযক্ষপ হিমীলয়' সমুভীসিত 
করিয়া যা বসিয়াছেন! সেই জ্ঞোতিশ্বয়ীর সান্নিধো ও সংস্পর্শে সাধক- 

র-্ধড়ভাব সমৃহও চিক্সয হইয়া গিয়াছে! পাখিব সৌনদরধযমর্র কো 
বস্ত্র লহিতই সে রূপের তুলনা হয না; কিন্বা সেরূপের কণা মাত্রও 
কেছু রর টাশ করিতে পারে নাঁ_তাই মন্ত্রে মাকে 'ম্মনোহরা? বল! 
০ া ছে বীহাদের দন অতি পবিত্র, তাহারাই সুমনা; স্ৃতরাং উহা 
১০ রী, লাধক ও ৪ মুনি-খাষিগণকে বুঝায়; আবার সুমনা 
কেও বলা হয়। বিমল ও উজ্জল, দেবভাবাপয় : চিত্ত 

মায়ের রূপ দর্শনে বিমুগ্ধ ও স্তত্িত হইয়া, যা! , টু লাক 
গাহিয়াছেন_-“ যোগী যোগ ভূলে মু -সুনটুলে |... ধায়, কামিল, করসে. 
ত্যজি কুলে?” আবার দেবতাগণের ইতি উদ, ভি 
উচ্চ শিরও সেই অভয়ার চরপতলে লুটাইয়া পড়ে! এইসব কারণে 
শ্রুতি বলিয়াছেন-_“ঘতো বাচো নিবর্তস্তে অপ্রাপ্য মনদা সহ”-_যেখানে 
বাক্য ও যন পৌছাইতে অক্ষম হইয়া ফিরিয়া আসে! অর্থাৎ বাফ্য 
উহা প্রকাশ করিতে পারে না, মনও উহা ধারণা করিতে অসমর্থ! তাই 
মন্ত্রে আছে, “কাপি”_-কে যেন; সেই পরগাত্মময়ীকে কেহই জানিতে 
বা প্রকাশ করিতে পারে না! --তিনি নিজেই নিজকে জানেন এবং 
স্বয়ং স্প্রকাশস্বরূপা ! মায়ের অঙ্গ-কাক্তিতে দশদিক: সমুস্তাসিভ-- 
কেনন! তিনি যে জ্যোতিরও জ্যোতিঃকূপ সমস্ত প্রকাশময় ব্রত 
































৫৬. | শ্রীশ্রীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রছন্য 


পরাপথনপা ৷ তাই উপনিষং বলিয়াছেন__সেই প্রকাশ আননস্বরূপ 
সবত্মাকে ক্রধ্য চন্্রতারকাগণ কেহই প্রকাশ করিতে পারেন না? বিদ্যু 
/এবং অগ্নিও প্রকাশ করিতে অক্ষম! সেই জ্যোতি তম্মমীকে অন্ুলরণ 
করিয়াই অর্থাৎ তাহার আলোকে আলোক ঠ ইয়াই হৃর্ধ্য-চক্্রাদি 
প্রকাশ পাইয়! থাকেন! তাহার দীরিতেই সমগ্র জগত প্রকাশিত ।” 
পরমাস্মাভিমুখী ক্রিয়াশীল লোভ-মোহরূপ চও-মুণ্ড সেই জ্যেতি্ময়ী 
স্বন্দরীর সম্বঞ্ধে তাহাদের প্রভুর নিকট ত্রিবিধ প্রার্থনা জানাইল-__ 
€১. তাহাকে দন করুন, (২) তাহার বিষয়ে সবিশেষ অবগত হউন, 
4৩) তাহাকে গ্রহণ করুন) ইহাতে, শ্রবণ মনন এবং নিদিধ্যাসবে 
ভাব নিহিত। যে লোভ-মোহ পূর্বের বিষয়ে বাঁ. অনাত্মভাবে লু 
ও মোহিত করিয়া মানবের ভব-বন্ধন আরও দূ করিত, সেই 
 লাভ-মোহ আজ পরগাগ্মাভিমুখী হওয়ায়, শুস্তকে আত্ম “দর্শনের জন্তু 
বং জ্ঞান-ভক্তি লাভের জন্য গুলুন্ধ করিতে লাগিল! কেননা একাস্তিক ূ 
ও «এ ভক্তি ব্যতীত ভগবত বিষয়ে জান লাভ, ভগবৎ দর্শন 
বং তাহাকে গ্রহণ অর্থাৎ তাহাতে শ্রবেশ বা স্বরূপ উপলব্ধি হই তত 
রঃ লা; তাই গীতাতে ভগবান বলিয়াছেন_ হে শক্রতাপন অজ নন! | 
সামার প্রতি অনন্ত ও একনি ভক্তি, দ্বারাই আমাকে এবিধ 
_পরমার্থজানে অরগ্ত হইতে, দর্শন করিতে এবং আমাতে প্রবেশ 
| করিতে সমর্থ হয়।” এইরূপে চ্ড-মৃণ্ড শুস্তকে দেবীদর্শনে উদ্ধদ্ধ করিয়া 
তাহার মুক্কির দ্বার যেন উদ্বাটিত করিয়া পিল। আত্মাকে ৰা 
আত্মময়ীকে লাভ করার জন্ত প্রলোভন, আধ্যাত্মিক-জগতে বাঞ্ছনীয় 
ও .রর্তব্য ;.তবে উহা অভীষ্ট বস্ত্র সান্নিধ্যে আপন; হইতেই লয় হইয়া 
যায়! এজন চগু-মুণ্ড শুস্ত-নিশুত্ড বধের পূর্বেই মাতৃ-দেহে বিলম় 























এ উব্য- তত -ুণ্ড প্রথমেই দেবীকে বলপূ্বক ররর 
সী করিতে পারিত, কিন্তু তাহারা তাহা না করিয়া অন্থররাঁজকে 
খবর দিতে গমন করিল--উহা৷ তাহাদের চিত্তের সাত্বিক লক্ষণ। আর 
“সেই হন্দরীর পরিচয় অবগত হইয়া গ্রহণ করুন__এই উক্ভিতেও 
'সত্বগুণের বিকাশ; কেনন| তমোগ্রশাম্িত-চিন্ত অস্থর হইলে, পরিচয় 
গ্রহণ করা প্রয়োজন বোধ না করিয়া, বল-প্রয়োগ করার উপদেশ 
দেওয়াই স্বাভাবিক হইত | -_(৯০-৯২) রি 

যানি রত্বানি মণয়ো গজাশ্বাদীনি বৈ প্রভো | 

_ ব্রিলোক্যেত সমস্তানি সাম্প্রতং ভাস্তি তে গৃহে ॥ ৯৩ 
ত্য বিবরণ। হে প্রভো! ট্রেলোক্যে যে সমস্ত শ্রেষ্ঠ রত 
ল গজ নব রন্ৃতি আছে, না সমপ্রতি আপনার গৃহে শোভা 





টপ সর নি “শন্বিলোকময় দেহে যে সমস্ত 
তিকুপ্প বিশিষ্ট দির আছে, তৎসমন্তই সাধকরা্ তত 
একমত বা সঙসবন্ধ: ভিজিয়ে পারা দেহস্থ 
অস্রেসিয়ের অধিপতিগণের এই্বরধ্য বা দিব্যভাব সমূহ আহরণ করার 
ভাব সংক্ষেপে পরিব্যক হইয়াছে। এখানে রত্ব মণি গজ ও অশ্ব 
“এই চতুব্বিধ খশ্র্য্ের উল্লেখ করা হইয়াছে। ইহাদের আখ্যাত্িক ভাব . 
যথাঁ-মনের অধিপতি চন্দ্র) তাহার এ্্য- ইন্রিয় ও বৃত্তিসমূহে 
ভগবৎ অভিমুখী গতি; 'রজোগুণময় এই গভি-সমষ্টিই মক্কোজ অশ্ব। 
বুদ্ধির অধিপতি ব্রক্গ; তাহার এই্বধ্য-_দিব্যজ্ান বা তত্ৃজান। 
(কেননা সম্যক জঞানব্যতীত কোন নৃতন কৃষি বা উদ্ভাবন সম্ভবপর. 
নহে )। এই জ্ঞানই মঞ্োকত অনিশ্বরপ [ মধাম চরিত্রে উহথাই চুড়ামণি- 
রূপে ব্যাথ্যাত ]। অহং এর অধিপতি কদ্র-ইনিই জীবগণকে | 














রি 310 রি  উঞচতীততব রি সাহস 


কসতাপপ্রসথ ঠ করিয়া রা কীদাইয়া িজন্ধ করেন; সাচার: 
বনিনাছেন -“রোপয়তি,সর্ধমন্তকালে “ইতি কু” ]। রুদ্ের উর 
গজ বা -ভোগাসতি-সম্ি) কেদনা -রিষয়াসভ্তিই ছুঃখদায়ী। আধার 
যখন সেই আসক্তি পরমাত্মাতিমূখী হয়, তখন: উহা পরাহ্থর্তি ব! 
তগবৎ প্রাপ্ির ইচ্ছারপে পরিণত হয় । রুঘ্ের অন্যান, চা পরবর্থী 
মন্ত্রমূহে অভিব্যক্ত হইবে। চিত্তের, অধিপঘি তা ০ ্ 
ব্য চিতত্ব; অর্থাৎ সত্বগুণমনর আধা গ্রীতি প্রেম প্র ভৃতি াান্িক 











পরম রত্বমূহ (ইহাই মদ্োক্ত রত্বানি)। এই সমস্ত আধ্যাত্মিক এবং. 


অতীন্দ্িয় রাজোর রত্বসমূহ সংগ্রহ করত ইষ্ট দেবদেবীর চরণে সং, ্ 
করাই চণ্ডী-সাধকের সাধ্য ও সাধনা 1৮), রা 


এরারতঃ সমানীতো গজরত্বং পুরদ্দরাৎ। . 
পারিজাততরম্চায়ং তখৈরোচৈশ্রবা। হয়ঃ ॥ ৯৪ 
১৮ বিমানং হংসসংযুকতমেতৎ িষ্ঠতি জেনে 79: 
-* রত্বভৃতমিহানীতিং বদাসীদ্‌ বেধসোইদ্ুতম্‌ ॥ ১৫ 
এ _নিধিরেষ মহাপন্ুঃ সমানীতো ধনেশ্বরাং | 
_ কিন্রক্ষিনীং দদ চান্ধিমালামন্্াপন্কজাম্‌ ॥ ৯৬ 
. ছত্রং তে বারুণং গেহে কাঞ্চনভ্রাবি তষ্ঠতি। 
তথায়, স্তন্দনবরো ষঃ পুরাসীৎ প্রজাপতেঃ॥ ৯৭ 
মৃত্যোকুতক্রান্তিদা নাম শক্তিরীশ ত্বয়া হাতা | 
_পাশঃ গলিলরাজস্য ভ্রাতুস্তব পরিগ্রহে ॥ ৯৮ 
, : নিশ্তস্তন্তান্ধিজ্ঞাতাশ্চ সমস্তা রত্বজাতয়ঃ। 
হিলি দদৌ তৃভ্যমগ্রিশৌচে চবাসসী (৯৯... 
সত্য বিবরণ । .ইন্জের নিকট হইতে আপনি গজরত ধরাবত 





















7: 58580045758 115 5 দির 101 
দি ২172517০7৯3 5. 2 রা 
শু 2 র্ ৭ 14. । 
চস ॥ সি নী ্ ৫8৭ 1 চা 9 
টা 1 1 ্ 


| ানিরছেন। [এ গাজার ও এ ও রাজা নর্বাদাজা 
করিয়াছেন ]॥ ৪ ত্দ্ধার রর্ম্বরপ হংস-বাহুন অদ্ভূত বিমান এখানে, 
আনিত হইয়া আপনার অঙ্গনে অবস্থিত রহিয়াছে ॥ ৪৫ ॥ আপনি এই 
মহাপত্ম নামক নিধি, ধনপতি কুবেরের (নিট হইতে আনয়ন করিয়াছেন, 
সমুত্র আপনাকে উৎরষ্ট কেসর বিশিষ্ট অল্লান পদ্মের মালা প্রদান 
করিয়াছেন॥ ৯৬। বরুণের স্বর্ণবধণকারী ছত্র আপনার গৃহে রহিয়াছে; 
যাহা পূর্বে প্রজাপতি দক্ষের ছিল, সেই উৎকৃষ্ট রথও আপনার গৃহে 
 বিষ্টমান | ৯৭॥ হে প্রভো ! আপনি যমের উতক্রান্তিদা [প্রাণাকর্ষণকারী] 
_ নামক শক্তি হরণ করিয়াছেন; সলিলরাজ বরুণের পাশ আপনার ভ্রাতা 
নিশুদ্তের হস্তগত ॥ ৯৮ সমূদ্রগাত রত্বরাজি সমন্তই [ আপনার ভ্রাতা ] 








. নিষুদ্ের অধিকারে আছে; বহি-দেবতাও আপনাকে অগ্নি স্বারা 


 শিশ্মনীকূত ব্যুগল প্রদান করিয়াছেন ॥৯৯ নি 

তত্ব-ন্থাধা। এই ক্লোক সমূহে দেহস্থ পঞ্চ জানেন বন | 
কারনে সমূহের অধিপতিগণের এবং ত্রন্ধা বিফ রুদ্র. (হে) ) ) এই 
তিনটা প্রধান দেহ-দেবতার দিব্যতাৰ ও এশরধ্যসমূহ সংগৃহীত, ইহা 
ক্রমে প্রদশিত হইতেছে। . যদিও মন্ত্রে সমস্ত দিয়া বিপতিগণের : নাম 
বিশেষ ভাবে উল্লেখ নাই, তথাপি এশ্বধোর সহিত তাহাদের অবস্থিতি 
উদ্বাটিত করিয়া দেখাইলে, মন্তোক্তি সমূহের রহস্য ও তাৎপর্ধ্য সহজে 
বোধগম্য হইবে। বিশেষত: আধ্যাত্মিক বা অতীন্দিয় রাজ্যে 
সাধকগণের বিশ্তদ্ধ ও উন্নত অবস্থায় নানাপ্রকার দিব্য ভাব এবং 


যোগৈশ্বধ্যময় দেবভোগ্য অবস্থা সমূহ ডি হর উহ্াও 29 
দেবগণের এশ্বধন্বরূপ ! | 


এক্ষণে জ্ঞানে এবং কম্মেন্দরিয়া'॥র ক্রম-অুসারে, ধারাবাহিক 
পর পর এখানে অধিপতিগণের নাম ও এম্বধ্য বিবৃত করা হইল. যা-- 











মু টু নত 2৩ উদ এদিছ ৪0৭88800581 8737 35 ২৮,৩75 এজ 0৭ + 
মান ১০8 ০৮ *শু 
1 সত) ২708 ॥ 
হি) 8 / 1 ॥ ] 
৭8 ইরা ॥ 
চলা 31 311 
২ "বি 
7 


্ ৯. ছে ণধিতর তি দিক্‌; 'াযারই ধান টস 
 উচছৈমশ্রবা *_ইহা অতীনি় রাজ্যে নাদ শ্রবণাদির শক্তি বা বিভৃতি; 
কিগ্বা অতি দূর স্থানের শবদাদি ুক্ম ভাবে শ্রবণের বিশেষ ক্ষমতা. 
ইহাতে শব তকমা বা ব্যোম্তত্বের অভিব্যক্তি |. উচ্চঃশ্রবা নামক 
খ্বর্গীয় অশ্বটা আকাশ-পথে সশবে ধাবিত হয়; আর ঘোটকের শ্রতি- 
দ্বার ব। কর্ণ উচ্চ দিকে থাকে, এজন্ও নাম উচ্চৈঃশ্রবা (পরতে অনেন 
ইতি শ্রবঃ শ্রতিঃ)] (২) স্পর্শ বা তুগিষ্টরিয়ের অধিপতি-_বাত্‌ বা 
বাফু। প্রাণময় বাযুই দেহ-রক্ষাকারী বিষ্ুম্বরূপ-ইনিই মন্ত্োক্ত 
“সলিলরাজ্জ' বা অপতত্বের অধিপতি; তীহার বিশিষ্ট এশ্ব্য পাশ-_ইহ 
অবস্থাভেদে বন্ধনকারী, কিন্বা মুক্তি প্রদানকারী । সব্বপ্তণময় বিষণ বা 
_ বিষুশক্তি মহামায়! যখন জগত পরিপালনের ইচ্ছা করেন তখন পাশ 
দ্বারাই জীবগণকে মায়াপারশে বা ভব-বন্ধনে আবদ্ধ করেন; আবার যখন 
কাহাকে মুক্তি প্রদান করিতে ইচ্ছুক হন, তখন এ পাশরূপ প্রেম- 
রজ্ুপাশে আবদ্ধ করিয়! মুক্তি প্রদান করেন !- এজন্য ম্পর্শাত্মক্‌ পাশে 
স্পর্শন্নাত্রা বা মকুত্বত্বের অভিব্যক্তি । 
(৩) দর্শনেন্দ্িয়ের অধিপতি স্থুর্য্য । পৃথিবীর সৃষ্টি স্থিতি লয়াদি 


* উচ্চৈঃশ্রব! এবং পারিজাত স্বীয় বস্ত, কিন্তু উহাদিগকে ইন্দ্রের 
নিকট হইতে আনা হইয়াছে কিনা এবিষয়ে মন্ত্রে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ 
নাই |; কিন্ত স্থক্ম ভাবে বিচার করিলে দেখা যাইবে যে, শবাাতুক্‌ 
উঠচঃশ্রবধার অধিকারী শ্রবশেন্িযাধিপতি দিক এবং গন্ধাত্মক্‌ 
পারিজাতের অধিকারী শ্তরাণেন্দিয়ের অধিপতি অস্বিনীকুমার স্বয়। 
স্থুতরাং উচ্গৈ-শ্রব। এবং পারিজ্জাত তৎ তং অধিপতি বর্গ দেবস্কখঁণের 
“নিকট হইতে গৃহীত হইয়াছে এরূপ ধরিয়া লইলে, উহা! কউ-খন্ধনা বা 
_অনভ্বব বলিয়া গণ্য হইতে পারে না) বিশেষ আখ্যাম্মিক ব্যাখ্যায় 
ভা আপ্রিহানি। 
















স্ব বি ার্ধোর প্রধান দেবতা হু জাহাজের কেন হ করাই লগ ] 
পারচালিত হ্য়। অসীম শক্তির আধারস্ববপ সুরযাকে প্রমাস্ারপেও ও 
উপাসনা করা হয়; এই গ্রস্থের আদিতে “সাবণি সূরধ্যতনয়' ব্যাখ্যাভেও 
এবিষয়ে বলা হইয়াছে । সুধা, দেহ-ব্রদ্ষাণ্ডেরও অধিপতি । জোতিষ: 
শাস্ত্রে সূর্যকে জীবের আত্মারূপেও গণ্য করা হইয়াছে 1... স্থৃতরাং 
পাখি ধনের অধিপতি কুবের হইলেও, অপাধ্িব এবং পারমাথিক. 
ধনের অধিপতি বা পরম ধনেশ্বর পরমাত্মময় হ্রধ্য। আধ্যাত্মিক জগতে, 
ধনেশ্বর হুর্য মহানিধিম্বরূপ মহাপদ্ম দিয়াছেন--ইহাই জীব-দেহস্থ 
সহশ্রদল পন্ম বা চিরপ্রন্ষুটিত অত্যুঙ্জল জ্যোতির্বয় সহআার * ৷ 
- ইহাতে বপ-তন্মাত্রা বা তেজোময় মহাভাবের অভিবাক্তি । 
(৪) রসতব্বময় রসনেন্দ্রির অধিপতি বরুণ (প্রচেতা)। দেহস্থ্‌ 
আজ্ঞাচক্রেই রসতত্বের বিশিষ্ট অভিব্যক্তি; কেননা সেখানে মনোময়, 
কোষে মনের অপ্রিপতি অমৃতত্রাকী হুধাকর চন্্র বিদ্যমান; সেখানে 
রসতত্বময় ত্রিবেণী তীর্থে জ্যোতির্ধয় ওঁকার দেদীপ্যমান; আবার- 
বিজ্ঞানময় কোষ এবং নিরালপ্পুর-বূপী আনন্দময় কোষও দ্বিদলেই 
বিরাজমান! সুতরাং -দিদলস্থ ত্রিকোণ মণ্ডল সমৃহই বরুশের 
ছত্র্গরূপ! [সাধারণতঃ ত্রিকোণভাবাপন্ন বস্ত্রণগু-সমস্তি দ্বারাই 
হত্র প্রস্তত টি আর সেখানকার আনন্দ-রস বা অম্ুতধারাই বরুণের 








পিটিশ শি পিশপদাসীপীশিিিপিশাশিশিটিশিসপাী টপিশীিকপশিীপীশ্পি পাশ টিস্পিকপাপিশত 


* কোন কোন মোর মতে জীক দেহের, মহানিথিস্বর়প 
ডিরপপ্রন্ষুটিত ও অগ্ত্রান সহআর বা! সহত্রদল পদ্মটা সতত উর্ধমুখে 
অবস্থিত; আর কোন কোন ষোগীর. মতে, সহশ্রার অধোমুখে ছত্রের 
যার বিরাঙ্জিত। আবার কেহ বলেন, ধাহারা ভোগাকাহ্ধী বা ফলকামী; 
তাহাদের পক্ষে পন্সগুলি অধোমুখী ধ্যেয়। আর ধাহারা দি বা. * 
মোক্ষাভিলাষী, তাহাদের পক্ষে উরদমুখী ধ্যান প্রশস্ত । . 


৬২  শ্রীশ্রীচ তী-ততব ও সাধন-রহস্য 


হর কাক | বিশেষতঃ সহলার-বিগনি ্রধাধারাই দবিদলস্থ 
ত্রিবেশীতে মিলিত হয় এবং উহার ফর্ধীকা বা স্ুধাবিন্দু সমূহ, 
রসাম্বাদন্কারী রসনা দ্বারা আস্বাদিত হইয়া সাধকগণকে আনন্দে 
মাতোরারা করিয়া তুলে! ধাহারা সাধনায় অগ্রসর হইয়াছেন, কিনা 
হারা “খেচরী মুদ্রা” সাধন করেন, তাহার! ইহ বিশেষরূপে অবগত 
আছেন ইহাই মন্ত্রোন্ত কাঞ্চনম্াব! _ইহাতে রসতন্মাত্রা বা 
আনন্দময় অপ তত্বের বিশেষ অভিবাক্তি। ৫) গন্ধতত্বের অধিপতি 
অশ্বিনীকুমারদ়্। : পারিজাত, কল্পতরুসদৃশ হইলেও, গন্ধই ইহার 
 ঠৰশিষ্ট্য এবং ইছা গন্ধতছেরই চরম উৎকর্ষ বলা ইতে পারে।, সাধক 
অতীন্রিঘ রাজ্যে গন্ধতত্বয়় দিব্য সৌরভ উপকৌর্গীকরিয়া বিমুগ্ধ হন_ 
স্উহা সময় সময স্থূল স্রাণেন্ডরিয় বা নাসিকা দ্বারাও উপলঙ্ধি হইয়া থাকে 
ইহাই . দেহের পারিঙ্গাভ-্বরূপ ! ইহাতে গা কা 
| বিতর অভিব্যক্তি । 
| [কর্দেক্দিয় সমুহের অধিপতি 

৬ পশীনধিষের অধিপতি ইন্দ্র। বিদবাংরপিদী গতি-শক্তিই 
ইন্দ্রের এরীবৎ ;. এবিষয়ে মধ্যম চরিত্রে সবিশেষ আলোচিত হইয়াছে। 
বিশেষত; স্বিদ্যুৎসম্টিকূপ বজ, ইন্দ্র-দেব হস্ত দ্বারা! ধৃত করিয়া অসীম 
পশক্তির পরিচয় দিরাছেন; এজন্তই তিনি পানী'দ্রয়ের অধিপতি । 
[ইব্‌ ধাতুর অর্থ গতি; ইরাবান্-গতিবিশিষ্ট ; স্তরাং ইরাবান্‌ 
সম্বন্ধীয় বা গতিরিশিষ্ট শক্তিই এরাবৎ ] আবার. গভি-শক্তি দ্বারা 
পাণীন্দিয়ের আদান-প্রদান কার্ধ্যও সম্পাদিত হয়। বিশেষ, শক্তির 
গ্লাতিময় ব্যক্ত অবস্থাই জ্োতিংম্বরূপ), এজক্ঠ রাত: গতিময় 
বিচ্যৎশকি অভিবাক্ধ। আর এই বিস্তৎ জিষ্বারা স্কুল-জগতের 
আবিভৌতিক সর্বহিধ কার্য, সম্পাদিত, হয় . আবার, বডারে 








ুক্ম ও কারশ-জগতেরও আধিদৈবিক ও আধ্যাত্মিক কাধ্যসমূহও 
স্থসম্পন্ন হইয়া থাকে। (৭) পাদ ইন্দিয়ের অধিপতি, বামন 
(বাউপেন্্র)-ইনি ধেহ-পুরের পুরদ্দর বা গোবিনম্বরূপ ইন্দ্র 
দেহের অঙুষ্ঠ মাত্র জ্যোতিত্য় পরম পুরুষ বা কুটস্থ চৈতত্যই বামন। 
শান্্ে আছে_“রথেতু বাদনং দৃষ্ট1 পুনর্জন্ম ন বি্যাতে”-_অর্থাৎ 
'দেহ-রথে আত্মময় চৈতত্যরপী বামনকে দর্শন করিতে পারিলে আর 
জন্ম হুর না। ব্রজনীলার দেবরাজ ইন্দ্রের দর্প চূর্ণ করার পর, দেবগণ 
গ্রোবিন্কেই গোরূপা পৃথিবীর ইন্্রত্বে অভিষিক্ত করিয়াছিলেন । 

সুতরাং দেহরপ পৃথিবীরও অধীশ্বর গোবিদদ়পী বামন; তিনিই ইন্জ লা. 
পুরন্দরস্বব্ূপ | বামনরপী পুরন্দর গাজরত দিছেন বামন; 
পাদ-ইস্্িরের অধিপতি পদই দেহরূপ বব্ধাণের ধারক ও বাকা? 
গজের পদ্চতুষটর তাহার বিরাট দেহটা ধারণ করিতে সমর্থ, এজন্য 
উহাতে বিশেষরূপে ধারণ-শক্তি অচিবাক্ত। গজ শষের মহিত র রব 
বাকাটী যুক্ত হওয়ায় ধারণ শক্তিও যে 'জ্যোতিম্ান্‌ ইহা পরিবাজ 
হইয়াছে। বিশেষত; গজরত্ব ব| গজমতি হার" পার্কতী মী মানন্দে 


হৃদ়-গ্রদেশে ধারণ করিয়া ভক্তগণের আনন্দ বর্ধন করিয়া থাকেন | 
এইসব কারণে গজরত্বে জ্যোতিশ্ময় ধারণ?-শক্তি' অভিব্যক্ত 1: 


(৮) বাগিক্রিয়ের অধিপতি অগ্নি বা বন্ছি ? তিনি স্বীয় এর 
বিশুদ্ধ বন্ত্রধগল প্রান করিয়াছেন। -ইহা! তেজতত্ব দ্বারা উদ্ভাদিত 
ব্রজ্ষাবিষ্াা এবং হিরম্মর অপরাৰিষ্ঠাঁ। তেজন্বী বা বীর নাহইলে, 
নিশ্মল ব্রহ্ধাবিদ্যা কেহই” আয়ত্ব বা-লাভ করিতে পারেন. না - যেমন 
পুনঃ পুনঃ অগ্নির তাপে জুবর্থ বিতুদ্ধ হইয়া উজ্জ্বল কান্তি প্রাণি হয়, 

_ লেইঙ্জপ পাথিব অপরাৰিষ্ঠাও [ অর্থাৎ বিদ্যালয়ে শিক্ষাপ্রাপ্ত বিক্যাসমূহ | 
ঞানামি হবার! বিশুদ্ধ হইলে, উহাও ব্্ধবিদা। লাভের সহায়ক হরে 








ক্ষমতা অয়্ে। আবার প্রাণ 


ফু জীত্ীচ্তী-তব ও সাধন-রহস্ত 


প্রতিভাত হয়। অকারাদি পঞাশং » কী বর্ণ এবং স্বস্তি বাকৃকপী, 
জিহ্বার সাহাযোই উচ্চারিত হয় ধরণমালা দারা গ্রবিত শ্রুতি স্বৃতি 
পরাণাদি শাস্্সমৃহ বা তং সারাংশ গতাঈগতিক প্রথায় গুরু হইতে, 
শিল্তে বাগি গৃ্গিয়ের নাইাযোই অপ্সিত হইয়| ব্রবিষ্যারূপে প্রকাশ পাই! 
নকে।  শুভ-নৈতা বধের পর দেবগণ অগনিকে সম্মুখে রাখিয়া! স্তবপরায়ণ, 
ইয়াছিলেন। সর্বপ্রকারে বিশুদ্ধ, করেন, এজন্ত. তেজস্বী অগ্রির না. 
ঠাবক। দেহওদধি চিত্ত এবং আত্মশুদ্ধি কার্যে অমিক্প 









গতি করিয়া, যম-দেবতা বের দেহটীকে বিশুদ্ধ করেন? আবার. . 





রে নরদেহে দেহীকে স্থাপনের ্ধাপরিত দেহ হইতে 
কী উৎানধিদা শতিছারা কর পু মৃ্্ু সংঘটন করিয়া 
থাকেন; এইরপে 'জীবগণকে শোক-তাপপূর্ণ ভব-বসধন হইতে মু. 
করিয়া যম শাস্তি বা! কলা" প্রধান করেন_-এজন্ত যমের অন্ত নাম 
এশমন্। 1 শংশানতিঃ কল্যামং বা মনস্তীতি কপ; হতরাং যিনি শাস্তি ও 


কল্যাণ প্রাপক, তিনিই শমন] যে শক্তির বলে যম স্ুলদেহ হইতে. 


ক্ষদেহ আকরণ করিয়া পৃথক রে উহ্াই উৎকান্থিদ। নামক শক্তি) 
সাধক পক্ষে এই শক্তিলাত হইলে সাধকের ইচ্ছামত মংঘটিত,ইয়; 


নগর দেহ হইতে হৃচ্মদেই . শিড়াসন_ পূর্বক অগ্ দেহে প্রবেশ লাভের$ 


শাক পূর্বক মারণউচভাটনাি কাধ 
রী] যায়| ৪ ডি এ 









য় বিশেষ সামাজিক অনুষ্ঠানে, ্ানাস্েও মিম্প্ন করি ্ 


টে 


/ ১৭) উপস্থ ইন্্িয়ের অধিপতি প্রজাপতি ; কাম-কামনা 
রজোগুণময় মনের বিকার বা ব্যাপার | মনোময় রথে অরোহণ করি যাই. 
কাম-কামনার অভ্যুখান হয়। আবার মনটা বিশুদ্ধ হইলেই উহ, 
মদন-বিজয়ী বা! কাম-কামনা দমনকারী প্রেমময় অভিন্থশোভন রখরপে 
পরিণত তয়! -উহাই মঙ্্রোক্ত সন্দনবর বা উৎকৃষ্ট দ্বরখ। 
' মনোময় রথকে আশ্রয় করিগাই দেববৃত্তি এবং আস্করিক বৃত্তি সমূহ. 
ক্রিয়াশীল হইয়া পরস্পর স্ংঘর্ষে প্রবৃত্ব হয়! তাই সাধক গহিযাছেন-_ 
“চড়ি গোগীর মনোরথে, মনমথের মন মথে”। এন 
এতৎ ব্যতীত বুদ্ধির অধিপতি ত্রন্ধার এবং. অহ ারাধিপতি... 
রুত্্রের (ইনি আনন্দময় কোষেরও অধিপতি) আরও বিশ 
সংৃহীত হইয়ছিল যাক অত্মার হংলযুকত রড, বিন 1. 
জানময় বিশু রথ-_ফিনি সিদ্ধকাম এবং পুরর্মনোরথ : ্ নিই এই রা 
জানময় রত্বখচিত নির্মল রাখ আরোহণ করিতে ল্মর্য | মহত্ধি 
পতগরলি বলিয়াছেন-__বুি 'বস্তদ্ধ হইলে, “প্রতিভ” জান বা পে 
যোবিদূতি লাভ হইয় থাকে_ইহাই বুদ্ধি- ক্ষেত্রের বাজি) 
“হংসঘুক্ত” বলার দুইটা তাৎপর্য আছে, যথা--(১) হংস যেমন 
জলে স্থলে এবং অন্তরীক্ষে বিচরণ করিয়াও নি্িপ্ত থাকে, সেইফপ 
্রহ্ষজ্ঞানী সাধকও জ্ঞানময় রথে আরোহণ করত, সর্বত্র র্ষময় কা. 
্রশ্ষময়ীকে দর্শন এবং অন্কভব করিয়া ক্রচ্ষানন্দ লাভ করেন! আবার 
সাংসারিক সর্ববিধ কর্তব্য কর্শে নিয়োজিত থাকিয়া, হংসবৎ নিরিপ্ত 
ও নিঃসঙ্গ অবস্থা প্রাপ্ত হন। (২) সিদ্ধসাধক নিজ ্বাস-গ্রশ্বাসে 
সতত শিব-শক্তিময় হুংস ভাব, কিন্বা রাধারুফ্ময় সোইহং ভাব রান 
করিয়া পরমানন্দ লাভ করিয়া থাকেন-_ ইহাই .মষ্বোক্ত হংসমুক্ত 
জীবদেহবূপী বিমান। (খ) অন্ধিরূপ আনন্দসমূ্ যা আনম 





















্ীশ্রীচণী- -তত্ব ও সাধন-রহস্য 





কাজে অধিপতি__কু্ররূগী মহে্বর তিনি কি বা প্রেম- 
যে অতি স্থুশোভন যৌগিক ২ মালা |. লও দেহ-পক্কে 
জাত, চিত্রা-নাড়ী গ্রথিত, বিভিন্ন ও বিচির বর্ণ স্থরপ্তিত চির-নির্মল 
ষট্পন্ের মালা, ভ্রতাপ-দপ্ধ সংসারে সত্য-স্থন্দর জ্ঞানময় মহেশ্বরের 
সর্ধশ্রেষ্ঠ অবদান স্বরূপ! আননদ-সমুত্র হইতে ভক্তি শ্রদ্ধা প্রেম প্রীতি 
প্রভৃতি অমূল্য রত্বরাজি আহরণ পূর্বক সাধকগণকে প্রদান করিয়া, 
মঙ্গলকারী রুদ্র, মানব-জীবন লাভের সার্থকতা সম্পাদন করিয়াছেন টি 
ইহাই মস্তরোক্তির গৃঢ রহস্য ও তাৎ্পদ্য ।--(৯৪-৯৪) ডা ৰা 
এবং দৈত্যে্্ র্বানি সমস্তান্তান্ততানি তে। রি 
আীরতমো কল্যাগী বয়! কন্মাস্ন গৃ হতে ॥ ১০০... 
১118 .ম্জ বিবরণ |... হে দৈতারাজ | এই প্রকারে রঃ তিভূবনের ] ্ 
ু্তমাপনি আহরণ করিদরাছেন ; তবে এই কল্যাণী বীরত্ব আপার নি 
হণ করিতেছেন না কেন?1--(১০০) পা ? টা 
তত্ব-্ধা। ত্িভৃবনের সর্কবি্ রত্ব এবং স্ব সার নি 
একত্র সমাবেশ হইয়াছে, তখন এই জ্যোতির্দয়ী ত্্রী-রত্ুটা সংগ্রহ করাও 
একান্ত প্রয়োজন; ইহাই লোভ-মোহবূগী চণ্-মুণ্ডের অভিপ্রায়। আর 
চণ্ড-মুণ্ড অঙ্থিকা মাকে কল্যাণীরপে দর্শন করিয়াছে__দেবী 
দর্শনজনিত সৌভাগ্যবশে তাহাদের চিত্ত বিশুদ্ধ হওয়াতে, তাহারা অস্ত্র 
হইলেও, দেবীকে কল্যাণীরূপে গ্রহণ করিতে সমর্থ হইয়াছে-_ইহাও 
চগ-মুণ্ডের সাত্বিক লক্ষণ । 

এই মন্ত্রে আরও একটা স্বন্দর ভাব পরিব্যক্ত হইয়ছে। সর্ববিধ 
পাধিব মম্পদ লাভ করা যাইতে পারে, সর্ধববিধ বিভূতি এবং ষোগৈঙ্ব্য 
সমূহের অধিকারী কেহ হইতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ ফড়েশবধ্যশালী 














ভগবান * বা ভগবতীর রনী না ন্‌ জা প মি 
ইষ্ট দেব-দেবীর. চিদানন্মময্ শ্রীপাদপন্মের মকরন্দ-পানে, বিভোর সা. 
হইবে, ততক্ষণ সর্বববিধ শত্তিলাভ নিরর9থক__সমস্ত এই্বব্য বৃথা! তাই 
ভগবান শঙ্করাচাধ্য বলিয়াছেন_-“জগতের নিখিল পদার্থ তোমরা 
করতলে বিত্যস্ত, অর্থাৎ সমস্তই তোমার অধিকারে বিদ্যমান; রাজা এবং 
রাঞজচন্রবর্তীগণ সকলেই তোমার চরণ-পদ্ম সেবা করিতেছে, তথাপি-_ 
পপতক্ষোরজ্বি, পন্মে মনশ্চেম্ন লগ্ন, ততঃ কিং ততঃ কিং ততঃ কিং ততঃ 
| কিম? জীপুরুর চরণকমলে যদি তোমার মন লগ্ন না হয়, তবে. আর 
কি.লাভ হইল ? রা নাই ব্থা! ধা! | বৃথা 11 (১০০) ৃ 
নিশচে তি বচ: শুভঃ স তদা জা 
 প্রেষয়ামাস সুপ্রীবং দূতং দেব্যা বহার 7. ১২) 
ইতি চেতি চ বক্তব্যা সা গন্ধা বচনাম্মম। 
যথা চাভ্যেতি সংপ্রীত্যা তথা কার্ধ্যং সয় লু এ নী 
অত্য বিবরখ। খধি বলিলেন_-তখন শুভ, চণড-ুণ্ডের ছি 
প্রলোভনাত্মক্‌ বাক্যসমূহ শ্রবণ করিয়া, দেবীর নিকট স্কগ্রীব নামক এক 
মহান্থরকে দূতরূপে প্রেরণ করিল ॥১০১/১০২| [ শ্ুস্ত বলিল] তুমি: 
সেখানে যাইয়৷ আমার আদেশে এই কথা সেই দেবীকে বলিবে এবং 
রে * সমগ্র এশ্বধ্য বাধ্য প্রভৃতি, কিন উৎপত্তি বিনাশানি ষ্ট্‌ লক্ষণকে 
ভগবানের বা ভগবতীর ফড়েশবধ্য বলিয়া শাস্ত্রে কথিত হইলেও, 
প্রকৃতপক্ষে সন্ধিনী সপ্বিদা ও হলাদিনী এই ত্রিবিধ দ্বরূপ-শক্তি :এরং 
ষ্টি-স্থিতি-লয়াত্মিকা ত্রিবিধ গুণময়ী শক্তি, এই ফড়তিধ মহা .এশ্বধ্যশালী 
শক্তিই ভগবানের “ভগ” বা ফড়েখধ্য! কিছ. ইহাই মহাশক্কিমন্ 
ভগ্নবতীরও ফড়েশ্বর্ষা । ২ 














৬ | ্রীপ্রীচতীতব ও সাধন-রহস্ত 


যাহাতে সম্প্রীতিসহকারে তিনি, এখানে; চা উপস্থিত হম, তাহার 
্যরস্থা করিবে ॥--(১০৩) | | 
| টা |. অন্ুচরের, মুখে সেই পরী তীর হ 1 


25 





হু সু ক ভাবসুহ বাহিরে তমো প্রধান নট অন্তর প্রদেশে উই ্ঃ রী 
সাসিকভাবাপ্; এরন্ত-অপূ্ব লৌন্দধ্যমম নারীয় কথা শ্রবণ রা, 
কারী শুন্ভ এখমত; ছয়ং তাহাকে দর্শনার্থে গমম বরিল না: 
(দ্বিতীয়তঃ সেই নারীর প্রতি বল-প্রয়োগ না করিয়া তাহাকে বুঝাইয়া 
 আনিবার জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করিল; তৃতীয় শুস্ত কিস্বা তাহার দ্রাতার 
ৃ থে যাহাকে সেই রমনী পছন্দ করিবেন, তাহারই স্ত্রী হইতে পারিবেন, 
এইরূপ ত্যাগমণ্ডিত ভাঁব প্রকাশ করিল-এই সমস্তই সত্তৃপ্তণের 
ৃ গরিচারক। এইরূপ সন্বগুণের প্রতীক, সুন্দর অবয়বধুক্ত মধুরভাষী 
স্থ্রীব নামক দূতকে সেই দেবী আনয়নার্থে প্রেরণ করিয়া এবং যাহাতে 
সে ভালরূপে বুঝাইয়] কাধ্য-সিদ্ধি করিতে পারে এইপ্রকার আদেশ ও. 
উপদেশ প্রদান করিয়াছিল। কামের এমনি মোহ যে, সব্প্ুণ কিন্বা 
সত্বগুণময় প্রবচন বা বাগ্মীতা ছ্বার৷ সেই গুশাতীতাকে লাভ করিতে 
ইচ্ছুক হইয়াছে !*-(১০২-১০৩) 
'স তত্র গন্বা যত্রান্তেশৈলদেশেইতিশোভনে | 
* সা দেবী তাং ততঃ প্রাহ শ্রক্ষং মধুরয়া গিরা ॥ ১০৪ 
ত্য বিবরণ । যে অতি স্ুশোভন শৈল- -প্রদেশে সেই দেবী 
কৌধিরী বিরাজ করিতেছিলেন, সেখানে দূত গমন রড ফোম | 
মধুর বাক্যে তাহাকে. বলিতে লাগিল 1--(১০৪) ১78 
কাস মনি দেহ*মেক্ুর তি শোভন চি রা 

















আজ্ঞারগী ক্ষেত্র ৬৯ 


৬. 





উহার উ্ধ প্রদেশে আনন্দময় কোষে বা িরালপুরে শান নী: 
সমাসীনা! উহা বিশিষ্ট আনন্দের কেন্দ্র বা ভোগৈস্বর্যো পরিপু' 
শ্রীকষেত্রবপ। যোগীগণ সবিকল্প-সমাধির অবস্থায়ি এই ক্ষেত্রে বিশিই 
আনন্দ উপসষ্ি করিয়া থাকেন।, খিল পদে রি র্যা বা 
রর সব্গুণানধিত হব বশর তে আগ না টা 
: হইয়া উহার উর্ধভাগে বিরাজমানা জ্যোতি দেবীকে দর্শ 
সঙ্গত প্রলোভনাত্মক্‌ সুমধুর ভাষায় দেবীর নিকট প্রার্থনা জানাই তে 
লাগিল। স্বুগ্রীব দেবী-দর্শনের সৌভাগ্য লাভ করিয়াছে, এজন্য তাহার 
ভাব ও ভাষা স্থুকোমল ও মধুময় হইয়াছে-_তাই গদ-গদ বচনে 
জ্যোতির্য়ী অস্থিকার নিকটে স্বীয় প্রভুর উদ. ও ভাব বক, 


করিতেছে 10১০৪). 
দূত উবাচ ॥ ১০৫ | 

দেবি দৈত্যেশ্বরঃ শুস্তস্্রলোক্যে পরমেশ্বরঃ। 

দৃতোহহং প্রেষিতত্তেন ত্বংসকাশমিহাগতঃ ॥ ১০৬ 

অব্যাহভাজ্ঞ, সর্বাস্ু যঃ সদা দেবযোনিষু। 

নিজ্জতাখিলদৈত্যারিঃ স যদাহ শূণুষ তৎ॥ ১০৭ 

মম ভ্রেলোক্যমখিলং মম দেবা বশানুগাঃ। 

যজ্ঞভাগানহং সর্ধানুপাশ্নামি পৃথক্পৃথক্‌ ॥ ১*৮ 

সত্য বিবরণ। দূত কহিল-হে দেবি। দৈত্যরাজ শুন 
ত্রিভূুনের একমাত্র অধীস্বর, আমি তাহার প্রেরিত দূত; এখানে আপনার 
নিকট আগমন করিয়াছি 1১০৬ নিখিল দ্রেবতাবৃন্দ ধাহার আজা 
 অপ্রতিহতভাৰে (অবনত মন্তরে ) পালন' করিয়া থাকেন, সমস্ত 
ইদত্যারিগণ-বিজরী লেই শুগ যাহা বলেন, তাহা শ্রবণ করুন ॥১*৭। 















৭ শ্রীশ্রীচণ্ডী-তত্ব ও সাধন-রহস্য 


এই নিখিল ব্রিলোক্য আমার) দেবগণ আমা ্বজ্ঞা্বর্তী। আমিই 
সমস্ত দেবগণের ষজ্ঞভাগ পৃথক্‌ পৃথক রূপে ভোগ করিতেছি ॥১০৮ 
তত্ব-্তুধা। কামরাজ শুস্ত, দেহরগী ত্রলোক্যের একাধিপত্য লাভ 
করিয়াছেন; অর্থাৎ দেহ-ত্রক্াণ্ডের সর্ধপ্রক্কার যোগৈশ্বধা এবং 
. ভোগৈশ্বধ্য তাহার অধিগত হইয়াছে নাই মন্ত্রে তাহাকে পরমেশ্বর 
বলিয়া উক্তি করা হইয়াছে। শুস্তের আজ্ঞ| সর্বত্র অব্যাহত; কেননা 
যেখানে দেবভাব সমূহ পরাস্ত এবং শুস্তের আজ্ঞাবীন, সেখানে আস্থুরিক 
ভাবসমূহও তাহার বিশেষ অনুগত সন্দেহ নাই; তাই কামরাজ শুস্ত 
দেবতা এবং অস্ুরবৃন্দেরও অধীশ্বর-_-এজন্ত দেব দানব মানব (কবেই 
| াহার আজ্ঞ! প্রতিপালনের জন্য প্রস্তুত! 
শুস্ত 1755. বেকিং আমার রজোগুময় কাছের 
ূ অভিযান সু সুশ্ম এবং কারণ রি বিবিধ অবহাছেই যুগপৎ ক্রি | 
বা পরিস্ফুট হয়। বিশ্ষেতঃ যোগৈসবধ্য ্রাপ্জিতে ফারপক্ষেত্রে এ 
অহংতা এত প্রবল হয় যে, ত্রিভুবন যেন গ্রাস করিতে গত !-ধরাকে 
যেন “পরা” (মৃৎপান্ধ) জ্ঞান করে! তাই এখানেও ্্ধা-মদে গর্ত 
কামাত্মক্‌ শুস্ত বলিতেছে__আমিই ভ্রিলোকের পরমেশ্বর এবং দেবগণের 
ষঙ্জভাগ সমূহ, আমিই পৃথক্‌ পৃথক্‌ রূপে ভোগ করিয়া থাকি !-_ এইসব 
কারণে, সর্বেশ্বরত্ব হেতু আমিই সেই অপূর্ব নারীর অধীশ্বর হইব ! 
অর্থাৎ সে আমার ভোগ্যা হইবে ।_ইহাই কামময় শুল্তের আন্তরিক 
অভিপ্রায়; কিন্তু মোহবশতঃ মে এখনও সেই পরম তত্ব -ঝতে পারে 
নাই যে, ভগবৎ কুপাব্যতীত ভগবানকে কেহ ছলে এলে বা কৌশলে 
লাভ করিতে পারে না--উহা৷ বামনের টাদ ধরার ন্যায় অসার সন্বপ্পমাত্র ! 
দেবী-মাহাত্যোর ম-কৈটভ বধ লীলার “অহংমমেতির স্থুলতাব 






সর্ধ সমর্পণ ৭১ 


বিলয় হইয়াছিল। মধ্যমচরিত্রে--অহংরূগী মহিষাস্থর এবং মমরূগী 
তাহার যোড়শ আস্রিক এই্বর্ধাময় প্রধান বল এবং অগুবল সমূহের 
বিলয় দ্বার! অহংমমেতির সু্ষ্মভীব বিল হইয়াছিল। এখানে উত্তম 
চরিত্রে কারণমর ক্ষেত্রে, কামরশী শুভের কারধমন্ অহংভাৰ 
অভিব্যক্ত ; আর তাহার দিব্য ও আস্থরিক এশ্বধ্য সমূহই “মম বা 
মম-ত্বরূপে অভিব্যক্ত!_তাই এখানে মঞ্্রে এশ্বধ্যের বিবরণ সমূহে 
“অহংঃ এবং "মম" বাক্যটা পুনঃ পুনঃ ব্যবহৃত হইয়াছে । 

ই মস্ত সাংসারিক ভাবে শিক্ষণীর অপূর্ব রহস্য আছে, যখ।- 








চীনফালে আর্ধাগধের অভ্াথান লঘরে তীহারা সাংদারিক সর্ব খর্ব , 





কার্যই - ভগবান বা ভগ্গরতী 





“মননাদি করিয়া! এবং ফল্লাফল পরম পদে সমর্পন পূর্বক, কর্ম 


পু করিতে প্রবৃত্ত হইতেন। গাছে একটা ফস ফলিলে, উহার র্বপ্রথমটী 
ভগ্গবানকে অর্পণ বা নিবেদন করিতেন জীবনে মরণে আহারে বিহায়ে রর 


 শ্রীতার্থে সম্পাদন করিতেন। শয়নে ট 
সারে জাগরণে। সর্বাবস্থায় সকল কার্যে, সর্বাগ্রে ইষ্ট দেব-দেবীকে 


সর্বাবস্থায়, 'ভগবানই ছিলেন তাহাদের পরম লক্ষ্য বা ঞ্রব-তাঁরা ০ | 


নিরাশ আধারে ভগবানই ছিলেন তাহাদের উজ্জরন আলোকম্বরূপ 
এইরূপে প্রত্যেক কার্যেরই প্রাণ-প্রতিষ্ঠা করা ইইত।; সুতরাং 
কর্মফল বা যন্তর-ভাগসমূহও ভগবান প্রীতির সহিত গ্রহণ করিয়া 
পরিতৃপ্ত হইতেন! ভগবানের পরিত্বপ্তিতে তদংশভূত দেবগণও 
তৃপ্তিসাভ করিতেন; তাই ভারতবাসীর সৌভাগ্য এবং অভ্যুদয় 
চরম ও পরম স্তরে উঠিয়াছিল এবং পৃথিবীর সকলশ্রেণীর লোলুপদৃষ্ট 
আকর্ষণ করিয়াছিল! কিন্তু কালগ:ম পাশ্চাত্য জড়-বিলাসিতার 
িত অনুকরণে আজ ভারতের নর-নারী বিমুগ্ধ !_-ত্যাগমণ্ডিত পবিত্র 
ভাবধারা ক্রমে যেন বিলুপ্ত হইতে চলিয়াছে! তাই ভগবানের পবিত্র 


৭২ ্ী্রীচ্ী-তত্ ও সাধন-রহস্তয 


লীলাভূমি ভারতের এই. অভাবনীক় ও শোচনীয় দুর্দশা" _ছুতিক্ষ 
মহামারী দারিজ্রয প্রভৃতি বিবিধ উৎপাত যেন ভারতবাসীকে গ্রাস 


করিতে সমুগ্যত । 


বর্তমান সভয-জগতে জলে স্থলে অস্তরীক্ষে রক শক্তিলীলার অনস্ত 
বিকাশ ও বিলাস চলিতেছে অতল জলধি-তলেও শ্তিময় 
অভিযানের অভাব দৃষ্ট হয় না। যেমন ক্রিয়া-দক্ষতার অহংকারে উদ্মত্ত 
যদান্ব দক্ষ-প্রজাপতি শিব-বিহীন যজ্ঞ করিয়া সদলবলে ধ্বংসের পথ 


প্রশন্থ করিয়াছিল, সেইরূপ শ্তি-মদে গঞ্ষিত, উদ্ধত আত্মস্তরিতায় 


 অবলধন করত প্রলয়রূগী অশিবকে সারে আবাহন করিতেছে। 





বাসী । আজ শিব-বিহীন যজ্ান্ঠান এবং ধ্বংসোন্ুতী নীতি 







2৮০ 


কালের কুটিল গতিতে আজ অধংঃপতিত ভারতের ঘরে ঘরে সাংসারিক 
ব্যাপারাদিতেও শিব-বিহীন দক্ষ-যতে্র অচুান হইতেছে !-_সমন্ভই 
| আত্ম-তৃপ্তির জন্য! এইক্পে সামাজিক বিশেষ বিশেষ অনষঠানেও 


গণামান্ত রাজ! জমিদার প্রভৃতি ধনীগণ, মধ্যবিত্গণ এবং আত্মীয়গ্বজন, 
এই ত্রিবিধ শ্রেণীর লোক নিমস্ত্রিত হয় (__ইহাই দক্ষ-যজ্জঞে জিলোকের 
নিমন্ত্রণ); কিন্তু বাকী থাকেন একমাত্র যক্তেশ্বর হরি) বা যোগেশ্বর 
দেবাদিদেব মহাদেব ! কেননা বর্তমান কালে সামাজিক ব] পারিবাবিক 
অনুষ্ঠান সমূহ ভগবৎ প্রীত্যর্থে অঙ্ুষ্টিত হয় না, কিন্বা আহার ্রবা 
সম্তারও ভগবানকে নিবেদন করার বাঘস্থা থাকে না; সুতরাং সমস্ত 
আয়োজনই প্রত্যেকের ব্যক্তিগত বা আত্ম-তুপ্টির জন্ত-_-এষ্টরূপে 
সকলেই পৃথক পৃথক রূপে যজ্ঞভাগসমূহ গ্রহণ ,রুরিয়া শ্বাকেন। ভাই 
এবছিধ ক্ষুদ্র বা বৃহৎ অহষ্ঠান সমৃহও শিবহীন দক্ষ-ধ্বযপ । 

_ এইপ্রকারে আমাদের পবিত্র জীবনী-শ্বক্তি সমূহ তিল তিল করিয়া 





ক্ষয় প্রার্ত হইয়া নিক্জীৰ বা মৃতপ্রায় হইতেছে-_এবছিধ শিব-বিহ্ীন হজ্জ 


দক্ষতা টক ৭৩ 


সর্বত্র অবাহত-গতিতে চলিতে থাকিলে, জাতির ধ্বংস অনিবাধধ্য 
কেননা আমাদের মধ্যে যাহা কিছু পবিত্র ও ষঙ্জলকারিণী শক্তি অবশিষ্ট 
আছে, তাহাও ক্রমে বিলুপ্ত হইবে-_তখন মহাশক্তিরূপিদী সতী দেহত্যাগ 
করিবেন !--আমাদের অনুষ্ঠিত সংসার-যজ্ঞ দক্ষ-যজ্জে পরিণত হইবৈ ! 
এত সাধের সংসারটাও লগ্ড-ভণ্ড হইয়া যাইবে-_ভূত-প্রেত-পিশাচের 
তাগুব-নৃত্যে এবং দানবীয় দাবানলে সোনার সংসার ছারখার হইয়! 
যাইবে ! তাই বলি, এখনও সময় আছে; এখনও হে ভারতবাসী আর্ধ্য 
ংশধরগণ! আত্মস্থ হও) শিব-বিহীন স'লার-যজ্জ করিয়া ধ্বংসকে 
বরণ করিয়া আনি না! সর্ববিধ কার্যে মঙ্গলময় ভগবানকে স্মরণ 
মনন ও নিদিধ্যাসন করিতে অভ্যস্ত হণ 1 আবার আধ ভা 
আধ্য-কীত্তি আধ্য-শক্তি এবং আধা গরিষায় সমস্থ বিশ্ব স সমুতাসিত 
টাই মন্ত্রোক্ত, কীম-কামনার রাজা শুসতাক্রের ক পৃ 

রূপে যজ্ঞভাঁগ ভোগের, গুঢ় রহস্য ও তাৎপর্য (১০৬-১০৮) 

[বিগত ১৩২১ সালে হরিদ্বারে কুভমেলাতে সমাগত 
সাধুমগ্ডলী সমবেত হইয়া ভারতের দুঃখ দারিস্রা এবং পরাধীনতা প্রভৃতি 
দু্িশার প্রক্কত কারণ কি? ইহা নির্ণয় করিবার জন্ত আলোচনা! করেন 
এবং প্রত্তিকার্ধো_ভগবৎ বিমুখতাই_ উহার একমাত্র কারণ বলিয়া 
তাহারা সিদ্ান্ত করেন! স্বতরাং যাহাতে ভারতবাসী পুনরায় রায় ধাস্মিক 
হয়, যাহাতে প্রত্যেকে ভগবানের প্রতি অনুরাগসম্পন্ন হয়, তাহার 
উপায় করা সর্ধাগ্রে কর্তব্য বলিয়া তাহারা অরধারণ করিয়াছিলেন ]। 

ব্রেলোকো বররত্বানি মম বন্যান্তশেষতঃ | 

তথেৈব গজরত্বানি হৃত্বা দেবেন্দ্রবাহনম্‌ ॥ ১০৯. 

ক্ষীরোদমথনো দ্ভৃতমস্বর্বং মমামরৈঃ। | 

উচ্চৈঃশ্রবস- সংজ্ঞং তত প্রণিপত্য সমপ্সিতম্‌ ॥ ১১০ 








৭8 প্রীন্ীচণ্ী-তত্ব ও সাধন-রহস্থয 


যানি চান্তানি দেবেষু গন্ধবেরষ্‌ নধুচ। 

রত্বভৃতানি ভূতানি তানি ময্যেব'শোভনে ॥ ১১১ 

সত বিবরণ। ত্রিভ্ুবনে যে সমস্ত উতকুষ্ট রত্ব বিদ্যমান তং 
সমন্তই আমার আয়্বাধীন, দেবেন্দ্র বাহন এরাবত হরণ করিয়া আনার 
পর, অবশিষ্ট গজরত্ব সমূহও আমার অধিকৃত ॥১০৯ ক্ষীরোদ সাগর 
মস্থনে উদ্ভূত উচ্চৈশ্রবা নামক সেই প্রসিদ্ধ অশ্বরত্ব অমরগণ আমাকে 
এপ্রণতিসহকারে সমর্পণ করিয়াছেন ১7 হে শোভনে ! দেবগণ,, 
৬ পন্ধর্বগণ ৮ নাগগণের মধো এবং অন্ান্ত ধা : কিছু দির 
তৎ সমস্কই এক্ষণে আমার অধিকারে অবস্থিত ॥ ১১১ রি 
.. তত্বন্তুধা। পূর্ব মন্ত্রে শুস্তের ঈশিত্ব বা পরমেশ্বরত্ব প্রদ্ধি 
| বিল, এখানে তাহার অপাথিব এরশবর্ধ্য বা যোগৈস্বধ্য সমূহের 
একত্রে সমাবেশ দেখাইয়া অধ্বিকাকে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা হইয়াছে। 
সত্বগুণাত্মক্‌ স্গ্রীব, প্রবচনে বা সুললিত বাকা-বিস্তাসদ্বারা সেই পরমা 
সুন্দরী শোভাময়ীকে, বুঝাইতে চেষ্টা করিতেছেন যে-:“দৈতোশর 
কাষরপী শুস্ত দিদ্ধকাম হইয়াছেন; সর্বপ্রকার যোটগস্বধা সমূহ তাহার 
করতলগত; সর্ধপ্রকার অতীন্দ্িয় রাজোর সম্পদ তাহার অধিকৃত। 
দেহস্থ ইন্তিয়াধিপতি দেবগণ তাহার বশীভূত এবং তাহাদের প্রাপা 
যজ্ঞ-ভাগসমূহ তিনি নিজেই ভোগকারী। দেহরূপ ত্রিলোকে যতপ্রকার 
উত্রুঞ্ট সম্পদরাজির বিকাশ বা সমাগম হইতে পারে, তৎসমস্তই বিকাশ 
করত একত্রে সমাবেশ করা হইয়াছে; স্ৃতরাং পরম শোভাময় 
কন্দর্পতুল্য কামরাজের সহিত, আপনার মত পরমা সুন্দরী, শ্রী -রত্বের 
সংযোগ বা মিলন মণিকাঞ্চন যোগের গ্ায় অতি বুশ? জন ও সর্বাঙ্গ- 
ক্ন্দর হইবে । বিশেষতঃ কামনাময় শুস্তের সকল. কামনাই পূর্ণ 
জন অভাব বিদুরিত হইয়াছে; এক্ষণে একমাত্র অভাব,, 








কর্ম ব্ভ | ৭৫ 


আপনার সহিত নি এই শেষ কামনাটা পূর্ণ হইলেই আমাদের 
রাজা পরিপূর্ণ এশ্ব্যের অধিকারী এবং প্রকৃত রাজাধিরাজ হইবেন 1. 
এজন্য একমাত্র আপনার অভঁবেই আমাদের রাজ রাজ্য এবং আমরা 
(প্রজা ও অনুচরবুন্দ ) ) সকলেই অভাবগ্রস্ত এবং অপূর্ণ” ।--ইহাই 
দূত উক্তি সমূহের অভিগ্রায়। 


মন্ত্রোক্ত গন্ধর্ব লোকের ভি দি নৃত্য-গীত, 
ও বাগ্যাদি সম্বলিত আনন-বিলাসই গন্দ্বর লোকের, সম্পদ্‌ ও বিশেষত্ব। 
সাধকের অন্তর-প্রদেশ যখন, সতবগুণান্ধিত ও বিশুদ্ধ হয়, তখন সেখানে? 
জ্যোতিদদ্শন এবং নাদ-শ্রবণাদি বিশিষ্ট যোগ. বিভূতি সমূহ: একাল 
পায়; ক্রমে অশ্র-পুলক-কম্পাদি অষ্টবিধ- সাত্বিক লক্ষণ বিকশিত, 
| হইয়া সাধককে আনন্দে মাতাইমা তুলে _এইনকল প্রকাশময় সবক: 
পরম ভাবই দেহস্থ গন্ধব্ব লোকের বত বা সম্পদ। আর মন্বোন্ত 
নাগ লোকের রত্ব সমৃহ-_ইহা জীব-দেহের প্রভাবশালী ও প্রকাশমন়। 

কম্ম-বীজ বা কর্ণ-সংস্কার এবং তজ্জনিত কর্মফল | মধু-কৈটভ এবং 
মহিষাস্থর বধ দ্বারা সাধকের আগামী কম্ম এবং সঞ্চিত কর্মরাশি 
বিনষ্ট হইয়াছে । অর্থা, সত্যালৌক এবং জ্ঞানাগ্রি দ্বারা কর্ম-বীজ 
সমূহ বিদগ্ধ হওয়ায়, উহাদের ভাবী কর্ধোৎপাদিকা শক্তি নষ্ট হইয়া 
গিয়াছে। কেবল প্রারন্ব-কর্মফলের ভোগ বাকী ছিল; এক্ষণে শুস্তের 
মুক্তিলাভ আসন্ন, তাই তাহার প্রারন্ব-কম্মের বীজসমূহ ভোগস্ারা। 
বিলয় করিবার জন্য জ্ঞানময়ী মহাসরস্বতী মা অবশিষ্ট কর্মফল প্রকট্‌ বা 
পরিস্ফুট করিয়াছেন। প্রকাশভাবাপন্ন এবং প্রভাবশালী কর্মফলসমূহই | 
দেহস্থ নাগ-লোকের মণিবত্বন্বরূপ। এ বিষয়ে মধ্যম চরিত্রে 'নাগহার” 
ব্যাখ্যা কালে সবিস্তার আলোচন| করা! হইয়াছে ।_-(১০৯-১১১) 












ঢু ২ হি তিক চা রহ 
- নিন ৬. রর ্ সি 72 5 
1 । যর বির ৪ 
তব )। " ।1 ৮ 
 জীত্রীচতী-তব ও সাধন-রহন্ত 
নীগঞ্ছ, ত আনল ৮ ৪ ০৮০ এ 7 
রুপা, টি 5,885 





টি মাং বা মমানজং বাপি বির 
১ পা [বৈ যতঃ॥ ১১৩ 
 পরমৈশ্বধধ্যমতুলং প্রা্গসে মৎপরিগ্রহাং। 
_ এতদ্‌ বৃদ্ধা! সমালোচ্য মংপরিগ্রহতাং ব্রজ। ১১৪ 
. সত্য বিবরণ। হে দেবি! ইহলোকে আমরা তোমাকে সমন্ত 
স্ত্বীগণের মধ্যে রত্্বরপা। বলিয়া মনে করি; অতএব তুমি আমাদের 
নিকটে আগমন কর; কেননা আমরাই একমাত্র রত্মভোগে 
সমর্থ । ১১২॥ হে চঞ্চলাপাঙ্গি ! আমাকেই হউক, অথবা আমার 
ভ্রাতা মহাবিক্রমশালী নিশস্তকেই হউক, তুমি ভজনা কর যেহেতু 
' আমিও যে রব্বরূপা॥ ১১৩ ॥ তুমি আমাকে আশ্রয় করিলে, 
অতুলনীয় পরম এশ্বধ্যসমূহ প্রাপ্ত হইবে; এইসকল বিষয় বৃ্ধিসহযোগে 
পর্যালোচনা করিয়া, তুমি আমার পত্থীতব স্বীকার কর॥ ১১৪ 
তত্ব- সুধা । যেখানে অস্থরগণও অগ্বিকা মাতাকে শকিরূপিণী 
সত্রীবুন্দের মধ্যে রত্বশ্বরূপা বলিয়া উল্লেখ করত, সেই পরমাকে লাভ 
করিবার জন্ত চেষ্টা করিতেছে, সেখানে স্থর-নরগণ যে সেই অভয়ার 
শন লাভের জন্য কঠোর তপস্যা বা সাধনাদি করিবে, তাহাতে আর 
আচ কি? -মাযে আমার স্ুরান্থুর আরাধ্যা, নর-নারী-সেবিতা, 
নধবর্-বন্দিতা জগন্মাতা! তাই অন্থ্রপতিও মাকে আরাছুন করিতেছেন 
_ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ । ইহতিষ্ট ইহতিষ্__আমাদের নিকটে এস ( অন্যান 
উপাগচ্ছ ), আমাদি/কে আশ্রয় কর-_তুমি যে জগতের সর্কত্রে্ঠ রত 
স্বরূপা! তাই সাদরে তোমাকে আমাঞের গৃহে আনিরার জন্য সবিনয় 
অুস্থরোধ করিতেছি। হে চঞ্চলে! তোমার চপলার তুল্য চাখচল্য 











আমাদিগকে ভজ, অর্থাৎ পা কর 1 ইরা  তোখার ..কপাবিনু, 
পাইবার জন্ত লালার়িত 1--“আবিরাবিত রখ  তুয়ি আবিকূতা হও. 
হে স্বপ্রকাশস্বপ্ূপা ! এস, একবার প্রকাশিতা হও-ইহাই পরমাত্ম- 
কামী সাধকরগী শুস্তের আন্তরিক কামন|। মন্ত্রে নিশুস্তকে. উ্বিজম 
বল। হইয়াছে; ইহার তাত্পর্য এই যে__নিশুস্ত মহাপরাক্রমশালী 
[ উরুস্মহান্‌], শক্তিধর এবং পলোয়ানতুল্য শক্তিমান । এজন্য সেই 
শক্তিমযী স্ত্রীরত্বকে তিনি ধারণ বা গ্রহণ করিতে সমর্থ। | এভদ্বাতীত 
'উরুবিক্রম' বাক্ষটীতেও রহস্য আছে, যথা--(১) গতিশক্তির কেন্্র- 
স্বকূপ পাদদ্য়, উরুর সাহাযোই দীর্ঘ সময় চলিতে সমর্থ__এজছ্ঠ উরু,. 
সামর্থের প্রতীক1 (২) পলোয়ানগণ কুস্তী করিবার সময় উরুতে 
চপেটাঘাত করত নিজ নিজ শক্তি-বৃদ্ধি করিতে চেষ্টা করেন__এজন্য * 
ধস্থানে বিশেষ শক্তির বিকাশ। (৩) হর-গৌরিমৃ্রিতে শিব. 
মহাশক্তির্ূপিনী গৌরীকে বাম-ক্রোড়ে বা উরুতে বসাইয়া ধারণ করেন । 
সেইন্ধপ এখানেও মহাশক্তিশালী উরুবিক্রম নিশুস্ত সেই পরম, 
শোভামীকে উরুতে ধারণ করিতে সমর্থ! ইহাই মস্ত্রোক্তির ক্ষ 
রহশ্ত ও তাৎপধ্য | 
স্ট্রোক্ত 'ভজ্জ' বাকাটাও অতি স্থন্দর ভাবব্যপ্নক্‌। আমরা ভঙ্গন 
করিয়া মাকে আয়ত্াধীন করিব, ইহা অতি দুরাশা বা পাগলের উচ্ছাস, ৃ 
মাত্র; তথাপি সাধন ভজন, চিত-শুদ্ি এবং চিত্ত-একাগ্রতার সহায়ক 
_উহা পথের সম্বল বলা যাইতে পারে। আমাদের সাধ্য কি যে, ক্ুত্র 
শক্তি দ্বারা সেই মহাশক্তিকে আয়ত্ব করিয়া ফেলিব আধু হইয়া 
কি্ধপে সেই স্থমহৎ বা স্থবৃহৎ বিরাটুকে ধারণা করিব ? স্থৃতরাং উহা | 
জোনাকী পোকার ্ামুলকে প্রকাশ' করার চেষ্টার য় ব্খা ও. | 





৭৮ ীচতীত ও সাধন-রহস্য 
হাস্তাম্পদ। এজন্য সমন্তই কৃপা সাপেক্ষ এবং শরণাগতির পথই প্ররুত 
রাজপথ। তাই গীতাতে ভগবৎ উপদেশোবলীর সার মর্ম বা মূলকত্র_ 
শরণীগতি *। আর দেবী- মাহাত্ম্ের সর্বত্র শরণাগতিরই মূর্ত 
বিকাশ ও বিলাস। তবে প্রকৃত শরণাগতি লা 5ও সাধন সাপেক্ষ, এজন্য 
সাধনার মধ্য দিয়াই শরণাগতির দিকে অগ্রসর হইতে হয়। 

এসন্বদ্ধে আরও একটা বিশেষ আশাপ্রদ ভাব, এই যে--শিশু যদি 
পিতৃ-মাত প্রদত্ত আহার্ধ্য বস্ হইতে যৎকিঞ্চিৎ তুলিয়া সর্বাগ্রে 
_পিতামাতাকে খাওয়াইতে চায়, উহা যেমন লৌকিক পিতামাতার 
আনন্দ বর্ধন করিয়া তৃপ্তি প্রদান করে; সেইক্প আমরা ক্ষুদরাপি কত 
হইলেও আধা ভক্তিসহকারে পত্র পুষ্প ফল জল যাহাই সেই পরম 
পিভা- মাতার উদ্দেস্তে অর্পণ করি না কেন, তাহারা লৌকিক 
' পিতা-মাতার: ন্যায় উহা! সাননে গ্রহণ করিয়া থাকেন। জগত-পিত৷ 
বং জগন্মাতা আমাদিগকে কত প্রকার ভোজা ভুব্যাদি বারা মদা-সর্বদা | 
রিং এ | করিতেছেন-বিচিত ৃ বি্ারে রে বি ধ 








* গীতার শরণাগতিমূলক বিভিন্ন উক্তি সমূহ__ _ /থো মাং পতি 
সর্বত্র"-_৬৩০ মত্ঃপরতরং নান্ত২”-_1৭) “মামেব যে প্রপদ্যস্তে__ 
৭1১৪ “যো মাং রতি নিত্যশ-_৮১২  “মানৃপেত্যতু কৌন্তেয 


পুনর্জন্ম ন বিদ্যতে”_-৮1১৬। “য়া ততমিদং সর্বং”--৯183 “অনন্তা- 
্তযন্তো মাম্”-লা২২; এমন্সনা ভব মন্তক্কো”--৯1৩৪; “মত্ত; সর্ববং 
প্রবর্ততে”_-১০৮7 “চিত! মদগত প্রাণা*_১০৯। র্কণি কন্মাণি 
ময়ি, সরস্য”--১২।৬ “মষোব মন আধহন্ব'--১২৮, কর্ম 
পরমোভব”_-১২।১০ 7 “মর্যপিত . মনো বুদ্ধিঃ”--০৭১৪ ১: “ময়ি 
_ভক্কিরবাডিচারিণী”__১১১), “তমের শরপৎ গচ্ছ”--১৮1৬৯% 
“সর্বধর্মান্‌ পরিতঙজ্য মামেকং শরপং ্রজ' *--১৮৬৬। , “ভক্তিং ময়ি 
পরাং রা ১৬ ৮৭ ূ 





ভক্তিবশ-পরমাত্ী . | ৭৯ 


সংসারকে সাজাইয়া কতপ্রকারে আমাদের ভজন বা সেবা করিতেছেন 
_সে করুণা অযাচিত !_সে দান অফুরন্ত! সুতরাং আমাদের 
কর্তব্য--জগত-পিত! এবং জগগ্মাতার দেওয়া বস্তু, গঙ্গা জলে গঙ্গা পূজার 
ন্যায় তাহাদের উদ্দেশ্যে নিবেদন করা তাহাদের শ্রীত্যর্ধে সর্ববিধ 
কর্ম সম্পাদন করিয়া আত্ম-তৃপ্চি এবং তৎসহ অন্ত্ামী পরমাত্মার 
পরিতৃধ্চি সংঘটন করা ।--অকৃতজ্ঞের মত অনিবেদিত পাপ ভোজন 
'না করিয়া, সমস্ত ভোজ্য-দ্রব্য, সর্ববিধ ভোগ বিলাসের উপকরণসমূহ, 
কৃতজ্ঞতার সহিত গ্রহণ করা এবং প্রতি কর্-গ্রবাহে আত্মসমর্পণ পূর্বক 
ইষ্ট দেব-দেবীর প্রীত্যর্থে কর্ম করা। প্রকৃতপক্ষে সেই প্ররুতিরূপিণী 
মা এবং মঙ্গলকারী শিবময় পুরুষই সর্ববতোভাবে আমাদিগকে ভজনা 
করিয়া তৃপ্তি বা আনন্দ প্রদান করিতেছেন__স্থৃতরাং আমরা ভজনা 
করি না_আমরা শুধু জগত প্রবাহের , কর্দ-আোতে নিমিত্ত মাত্র" 
গীতাতেও ভগবান বলিয়াছেন-_যাহারা যে কোনভাবে আমার্‌ শরণাপর 
হয়,.আমি নেই সেইভাবে তাহাদিগকে ভজনা, করিয়া থাকি, 2. 
কি হুন্দর অম্বতন্রাবী আনন্দের বাণী! তাই এখানেও শুভ, নবীকে 
প্রার্থনা জানাইভেছেন-_“আমাদিগকে ভজ” 1 টা 
এখানে কামরূপী শ্ুস্ত প্রলোভনাত্মক স্থ্বিস্তন্ত বাযাদ্তী। এবং 
বিনয়-নম প্রবচনাদি দ্বারা বুঝাইয়া সেই পরমাত্মমম়ীকে পত্রীরূপে পাইবার 
জন্য দুরাশার মোহময় স্বপ্নে বিভোর হইয়াছে; কিন্তু সেই কামান্ধ শুস্ত 
জানেনা যে, স্থমধুর বচন, মেধাযুক্ত বাক্‌-চাতুরধ্য কিন্বা বুদ্ধির কূটনীতি 
প্রভৃতি দ্বার! সেই পরমাত্মময়ীকে লাভ করা যায় না। বহু শাস্ত্র পাঠ, 
শাস্ত্র শ্রবণ বা কঠোর সংযম অনুষ্ঠানাদি দ্বারাও তাহাকে বাধ্য করা 
যায়না! তবে তিনি ধাহাকে ইচ্ছা করেন, কৃপা করেন বা বরণ করেন, 
সেই সৌভাগ্যবান্‌ ব্যক্তিই একমাত্র তাহাকে প্রাপ্ত হইতে পারে 





পিল কীনা লট ৩৯ ও পি 


তা সিপিডি ০ পিজি 


শের ও ্রলাপো্জি অবণ করিয়া দুজে থা 
মঙ্গলমদী জ 


1 

1151 জানি শে 
রর “রে 

ফা. 





৮৮. | | উ্ী ও সাধন-রহস্থ 


ভাই শ্রুতি বলিয়াছেন---“নায়মাত্ব! প্রবচনেন লঙ্যো ন মেধয়া ন বহুনা 
(শুতেন।  যমেবৈষ তে তেনৈবলভা স্তশ্যৈষ আত্ম! বৃখুতে | 


তং স্বাম্‌? ॥ 
খষিরুবাচ 8১১৫ 
চি সা তদা দেবী গম্ভীরাস্তঃন্মিতা জগৌ। 
ছুর্গা ভগবতী ভদ্রা ষয়েদং ধাধ্যতে জগৎ ॥১১৬ | 
সত্য বিবরণ । খষি বলিলেন_দূত দেবীকে এইপ্রকার বলিলে, রঃ 


. সেই ম্গলদায়িনী জগদ্ধাত্রী দেবী ভগবতী দুর্গা মনে মনে হস্ত ব্রত ৃ 


গম্ভীরভীবে বলিলেন-( (১১৫/১১৬) 

তত্ব-স্্ধা। কৌধিকী দেবীকে পত্ীত স্বীকারের জ্ত কামরাজ | 
মা মনে মনে হাস করিলেন কেননা তিনি যে_ রি 
ভিনিতো কন্দর্-বাণে আহত, উদ্ধাঘ কামনার বীচিমালা-বিসুদ্, 
1 বিধাসের লানত-তরক্গে দোলাহিত ফারসী গুদ্ের ভোগ-বিলাসের 








পাত্রী নেন তিনি ফে জগন্ধা্রী দুর্গ ভগবতী ঘা_-তাই মে আছে, 


৮ উগবতী ভা বয়ে বাধ্যতে জগং। এ 








এ সমমানারোষভোবযো ইতি ভরত! নং ৃ 





বাকা অ্ণে মা ক্রোধপ্রকাশ করিলেন না বরং গর তাৎ অবলম্বন 
করিলেন; কেননা তিনি ষে জননী! তাই সম্ভানের অজ্ঞান-বিজ্দ্তিত 


বাক্যে বিচলিত হইলেন না; বরং তাহার অন্তরে হাস্ত-রসেরই উদ | 
হইল । আর সস্্োক্ত 'জগৌ? অর্থ_গান করিলেন অর্থাৎ ললিত 

সল্সীতবহ উচ্চারণ করিলেন-_সেই বীশা-বিনিদ্দিত গ্রাধারাম 
সথধা-বর্ষণকারী মায়ের বাক্য যিনি শ্রবণ করিবার সৌভাগ্য লাভ করেন, 











বেদ অপৌরুষেয় ক 


তিনি জগতে ধন্য ও কৃতরুতা, (১৪১১৬), রঃ 
.... দেবুবাচ ॥ ১১৭, 
সত্যমুক্তং ত্বয়া নাত্র মিথ্যা কিঞ্চিৎ ত্বয়োদিতম্‌। 
ভ্রেলোক্যাধিপত্িঃ শুস্তোনিশুস্তশ্চাপি তাদুশঃ ॥ ১১৮ 
কিন্তত্র যৎ 'প্রতিজ্ঞাতং মিথ্যা. তৎ ক্রিয়তে কথম্‌। .... 
আতা মন্লবৃদ্ধিত্বাৎ প্রতিজ্ঞা যা কৃতা পুরা ॥ ১১৯ | 
সত্য বিবরণ দেবী কহিলেন_তুমি সত) বলিয়াছ। এ বিষয়ে 
তুমি কিছুমাত্রও মিথা! 'বল নাই। শুস্ত চত্রিলোকোর অধিপতি *এবং 
নিশুভ্ও তং সদৃধ ॥১১৮। কিন্তু এবিষরে আমার একটা প্রতিজ্ঞা আছে, 
তাহা কিরূপ মিথ্যা করিব ? অগ্নবুদ্ধিতা বশত: আমি পূর্বে যে প্রতিজা 
| করিয়াছি অহা শ্রবণ কর ॥ ১১৯ ক 
তত্বাসুরা। তর-প্রকাশিকা -টীকাকার প্রথম শ্লোকটার সাধারপু 
 অর্থব্তীত যুক্ত গৃঢ অর্থ উদ্ধার করিয়াছেন, যথাশুসতনিউস্ত 
ব্রিলাকাদিপন্ি, এই উদ্ভি মিথ, ইহাতে কিকিমাত্রও সত্য নাই, 
কেননা আমিই স্বয়ং ভ্রিলোকময়ী নং ্রকুতিরপা ); সতরাং | 
আমাকে, জর না করা পথ্যন্ত (অর্থাৎ শভি-জান না হওয়া, পান্ত).. 
কি প্রকারে তাহারা ত্রেলোক্যের অধিপতি হইল ই, পর রি 
অভিপ্রায় বা উদ্ভির ভাবার্থ ্ু রা 
জ্ঞানযোগ ক্যবগ. এবং ভক্তিযোগ বাতীত জীবের মহ হয়, না | 
ইহ| বেদের একটা শ্রেষ্ট উ্ভি; পরবর্তী সে আয়ের প্রতিঙ্ঞা 
বাক্যাবলীতেও এই ভাবত্রয় নিহিত আছে। অন্ত ভাবে ও. তত্বে 
পরিপূর্ণ মায়ের ্রতিজ্ঞাট বেদবাক্যহ্বরপ--বেদ, যেমন অপৌকষের + 


শািশিপিশিশীসদীসিপাতপপপিশিতপিপিশিগা ০সনপপসপীক্ ভিডি 


* টির প্রান্তে বরা চু থে চারি বেদ উচ্চারণ করি থাকেন; 
কিন্তু রঃ ছার ০ কোন প্রকার নৃতন কর্পনা-সম্ভৃত শব্ব-বিস্াস অহ. 





উ- 


৮ 


টং 





নাই; কেননা না প্রতি মায়ের উদ্ির শেষভাগে নে আছে_ 
বি তত পুরা”-_-অর্থাং উহা পূর্বে আলোচিত হয় নাই, এজন্য 
উহা অনু্ছিষ্টা।। বিশেষতঃ এই মন্ত্রেও “যা ব্কৃতী পুরা” উক্তিটার সন্ধি 
ভঙ্গ করিলে প্রকৃত স্বরূপ হয়_“য| অরুতা পুরা” যাহা পূর্বে কখনও 
প্রকাশ বা আলোচিত হয় নাই) অর্থাৎ নেই অমুতশ্রাবী বেদন্বরূপ 
বাণী, জগন্মাতা এক্ষণে জগতের মঙ্গলের জন্মই প্রকাশ করিলেন! 
ইহাই মস্ত্োক্তির গৃঢ তাৎপর্য । 
মস্ত্রোক্ত “অল্প বুদ্ধিত্বাৎ্__ফিনি সর্বকারণের কারণস্বরূপ পরমাত্মমী, 
তাহার সাধারণ বিষয়ে কাধ্যকরী বুদ্ধি অল্প; কেননা উহা মহাশক্তির 
ংশভূত। ক্ষত্র-শক্তির কারধ্য। এজন্বা কারণময় সর্ব-জননীর সান্নিধ্যে 
* যা তাহার উক্তিতে বুদ্ধির অল্লত্ব বা অব্যক্ত অবস্থা স্বাভাবিকরূপেই 
কথিত। বিশেষতঃ পরমাত্মার বুদ্ধিবপে প্রকাশিত হওয়াই শ্বরূপের 
তুলনায় অভি অল্প হওয়া! আর ঘিনি অজ (জন্ম-রহিতা নিত্য) 
তাহাতে বালাকাল বা তঙ্জনিত অল্পবুদ্ধিত্বের সম্পূর্ণ অভাবহেতু, পূর্বের 
সেব্ঈপ প্রতিজ্ঞা করা হর নাই__ইহাই তাংপধ্য ।--(১১৮1১১৯) 
যে মাংজয়তি সংগ্রামে যো মে দর্পং ব্যাপোহতি | 
যে! মে প্রতিবলো লোকে স মে ভর্তা ভবিষ্যতি ॥১২০ 
*.. জত্য বৰিবরণ। যিনি সংগ্রামে আমাকে জয় করিবেন, ঘিনি 
আমার দর্প নাশ করিতে পারিবেন, কিগা জগতে ধিনি আমার তুলা 


১ পপ পপ 





পাপী পিসি শী সাপ ৭ পিসি শিশির সিন 


_ উচা পূর্ব পূর্ব কল্পে প্রচারিত বেদ-বাকা সমূহের সত্াময "পরিকল্পনা 
বা পুনরাবৃত্িম্বরূপ-__এভন)। উহা কোন পুরুষ বা মর্দিবকর্তৃক হষ্ট হয় 
নাই। তাই অনাদি-প্রবত্তিত বা আচরিত ছে বেদকে অপৌরুষেয় 
বলা হইয়া খুকে। 








বলশালী, তিনি আমার ভর্তা হইবেন (১২০| : [অনতযপ ব্যাখ্যা-- টু 
(আমি ত্রিভূবন বিজয়ী অপরাজিতা) এইকপ আমার দর্প আছে) 
যিনি সংগ্রাম-স্থলে, আমাকে পরাজয় করিয়া, আমার সেই র্প- রণ 


করিতে পারিবেন; কিন্বা অন্ততপক্ষে আমার সমকক্ষ বা ললী- 
হইবেন, তিনিই আমার ভর্তা হইবেন ॥১২০ 


তত্ব-স্থধা। জগদন্থা মায়ের এই প্রতিজ্ঞা- রর ভিটা রর রা 
বিভাগ আছে, যথা-(১) সংগ্রামে জয়; (২) দর্প নাশ; 
প্রতিবল । এই তিনটা পরমভাব ধাহাতে রে হইবে, রঃ 
আমার ভর্তা হইবেন; অর্থাৎ তিনিই আমাকে ধারণ ও পোষণ করিতে 
সক্ষম ভইবেন!--জীব-শিব পরম শিব হইয়া মুক্তি লাভ করিরেন। 
বিশেষতঃ এই তিনটা অবস্থার যে কোন একটী অধিগত হইলে, অবশিষ্ট 
অবস্থাঘয় আপনা হইতেই লব্ধি হইবে; কেননা, ঘিনি সংগ্রামে জ্বী * 
হইবেন, তাহার জয় দ্বারা যুগপৎ মায়ের দর্পও নাশ হইবে, আর তিনি 
সমবলীও হইবেন_-সমবলী নাহইলে সংগ্রামে অপরকে জয় কর 
যায় না; কেননা দুর্বল হইলে, সবলকে কিরূপে জয় করিবে ? এক্ষণে 
এই তিনটী কল্পকে বিশ্লেষণ করিয়া গুদর্শন কর। হইতেছে । 

(১) জংগ্রামে জয়-_বাহভাবে, ত্রিতাপ-জাল! পরিপূর্ণ সাংসারিক 
সংগ্রামে বা ব্যক্তিগত জীবন-সংগ্রামে জয়লাভ করা ; আর অন্কন্মরথীভাবে 
ইন্দ্রিয়াদিসহ মনোজয় এবং জীব-মায়া অবিদ্যাকে জয়। সংসার-যুদ্ধে 
ধাহার| একমাত্র ভগবানকেই গ্বতারারূপে সতত লক্ষ্য রাখেন; ধাহারা| 
শরণাগতির সর্ধ্বোতরুষ্ট পথ অবলম্বন করত, অনাসক্তভাবে সর্বববিধ 
সাংসারিক কর্তব্য সম্পাদন করিতে সমর্থ, ত্তাঙ্ারাই জীবন-যুদ্ধে জয়ী 
হইয়া ছুত্তর মায়া-সাগর পার হইতে, অর্থাৎ অবিদ্যাকে জয় করিতে 
সক্ষম । * তাই গীতায় ভগবান বলিয়াছেন_-“খামেব যে প্রপন্যাপ্তে 


তু জি ই 


'৮-৪ 


ছুস্তর মায়া-সাগর পার হইতে পারে) সভা 
হইয়া মাহা! আবিদ্ভাকে জয় করাই মগ্জোজ সংগ্রামে জগ! খাস 
আছে-ন্ী ৃ 

 চততী-্সাধকের পক্ষ ইডি সমূহ এবং কবপরদাদি বিষয় সমূহ সমসতই 


1054 
রঃ রহ নী “সাব ও সাধন-রহস্য 
মায়ামেতাং তরন্ভি তে”_যাহারা আমার শরণ!গত হয়, তীহারাই এই 
, ভক্তিযোগ দ্বারা প্রপন্ন 





বশঃ পুরুষ” অর্থাৎ ভগবান ভক্তাধীন। বিশেষত; 





বি ও মাতৃময়রূপে ভক্তিসহকারে দর্শনের অভ্যাস করিতে হইবে । 
' হইলে, সুষ্যোদয় হইলে যেরূপ অন্ধকার থাকিতে পাবে না, 


ই সাধকের হৃদয়-ক্গেত্র হইতে অজ্ঞান-তমাসারূপ অবিদ্যার অন্ধকার 


আপন! হইতেই বিদুরিত হইয়া যাইবে এবং সাধক, ভীবন-সংগ্রামে জণী 


হইবেন। 
(২) দর্পনাশ- দর্প অর্থ-(ক) বিদ্যা এ এঙ্ধাাদির গৌরব- 


নিত অহংকার) (খ) কাম-কাদন। ; [ সাক্ষাৎ মন্মথ-মন্মথ মদনমোহন 
শ্রীক্ণ, কন্দপ্পের দর্প চূর্ণ করিয়াছিলেন ]7 স্ত্রাং দর্পনাশের সাধারণ 
অথ--যাহ|দের অহংকার ও কাম-কামনা চা হইয়াছে | রজোগুণমনধ 
অহংকার এবং কাম-কামনাকে নাশ করিতে হইলে, সরগুবমর প্রকাশ- 
ভাবাপন্ন জ্ঞান-যোগের প্রয়োজন । পুর্ব কল্পে অবিদ্ভা জয়ের ভাব 
অভিবাক্ত; আর এখানে শক্তিজ্ঞানরূপ বিদ্ভা লাভ দ্বারা বিদ্বার দর্প 
র্ণ বা প্রক্তিবিজয়। সাধক যখন ভগবং কপায় শক্তি জ্ঞান বা 
্রঙ্মবিদ্যা লাভ করিয়া গ্রপঞ্চমর জগতের অন্তর্বাহ্ে একঘাত্র টৈতন্তমর 
পরম সন্ত। দর্শন ও উপলদ্ধি করেন; যখন তবদশী হইয়া মহৎপ্রন্গাণ্ডের 
সমস্ত তত্ব ও উপকরণসমূহ স্বকীয় দেহ-ভাণ্ডে অপুর্ূপে ঈর্শন করিয়া 
মহামায়ার জ্ঞান-চক্র ভেদ করিতে সমর্থ হন, . তগন, প্রকৃতিরূপিণী 
বিদ্যার দর্প চূর্ণ হয় এবং জ্ঞান-সাধক শক্তিজ্্বান লাভ করিয়া মায়াজাল 
ছি করিতে? সমর্থ হন 1- ইহাই মস্তোক্ত দর্পনাশ | বিশেষত: শক্তিজ্ঞান 





মদন ভম্ম এ ৮৫ 


পাভ করিয়] শক্তিমান না হইলে, কেহ শক্তির ভর্তা বা ধারক হইতে 
পারে না। তাই মহাদেব খলিয়াছেন_-“শক্তি জ্ঞানং বিন! দেবি 
মুভিসথস্তায় কল্পতে" অর্থাৎ শক্তি জন তাড়না চা দা 
কল্পনা হান্তাম্পদ। 8 
 এতৎ ম্পর্কে মদন ভন্মের সি, কাহিনীটাও, বিশে 
উল্লেখযোগা। মহাদেব প্রথমতঃ শক্তিকে ্ববশে রাখিতে পারেন নাই; ৃ 
তাই সতী শিবের নিষেধ বাক্য অবহেলা করিয়া! দক্ষ-যজ্জে গমন করত, 
পতিনিন্দা শ্রবণে দেহ-ত্যাগ করেন। তৎপর শিব দক্ষ-যজ্ঞ ধ্বংস 
করার পর, সতীর মৃত-দেহ স্বদ্ধে করিয় ভ্রমণ করা কালীন, বিষু-চক্রে 
মতীর দেহ খণ্ডিত হইয়া ভারতের বিভিন্ন স্থানে পতিত হইল এবং সেই 
সকল পবিত্র স্থান শক্তি গীঠ বা তীর্থরূপে পরিণত হইয়াছিল। তখন 
শিব, বাহভাবে শক্তিকে হারাইয়া সতীর জন্য ধ্যান-যোগে সমাধিস্থ 
হইলেন। এদিকে সতী হিমালয়-গৃহে মেনকার গর্ভে গৌরীরূপে 
জন্মগ্রহণ করেন এবং ক্রমে বিবাহযোগ্যা হন। অপরদিকে শিবের 
সমাধি আর কিছুতেই ভঙ্গ হয় না; তাই দেবগণ মদন বা কনার্পের 
সহায়তায় তাহার ধ্যান-ভঙ্গের চেষ্টা করেন; অতঃপর মহাদেব 
জ্ঞান-নেত্রের দিবা তেজদ্বারা মদনকে ভম্ম করিয়া ফেলেন! তখন 
প্রকতিরূপিণী গৌরী, সেই পরম পুরুষ শিবের পর্দে আত্ম-সমর্পণ 
করিলেন; প্ররুতির দর্প চূর্ণ হইল অর্থাৎ প্রকৃতি বা শি, জ্ঞানময় 
শিবের নিকটে চির-স্ততা স্বীকার করিলেন। এইরূপে মহাদেব 
তপস্তা বারা শক্তিজ্ঞান লাভ করায় এক্তিরূপিণী গৌরীকে অঞ্ধে ধাঁরণ 
করিবার যোগ্যত| লাভ করিলেন। স্থতরাং যাহারা ব্রহ্ষজ্ঞান বা 
শক্তিজ্ঞান লাভে কুতরুতার্থ, তাহাদের নিজ নিজ প্ররুতি বিশুদ্ধ হইয়া 
আহংভাব হইতে বিষুক্ত হয় এবং বাহন প্রকৃতির মায়িক বন্ধনও ৃ ছিন্ 7, 








৮৬ চ্ী তত্ব ও সাধন-রহস্ 


হইয়া যায় ইহাই দর্পনাশের রহস্য ও তাংপধ্য। 
৬) প্রতিবল- ইহার অর্থ, সমান শক্তিসম্পন্ন হওয়!। ছুইটী 
বস্ত পরস্পর সমভাবাপন্ন বা এক রস না হইলে, তাহাদের মধ্যে একাত্ম 
মিলন হইতে পারে না। স্বগত স্বজাতীয় এবং বিজাতীয় ভেদে পরিপূর্ণ 
জীবভাবের জহিত সচ্ছিদানন্দময় পরধাত্মা তমার মিল হইতে পারে 
না। এজন্য কর্মময় সাধনা দ্বারা অবিশ্ুদ্ধ জীবভাবকে বিশুদ্ধ করিয়া 
; সন্ভিদানন্দ স্বরূপত্ে পরিণত করা জীবের « নুতন সাধয। যম নিয়মাদি 
অঙ্গ যোগ, কিহ্বা মন্ত্র যোগ, লয় ঘোগাদি সাধনা দ্বারা ক্রমে 
, জীবভাবকে বিশুদ্ধ করিয়া পরম ভাবে বিভাবিত করিলে, তখন 
ৃ _পরমাত্মার সহিত জীবাত্মার মিলনে আর বাধা থাকে না। এজপ্ঠ যুক্তি 
কাষী সাধক মাত্রকেই কর্ম-যোগ দ্বার! সচ্চিদানন্দ স্বরূপত্ লাভ করিতে 
হইবে! ইহাই মস্ত্রোক্ত প্রতিবল। শ্রুতিও বলিয়াছেন--নায়মাত্মা 
বলহীনেন লভ্য:” | 
এখানে মন্ত্রে ভক্তগণের সারূপ্য সাধুজা গভৃতি মুক্তিলাভ দ্বারা 
নীম হওয়ারও ইঙ্গিত আছে। যেমন একটা কাটাস্চকীট দ্বাসা 
একজন ম্ষের যথাযোগ্য বা প্ররূত সেবা হইতে পারে না, সেইরূপ, 
পরিচ্ছিন্ন জীবভাবীয় মনবুদ্ধি দ্বারা নিতালোকের নিতাসেবাও সম্ভবপর 
নহে, এজন্য ভক্তগণেরও সমধন্্ী বা 'প্রতিবল, হওয়া প্রয়োজন । 
এ সম্বন্ধে পূর্বেও সবিস্তার আলোচনা করা হইয়াছে । | 
. এই মন্্ররাজে শান্তদান্তাদি পঞ্চ মহাতাবের ঘগ্ভতদ- সখা 
ৎসলা এবং মধুর ভাবযুক্ত সাধন ত্রয় উদঘাটিত কিয়া প্রদর্শন করা! 
হইল। দেবী মাহাত্োর প্রথম চরিত্রে__সাধক, মায়ের নিত্য জগম্মপ্তি 
দর্শন করত.সত্যে প্রতিঠিত হইয়া প্রশান্ত হইয়াছেন__ইহাই শাস্ত ভাব। 
মধ্যম চরিত্রে সাধক পরমাত্মমন্রী ভগবতীর চিন্ময়ভাব উপলব্ধি করিয়া! 





দেহ-ত্রন্মাণ্ডের স্বরূপ 0. ৮৭ 









অস্ত্রত্যাগ দ্বারা আম্-সমর্পণ করিয়াছেন; অর্থাৎ মহামায়ার রা 
এবং সব্ধব-নিযন্থত্ব উপলব্ধি করিয়া আহক, পরি 
দাস্যভাব অবলঙগন করিয়াছেন। এক্ষণে উন টি 
ভাগতিক লীলার মহিত সখাভাৰ প্রতি! করিতে উদ্যত 
সাধকের জ্ঞানময় দৃষ্টি প্রসারিত হইয়া প্রেম-ৃষ্টিতে পরিণত ছ্িইিতেছে). 
নিজকে আর ছোট বা সাধারণ মনে হইতেছে এক্ষণে ডারারি 
অন্তর-বাহির দেহ-দেহী স্ষু ব্গাওড (দেহ) বীিিন্ন্ধাও, সমন্তই 
একাকার এবং প্রেমের পাত্ররূপে প্রতীয়মান হ হছে ইহাই সমবনী* 
হওয়া বা। পারমাথিক সখ্যভাৰ প্রতিষ্ঠা। অতঃপর নিজ পরম তক. 
উপলব্ধি করত, জগৎ তত্বকে আত্ম-তত্বের অন্তর্ভক্তরূপে & আস্বাদন 
করত সর্বত্র কোমল ও ০ে১৭য় দৃষ্টি প্রসারণ করাই "পারমাধি্ধ , 


০০০০ পিল পাপশীপা০০০-পপ পা পক ০ পপ ০ পাপ? পাপা পাশা পাপ ০০৯৯২পপ পাপা 


হে 
তে 
রি 









সা পানা পাগল শশী পাশা শপ 


* সমবলী ন| হইলে, যুদ্ধে কাহাকেও পরাজয় করা সম্ভবপর নহে। 
এজন্য প্রথমে অন্ততঃ মমবলী হইতেই হইবে; তৎপর আরও বল 
সঞ্চয় করত দর্পনাশ বা». গ্রাম বিজয় । 


1 দেহ-বরন্ধাণ্ডের প্রত্যেকটা ক্ষুদ্র তত বা স্তর, মহৎ বা বৃহৎ 
সমগ্টি-্রঙ্গাণ্ডের স্তররাজির সহিত সংযুক্ত বা যোগাযোগপ্রাপ্ত ! 
সমাধির অবস্থার এইসকল স্তর-ভেদ দর্শন হইয়া থাকে ।  এসন্বন্ধে 
জনৈক সিদ্ধপুরূষ তদীয় আত্ম-জীবনীতে লিখিয়াছেন-_“দেখিতেছি 
এই দেহ যেরূপ সীমাবদ্ধ ভাবিতাম, ইহা তদ্রপ নহে ইহার 
অসংখ্য স্তর আছে, প্রত্যেকটা স্তর, এক একটী অনন্ত লোকের অঙ্গীতুত 
অংশ। ধ্যান যখন সেই স্তরে পৌছে. তখন এই জীব-দেহই অনা 
ব্ঙষাপতস্বরূপ হুইয়া যায় এই অবস্থায় তাহাতে আমি জীবাত্মারূপে 
বা দ্রষ্টাক্নপে অবস্থান করিয়া অন্তনিহিত থাকি । * * শান্ত্-উপদেশে 
অনুমান করিতেছি, এই জ্যোতিশীল অবস্থায় জীবাস্মাস্বরূপে নিয়ত 
অবস্থিতি করিতে পারিলে, পরমাত্ম-স্ববূপ অচিরে প্রকাশিত হইবে |” .. 








উর ও. সাধনা রঃ 





টি বাংলা ভাবের বিকাশ ষে ভি বলে গবৎ ত্য মাধধা-মণডিত 
হইয়া ভক্তের জ্ঞান-প্রেমের বিষয়ীভূত হয়-_ভক্কের স্ষেহমর দৃষ্টিতে 
উম ভগবান যখন মাধুর্যা-মণ্ডিত হইয়া প্রকাশ পান; কিন্বা 
ভগবানের ষড়ৈশধ্যময় অতুলনীয় শতিবূপ দর্প যখন প্রেম-ধারায় 
অভিষিক্ত হইয়া ভক্তের আস্বাদনীয় পরমরসর্ূপে প্রতিভাত হয়, উহাই 
মহাশক্তির দর্পনাশ বা ন্েহমণ্ডিত বাৎসলা ভাবের িবাক্তি ! 
লৌকিক ব্যবহারেও জনক-জননীর দর্বববিধ দর্প, ছেলে-মেয়ের কাছে 
ন্েহ-প্রবশতাহেতু বিনষ্ট হইয়া থাকে। পরিশেষে বাংসলা-রসে 
ভগবান যেমন আত্ম-এঙ্বর্য হারাইয়! ভক্তবাঞ্কিত প্রেমময়রূপে 
আত্ম-প্রকাশ করেন, সেইরূপ ভক্তও বিশ্ব-প্রেমে নিমগ্ন হইয়া আত্মহার। 
, হুইয়া যান! তখন মধুর রসিকা শ্রীাধিকার ন্যায়_হাহা যাহা 
নেত্র হেরে, তীহা। কৃষ্ণ সুরেশ এবস্িধ দধুমতী অবস্থা লাভ হয়! 
এইরূপে বিশ্বের প্রত্যেক বস্ত এমন কি প্রত্যেকটা অণু পরমাণু 
পযন্ত মধুবর্ধী বা অমৃতত্্রাবীরূপে পরমানন্দ প্রদান করে_ইহাই 
পারমাথিক মুধুর ভাব-_জীবাত্মা পরমাঝ্মার একাত্ম বা অপরোক্ষ 
মিলন 1-_ভক্ত-ভগবানের অসমোর্ধ প্রেম-রসমাধুধা আত্বাদন বা 

ত্য-রাসলীল। ইহাই দেবী মাহায্মোর সং গাম-বিজয় বা সাধনার ' 


চরম ও পরম সিদ্ধি !--(১২০) 

তদাপচ্ছতু শুপ্তোহত্র নিশুস্তো বা মহান্ুরঃ। | এ 

মাং জিন্বা কিং চিরেণাত্র পাণিং গৃষ্থাতু মেগাথু ॥ ১২১ 

সত্য বিবরখ।. অতএব মহান্থর শ্ুস্ত অথবা নি চিরকাল 
- মধ্যে এখানে আন্মন এবং আমাকে জয় কষিরা আমার পি গ্রহণ 
করুন) এবিষয়ে রি আর প্রয়োজন কি 12 





“থা, সকার্ম কনর ফলে দেহ দির এরি 
এবং যোগৈঙ্র্য ভোগৈষ্ধ্য প্রভৃতি কাহারও অধিগত হইলেও, উহা, 
দেবীর ভর্তা হইবার উপযোগী নহে! অর্থাৎ ুক্ষিলাভের পক্ষে উহা 
অন্তরায়ম্বরূপ! স্বতরাং শুসভ-নিশ্তস্ভের আহ্বরিক ভাবে এশবধ্য প্রাপ্তি, 
মুক্তির প্রতিকূলতা হেতু, দেবীর উপর কর্তৃত্ব লাভের সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত 
অপরাজিতা মা তাহাদ্দিগকে সংগ্রামে আহ্বান করিয়াছেন-__ইহা | কাষ-। 
ক্রোধরগী শু্ত-নিশুস্ত বিলয়ের পূর্ববাভাসমাত্র। 

এই মন্ত্রে মহাশক্তিময়ী কৌধিকী দেবী, শুস্ত-নিশুস্তকে সংগ্রামে 
শক্তিমন্তা প্রদর্শন পূর্বক শক্তিমান হইয়া, দেবীর পাণি-গ্রহণ করিতে 
অর্থাৎ ভর্তা হইতে আহ্বান করিয়াছেন; ইহাতে ভাব-সাধনার কৌশল 
নিহিত আছে। সাঁধক-দাধিকাগণ ভগবানকে শান্ত দাস্ত সখ্য বাৎসল্য, 
ও মধুর ভাবে উপাসনা অর্থাৎ ভাবের লাধনা করিয়া থাকেন। প্রচলিত 
বৈষ্ণব প্রথায়_-মধুর ভাবের সাধক, গোপীভাব বা রাধাভাব অবলঙ্কন 
করিয়া পরমাত্মময় পুরুষোত্তমকে পতিভাবে সাধনা করিয়া থাকেন। 
এখানে চেতন্যময়ী মা, সাধককে শক্তিমান হইয়া তাহার পতি হইবার 
জন্য আহ্বান করিয়াছেন! ইহাও ধুর ভাবের অন্তর্গত; এরপ 
সাধন-রহস্ত তন্থ-শাস্ত্রাদিতে উল্লেখ আছে। তবে যে.সমস্ত বীর সাধক 
তপন্ত। দ্বারা শক্তিমান বা প্রতিবল হইয়াছেন, তাহারাই একমাত্র 
এবপিধ ভাব-সাধনার পথে প্রবেশ করিতে পারেন! ন 
পক্ষে মাতৃভাব বা অন্তপ্রকার ভাব এবং শরণাগতিমূল 
জনৈক দিদ্ধপাধক, যিনি কালিকা দেবীকে স্ত্রী-ভাবে' পাইবার জন্তু 


কঠোর তপস্থা। করিয়াছিলেন, সেই. ইাসানিরান অতি সংক্ষে 
এখানে উল্লেখ করা হইল । 4১৬ পু 


অঙ্জানন্দ গিরি নামক জনৈক ি গুরুষ, বধের বার ভূষ্চার 








১ সহশালাগিপ পপি ৩৩ ০৮৩ দিও ৬ 


লিল ৫ তলত কপ 


| ্ন্ধানদ ভূমিষ্ট হওয়ায়, ছুবৃত্তগণ সম্ভ-প্রন্থত ছেলেটাকে তিল: নে 


সৎ ৮ শ্রীত্রীচডী-তৰ ও সাধন-রহস্ত 


ৃ অন্তত কেদার রার ও চাদ রায়ের গুরু ছিলেন | বরশ্ধানন্দ মাতৃ-গর্ভে 


কাকালীন, নবাবের অন্চরগণ তাহার মাতাকে হরণ করেন; পথিমধ্যে ও 








ফেলিয। দিয়া, তাহার মাতৃদেবীকে লইয়া পলায়ন করে; তধ্ম। 
ব্শ্ধানন্দকে জনৈক ত্রাহ্মণ পুত্রবৎ পালন করেন। পর কানে 
রহ্গানন্দ ঘটনাস্থত্রে তাহার গর্ভধারিণীর পাতিত্ব এবং রেস গঙ্ুণের 
ছুদ্দশা, বিশেষ ঘটনার অবগত হইয়া! অতীব ক্রুদ্ধ হন এবং প্রতিশোধ 





. গ্রহবের জন্ত এইবপ দারুণ প্রতিজ্ঞ। করেন যে__“তিনি শিবানীকে 


স্ত্রীর্ূপে ভোগ করিয়া, তাহার সতী নামের অবসান করিবেন"! তৎপর 
্র্ীনন্দ 'তাত্বিকমতে দীক্ষিত হইগ্না প্রথঘে কাশীধামে তপস্যা আরম্ত 
করেন; সেখানে বাধাপ্রাপ্ত হওরার, কামাখ্যা পাঠ-স্থানে আসিয়া সাধন। 
করিতে থাকেন; সেখানেও বিশ্ব হওয়ার, সেই ক্ষেত্রে পতিত দুর্গন্ধময় 
মৃত হ্তীর কঙ্কাল মধ্যে প্রবেশ করিয়া তপস্যা করত ইষ্ট-দেবীর দর্শন 
লাভ করেন। তখন জগন্নাত৷ বর দিতে চাহিলে, ব্রদ্ধানন্দ দেবীকে 
পত্রীরূপে পাইবার অভিলাধ জ্ঞাপন করিয়া! বলেন-পব্রঙ্মানন্দ গিরি 
'গিরীন্্-ভনঘ] বন্তধমূতঃ বাঞ্চতি” 1 তখন দেবী সেই বর প্রদান করিতে 
অসম্মতা৷ হইয়। বলিলেন যে, তিনি ইঠ্টমৃত্তি কালিকারূপে দর্শন দিয়াছেন, 
ক্ুতরাং এ দেহে তিনি ভোগ্যা হইতে পারেন না ! উবে ভবিষ্ুতে কোন 
মান্ষীতন্ন আশ্রয় করিয়া তাহার বাসনা পূর্ণ করিবেন। অতঃপর দেবী 
তাহাকে অন্ত কোন বর প্রার্থনা করিতে বলিলেন। স্বোপান্বিত 
রন্ধান্দ বলিলেন_দ্বিতীয় বর--“দূর হও” ! তাহাতে দেবী। ধলিলেন__ 
“আমি তোমাকে কোন, বর দান না করিয়া দূর হইতে পারিব না), 


: তখন বর্ধানন্দ কলিলেন-__“তবে এই প্রন্তর খানা মন্তকে লইয়া আমার 
_ চতুদ্দিকে পরিভ্রমণ করিতে থাক” ! কথিত আছে যে, কালির 





1. সেই 
1157 





৯১, 


বৃহৎ প্রস্তর খানা মন্তকে লইয়া প্রায় ্বাদশ বর্ধন পি রা র্‌ 
সেই আদেশ প্রতিপালন করার পর, উহা নাকে: বরঙ্ধাননের 
গুরুধাম স্প্রসিদ্ধ রমণা কালীবাড়ীতে ফেলিয়া দেন। [ ঢাকা নুরের, 
উপ্ণকঠে ৬ রমণা- কালীবাড়ীতে অগ্যাপি সেই স্পবিত্র প্রস্তর খানা, 
( ওজন প্রায় দশ মণ হইবে ) সুরক্ষিত ও পূজিত হইয়া আসিতেছে! 1]. 
অনস্তর দেবী কুমিল্লা জেলার একটা গ্রামে মান্ুষী তন্গ ধারণ করেন;. 
তখন দৈববশে ব্রহ্মানন্দ সেখানে উপস্থিত হইয়া, সেই কন্ঠাকে বিবাহ 
করেন এবং তাহার গর্ভে ব্রদ্মানন্দের ২টা পুত্র জন্মিয়াছিল * | এইরূপে 
উগ্রতপস্বী ব্রহ্গানন্দ গিরি জগদস্বাকে স্ত্বীরূপে পাইবা'র সাধনায় সিদ্ধিলাভ 
করিয়াছিলেন । স্থতরাং এইপ্রকার মধুর ভাবের সাধনা কাল্পনিক বা. 
অসম্ভব নহে; তথাপি শরণাগতির পথই সর্বাপেক্ষা প্রশস্ত নিরাপদ এবং. 
সর্ববাঙ্গস্ন্দর ।--(১২১) রি 








দূত উবাচ ॥ ১২২ 
অবলিপ্তাসি মৈবং ত্বং দেবি ব্রহি মমাগ্রতঃ। 
ত্রিলাক্যে কঃপুমা-স্তিষ্ঠদগ্রে শুস্তনিশুস্তয়োঃ ॥ ১২৩ 
অন্যেষামপি দৈত্যানাং সর্বেব দেবা ন বৈ যুধি। 
ভি মুখে দেবি কিং পুনঃ সী ্মেকিকা ॥ ১২৪ 








পপি 


* এই কাহিনী, যু যোগেন্্রনাথ গুপ্ত প্রণীত “কেদার রায়” 
নামক গ্রন্থে বিস্তারিত ভাবে বণিত আছে। এতংবাতীত “লঘৃভারত” 
নামক সংস্কৃত গ্রস্থে ও কতক বিবরণ দৃষ্ট হয়; আর ঢাকা ও কুমিল্লা 
জেলার লোকমুখেও ত্রঙ্ধানন্দ গিরির নানাবিধ বিস্ভৃতির কথা প্রচলিত 
আছে। -লঘুভারত্ের উক্তি-_“কেদার গুরু টি রহ্মালন্দ মির ॥ 
শিলাঅবান্বৎ প্রেম! তারোমানায়িকা ঘ্য়ং * 8 


এ .. শ্রী ও সাধন-রহস্ত 


_জত্য বিবরণ । দূত বলিল-হে দেবি! আপনি অত্যন্ত 
গব্বিতা হইয়াছেন; আমার সম্মুখে এরূপ কথা বলিবেননা। ব্রিভূবনে 
এমন পুরুষ কে আছেন, যিনি শুস্ত-নিশুপ্তের সম্মুখে দাড়াইতে পারেন 
॥১২৩| হে দেবি ! যুদ্ধার্থী সমস্ত দেবগণ মিলিত হইয়া, অন্যান্য দৈত্যগণের 
সম্মুখেও অবস্থান করিতে পারেন না; আপনি ত শ্রী, আবার 
এএকাকিনী ॥ ১২৪ 

তত্ব-ন্ধা। স্ৃত্রীব, দেবীর আত্মস্তরিতাপূর্ণ প্রতিজ্ঞা-বাণী শ্রবণ 
করিয়া তাহাকে অতান্ত গধিবতা বপিয়া ধারণা করিল এবং তাহার, 
ভ্ান্তি-নিরসনের জন্য ভীতিবাঞ্জক উপদেশ দিতে প্রবৃত্ত হইল । এখানে 
 সত্বগ্ুবাত্মুক স্থুগ্রীবের উক্তি সত্য; কেননা কাম-ক্রোধরপী শুস্ত-নিশুস্তের 
সম্মুখে কে দাড়াইবে? কামরূগী মদনের শরাঘাতে দেব দানব মানব 
'নকলেই কোন না কোনরূপে আহত বা পরাজিত হয়। বর্গ ম্ত্য 
পাতাল এই ত্রিতুবনে বরঃপ্রাপ্ত এমন ব।ক্তি অতি বিরল, যাহাতে কোন 
সময়েই কামের উদ্রেক হর নাই বা হইতে পারে না! কিস্বা যিনি 
কাম-কামন। দ্বারা বিজড়িত বা আহত হইয়াও কায়মনোবাকো অচঞ্চল 
বা স্থির থাকিতে পারেন! ব্রহ্মা ইন্জ চন্ প্রভৃতি /দবগণণ্ড মদনের শরে 
বিদ্ধ হইয়া মোহে পতিত হইয়া ছিলেন। বিশেষতঃ কাঁম বাতীত 
“অন্ঠান্ত রিপুগুলি সমস্তই বিষয়-সাপেক্ষ ; অর্থাৎ ক্রোধের কারণ না হইলে 
ক্রোধের উদ্রেক হয় না, লোভের বিষয় না থাকিলে, লোভ ক্রিয়াশীল 
হয় না; কিন্তু কাম কোন বিষয় বা কারণের অপেক্ষা! রা না-উহা। 
নিহ্বিষয় এবং অশরীরি ; অর্থাৎ মদণের নিজ দেহের ও, নভার এজন্া, 
তাহার বিষয়েরও অভাব; তথাপি ইহা হুম্াতিহুক্ষরূপে স্বতঃপ্রবৃত্ব 
হইয়া জীবের. স্থুল স্্ম এবং কারণ-দেছে অভিবাক্ত হয় এবং ইহা 
ুষ্প, ববশীয় অনলম্বরূপ !-_ ইহা! ভোগমুখখী রজোগুণের সর্বাপেক্ষা প্রবল 


এবং উগ্র অভিবাক্তি! এইসব কারণে দূত বলিতেছেন- শতস্তরূপী সাক্ষাৎ, 
কামমৃত্তির পান্নিধ্যে জ্রিলোকের কেহই স্থির থাকিতে পারিবে না! 
অর্থাৎ তাহার সহিত সংঘর্ষে সকলেই প্রভাবিত বা পরাজিত হইবেন! 
স্থুতরাং আপনি অবলা নারী হই কিরূপে সেই কামকে জয় করিবেন ?. 
_ ইহাই তা্পধ/ | 

গীতাতে অঞ্জন প্রশ্ন করিরাছিলেন-_“পুরুষ ইচ্ছা না জরিলের এ 
তাহাকে বদপূর্বক পাপাচরণে নিয়ো্ধিত করে? ভগবান উত্তর 
দিয়াছিপেন_-“হহা। রজো গুণ সমুদ্ভূত কাম-ক্রোধের কাধ্য--এই কাম 
অতি উগ্র এবং, দষ্প,রশীর অনল সবৃশ " ** জ্ঞান-বিজ্ঞান বিরোধী 
পাপরূণী কামকে দ্বিনাশ কর”। নি -স্তোগ তৃষ্ণাকেও কাম ্ 
বপে-উহ। রসময়।  চিদ্রসের স্বরপ-_আনন্দ; আর জড় রসের 
স্বরূপ সুখ-দুঃখ । রূপ নিতা, অথণ্ড) অনন্ত, ভাবমর এবং পরমাননদ- 
স্বরূপ । কিন্ত উহা বিধরসাপেক্ষ বা আমক্তিমুলক হইলেই জাবাপন্ন 
 হইস|। পড়ে। কেনন। বিষর-রসহ কান-কামনাপিরূপে পারণত হইয়। 
জীবগণকে স্খ-ছুঃখ প্রদান করি থাকে ! আর যেখানে মহাশক্তি বা। 
ভগবানই বিষরবূপে সব্ধত্র সর্ধবভাবে পরিধৃত হন, সেখানে চিদানন্দময় 
নিত্য পরম রদের আবিভাব হইয়া উহা প্রেম-রসে পরিণত হর! 
্রীঘপ্তাগবত গোপিগনকে “কৃষ্ণ গৃহীত মানসাঃ” বলিয়া বিশেষিত 
করিঝাছেন। ইহাতে দ্বিবিধ অর্থ ও ভাব বিমান, যথা--(১) ভগবান 
রণ যাহাদের মনকে গ্রহণ বা হরণ করিয়াছিলেন, সেই সৌভাগ্যবতী 
গোশিগণ। কিছ্বা (২) ধাহাদের মন র্বাতোভাবে একমাত্র ীরুকেই 


োশিসপীিিপীশপীপিািশিশিপিশিশিপিটিগাগপশীপিীটা শশী শিনাপশাপীপিপপি পপ পিপিপি পিপিপি িশসপীটিতিটীপিসস 





* “কামানুগ। তবেতৃষণ কামক্ধপান্গামিনী সন্তোগচ্ছামী তত 
শভক্তিরসামূত সিন্ধু । 





হণ করিয়াছিল_ অর্থাৎ সংসারের কর্তব্য নিপ্ত বাবাও ধাহাদের 
মন একমাত্র শ্রীকূফণের পরিচিন্তনে বিভাবিত ছিল, সেই সর্ধত্যাগী 
-গুণাতীতা গোপিগণ! এইসব কারণে ভগবানের প্রতি গোপিশণের 
.রাগ্াত্মিকা ভক্তি কামক্পা হইলেও, উহ প্রেমে পর্যাবলিত হইয়াছিল । 
লা শ্রবণ কীর্তন বা আন্মাদনে হত্রোগরূপ কামের উচ্ছেদ 
য় লি ্রৃশুকদেব বর্ণনা করিয়াছেন । এই প্রকারে সর্ব্বিধ জড় 
ভাবাপন্ন বিষয়-রসকে বিশুদ্ধ করিয়া রসের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা সাধকের 
কর্তব্য--কেনন! তৃুষ্জার. মহিত জলের যেকপ প্রাণাকুর্ষণী সম্বন্ধ, ভগবানের 
 সহিত-জীবের সেইরূপ নিতা আকধণী সম্বন্ধ! এজন্য কাম-কামনারপী 
 তৃষ্কার সহিত পরম রসময় ভগবান বা ভগবতীকে যুক্ত করিতে পারিলেই 
উহার পরম সার্থকতা হইবে। চণ্তী-সাধকের পক্ষে, সর্ধত্র সর্বভাবে 
 অর্বভৃতে ব্রহ্মময় আত্মমর় বা পরমাত্মমর ভগবৎ দর্শন, বাঞ্ছনীয় এবং 
অবলম্বনীয় ; ' স্থৃতরাং এই সাধনায় অগ্রসর হইলে, সাধকের 
কাম-কামনামূলক সর্বববিধ রস, ক্রমে আপনা হইতে প্রেম-রসে পর্যবসিত 
হইবে। 

যে স্থলে শুভ-নিশুস্তের সহকারী 'অবিশ্বাসরূপী ধৃরলোচন, লোভ- 
মোহরূপী চগ-মুণ্ড সম্মাতিন্থক্মম চিত্ত-চাঞ্চলাদিরূপ রক্তবীজ প্রভৃতি 
আন্তরিক প্রভাবের নিকটে দেহস্থ সমগ্র দেবভাবমণ্ডলীও পরাভূত. 
হইয়। যায়, সেস্থলে আপনি একাকিনী অবলা স্ত্রী হইয়াও কিরূপ 
কামরাজের সহিত যুদ্ধে জয় লাভের আশা করিতে পারেন? এই 
উক্তির অন্য প্রকার বিশেষ তাৎপর্ষ্য আছে, যথা_গুণময় হ্গ্রীব 
যেন বলিভেছেন_-সমস্ত দেবগণ কামরাজ বা তৎসহকারী আস্করিক 
ভাবের নিকট পরান্ত হইতে পারেন, ফিন্তু ছে দেবি! আপনি একা, 
“অদ্ভিতীয়া এবং সমস্ত দেবগণের সমট্রিভৃতা ; স্থৃতরাং একমাত্র আপনিই 


















কারার গু অবস্থান করিয়া যুদ্ধ করতে সদ; ফেরী  প 


নদ »-( (স্ঞস) 
ইন্্াষ্ঠাঃ সকল দেবাস্তস্ ধেধাং ন সংযুগে। ক 
শুস্ভাদীনাং কথং তেষাং স্ত্রী প্রযাস্তসি সংমুখম্‌॥ ১২৫: 
সা তং গচ্ছ ময়ৈবোক্তা পার্থ শুভ্তনিতুস্তয়োঃ। 
কেশাকধণনিধূতিগৌরবা মাগমিষ্সি ॥ ১২৬ 


তা বিবরণ। ইন্্রাদি সকল দেবগণ, সংগ্রামে যাহাদের সম্ুখে 
দণ্ডায়মান হইতেও পারেন না, সেই শুস্তাদির সম্মুখে আপনি স্ত্রীলোক 
হইয়া কি প্রকারে গমন করিবেন? ॥১২৫॥ অতএব আমি আপনাকে 
বলিতেছি-আপনি এখনই শুস্তনিষুস্তের সমীপে গমন করুন। 
'কেশাকর্ষণে হত-গৌরবা হইয়া সেখানে ষাওয়! 'ভাল নহে ॥ ১২৬ 

তত্ব-স্ুধাঁ। অপীম প্রভাবশালী কামের সহিত যুদ্ধে ইন্দ্রাদি 
সমস্ত দেবগণ পরাস্ত হইয়াছিলেন--এবিষয়ে নানাপ্রকার কাহিনী, 
রামায়ণ মহাভারত পুরাণ এবং শাস্ত্রদিতে উল্লেখ আছে। ইদ্ছরের 
অহল্যা ছলনা, শিবের পতনে কার্তিকের জন্ম, ব্ন্জার অগম্যাতে আসক্তি, 
চন্দ্রের গুরু-পত্রী হরণ প্রতি কাম-যুদ্ধে পরাজয়ের বিবিধ কাহিনীসমূহের 
ভাব, এই মস্থ্োক্তিতে নিহিত রহিয়াছে! স্থতরাং কামরাজের সহিত 
যুদ্ধে সকলেই পরান্ত; অতএব হে শ্ত্রীরত্ব! একাকিনী কোমলাঙ্গী 
অবলা নারী হইয়া কিরূপে আপনি কামরাজ শুপ্তের সম্মুখে যুদ্ধার্থে গন 
করিবেন? এই মন্ত্রের প্রকৃত তাৎপর্ধ্য-_হে নারী-শ্রেষ্ঠা ! দেবগণ 





রি শরীতীচতী-তত ও সাংম-নহস্য 
সকলেই পরাস্ত হইতে পারেন, কিস্তু_আপনি [ তেষাং শুভ্ভাদিনাং ] 
সেই কাযরূপী শুল্ত প্রভৃতির, [ সংমূখং প্রধাস্তাসি ] সগ্থুখে যাইতে 
পারিবেন! [কথং] কি প্রকারে ?কেননা আপনি সে সমস্তের 
সার রত্রন্বরূপা অদ্িতীয়া, এবং সর্ব্ব কারণের কারণরূপা! [সা ত্বং] 
আপনি এবন্িধা প্রভাব সম্পন্না; অতএব আপনি শুভ-নিশুস্তের পাঙ্ছে 
গমন করিলেও সেখানে কেশাকর্ষণদ্বারা হত-গৌরবা হইবেন না। 
কেননা, আপনি কাম-কামনারও একমাত্র কারণ স্বরূপা; সুতরাং ভবদীয় 
অংশভৃত কামরপী শুভ্ত, আপনার সাম্লিধ্যে পৃথক্‌ থাকিতে পারিবেন না; 
বরং আপনার দেহেই বিশয় হইয়া যাইবেন 1 ইহাই মস্ত্রোক্তির গুঢ 
তাৎপর্য ও রহস্য । সাধক পক্ষে__কাম-কামনা প্রভৃতিক মাতৃময় ও 
শক্তিময়রূপে উপলব্ধি করিয়া মহামারারূপিণী মায়ের শ্রীচরণ-সরোজে 
উপহার দিতে পারিলে, রাজোগুাময় কাম, প্রেমরূপে পরিণত হইয়া 
সাধককে পরমানন্দ প্রদান করিবে । মাত-সাধক গাহিয়াছেল__“কি দিয়ে 
পৃজিব ত্রদ্ষময়ী। আমি দেখি নাত্রন্ষাণ্ডে কিছু আছে যেমা তোমা 
বই ॥ কাম ক্রোধ দুই বলী, কেমন করে দিব বলি, (তারা ) আঁমাহতে 
মহারলী, তাদের সনে পারি কই” ॥ 

. কেশাকর্ষণ* প্রাচীন টাকাকারগণ এবং “তিত্ব-প্রকাশিকা? - টাকাকার 
“কেশ? শবের অর্থ ত্রঙ্গা, বিষণ ও মহেশ্বররূপে ব্যাথা করিয্াছেন। 
যথা__কেশ-ক+অ+ঈশ। ক্ত্রঙ্গা; অস্বিষণু; ঈশ-মহেশ্বর 
সুতরাং মায়ের কেশ হষ্রি-স্থিতি-লয়ের দ্যোতক্‌। জগদশ্বা! মা ব্রহ্মা বিষ 
মহেশ্বরকেও মুক্তি প্রদানে সমর্থ, এজন্য তাহার নাম. মুক্তা । মায়ের 
কেশরূপ স্ৃট্ি-স্থিতি-লববের শক্তিটী, আকর্ষণ করিয়া পৃথক বানষ্ট করিতে 
পারিলে, মা শক্তিহীন হইয়৷ আত্মসমর্পণ করিতে বাধ্য হইবেন, ইহাও 
দূতের অন্তরূপ অভিপ্রায় । ্‌ 


 দেরাবাচ ৪১২৭: 2১ 


_ এবমেতদ্বলী শুস্তো৷ নিশুস্তশ্চাতিবী্য্যবান। 
(কিং করোমি প্রতিজ্ঞা মে যদনালোচিত! পুরা ।১২৮ পু 
স ত্বং গচ্ছ ময়োক্তং তে যদেতৎ সর্ধ্বমাদৃতঃ | 2 
তদাচক্ষাানুরেন্দ্রায় স চ যুক্তং করোতু যৎ॥১২৯ 
ইতি মীর্কগডেয়পুরাণে সাবগিকে মন্বস্তরে দেবী-মাহাত্যো দেব্যা দত রঃ 
সংবাদে। নাম পঞ্চমোহধ্যায়ং | শ্লোকসংখা।- ৭৬ অন্ত্রসং খ্যা_১২৯ 
সত্য বিবরণ । দেবী বলিলেন_ইহা! সত্য বটে, শুস্ত বলবান, 
নিশুস্তও অতি বীধ্যবান্‌। কিন্তু আমি আলোচনা না করিয়াই পূর্বে 
প্রতিজ্ঞা করিয়াছি, এখন কি করিব ? ॥১২৭।১২৮| অতএব তুমি সেখানে 
যাও, আনি যাহা বলিলাম, অতি যত্তরপহকারে তৎসমুদয় অস্তুররাজকে 
বলিও; তিনি যাহা ঘুক্তি-সঙ্গত মনে করেন, তাহাই করিবেন 1১২৯ * 
তত্ব-স্থধা। কামবপী শুস্ত অতি বলবান এবং ক্রোধরূপী নিশুস্তও 
অতি তেজন্বী এবং উগ্রভাবাপন্ন, এজন্য “অতি বীর্যবান্ । যোগৈঙ্বধ্যদি 
সমস্তই অধিক্কত হওয়ায় তাহারা বলী ও বীধাবান্‌ হইয়াছেন সত্য, 
কিন্তু যতক্ষণ সর্ধববিধ জীবভাবীয় স্থম্ধাতিস্ম্্ম ভেদ অপসারিত হইয়া 
পূর্ণ বিশুদ্ধিলাভ না হইবে, ততক্ষণ তাহাদের মুক্তি হইবে না! শুধু 
যোগৈশ্বধ্য বা শক্তিলাভ করিলে চলি, না; সমবলী হইয়া আমার 
গ্রতিজ্ঞাটী পূরণ করিতে হইবে! নতুবা [কিং করোমি ] আমি 
আর কি করিব? কেননা আমার প্রতিজ্ঞাবূপ যোগস্ুত্রটী বেদবাক্য- 
স্বরূপ !- ইহা পূর্বে আর কখনও প্রকাশ করা হয় নাই, এজন্য এই বাক্য 
[ অনালোচিতা পুরা ] অর্থাৎ অনুচ্ছিষ্টা। বর্তমানে জীব-জগতের 
মঙ্গলের জন্যই উহা প্রকাশ করা হইল; কতএব হে সব্প্রধান 
মঙ্গলকামী দূত! তুমি সেই ত্রিগুণাবিত ভক্ত শুস্তকে, আমার 


২ রি টং 


৯৮ ্রীত্রীচ্ডী-তত্ব ও সাধন-রহস্য 


্রতিজ্ঞাটা অতি যত্তসহকারে বিশ্লেষণ করিয়া হুন্দররূপে বুঝাইয়া দিবে। 
বর্তমানে সে অন্রেন্ হইয়াছে, হৃতরাং সে আত্মারপী আমাকে লাভ 
করিবার জন্য সর্বত্যাগী * হইতে প্রস্তত! [ অন্তুরগণ সাধারণতঃ 
যুক্তির ধার ধারে না; বরং শান্ত্রবিধি এবং যুক্তির বিরোধী কাধ্যই 
করিয়া থাকে; কিন্তু এখানে শু্ত কারণ-স্তরে উন্নীত, স্থৃতরাং যুক্তিসঙ্গত 
প্রতিজ্ঞা-বাক্য বর্তমান অবস্থায় গ্রহণ করা তাহার পক্ষে অসম্ভব নহে 


ইহাই দেবীর অভিপ্রার | ]_-এইসকল ভাব মন্ত্রোক্তিসমূহের রহস্য ও 
তাত্পর্য্য। 


ক্রোধের আশ্রক্স কাম); কেননা কাম-কামন! প্রতিহত হইলেই 
ক্রোধরূপে প্রকাশ পায়; এজন্ব ক্রোধকে কামের সহিত একীভূত বা 
কামজ' বলিয়া গণ্য করা হয়। [গীতাতে কাম-ক্রোধ ব্যাখ্যাকালে, 
শ্রীধর স্বামীও এই মত ব্যক্ত করিয়াছেন ] এজন্য মায়ের প্রতিজ্ঞা-বাক্যটা 
 অস্থরেন্্ শুস্তকেই -বলিবার জন্য মা দূতকে বলিয়াছেন; নিশুস্তকে 
পৃথকৃরূপে কিছু বলা হয় নাই । 

মন্ত্রোন্ত “বলী” বাক্যটা শ্রিষ্ট বা দ্বি-অর্থবোধক, যথা-_বলী- (১) 
বলহান্‌ বা শক্তিমান; (২) শুস্ত-নিশুস্ত উভয়েই আমার বলিযোগা 
(পশুত্ব হেতু) কিম্বা তাহার। আমার মহাপূজার বলী, অর্থাৎ উপহার 
বাশ্উপকরণস্বরূপ (১২৭ ১২৭) ্‌ 
ই প্রানান্‌ রান্তি দদতি ইতি অন্থরঃ অর্থাৎ হিনি, 
প্রাণমন়্ সমস্ত বস্ত ইষ্ট-চরণে অর্পণ করেন, তিনিই অস্থর, শুল্ত রে 
পরমাঝ্ুম্মীকে লাভ করিবার জন্য যথাসর্বস্ব বিসঙ্জন তে 
হইম্বাছেন_-তাই তিনি অঙ্গুরেন্্র। বিশেষতঃ অন্ুরগণ নি 
তপস্যাপরায়ণ হয় এবং ইইদেবের পারপদ্মে সর্ধন্ব দান করিয়াও তাহার 


্রসন্নতা সম্প্াদনপূর্বক অভীষ্ট বর লাভ করেন 1__ইহাতেও হন 
ভাবের আদান-প্রদান অভিবাক্ত।, |] ৃ 





উত্তম ন্রিভ্র 
ষষ্ঠ অধ্যায়_ ধুতলোচন বধ... 
শপ ্‌ 


খধিরুবাচ ॥ ১ | 

ইত্যাকর্ণ্য বচো দেব্যাঃ স দূতোইমর্ষপৃরিতঃ। 

সমাচষ্ট সমাগম্য দৈত্যরাজায় বিস্তরাৎ ॥ ২ 

তস্য দূতস্ত তদ্বাক্যমাকণ্যামুররাটু ততঃ । 

সক্রোধঃ প্রাহ দৈতানানধিপং ধুত্লোচনম্‌॥ ৩... 

সত্য ৰিবরণ। খধি কহিলেন--সেই দূত দেবীর এইরূপ বাক্য 
শ্রবণে ক্রোধাস্থিত হইয়া দৈত্যরাজের নিকট আগমনপুর্র্বক সবিস্তারে 
দেবী-বাকা নিবেদন করিল |১।২। অনন্তর অস্থররাজ শুত্ত সেই দূতের 
বাক্য শ্রবণে কোপান্ধিত হইয়া বছু দৈত্য সৈন্তগণের অধিপতি 
ধৃমলোচনকে বলিল ॥৩ | ঠা 

তত্ব" ম্্ধা ॥ সত্বগ্ূশাত্সক দূত দেবীকে যুক্তিযুক্ত সুললিত বান রা 
বিন্তাপ এবং পরিশেষে ভয় প্রদর্শনাদি করিয়াও যখন সেই অন্ত: ঝে 
বাধ্য করিতে পারিলনা, তখন ক্রুদ্ধ হইয়। নিজ প্রত্থুর নিকট বিস্তারিত 
ভাবে সমস্ত বর্ণনা করিল। যুক্তিযুক্ত শব্দ বিস্তাস, অগাধ পা্ডিতা, 
শ্রুতিমধুর বাগ্মীতা, মানুষের চিত্ত আকধণ বা বিষোহন করিতে পারে, 
' কিন্তু উহ্থাদ্বারা ভগবানকে লাভ করা যায় না; কেননা বর্জন 
আত্মজ্ঞান এবং ভগবান, মমন্তই অঙকতৃতিমর চিদানন্দ রমস্বরূপ1 এন 
অন্ুভূতিবিহীন বিস্ত, পাত্তিত্য বা বাতা. মক্তি কিন্বা ভগবত পাসিক 





| ০  পজতী-তৰ ও সাধন- রহস্য 








শিক্ষনীয় বিষয়। কামরগী শষ্তের- স্তর: €সই 


শুস্ত সেই স্থমনোহরাকে বলপূর্ববক কেশাকর্ষণ করত আনয়ন করিবার 
জন্ট, অবিশ্বাসের প্রতিমৃদ্তি ভ্রমান্ধ ধুত্রলোচনকে প্রেরণ করিলেন । 
ধৃত্ররূপ অবিশ্বাসের অজ্ঞানতায় যাহার লোচন ভ্রান্ত হইয়াছে, সেই 


নহে, বরং লতি দেবী- সুতা এট বিশেষ 
লাভ করিবার ন্ত যে সত্বগ্ণময় কামনা উদ্দিত হইয়াছিল, তাহা এক্ষণে | 
রিড হওয়ায়, উহা রজোগুবান্থিত ক্রোধরূপে পরিণত হইল; তখন 


আস্থরিক প্রবল ভাবই ধুমলোচন। সাধারণত: জাগতিক ব্যাপারেও, 


ধত্নদ্বারা আচ্ছন্ন হইলে, কোন বস্তরই প্রক্কত স্বরূপ দর্শন করা যায় না; 
এইরূপে অবিশ্বাসজনিত ভ্রান্তথিময় ভাবদ্বারা সেই শ্রদ্ধাময়ীকে লাভ করা 
যায় ন|! অভ্রান্ত বুদ্ধি এবং জলন্ত বিশ্বাসই সত্বর আত্মার বা! ভগবানের 
, সান্নিধ্য আনয়ন করে ।--(১-৩) 
হে ধূমলোচনাশ্ত ত্বং স্বসৈম্পরিবারিতঃ। 
তামানয় বলাদ হুষ্টাং কেশাকরণবিহ্বলাম্‌ ॥৪ 
_ তৎপরিত্রাণদঃ কশ্চিদ যদি বোত্তিষ্ঠতেহপরঃ | 
স হস্তব্যোহমরো বাপি যক্ষো গন্ধবর্ব এব বা॥ ৫ 
সত্য বিবরণ। হে ধূয়্লোচন ! তুমি শীঘ্র স্বসৈম্বে বেষ্টিত হ 
সেই, দুষ্টাকে কেশাকর্ষণে বিবশা করিয়া বলপূর্বক এখানে টি 
"আইস ৪ যদি অপর কেহ তাহাকে রক্ষ। করিবার ক্তন্য উদ্যত হয়, সে 


দেবতাই হউক, ষক্ষই হউক, আর গন্র্বই হউক, তাহাকে বধ. 
করিবে ॥৫ 


ত্ধা। কেশাকধার। বিল! বা হত-পীরবা সং 
পূ্বাধ্যাযে বলা হইয়াছে  দহামায়া মায়ের হি স্থিতি লয়ানি ব্যাপারে 


টা বা নিত তই মায়ের কেশ উহা আকর্ষণ করা! কিছ, 





রা দা মন 7 
রর 321,201 7 0, +ঃ ১ (50111020705 8 
রি 5 পিক তাত উরি হি শা উঠে হি ২১ 

ৃ্‌ ্ 









ডি নী তাহাদের পক্ষে. 





অনুযায়ী নূতন কিছু হাটি কল্প সম্ভবপর হইতে পারে; ূ তথাপি বর্তমান, 


বিশ্ব-ত্রহ্ষাণ্ডে পরমা মহাশকতির ব্যাপক বা র্বকর্ৃতে কাহার 





চা ইউনি ব্যাপারে সকলের রর বর্জনীয় ৃ জা টি 


কাহারও কর্তৃত্ব খাটিবে না !-পরমাধিক নিয়ন্ত্রণের একচুল এদিক 
ওদিক করা, কাহারও ক্ষমতা নাই; কিস্বা একটা ধূলিকণণ পথ্যস্ত কেহ 
নষ্ট করিতে পারিবে না! তাই সত্যদশ্খ জনৈক বৈজ্ঞানিক বলিয়াছেন_ 
“মধ্যের মত প্রকাণ্ড বস্থর কাছে, সাগর বেলার স্ুপীরুত বালুকণার 
অন্তর্গত একটী কণা, নগন্য বলিয়া মনে হইতে পারে, কিন্তু বস্তুতঃ 
তাহা নহে; কারণ সেই কোটা কোটা কণিকার মধ্যে একটার গণনা 


তুল হইলে, কিন্বা একটীর অভাব হইলে, বিশ্ব-য্্র বিপর্যস্ত হইয়া 


পড়িবে ! কেননা বৃহৎ ুরধ্য হইতে নগন্য বালুকণা পধ্যন্ত প্রত্যেকেই 


জগত-যস্থের স্থিতি ও গতি অব্যাহত রাখিবার জন্য সমানভাবে 
প্রয়োজন” | মহাশক্তিময়ী প্ররূতির এবিধ স্বরূপ ভাবে ধূত্রলোচনের 
বিশ্বাস নাই ; তাই মারের কেশ আকর্ষণদ্ধারা তাহাকে শক্তিহীন করিবার 


জন্য অবিশ্বাসী ভ্রমান্ধ ধূমলোচন নিযুক্ত হইয়াছে__ইভাই কি ] 


ভাংপযা । 

সেই পরম! সুন্দরী দেবীকে লাভ করার বাসনা কামরূপী শুস্তের 
হৃদয়ে প্রবল; তাই একমাত্র সেই অপূর্বব রমণীকে হত্যা! না করিয়া 
জীবিত অবস্থায় ধরিয়া আনিতে হইবে, আর তাহার সাহাধ্যকারী 
সকলকেই হত্যা করিতে হইবে--ইহাই শুস্তের অভিপ্রায় ।_(81৫) 


১ | নে | ৃ ্ীপ্রীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


:। খধিরুবাচ ॥৬ 
(ভেনাস; শীঘং স দৈত্যো ধৃ্লোচনঃ। 
বতঃ ষষ্ট সহস্রাণামস্থুরাণাং জঞ্টং যযৌ ॥ ৭ 
সত্য বিবরণ । খধি- কহিলেন__অনস্তর শুস্তের আদেশে সেই 
দৈত্য ধুত্রলোচন, ষষ্টি সহজ অস্থ্রঃসেনায় পরিবেষ্টিত হইয়া] দেবীকে 
আনয়ন করিবার জন্য ] সন্থর ধাবিত হইল ।--(৬1৭) ৰ 
তত্ব-্থধা। অবিশ্বাসরূপী ত্রমান্ধ ধৃলোচনের যি সহত্ত সৈপ্ত-_. . 
অন্পময় কোষ, প্রাণময় কোষ, মনোময় কোষ, .জ্ঞানময় কোষ 
(বুদি-কষেতর ), বিজ্ঞানময় কোষ এবং মান না কোষ এই ছ ন্ট বি ন্ট 
_. একে অমাত্বক্‌ অবিশ্বাসের অবাধ রাজ বিজ্তুত। দেহে মনে প্রাণে 
বুদ্ধিতে সর্বত্রই অবিশ্বাস ও ভ্রান্তি বিজানময় কোষেও, ভগবত কর্তৃত্বে 
. বিশ্বাস না করিয়া নামি কর্তা” এরূপ আত্ম-কর্তৃতে রাস্তিময় বিশ্বাস; 
»খাননদময কোষেও, সর্বববিধ পরিচ্ছিন্ন আনন্দ আমিই ভোগ করি, এক্সপ 
 ভরমাজ্বক্‌ বিশ্বাস! অর্থাং ভগবানের সর্ব-ক্তৃত্বে এবং সর্ব-ভোর্ততে 
অবিশ্বাসই, এরূপ স্বকীয় বা জীবভাবীয় ভ্রমাত্মক বিশ্বাসের কারণ । এই 
_ষড়বিধ দেহ-কোষের সহিত পঞ্চ জ্ঞানেন্্িয় এবং পৰ্ক কর্েন্ছ্িয় গণিত 
হইয়া ষ প্রকার বিভিন্ন অবস্থা সু্টি করে; এই অবস্থাসমূহ আবার 


ব্রিগুণ ব্যঞ্চনায় বহুমুখী হইয়া বনুপ্রকারে ক্রিয়াশীল হয়-__ইহাই- 
ধূমলোচনের য্টি সহম্র সৈন্য ।_-(৬৭) 


স দৃষ্টা তাং ততো দেবীং ১৪০৪৯ ্‌ 
জগাদো প্রযাহীতি মূলং শুভ্তনিষ্তভ্তয়োঃ * ৮. 
নচেৎ প্রীত্যাদ্ ভবতী মদ্ভর্ভারমুপৈক্যতি, 

ততো বলান্গয়াম্যেষ কেশাকর্ষণ বিহ্বলামূ॥৯ 

সত্য বিবরণ। অনস্তর সেই ধুস্রলোচন হিমালয় সংস্থিতা সেই 











নল ০5 
১ "পপি নলত৭ লা 24547554504 
শি পাপ কপ দাস বত নর 


দেবীকে [দূর হইতে ] দেখিতে পাইয়া উচ্চৈঃশ্বরে এই কথা বলিল-_ 
শস্ত-নিশ্তস্ভের নিকট গমন কর” ॥ ৮। যি তুমি অন্য গ্রীতিসহকারে 
আার প্রভূর সমীপে উপস্থিত না হও, তবে আমি তোমাকে কেশাকর্ষণে 
বিহ্বলা করিরা বলপূর্ববক লইয়া! যাইব ॥৯ 

তত্ব-স্তরধা। জ্যোতির্শয়ী কৌষিকী দেবী আজ্ঞা-চত্রস্থব দেহ- 
মেরুরূপী হিমালয়ের বরফাবৃত হিম-সিগ্ধ স্ুশীতল কাঞ্চন-শৃঙ্গে রত্বময় 
বেদীতে উপবিষ্টা। ছ্বিদল পদ্মই মনোময় কোঁষের বা মনের অরিষ্ঠান 
| ক্ষেত) সেখানকার অধিপতি কোমলভাবব্যপ্রক্‌ মিদ্ধ স্থধাকর (চন্দ্র) 
এবং তথাকার বীজ শাস্তিপ্রদ ঠং-এ মনোরম সথধাময় পনুস্থিত, 
স্থধাকরের পরশাস্বিপর্ণ ক সগীতল ভাবই মস্তক “তুহিনাচল? 
উক্তিতে অভিবাক্ত। ক্রাস্িময় অবিশ্বাসরূগী ৃয়লোচনের দেবী-সান্নিধ্যে 
উঠিবার ক্ষমতা নাই! তাই হিমালয়ের নিয়প্রদেশ হইতে, অর্থাৎ 


বিশুদ্ধচক্রে অবস্থান করিয়াই, উচ্ষৈঃস্বরে চীৎকার করত রত উপস্থিত 
দেবীকে নিজ বক্তব্য জানাইল। 


অবিশ্বাসী ভ্রান্ত ধৃ্রলোচন, দেবীর প্রতি বলপ্রয়োগের এবং 
কেশাকর্ষণের ভয় দেখাইল । কিন্তু দেবীর একটী কেশও আকর্ষণ করার 
কাহারও ক্ষমতা নাই, ইহ। ইতিপূর্বে প্রদর্শন কর হইয়াছে। [ধিনি, 
“ভয়ানাৎ ভয়ঙ ভীষণং ভীষণানাং”-_ধাহাকে দেখিয়া স্বয়ং ভয়ও ভীত 
হইয়া পড়ে! ভীষণও ধাহার ভীষণ মৃত্তি দর্শনে কম্পিত ব। স্তত্তিত 
হয়, তিনি অবিশ্বাসী দৈত্যের উক্তিতে ভীত হইবেন কিরূপে? 
কিন্তু অজ্ঞানান্ব ধূমলোচন বুঝিতে পারে না ষে, বিশ্বাসের পথ ব্যতীত 
অবিশ্বাসদ্ধারা সেই আত্মময়ীকে কখনও লাভ করা যায় না! তথাপি 
দেবীকে বিলপ্রয়োগদ্ধারা লাভ করিতে পারিবে” এইপ্রকার ভ্রান্ত 
বিশ্বাস, অবিশ্বাসের মনে উদ্দিত হইয়াছে !-(৮1৯) 











১ ৩8 ন শ্রীশ্রীচণ্ডী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


দেব্যুৰাচ ॥১*. 
ঈৈত্যেশ্বরেণ প্রহিতো বলবান্‌ বলসংবৃতঃ | 
বলান্নয়সি মামেবং ততঃ কিং তে করোম্যহম্‌ ॥১১ 


সত্য বিবরণ । দেবী বলিলেন--তুমি দৈত্যেশ্বরের প্রেরিত, 


স্বয়ংও বলবান-__প্রচুর সৈন্তে পরিবুত,। এ অবস্থায় যদি তুমি 


বলপূর্ধক আমাকে লইয়া যাও, তবে আমি তোমার কি করিতে 
পারি ?--(১০।১১) | 

তত্ব-স্তুধা। দেবী, অবিশ্বাসকূপী ধূরলোচনের আস্গরিক প্রভাব জ্ঞাপন 
করিয়া ত্রিবিধ বল প্রদর্শন করিতেছেন, যথা--(১) দৈতোশ্বর-কর্তৃক 
প্রেরিত__এজন্য তুমি প্রভুবলে বলীয়ান : (২) বলবান সৈন্য বেষ্টিত-_ 
এজন্য সহায়বলে বলীয়ান; আবার (৩) স্বর তুমিও বলবান; স্থৃতরাং 
তোঘার বল দেখাইবার যোগ্যতা বা সামার্থ্য যথেষ্টই আছে! স্ৃতরাং 
ত্রিবিধ বলে বলীয়ান তুমি আমার প্রতি বলপ্রয়োগ করিলে আমি আর 
কি করিব? এই উক্তির তাৎপর্য এই যে, মা যেন উত্তরস্বরূপ অন্থুরকে 
বলিতেছেন_-তাহাহইলে তোমার মৃত্যুই অনিবার্ধা__তোমাকে 
ভম্মীভূত করিয়া ফেলিব ! আন্ুরিক ভাবাপন্ন একটী বল ব! ক্ষমতার 
প্রভাবে বহু অ্বনর্থ সাধিত হয়, আর যেখানে উহাদের ত্রিবিধ বা 
বহুবিধ সমাবেশ, সেখানে ধ্বংসই আসন্ন ও অনিবাধা! তাই চাকা 
পৃণ্ডিত, যৌবন ধন-সম্পত্তি, প্রভৃত্ব অবিবেকতা প্রড়ৃতি চারিটী উশঙ্খল 


ভাব সম্বন্ধে বলিয়্াছেন__“একৈকোহপ্যনর্ধার - কিমু ঘন্ত চত্ুষ্টঃম্” অর্থাৎ 


উহাদের প্রত্যেকটা অনর্থের কারণ; আর যেখানে উষ্থাপে চারিটারই 
একত্রে সমাবেশ, সেখানকার পরিণাম-_সর্বতোভাধে ধ্বংস! মন্তে 
“কিং করোমি”_কি করিব? উক্ত্িটী শ্লষ্ট বা শ্লেষভাবযুত্ত, যথ। 


(১) এবিধ" ত্রিবিধ বলসংযুক্ত তোমার আর কি করিব ?-_অর্থাং 


ককার.....:.- :::;:. 0. 


এক্ষেত্রে অক্ষমতা জ্ঞাপন । (২) কি করিব ?--এই প্রশ্নের সছুতর, 


বাক্যে নহে__এখনি কার্যত; তাহা দেখাইতেছি! [দেবী তাহাকে 
তৎক্ষণাৎ ভম্মীভূত করিয়াছিলেন ]--(১০1১১) 
. খধিরুবাচ ॥১২ 
ইত্যুক্তঃ সোইভ্যধাবৎ তামন্রুরো ধুত্রলোচনঃ। 
ভুংকারেণৈব তং ভশ্ম সা চকারাম্থিকা ততঃ ॥১৩ 
 সতা বিবরণ । ঘি বলিলেন-_দেবী এই কথা বলিবামান্র 
অস্থর ধৃত্রলোচন তাহার দিকে ধাবিত হইল অন্স্তর অদ্থিক! হুঙ্কার 
দ্বারাই তাহাকে ভম্ম করিয়া ফেপলিলেন ।--(১৯।১৩) 
তত্বস্ুধা। ভ্রান্ত অবিশ্বাস দ্বিদল-পন্নস্থিত মাকে বলপূর্কবক 
ধরিবার মানসে বিশুদ্ধ-চক্র হইতে ধাবিত হইল । প্রলয়ঙ্করী সর্বকারণ- 


রূপা মা তৎক্ষণাৎ পথিমধ্যেই তাহাকে হঙ্কারদ্বারা ভম্মীভূত করিয়া 


ফেলিলেন। 

সুংকার-নাদ বা প্রনব-ধবনি, পক্ষান্তরে উহা প্রলয়বীজ। সাধকের 
চিত্তে যখন ভ্রমাত্মক্‌ অবিশ্বাস প্রকট হয়, তখন উহা! নষ্ট করিবার 
একমাত্র উপায়_-ভগবৎ নাম এবং প্রণব ভপ করা। হুঙ্কার যোগসাধনে 
এবং তষ্-মন্ত্াদিকাধো ব্যবহৃত হয়। বাহাজগতে বৈষয়িক ব্যাপারেও 
হস্কার, ক্রোধউদ্দীপক শব্দ? মল্লগণ হুংকারদ্বার বিপক্ষদূলের শৌধ্য-বীধয 
স্তম্ভিত ব| নষ্ট করিতে চেষ্টা করে । হুঙ্কার সন্ধে এই গ্রন্থের মধ্যম খণ্ডে 
বথাস্থানে বিস্তারিতভাবে আলোচিত হইরাছে ৷ চিন্ময়ী অন্বিকা দেবী 
্রান্ত অবিশ্বাসকে হুংকাররূপ কৃপাদ্ধারা ভন্ম বা অস্তিতশূন্ত করিয়। 
কেলিলেন--অর্থাং নিজ কারণময় দেহে বিলয় করিলেন। চিন্ন়ী 


মায়ের সান্গিধা লাভ করিলে, কিম্বা তাহার জ্যোতিঃদর্শনের সৌভাগ্য 
হইলে, "অবিশ্বাসরূপ অজ্ঞানতা আপনা হইতেই বিলয় হইয়া যায়; 


১০৬ | শ্রীত্রীচণ্ডী-তত্ব ও সাধন-রছস্থ 


শান্পেও আছে---“ছিছ্যন্তে সর্বসংশয়াঃ তিন্‌ দুষ্টে পরাবরে"_-সেই 
পরমাত্মার দর্শনলাভ হইলে, সমস্থ সংশয় বা অবিশ্বাস ছিন্ন হইয়া যায়। 
এইকূপে দেবী, কামরাজ শুস্তের প্রধান বল অবিশ্বাসরূপী পুমলোচনকে 
বিলয় করিলেন ।--(১২।১৩) 
অথ ত্ুদ্ধং মহাসৈম্যমস্রাণাং তব ্থিকাম্‌ | 
. বব্ধ সায়কৈস্তীক্ষে স্তথা শক্তিপরহ্বটৈত ॥১৪ 
সভা পবিবরণ। অনস্তর [ ধৃরলোচন বিলয়ে ] ক্রুদ্ধ তা বিপুল 
| অর বাহিনী, অধ্ধিকার প্রতি তীক্ষ শর শক্তি এবং পরশু অস্তরাদি বর্ষণ 
ক জি লাগিল ।--(১৪) 
তত্বস্থধা। ভ্রমাত্মক অবিশ্বাসের ঘনীভূত মৃষ্তি বিলঃ হইলে» 

রত হর বিভিন্ন কেন্দ্রে অবস্থিত তাহার অন্চর, অর্থাৎ 
অবিশ্বাসের অন্তভাবসমূহ বিক্ষোভিত হইয়। উঠিল । তখন তাহারা 
বিশুদ্ধ-চক্রে অবস্থান করিয়াও উদ্ধে দ্বিদলে অবস্থিত! দেবীকে একমাত্র 
লক্ষ্য করিয়া, লক্ষ্ভেদকারী বাণ, প্রাণময় শক্তি এবং অজ্ঞানতামর 
কুঠাররূপী অস্বসমূহ নিক্ষেপ করিতে লাগিল । অস্বাদির বিস্তৃত ব্যাথা। 
পূর্বব চরিতে করা হইরাছে, সুতরাং এখানে পুনরুল্লেখ করা বাহুলামাত্র। 
তবে এইটুকৃ মনে রাখ বিশেষ প্রয়োজন যে--অস্থরগণ অস্বরূপী 
তাহাদের আন্থরিক ভাব বা শক্তিসমূহ দেবভাবের প্রতি যতই নিক্ষেপ 
করিতে লাগিল, ততই তাহার! ক্রমে দুর্বল বা শক্তিহীন হইয়া 

হসের পথে অগ্রসর হইতে লাগিল; এইকপে ক্রমে তাহাদের সম্পূর্ণ 
বলক্ষয় হইলে, স্বাভাবিক ভাবেই বিনাশ অনিবার্ধয ; এ তত্বময় ভাবটা 
হৃদযঙ্গম করিতে পারিলেই, দেবী-যুদ্ধের কৌশল বা রঠস্ত সহজে বুঝিতে 
পার/যাইবে। এইকূপে পরার কন্ম-সংস্কারের বীজজাণুসমূহ কিছু কিছু 
করিয়া কারণ-ক্ষেত্রে ক্রমে প্রকট হইয়া, অগ্নিতে পতঙ্গাুতির ন্যায় 





ধর্ভাবরপী সিংহ... প্র “ডে 


সকলেই ষেন প্রলয়ানলে ঝাপ দিনা আত্ম আহতি দিতে সমৃষ্যত 
হইয়াছে-_আস্থরিক ভাবসমূহও প্রলয়াভিমুখ্খী অভিযান করিতেছে ও 
করিবে ইহাই তাৎপর্য ।--(১৪) 

ততে। ধূতসটঃ কোপাৎ কৃত্বা নাদং স্ুতভৈরবম্‌। 

পপাতান্থরসেনায়াং সিংহে। দেব্যা; স বাহন? ॥১৫ 

সত বিবরণ । অনন্তর দেবীর বাহন সেই. স্হহ্ কোপে 
কম্পিত-কেশর হইয়া ভীষণ ক নর নামক পতিত 
হইল ।--(১৫) . 8 

তত্ত্‌ স্ুধা। মাত গরাধিত দাধকের জি নার হিংদা- 
কারী র্মভাবসমিরপ সিংহ, কষদ্রাদপিক্ষুদ্র অস্থরগণকেও মায়ের, শরীরে 
অগ্ নিক্ষেপ করিতে দেখিয়া ত্রুদ্ধ হইল এবং দ্বিণল-পন্ম হইতে লক্ষ 
প্রদানপূর্ববক বিশুদ্ব-চক্রে অবস্থিত সেই ক্ষুদ্র আস্রিক অবিশ্বাসী 
সৈম্তগণের উপর পতিত হইল । মন্ত্রে আছে_-“অস্থ্রসেনায়াং পপাত” 
__অস্থরসেনাগশের উপরে বা মধো পতিত হইল; উভয়পক্ষ সমান বা' 
সমতল স্থানে অবস্থান করিলে, 'পপাত” অর্থাং উচ্চ হইতে পতিত হইল, 
কথাটা ব্যবহার হইত না। অন্থরগণ পূর্বোক্ত পর্বতের নিন প্রদেশে 
অবস্থান করিয়াই উচ্চে পর্বত-শৃঙ্গে অবস্থিত দেবীকে দর্শন করিয়াছিল 
অতঃপর চগু-মুণ্ড মাকে নিয় হইতেই “শৈলেন্রশৃঙ্গে মহতি কাঞ্চনে' 
দর্শন করিবে! স্বতরাং মাতৃপদাশ্রিত সিংহ পর্বতশৃঙ্গরূপী দ্বিদল-পঞ্স 
হইতে বিশুদ্ব-পন্নরূপী নিষ্নপ্রদেশে অস্থর টসম্ঘমধ্য লক্ষগ্রদানে পতিত 
হইল, ইহা যুক্রিযুক্তরূপে প্রমাণিত হইল। যৌগিক ব্যাখ্যায়-- 
কুগুলিনীশক্তি একটীমুখ বিশুদ্ব-চক্রে রাখিয়া সেখানকার বৃত্তিসমূহ ক্রমে 
নিজ কারণময় দেহে বিলয় করিতে লাগিলেন, আর অপর মুখটাম্বার! 
আজ্ঞ-চত্রে অপুর্ব রূপময়ী চিন্ময় তম্গবিকাশ করতঃ তিনি কাঞ্চন-ৰ্দৌতে 








মাসীনা রহিয়াছেন!- এক্ষণে তিনি বিশুদ্ধ চক্রে এগি কারা 
আর নি বিকাশমখী ক্ষার্ধ্য যুগপৎ আরম্ভ করিয়াছেন! মায়ের 
'এবদিধ যোগ-বিলাম যোগণাস্্ম্মত। এমগ্বন্ধে পূর্বেও আলোচনা 
করা হইয়াছে-(১৫) | | 
কাংশ্চিং করপ্রহারেণ দৈত্যনাস্তেন চাপরান। 
আক্রাস্ত্যা চাঁধরেণান্যান্‌ জঘান সুনহামুরান্‌ ॥১৬ 
কেষাঞ্চিৎ পাটয়ামাস নখৈঃ কোষ্ঠানি কেশরী। 
তথা তলপ্রহারেণ শিরাংসি কৃতবান্‌ পৃথক্‌ ॥১৭ 
বিচ্ছি্বাহুশিরস; কৃতাস্তেন তথাপরে । 
পপৌ চ রুধিরং কোষ্ঠাদন্তেষাং ধৃূতকেশরঃ ॥১৮ 
ক্ষণেন তদ্বলং সব্বং ক্ষয়ং নীতং মহা ত্বনা । 
«তেন কেশরিণা দেব্যা বাহনেনাতিকোপিনা ॥ ১৯ 
সত্য বিকরণ। সেই সিংহ কতক দৈত্যকে কর-প্রহারে, 
তকপুলিকে মূখে গ্রাম করিয়া, অন্য মহাকায় অস্থরগণকে অধরদ্বার! 
আক্রমণপূর্বক নিহত করিলেন ॥১৬॥ এইরূপে কেশরী নখরাঘাতে 
কতকগুলি অস্থরের উদর বিদীর্ণ করিলেন, চপেটাঘাতে কাহার মন্তক 
(শরীর হইতে ) পৃথক করিয়া ফেলিলেন ॥১৭।॥ সেই সিংহ পর কতক 
' অন্থরের বাছ ও শির বিচ্ছিপ্ন করিলেন? অনস্তর কেশর বিকম্পিত 
4 করত, অন্যান্য অন্থরগণের উদর বিদারণপূর্ববক রুধির পান করিতে 


. লাগিলেন ॥১৮।॥ এইরূপে অতি কোপান্বিত মহাপরাক্রমশ্ালী দেবী-বাহন 
মহাসিংহ ক্ষণকাল মধ্যে সেই সমস্ত সৈন্য বিধ্বস্ত কৰি ফেলিলেন 1১৯ 


তত্ব-স্তুধা। দেবীর পদাশ্রিত সাধকের দর্ভাব সমষ্টিরূপী পিংহ 
ষড়বিধ উপায়ে অন্থুর :সৈগ্ভগণক্ষে বিনষ্ট করিতে লাগিলেন। উহা 
আক্রমণের 'ক্রম-বর্ধমান গুরুত্ব এবং সামর্থ্য প্রয়োগ অসারে, পর পর 











হি করিযা ধারাবাহিকে এখানে পি হইল) যথা. | 
(১) কেশর কম্পনন্বারা ক্রোধ প্রকাশ; (২) কঁলপ্রহার (চপেটাঘ'ত ); 
(৩) করপ্রহার ( নি |$ (3) নখাঘাত (পাড়) (৫) অধরের 
আক্রমণ (কামড়); (৬) মুখে গ্রহণ (গ্রাস বা বিনাশ) র এই 
ক্রম-বর্ধমান আক্রমণ ভাবী লৌকিক ব্যাপারেও দৃষ্ট হয় এ বিষয়ে' 
একটী সর্ববজন-দষ্ট উদাহরণ উল্লেখ করা হইল, যথা-ছুইটী বালকের 
মধ্যে বিবাদ উপস্থিত হইলে, প্রথমত; তাহারা শির কম্পনছ্বারা (ঘাড় 

নাড়াচাড়া করিয়া ) পরস্পর পরস্পরকে ভর দেখায় এবং “আচ্ছা একবার 
দেখে নিব*-এইপ্রকার কট বাক্যাদিও প্রয়োগ করে। তৎপর বিবাদ 
আর একটু অগ্রলর হইলে, চড় (চপেটাঘাত ) প্রদান করে; তৎপর 
কর-প্রকার (কিল বা মুষ্ট্যাঘাত ); ক্রমে অনগ্ঠোপায় হইলে, নখাঁধাতে 
শরীর বিদীর্ণ করে। উহাতেও যদ্দি বিপক্ষকে জব্দ করিতে না পারে 
তবে কামড়াইতে প্রবৃত্ত হর (ইহাই অধরের আক্রমণ ); পরিশেষে যখন 
বিবাদ আরও গুরুতর আকার ধারণ করে তখন একজন অপরকে পাতিত 
করিয়! উপরে চড়িয়া বসে এবং গলা টিশিয়ী কিঙ্গা অন্ত বে কোন প্রকারে 
তাহাকে বিনাশ করিতে উদ্যত হয়! কুতরাং এই উদাহরশের ভাবটা 
মিংহের ষড়বিব আক্রমণে প্রয়োগ করিলেই, এখানকার ক্রম-বর্ধমান ' 
সামর্থযযুক্ত যুদ্ধ ব্যাপারটী সহঙ্গে বুঝ! যাইবে । | 

পূর্বে বলা হইয়াছে যে অন্নময়াদি ষড়বিধ কোষই অবিশ্বাস 

আভিবাক্ির বিশিষ্ট কেন্ত্রন্বরূপ। এই ষটু প্রদ্দেশেই অবিশ্বাসী 
ধুমলোচনের যষ্টি সহশ্র সৈম্তের লমাবেশ হইয়া থাকে । দেহ প্রাণ মন 
বুদ্ধি বিজ্ঞান এবং আনন'-_-এই ছয়টা কোষও স্থুল হইতে ক্রমে স্থক্স্রে ও. 
সুক্মাতিস্ক্ষ্ে অভিব্যক্ত হইয়াছে; সুতরাং অস্থরশ্রেণীনও স্থূল সুক্ষ এবং 
সুম্্রাতিসথক্ষের ক্রম বা স্তর অনুসারে ছয়টা প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত 


:১১৯ | শ্রী -তত্ব ও সাধন-রহস্য 


এই ক্রম-বর্ধমান সামর্থাযুক্ত ছয় শ্রেণীর অস্থর নাশের জন্য, সিংহও 
ক্রম-বর্ধমান ষড়বিধ আক্রমণ বা শক্তি প্রয়োগছ্ারা উহা্দিগকে পরাস্ত 
করিয়াছিলেন-_ইহাই যুদ্ধ বিবরণের রহস্য ও তাত্পধ্য ! 
এইপ্রকারে অবিশ্বাসের ভাব এবং অন্থভাব সমূহ নষ্ট প্হওয়ায়, 
সাধকের ধর্মভাবরূপী সিংহ অর্থা্। ধাশ্মিক সাধক, যেন রজোগ্ণময় 
কুধিরদ্ূপ আস্রিক শক্তি ও ভাবসমূহ ভগবংপ্রেমান্তরাগে পরিণত করত, 
পুলকের সহিত ( ইহাই কেশর কম্পন ) সেই প্রেমানন্দ-স্থধা পান 
করিতে প্রবৃত হইলেন ! অর্থাৎ এক্ষণে বিশ্বাসী ধান্মিক সাধক, ভগবৎ 
প্রেমানরাগরূপ রুধির বা অস্ত পান করিয়া পরিতৃপ্ত হইতে লাগিলেন 1 
ইহাও মন্ত্রোক্তির অন্তরূপ তাৎপর্য । | 
. ধাস্মিক সিংহ মাতৃ-চরণে শরণাগত হইয়া 1 মাতৃ-পদাশ্রয়ের লৌভাগ্য 
্ করিয়া শক্তিমান হইয়াছেন । এজন্ঘ অবিশ্বাসের অনুভাবসমূহ বখন 
| জ্গ্লাতাকে অপমান বা আক্রমণ করিতে হ্ হইল, তখন নিজের 
সাধন-লন্ধ বল বা সামর্থা প্রয়োগদ্ধারা সাধক ৩. দদিগকে বিনাশ 
করিলেন ! ধাহাগা মাঘের শক্তিতে শক্তিমান হন, তাহারা একটী একটা 
করিয়া আন্গরিক বৃত্তিসমূহ নিজেই দমন করিতে সমর্থ হন। তাই এখানে 
ধাম্মিক সিংহ নিজেই ক্ষুদ্র আন্কুরিক বৃত্তিসমূ দমন করিয়া, আনন্দ লাভ 
করিতে সক্ষম হইয়াছেন । এজন্য মন্্ে তাহাকে "হাতা? বলা হইয়াছে । 
শ্রুত্ব৷ তমস্ুরং দেব্যা নিহতং ধূআরলোচনম্‌। 
বলঞ্চ ক্ষয়িতং কৃৎন্বং দেবীকেশরিণা! ততঃ /*০ 
 চুকোপ দৈত্যাধিপতিঃ শ্তস্তঃ প্রস্ুরিতাও;1 
আজ্ঞাপয়ামাঁস চ তৌ চণ্ড-মুত৷ ১১ ২১ 
: সতা'বিবরণ | অনন্তর দৈত্যাধিপতি শুত্ত, দেবী কর্তৃক সেই 
স্থপ্রসিদ্ধ অন্ধ ধুমলোচন বধ এবং দেবীর সিংহ কর্তৃক সমগ্র সৈন্ব-ঙ্য় 








কাম আযুক্ষয়কারী. 


বৃত্তান্ত শরবণে ক্রুদ্ধ হইয়া প্রকম্পিত অধরে সেই মহান্থুর চণডমুণ্ডকে 
আদেশ করিলেন ॥২০ | ২১ 


তত্ব-স্থধা। কামরাজ শ্তস্ত উাহার কামন পরিপূরণে বিশেষ 
বাধা 1 উপস্থিত হইয়াছে, দেখিয়া ক্রোধাবিষ্ট হইলেন--ক্রোধে তাহার 
অধর এবং ভতসহ তাহার শরীর গ্রকম্পিত হইতে লাগিল। কাম 
কিছা কাম হইতে জাত ক্রোধ উপস্থিত হইলে, শরীরের পরমাণু, 
সমূহ _ কম্পিত, হইতে থাকে এবং শ্বাসপপ্রশ্বাসও দীর্ঘ ও ঘন সঞ্চরণশীল 
হয়) ইহা বিশেষে আয়ুক্ষ়কারী, কেননা স্বাস-প্রশ্বানরূপী প্রাণবায়ুই 
জীবের আদ্ুর পরিমাপক। সুতরাং প্রাণবাযু ঘন ঘন বা দীর্ঘাকারে 
প্রবাহিত হইলেই অলক্ষিতে আয়ু ক্ষয় হইতে থাকে | কামরা শুসত 


দেবীকে বলপূর্বক আনয়ন করিবার চন্য লোভ-মোহরগপী চগ্ুমুণ্তকে 





প্রেরণ করিল। এই লোভ-মোহ ইতিপূর্বে সর্বাগ্রে দেবীনর্শনের, $ 


থা 


মৌভাগ্য লাভ করিয়াছে। আবার এক্ষণে দেবীকে পাইবার জন্কও 


তাহার] প্রেরিত; স্থতরাং এই লোভ নিরতিম্বী। ভি 


রবৃততিদুবী ভোগাসক্তির জন চাঞ্চল্য থাক পর্যন্ত, চণ্ডীততবে সম্যক্রূপে 
প্রবেশ লাভ হয় না; স্ৃতরাৎ দেবীমাহাত্যের বিশিষ্ট আস্থরিক ভীব, 
খানুহ 'আুঙ্ষম এবং কারণ-রাজ্ের বলিয়। গ গণ্য করিতে হইবে এব উহাদের 


প্রত্যেকের গতি প্রলয়াভিমুখী ! বিশেষতঃ; আন্তরিক ভাব সমূহের 
প্রলয়, বিলয় কিদা! পরিবর্তনদ্বারা দেবভাব প্রাপ্তি এবং দেব-সৈন্তরূপে 
পরিণত বা! পরিগণিত হওয়াই, দেবীমাহাজ্মের অস্রগণের একমাত্র 


সাধা! তাই চগ্ড-মুণ্ড প্রলয়ঙ্করী মৃদ্তি' বিলীন হইবার জন্য সর্বব 
প্রলয়কারী দৈত্যরাঁজ শুস্ত কর্তৃক আদিষ্ট (২০২১) 


হে চণ্ড হে মুণ্ড বলৈ বরুলৈঃ পরিবারিতৌ। 
তত্র গচ্ছত গত্বা চা সমানীয়তাং লঘু ॥২২ 


১১২ গ্রীশ্রীচণ্ডী-তত্ব ও'সাধন-রহস্থ 


কেশেঘাকৃষ্য বদ্ধা বা যদিবঃ সংশয়ো যুধি। 
তদাশেষাযুধৈ: টি বিনিহন্ত তাম্‌ ॥২৩ 
তল্তাং হত্যর়াং দুষ্টায়াং সিংহে চ বিনিপাতিতে । 
শীঘ্রমাগম্যতাং বদ্ধ। গৃহীত্বা তামথাস্থিকান্‌ ॥২৪ 
ইতি গার্কগে়পুরাণে সাবনিকে মন্বন্তরে  দেবীমাহাক্মো 
 শু্ত-নিশস্ত-সেনানী ধৃত্জলোচন বধো! নাম ফষ্টোহধারঃ। ্লৌক- 
 সংখ্যা২০। অস্ত্র সংখা-হ৪ 
সত্য বিবরণ । হে চগ1 হে, মু! তোমরা ধহুতর সৈন্যে 
 পরিতৃত হউয়া তথার গমন কর এবং সেখানে যাহা সন্বর মেই রম্থীকে 
 সম্যকুরূপে আনয়ন কর* ॥২২। [তাহাতে অপারগ হইলে) কেশাকর্ষদ্ধারা 
কিবা বন্ধন করিয়া আন। কালীন সংগ্রামে ধদি সংশর উপস্থিত হয়, 
* তবে মকল অস্গর মিলিত হইয়া সর্বপ্রকার অপ্ব-শস্দ্ারা তাহাকে নিহত. 
করিবে |২৩| সেই দুষ্ট রমণী নিহত এবং সিংহ শিপাতিত হইলে 
শীঘ্র আগমন করিবে; অথব! সেই অগ্গিকাকে বন্ধন করিয়া সমর লইয়া 
আমিবে 1২৪ 
তত্ব-স্থধা। কাদরাদ শুস্ত উপরোক্ত তিনটা শ্পোকে অন্থিকাকে 
আনয়ন স্ঘন্বে তিন প্রকার আদেশ প্রদান করিয়াছেন, যথ1-+(১) প্রথম 
শ্লোকের, ভাবার বহুতর সৈম্ত সহযোগে কোন প্রকার যাতনা" না দিয়া 
সেই সৌন্দখামরীকে অক্ষতভাবে আনয়ন । কেননা প্রথমতঃ বহু 


পিপি তিশা পাপা শিস ২৫ শীত পপ প্রজা ০.৯ ০০৮০৮৫০২৮০৮ 


* প্রাচীন ও আধুনিক টাকাকারগণ এই ক্লোকটী পুথকভাবে অন্বষ 
ব! ব্যাখ্যা করেন নাই ; সকলেই পরবর্তী শ্লোকেক্ সহিত মিশাইয়। 
কেশাকর্ষণ ও বদ্ধন করিয়া আনয়ন করা অর্থে, অন্বয় ও ব্যাখা 
করিয়াছেন । . তবে উহা পৃথকৃরূপে' ব্যাযা করিলে, ভাবটা আরও 
বিস্তার লা'ভ.করে এবং অশোভন বলিয়াও মনে হয়না লেখক 





সৈন্যের সমাবেশ [চতুরঙ্গ বল] দেখিয়া দেবী ভয়ে আত্মসমর্পণও করিতে 
পারেন; নতুবা বলপূর্বক উঠাইয়া অক্ষত ভাবে ধরাধরি করিয়াও 
আনা যাইতে পারে! --ইহাই দেবীর প্রতি এঁকান্তিকভাবে আসক্ত 
কামরপী শুন্তের প্রথম অভিপ্রায় এবং আদেশ। -_তাই মন্ত্রে আছে, 
“মানীয়তাং অর্থাৎ সসম্ত্রমে বা সম্মানের সহিত আনিবার জন্য প্রাণপণে 
চেষ্টা করিবে; প্রথমেই টু শারিরীক যাতনা! দেওয়া 
কর্তব্য নহে__ইহাই ভাবার্থ। (২) দ্বিতীয় শ্লোকের আদেশ-_কেশা- 


কর্ষণদ্বার৷ আনয়ন করা কালীন রে বন্ধন করার সময়ে, দেবীর সহিত 
দ্ধ বা সংঘর্ষ অনিবার্ধ্য। সেই যুদ্ধে জয়লাভ করা সন্ধে যদি সংশয় রি 
উপস্থিত হয়, তবে সমস্ত অস্থর সমবেত হইয়া সমস্ত অস্ত্র প্রযোগস্থারা | 
তাহাকে বধ করিয়া যুদ্ধে জয়লাভ করিতে হইবে ॥ (৩) তৃতীয় গ্লোকের : 


আদেশ-_সেই ছুষ্টাকে ক: করিয়া এবং সিংহকে বিনষ্ট করিয়া শীষ 


ফিরিয়া! আসিবে, তে দি সেই পরম! সুন্দরী অস্বিকাকে জীবিত, 


অবস্থায় আনার কোন নস্তাবনা থাকে, তবে প্রাণপণে সর্ববতোভাবে 
সেই চেষ্টাই অগ্রে করিতে হইবে; অর্থাৎ যদি অজ্ঞান অবস্থায় কিন্বা 
মৃতগ্রায় অবস্থাতেও আনা সম্ভবপর হয়, তবে সেই অবস্থাতেও তাহাকে 
বন্ধন করিয়া! সত্বর এখানে লইয়া আসিবে- ইহাই শুস্তের তৃতীয় 
আদেশের ভাবার্থ। কামরূগী শুস্ত অনুচরমুখে সেই জ্যোতিন্ময়ী দেবীর 
পরম সৌন্দর্যের কথা শ্রবণ করিয়া তাহাকে পাইবার কামনায় এবং 
লালসায় উন্মততগ্রায় হইয়াছেন ! তাই দেবীর বিরুদ্ধাচরণেও তাহাকে 
জীবিত অবস্থায় আনিবার. জন্যই, মনে ছুইবার আদেশ প্রদান 
করিয়াছেন! দেবীকে বধ করার কঠোর আদেশ দেওয়ার সময়ে, 
তাহাকে ষ্টা" বলিয়া সন্বোধন করা মাত্রই, কামরাজ শুস্তের চিত্তে 


১৪:00 5 তত ও সাধন-রহস্ 





দেবীর কী লী অপর. কল্পনা উদিত হইয়াছিল, তাই 
- পুনরায় সেই দেবীকে কট্ডাহা গ্রয়োগ না করিয়া কল্যাণমী প্রেম: 
 করণায পরি | 'অস্িকা নামে অভিহিত করিলেন এবং তাহাকে 
শ্রাণে না মারিয়া জীবিত অবস্থার আনিবার জন্য পূর্বাদেশ প্রত্যাহার 
. করিতে বাধা হইলেন- ইহাই মনো কত সমূহের রহস্য ও তাংপরধ্য। 

কামরগী শুস্ত, দেবীকে লাভ করিবার একাস্তিক কামনার মহীযন্জে 
একটী একটা করিয়া নিজম্ব শ্রেষ্ট প্রিয় বস্তুমূহ আহৃতি প্রদান 
করিতেছেন উদ্দেশ, সর্বত্যাগী হইয়া সর্বস্ব বিসর্জন করিয়াও দেই 
. পরমাকে লাভ করিতেই হইবে !-এই ত্যাগমণ্ডিত অধাবমীয় 
সাধকগণের ভীবনে উৎসাহ ও প্রেরণা আমন করুক-ভাহারাও একটা 
একটা করিয়া নিভ আস্থুবিক গুবল বন্তি বা রিগু পরমাআুমযী মায়ের 
চরণে উপহার প্রদান করত খানু-বিশুদ্ধি সপ্পাদন করুন! এইরূপে 
ছুর্ভি মানব-জীবন ক্রমে প্রেমানন্দ লাভে সমুঙ্জল ভইরা উঠক 
দেহ-রথের পরথাআ্মাভিমুখী বিলোন গতি বা বিজয়-যাত্র! সর্ধবাধা 
বিনিম্মক্ত হইরা সাকলামপ্ডিত ও য়যুক্ত হউক! $ নমশ্চণ্ডিকারৈ | 
ও নয শ্রীপুরে !! 





নিত্য; শুদ্ধং নিরাভাসং নিরাকারং নিরগ্রনং ' 
* . নিত্যবোধং চিদানন্দং গরুত্রদ্ নমাম্যহম্‌। 


পট 








বম অয চওসু$বং বধ। 
খষিরুবাচ ॥১ 


আন্তপৃস্ত ততো দৈত্যাশ মু গপুরোগমাহ। 
চতুরঙ্গবলোপেতা যযুরত্যুদ্ঠতা যুধাঠ ॥ ২ 
দদৃশ্ুস্তে ততো দেবীমীষদ্ধাসাং ব্যবস্থিতাম্‌। 
সিংহস্তোপরি শৈলেন্তশুঙ্গে মহতি কাঞ্চনে ॥ ৩ 
সতা বিবরণ। খদি কহিলেন_অনম্তর [ শুদ্তের ) আজ্ঞাপ্রাপ্ত 
চণত-ুগ্তপ্রুখ দৈতাগণ চতুরঙ্গ [ গজ অশ্ব রথ ও পদাতি ] বলের সহিত 
নানাবিধ অশ্ব উদ্ধত করিয়া [ দেবীর উদ্দেশে ] অভিযান করিল ॥ মং রঃ 
অনস্তর তাভার। হিমালরের অভুযুচ্চ কাঞ্চনময় শৃঙ্গে দিংহের উপরে. 
সমাসীনা মৃদ-মধুর হাস্তমরী [কৌধিকী ] দেবীকে দর্শন করিল ॥ ৩... 
তত্ব-স্ধা। লোভ-মোহরূগী চণ্ুমুণ্ড চতুরজ ৰলসহ বা রা 
অভিযান করিল; লোভমোহের ক্রিরাশীলহার প্রধান কেন্ত্র-মন বুদ্ধি 
ং ও চিত্ব। অন্তঃকরণের এই চারিটী সার্বভৌমিক বিভাগে. আশ্রয় 
্াী লোভ-মোহের উান পতন বা লয়াদি সম্পন্ন হইয়া থাকে: ৷ 
এই চারিটা কেন্্রবলই লোভ-মোহের চতুরঙ্গ বল) এখানে দেহস্থ 
চও্-মুণ্ডের চতুরঙ্গ বল, যথা হস্তী ৮ অহং (মদআ্্াবী হেতু); অশ্ব- 
মন (চাঞ্চল্য হেতু )) পদাতিস্বুদ্ধি (স্থিরধীর গতি হেতু) এবং 
রথস্মচিত্ত (সর্বাকারণত্ব বা সর্বাশয়ত্থ হেতু )। লোভ-মোহ এবং 
তাহার অন্ুচর বা৷ অনুভাবসমূহ বিশুদ্ধ চক্র হইতে দ্বিদল পদ্মাতিমুখী 








| ১১৬ ঃ রীপ্ীচী-ততব ও সাঁধন-রহস্ত 


| গমনোসু হইয়া দুর হইতেই শৈলরা্ দেহ-মেরুর কাঞ্চনময় উচ্চ শৃঙ্গে 
(ছিলে) মনিময় ্ষোপসিধর্াত্া সিংহের উপরে হুশোভিতা গরবিনী 
»অস্বিকা মাকে দর্শন করিল। মায়ের ্ীমুখে মুদুমন্দ হাসি-_আহ্মুরিক 
:. বৃততিসমূহের যুদ্ধ-াত্রা দর্শনে, মা যেন অবজ্ঞার হাসি হাসিতেছেন ।--- 
তুচ্ছ সামর্থ্য লইয়া লোভ-মোহপ্রমুখ অন্থ্রগণ মাকে ধরিতে চায়_ 
. বামন হইয়া আকাশের চীদ ধরায় স্তায় উহা অসম্ভব! তাই সদানন্'মরী 
. মায়ের মুখে ভন্ত-মনোভারী মৃছু-মধুর হাস্তের সুবিকাশ ।--(১-৩) 

তে দৃষ্ট। তাং সমাদাতুমুগ্যমং চক্রুরুগ্ভতাঃ। 

আকৃষ্ঠচাপাসিধরাস্তথান্তে তৎমমীপগাহ ॥ ৪. 

সত্য বিবরণ । ভাভারা দেবীকে দর্শন করিবামাত্র প্রোহসাহিতত 
হইয়া, তাহাকে ধরিবার জন্য উদ্ভম করিল। কেহ কেহ আকুষ্ট-শরাদন 
*ও পড় ধারণ করিল; আর কেহবা তাহার সমীপগামী হইল ॥$ 

তত্ব-স্রধা।' লোভ-মোহের অন্তর প্রদেশ সতগুণময় । সত্বগুণের 
বিকাশ বাতীত ইষ্ট দেব-দেবীর দর্শন লাভ কাহারও ভাগো ঘটিতে 
পারে না) ইহ পূর্বেও বলা হইযাছে। সত্বপ্তণান্বিত এক শ্রেণীর 
সাধক, স্তব-পূজা যাগ-বজ্ঞ কঠোর ব্রতান্ুষ্ঠান প্রভৃতি কন্ধকাণ্ডের সাধনা 
বা উপাসনাদ্ধারা ভগবঙ প্রাপ্তির জন্ত প্রলুন্ধ হন এবং এ অবস্থায় 
অতীন্দ্রিয় রাজোর কোনপ্রকার শক্তি, বিভূতি বা স্থময় অন্্ভূতি লাভ, 
"করিতে পারিলে কেহ কেহ মনে করেন যে, ইন্দ্রিযগণের সহযোগে 
এপ্রকার গুণময় কশ্মান্্ঠানদ্বারাই গুণাতীত ভগবানকে স্বন্ধপে লাভ 
করিতে সক্ষম হইবেন। এইরূপে ভগবত জ্যোতি: হঙ্গতন উৎসাহিত, 
এবং প্রলুক্ধ সাধকগণ কর্মরূপ অন্দ্ধারা ভগবানকে বলপূর্ববক আয়ত্ব 
করিতে গ্রয়ামী হন-_ইহারাই অস্থপহ দূর হইতে দর্শনকারী লোভযুক্ত- 
চওয়াতীয় সাধক 1 | 





সাধক-পর্য্যায় | ১১৭ 


 সবগাতবক্‌ দ্বিতীয় শ্রেণীর সাধক কার বাহ্‌ 'অহষ্ঠাম রর 
পরিভাগ করত; যোগাঙ্গ সাধনায় দেহের বৃতিগুলি সংঘমিত ওপ্রতাহত 
করিয়া এবং ইন্জিয়সমূহকে নিরোধ করত সমাধি আনয়ন করিবার 
প্রলোভনে মুগ্ধ হইয়া, নিরবলগ্ধ ধ্যানাদিদ্বারা চিত-ক্ষেরটা শুন্য 
করেন। এ প্রকারে জ্যোতিঃ দর্শনাদিদ্বারা উৎসাহিত হইয়া, একমধজ 
চিত্ত-নিরোধ বা আত্ম-নিবোধদ্বারাই পরমাত্বাকে স্বরূপে লাভ কবিবার 
জন্য কেহ কেহ প্রয়াস পান-_ইহারাই অন্ত্রত্াগী ভগবানের সমীপনথ 
মোহযুক্ত মুগুশ্রেণীর সাধক । 
লোভক্ষপী তেজস্বী চণ্ড সসৈন্তে দূর হইতে পর্বত-শুঙ্গে (দ্বিদলে ) 
দেবীকে দর্শন করিয়া নিয় দেশ (বিশুদ্ধ চক্র) হইতে অস্াদি স 
উদ্যত, বা! উৎসাহিত হইয়। দেবীকে ধরিবার জন্য অগ্রসর হইতে 
লাগিল। আর দেবীর মনোহারিণী সৌন্দর্ধা দেখিয়া মোহরূপী মুণ্ডের 
মুণ্ড (মস্তক ) বিঘু্রিত হইল । তখন সে ও তাহার অন্ুচরগণ অস্্ত্যাগ 
করিল (কেননা এ পরমা সুন্দরীর শরীরে তাহারা অস্ত্র নিক্ষেপ করিয়া 
ব্যথা দিতে পারিবে না!) বিশেষতঃ একটী অবলা স্ত্রীলোককে ধরিবার 
জন্া বাহুবলই যথে্ট--অন্য অস্ত্রের প্রয়োজন কি? এই মনে করিয়া 
তাহারা সত্বর অস্ত্রত্যাগ করত লোভ-সৈন্তের অগ্রে গমন করিতে 
'লাগিল-_ইহাই মস্্োক্তির তাৎপধ্য।-(9) 
ততঃ কোপঞ্চকারোচ্চৈরন্থিকা তাঁনরীন্‌ প্রতি । 
কোপেন চাস্তা বদনং মসীবর্ণমভূৎ তদা ॥৫ 
ভ্রকুটী কুটিলাৎ তস্তা ললাটফলকা দৃদ্রতম্‌। 
কালী করালবদনা বিনিষ্কান্তাসিপাশিনী ॥৬ 
সত্য বিবরণ। অনন্তর অধ্বিকা সেই শক্রগণের প্রতি অতাস্ত 
কুপিত৷ হইলেন; তৎকালে তাহার মুখমণ্ডল অত্যন্ত কোপহেত মসীবর্ণ 


রত 





১১৮ ২ রী ও ও. সাং রি 


( রুফবর্ণ) ) হইল ॥৫| তংঙ্ষবাৎ ভ্রকুটকুঞ্চিত তদীয় ললাটদেশ হইতে 
শাশখড়াধারিণী করালবদনা কালী বিনি:স্ৃতা হইলেন ॥৬ 

তত্ব-্থধা। লোভ-মোহের আম্পর্ধা দেখিয়া জগন্মাতা অন্থিকা! 
কোপ করিলে, তাহার মুখমণ্ডল কৃষ্ণবর্ণ হইল। সাধারণতঃ কেহ কুদ্ধ 
হইলে তাহার মুখমণ্ডল রক্তিম হয়; কিন্তু মায়ের কোপ প্রলয়ঙ্করী, 
এজন্য তামসীভাবাপিন্না; বিশেষতঃ এ কোপ সর্ধগ্রাসিনী করালবদনা 
তমোগুশমরী কালিকার আবিভাবের পূর্ব স্চনাজ্ঞাপক 1 তাই মায়ের 
মুখমণ্ডল রুষ্কবর্ণ। | প্রলয়-বঞ্ধাবাতের পূর্বক্ষণে আকাশ যেমন স্থির ও 
কুষ্ণবর্ণ কূপ ধারণ করে, সেইরূপ মায়ের মুখমণ্ডলও প্রলয়ের পূর্বাভা্ 
চন] করিতেছে । 

দ্বিদলস্থা অন্বিকা মায়ের কোপপুর্ণা ভ্রকুটীদ্বারা কুটিল বা সঙ্কুচিত 
ললাটদেশ বা ত্রমধা,হইতে প্রলয়রূপিণী সর্ববিলয়কারিণী করালবদনী 
কালিকার আবির্ভাব হইল! অর্থাৎ কুলকুগ্ডলিনী অন্বিকা মায়ের 
ললাটব্ূপ কারণময় দ্বিদল হইতে, তামসী প্রলয়ঙ্করী কালিকামুগ্তিতে 
প্রকট হইলেন। ললাট-দেশই দ্বিদল-চক্রের অধিষ্ঠানক্ষেত্র; ইহা 
প্রাণ (সুক্ষ) ও মন লয়ে স্থান। ললাটদেশে অবস্থিত দ্বিদল-চক্রে 
'অধিষ্ঠিতা অঙ্থিকামায়ের কারণময় ললাট-দেশ হইতে লয়মৃত্তি কালিকার 
আবির্ভাব, যুক্তিযুক্ত স্বাভাবিক 'এবং অতি স্থশোভন। বিশেষতঃ 
মন্ত্রো্ত “ললাটফলকাং” উক্তিদ্বারা কালিকার আবির্ভাব স্থান যে 
ছিদলচক্র, ইহ! সর্বববাদীসম্মতরূপে এবং নিঃসংশয়ে প্রমা্ি * হইল। 

মা যখন স্বয়ং রিপুদলনী ক্রোধমরী করালবদদনা মৃত্তি ধারণ 
করিয়াছেন, তখন-ভক্ত সম্তানের আর চিন্তা কি? আমরা পরমাত্মময়ী 
মাতৃ-চরণে শরণাগত না হইয়া, নিজেরাই বাহাছুরী দেখাইতে চাই, 
তাই সাধনাতে এত বিদ্ব আসে; কিন্তু মাতৃপদাশ্রিত “মহাত্মা' বা ধশ্মাত্মা 


আত্ম-সমর্ণণ.. ২8০4 





সিংহের তায়, যখন মাধক বিশুদ্ধ হইয়া ধর্ম-কণ্ম একমাত্র ইঞ্টদেব- নবীর 
পরীতার্থে সম্পন্ন করিয়া শরণাগত হন, তখন মাতৃপদলগ্নবৎ আত্ম-সমর্পণ- 
দ্বারা সাধকের শান্তিময় নিশ্চিন্ত অবস্থা আসে অর্থাৎ যাহা করিতে ৷ 
হয় মা-ই করিবেন আমার আর ভাবনা কি? আমি শুধু মায়ের দিকে 


পক্পাল্পাপিশ পাশপাশি পিপিপি শিপ শা শিপিশিশাশ্িশীীপটিিটিশ 


লক্ষা রাখিয়া কর্তব্য সাধন করিয়া যাইব--ভাল-মন্দ স্ৃখ-ছুঃখ জয়- 
পরাজয় যাহ! কিছু মায়ের; সাধকের এবইিধ দৃঢ় গ্রতীতি জন্মে! 
তখন ভক্ত সাধক এইরূপে প্রেমভ্তিমুন্বক শরণাগতিছ্ারা বিশ্বরূপিণী 
মাকে বা আত্ম-ন্বরূপ আমাকে (অর্থা২ আমাকে বা এশ্ব্য ও 
বিশ্বয়ক্ূপা মাকে ) দর্শন করেন! তখন মা তামসী কালিকামু্তিতে 
ভাক্তের কারণময় চিত্তক্ষেত্রে বা দ্বিদলে, আবিভূর্তা হইয়! বীজাংশে 
অবস্থিত কারণমর আন্তরিক ভাবসমৃহ স্বয়ং গ্রাস বা বিলয় করেনু ॥, 
চণ্তী-সাধক তখন সাক্ষীরূপে নিজ জীবনে মাতৃকুপারূপ মেই গ্রলয় ব1 
বিলয়-লীল! প্রত্তক্ষ করিয়া, আনন্দে আত্মহার| হন ।__ইহাই মুস্তোন্কির 
ভাব ও তাহপধা। 

কালী-__“কলয়তি ভঙ্ষয়তি সংহরয়তি বা সর্বমেতং, প্রলয়কালে 
ইতি”--যিনি প্রলয়কালে বিশ্ব্রক্ষাণ্ডের সমন্তকে সংহরণ বা গ্রাস করেন, 
তিনিই কালী; কিন্বা 'কালঘনতি প্রেরয়তি কন্মণি সক্রিয়; করোতি ইতি 
কালী” বা কাল; অর্থাৎ যিনি সর্ববিধ কর্মে প্রেরণাদান বা সর্বববস্তকে 
ক্রিয়াশীল করেন তিনিই কালী বা কাল। ্টি- স্থিতি-লযাত্মক র্বাবিধ 





পিপিপি, ০০০৮৯ দপপশাপপীপিশীপিিশিিশপাকপী পপ পিপিপি 





ঈবাহা- টিতে প্রস্তরই র্কাপেক্ষা অধিক জড়ত্বের অববোধক; 
কিন্তু সামান্য বিচার করিয়া! দেখিলে দেখা যাইবে যে, উহাও গতিময় বা 
কর্খ্য়! কেননা স্ধ্যতাপে প্রস্তর অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়_উহার অভ্যন্তরে 
তাপজনিত গতিময় ক্রিয়াদ্বারাই উহার ' উত্তাপ ক্রমে বৃদ্ধি পায়; আবার 


১ লক আব পীতউতজগন গেজেট এ ব্ার্ত উপল কাছা সঃক্বিজ তইয়! 


১২০ | শ্রীশ্রীচত্রী-তত্ব ও সাধন-র হস্ত 


কার্ষো কর্থশির অভিবাক্তি। তবে বিলয়-কার্ষো ক্রিয়াশীলতার মাত্রা 
সর্বাপেক্ষা অধিক; এজন্য বিলয়শক্তিরূপা কালী 'ভীষণাদপিভীষণা” ! 
বিশ্ব-্রদ্মাণ্ডের অন্তর্্বাহা চর অচর সমস্তই শক্তিময় বা কর্ম্ময়--এজন্য 
। ম্হাশক্তিরূপিণী হাকালীর, . বীজ ক্রীং__উহা কর্মবীজণ* অর্থাৎ 
সরববতোদুখী কর্ধের গ্যোতক্‌। শক্তি সততই কর্ধশীগা__তহার বিশ্রাম 
নাই, বিরাম নাই এবং হ্রাস-বৃদ্ধিও নাই, এজন্য কর্ধরূপিণী মা চিরযৌবনা 
এবং যোড়শীরূপা। তাই সাধক গাহিয়াছেন_“বর্ণারূপা! মাতা আমার 
কর্ধে দিন বঞ্চে। অকর্থা জনক আমার সপ্ততম মঞ্চে।” মীমাংসক 


্রস্তরটী সুশীতল হইয়! যায়!_স্থৃতরাং এই নিয়মে বিচার করিলে 
দেখা যাইবে যে, জীব-জগতের সর্ববস্তুই কম্মময় ও গতিময় । বিশেষতঃ 
শকট আরোহীর শরীরে যেরূপ তাহার অলক্ষিতে বিশিষ্ট গতির ক্রিয়া 
হইতে থাকে এবং হঠাৎ শকটেব্‌ গতি বন্ধ করিলে, আরোহী সম্মুখে 
ঝুলিয়া পড়ে; সেইরূপ পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করিয়া আহিক ও বাক 
দ্বিবিধ গতিতে ঘুরিতেছে, সবতরাং উপরোক্ত শকটের নিয়মে প্রতোক 
বন্ততেই গতি ও শক্তি ক্রিয়াশীল । 

. ধযেমন মহাশক্তিরূপিণী কর্মময়ী কালীর মহাবীজ-_ক্রীং, সেইরূপ 
আরও চারিটা মহাবীজ জীব-জগতে সতত মঙ্গলকারী। দুর্গতিনাশিনী 
মহামায়া ভগবতী দুর্গা, সর্ব-দুঃখহরা এবং ভক্তের জন্য আত্মহারা, 
তাই তাহার মহরীজ-হ্রীং সর্বরসাধার কোমলতা পরিপর্ণ ভগবান 
শ্রীকষ্ণ, প্রেম-ভক্তির মাধূর্ধামপ্ডিত প্রতিমৃদ্তি, তাই তাহার মভাবীজ-_ 
ক্রীং। জীব-জগতের সৌন্রাগা-বিধারিনী সমস্ত সম্পদ বা ধশ্বধোর 
'অবীশ্বরী লক্ষমীদেবীর মহাবীজ-শ্রীং!--বিশেষতঃ শ্রমদ্থার ই প্ররূপিণী 
সৌভাগা-লক্্মী প্রস্না হইয়া থাকেন) তাই নীন্িশাস্ত্রেত আছে__ 
. িছ্োগিনং পুরুষসিং হমুপৈতি লক্মীঃ”। আর পরম মক্গগুবিধানকারী 
'সর্বতত্বময় জ্ঞান-বীজ বা গুরু-মহাবীজ এং__সর্ববীজ্গের মধামনিস্বরপ ! 
কেননা গুরুকৃপাদ্ারাই ইঠ্টদর্শন বা তত্রজ্ঞান লাভ হইয়! থাকে । 


কালের স্বরূপ | [১২১ 


র্শনও কর্ণের অপ্রতিহত ও অসীম প্রভাব দর্শনে কর্্মকেই ভগবান 
বলিয়াছেন এবং কালকেও কর্ধশক্কিরূপে গন্ত করিয়া বলিয়াছেন__ 
“রিয়ৈব কাল:*__অর্থাৎ কালও কর্শময়। এই কালাতীত পুরুষই 
নিরগনম্বরপ মহাকাল এবং তৎশক্তি-_মহাকা'লী ! সকল বর্ণ বা! রঙ 
একত্রে মিলিত হইলে কালরূপ ধারণ করে, এজন্য কারণময়ী তামসী- 
যৃদ্ঠি কষ্ণবর্ণা। আবার মায়ের অনন্ত জ্যোতিঃ পাধিব চক্ষধারা দর্শন 
করা যায় না এবং অনন্ত রূপও পাথিব মনবুদ্ধিদ্বারা' ধারণ করা সম্ভবপর 
'নহে--এজন্য চামুণ্ডা 'মা কালবরণী । 
প্রলয়স্করী কালী প্রলয়-কর্মে সমুগ্তা ; তাই তাহার হস্তে অসি এবং 
পাশ শোভা 'পাইতেছে। অসি অজ্ঞানতা বা অনাত্ব-ভাব নাশক 
বা ছেদক জ্ঞান; পাশ-্বন্ধন ও আকধণকারী রজ্জু। এ বিষয়ে 
পূর্বেও ব্যাখ। করা হইয়াছে ; তথাপি যুদ্ধলীল! বর্ণনে অস্তরব্যাধ্যার 
পুনরুক্তি করা, কোন কোন সময়ে আবশ্যক হইরা থাকে 1-(61৬) 
বিচিত্রখটাঙ্গধরা নরমালাবিভূষণা। 
দ্বীপিচম্মপরীধানা শুষ্ষমাংসাতিভৈরবা ॥ ৭ 
অতিবিস্তারবদনা জিহবাললনভীষণ! | 
নিমগ্লারক্তনয়না নাদাপূরিতদিউ মুখা ॥ ৮ 
স| বেগেনাভিপতিতা ঘাতযুন্তী মহান্ুরান্‌। 
. সৈন্তে তত্র স্থুরারীণামভক্ষয়ত তদ্বলম্‌ ॥ ৯ 
সত্য বিবরণ। [সেইকালী ] বিচিত্র খটাক্ধারিণী, নৃমুণড-মাঁলা 
বিভূষিতা, ব্যাপ্রচম্ম পরিহিতা বিশু-দেহা ( অস্থিন্ম সারা) এবং অস্তি 
ভয়ঙ্কর ॥৭॥ তাহার বদন-বিবর অতি বিস্তৃত, জিহ্বা সঞ্চালন হেতু 
ভীষণ-দর্শনা, নয়ন কোটর প্রবিষ্ট [ কিছ্বা অত্যন্ত গম্ভীর ] এবং আরক্ত ; 


১২২ রীত্রীী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


. জীহার' গ্ছনে দিও গল পূর্ণ 19 তিনি সবেগে সেই যহানরগণকে 
সিহত করিতে করিতে অনথর সৈ্গণ মধো আপতিত : বেন « এবং 
| লই সৈন্য ভঙ্গণ করিতে লাগিলেনৰ৯ | 

. তত্-্থৃধা ।: খটঙ্ষ--লৌহময় বন্তুলয ির্কর অন্তর 
বিশেষ। প্রলয়রূপিণী ম! যাহাকে বিলয় বা বিনষ্ট করিতে ইচ্ছা করেন, 
তাহাকে খটাঙ্গদবারা আঘাত করত একেবারে চূর্ণ-বিচৃর্ণ করিয়া ফেলেন! 
অর্থাৎ ব্াঘাত বা৷ বস্রপান্তদ্ধার৷ তন্মে পরিণতির ন্তায় ধূলিসাৎ করিয়া 
তাহাকে অনস্তে বিলীন করেন। নরমালা বিভূষণা_-এই নৃমুগ্ড 
মালার বন্ুপ্রকার ব্যাথ্যা ও রহস্য আছে, যথা_-(১) মহাশ্সিপিণী 
কালিকাকে '্ধাপ-ভাণ্ডোদরী? ধলা হর; থা যেন অনপ্ত কোটা 
্র্মাও মালারূপে গ্রথিত করিয়! তীহার মহাকারণময় মহত বা বিরাট 
'দৈ্হ ধারণ করিয়াছেন; স্কৃতরাৎ পঞ্চাশ মুগ্ডমালা অনন্ত ব্রদ্মাণ্ডের 
প্রতীক । (২) - ইহা পঞ্চাশং ব। একপঞ্চাশৎ বর্ণমালারও গ্মোতক। 
জগত বাউমপ্র বা শব্দম্র। এ শব্দ সমষ্টিই বিভক্ত হইয়| বর্ণমালার 
আকারে আকারিত বা রূপান্তরিত হইয়া ভাষা ও ভাব স্ষ্টির মূল 
কারণম্বরূপ হইয়াছে । যাবতীয় শান অশান্ত মস্তই বর্ণমালার সাহাষো 
অভিবাক্ত তঠরাচে ; বিশেষতঃ বর্ণমালীসধৃহ মাতৃকা বর্ণরূপে, ন্তাস- 
মন্তরূপে কা স্বাজিরপিণা মারের অঙ্গরূপে * পৃ্িত হয়া থাকে। 








পাপী লি, ০০ ০৮০০ ০ এলি 1-০৭৯৯৪০৪। এ 


* তন্বশাস্থমতে কোন অক্ষরদ্বারা ভগন্াভার কোন অঙ্গ পৃদি লতি ত 

চতাহা এখানে উল্লেখ করা তইল। অ হইতে অং অঃ পধ্যন্ত টা 
স্বরবর্ণ, পর পর নিক্োক্ত যোলটা মাত অর্শের প্রতীক, যথা--শির, মুখ, 
দক্ষিণ নেত্র, বামনেত্র, দঃ ক ;দঃস দক্ষিণ, বাঃস্ বাম এরূপ পাঠ, করিতে 
হইবে] বাঃ কর্ণ, দঃ নাসাপুট, বাঃ নাসাপুট, দঃ কপোল, আঃ কপোল, 
উপর ওষ্ঠ, নীচ ওষ্ঠ, উপরদস্ত পও্ক্তি নীচ দন্ত পঙ.ক্তি, তালু এবং জিহ্বা । 
এইরূপে ক হইতে হ পর্যন্ত তেত্রিশটা ্যঞ্নন বর্ণ, যথাক্রমে--দঃ বাহুমূল, 





চি দা 





টিনা এবং দশ  মংখাক্‌ আরবী ইদাগ নেন বিদ্যা 
অকারাদি ষোড়শ স্বরবর্ণ যথাক্রমে ধোণ্ডুশ মৌযকলার সহিত ্মিলিত- 
ক হইতে ম পর্যন্ত পঞ্চবিংশতি স্পর্শ বর্ণ, বাংক্রমে দ্বাদশ সুধ্যকলার,. 
সহিত মিলিত [ কভ, খব, গফ, (এই ভাবে )]) আর য হইতে ক্ষ: 
পর্যন্ত [ অন্ুনাসিক ও নিরন্থুনাগিক ভেদে দুইটী ল সহ) দশটা ব্যাপক্‌ 
বর্ণ; ইহারা অগ্নির দশ কলার সহিত সংযুক্ত! স্বৃতরাং এইসকল 
তত্বসমন্থিত বর্ণমাল| ও কলা সমষ্টিই মায়ের গলে নৃমুণ্তমাঙ্গম্মব্ূপ ! 
যোড়শ সোমকলার নাম কামকলা-ততত্র বর্ণনাতে বগ্রিত হইয়াছে। 
এখানে স্ুয্যকলা এবং অগ্নিকলা সমূহের নাম উল্লেখ কর] হইল। 
সুর্য্যের ঘাদশ কলা, যথা--তপিনী তাপিনী ধৃত্রা মরীচি জলিনী কুচি 
ুযুস্না ভোগদ| বিগ! বোধিনী ধারিণী এবং ক্ষমা। আগ্মির দশ কলা- 
ধূমাচ্চি উদ্মা জলিনী জালিনী বিস্ফুলিঙ্গি সুশ্রী স্থুরূপা কপিলা হব্যবাহনা 
এবং কব্যবাহন]। 

মা দীপি, বা ব্াঘ্বচন্ম পরিধান করিয়াছেন-_-ইহা অনন্তের 
ভাবব্কৃ। যেমল নছুইচী বালুকা কণা, কিনা দুইটা চুল একরকমের 


পেপে পাপশাপপপপা শি পসিনপপাপিপশনশী পপ াপাপাপপপি পিস গিপপপপাপাপশপাপ পন পা পপ পশিপাাশিশি 





দঃ ব বাছকু্পর, ৭ দঃ বাহ মনিবন্ধ, দঃ বাহু অঙ্গুলীমূল, দঃ বাহু অঙ্ুলী অগ্র, 
বাঃ বাছুমূল, বাঃ বাহুকুর্পর, বাঃ বাহুমশিবন্ধ, বাঃ বাহু অঙ্গুলীমূল, 
বাঃ রাহু অন্গুলী অগ্র, দঃ জজ্ঘা, দঃ জান্, দঃ গুল্ফ, দঃ পাদাঙ্গুলীমূল, 
দঃ পাদান্তুলী অগ্র, বাঃ জজ্ঘা, বাঃ জানু, বাঃ গুল্ক, বাঃ পাদাঙ্গুলীমূল, 
বাঃ পাদাঙ্গুলী অগ্র, দঃ কুক্ষি, বাঃ কুক্ষি, পৃষ্ঠ, নাভি, জঠর, হৃদয়, দঃ স্বদ্ধ,. 
কুকুদ, বাঃ স্বন্ধ, হৃদয়াদি দঃ কর, হদয়াদি বাম কর, হদরাদি দঃ পারদ, - 
হদয়াদি বাঃ পাদ। (অর্দ) ল্-নাভ্যাদি হৃদয়াস্ত [হ এবং ক্ষ মধ্যে ল্‌ 
গুপ্তভাবে আছে ] ক্ষ-হাদয়াদি ভ্রমধ্য। স্তরাং স্বরবর্ণ ১৬৭ ব্যইন বা. 
মিশ্রবর্ণ ৩৫৫১ বর্ণমাল]। 


হয় না, সেইর়প বিচিত্রূপে চিত্রিত বাচর্স্থিত বিভিন্ন রকমের টু 
নাগ বা ফোটাগুলিরও কোনটার সহিত কোনটার মিল হইবে না; 
শত শত ব্যাপ্র-চর্শ মিলাইয়া দেখিলেও, যে কোন দুইটার দাগ বা 
“ফোটার মধো সাদৃশ্ঠ পাওয়া যাইবে না। বৈসাদৃশ্য থাকিবেই থাকিবে ! 
এজন্য উহা অনন্তের গ্রতীক্‌ ! তাই দেবাদিদেব মহাদেবের পরিধানেও 
ব্যাপ্র-চর্ধ স্থবশোভিত। কালিকাদেবীর শরীর অতিকুশ ও বিশুধ্-_-ইহা' 
ছুতিক্ষ-পীড়িত বুভূক্ষুর ন্যায় সর্বগ্রাসী ক্ষুধাময়ী মুট্তি। রাজপুতনার 
এতিহাঁসিক প্রাচীন বিবরণে দেখা যায় যে, একস্থানে দুভিক্ষের 
অধিষ্ঠাত্রী করালিনী দেবী দৈববাণী করিয়াছিলেন_ “ম্যায় ভুখা হু”) 
অর্থাৎ “আমি ক্ষুধাতে অত্যন্ত কাতর-__খেতে দাও”, ইহাই এই উক্তির 
ভাবার্থ। এখানেও মায়ের সর্বগ্রাসী ক্ষুধাময়ী বিশু মুত্তি। [লৌকিক 
ভাঁবেও দেখা যায় যে, সামান্য ক্ষুধাতেও মুখ শুকাইয়া যায়] অতি 
বিস্তার বদনা_কালের করাল বদনের ক্রিয়াশীলতা! বিশ্ব-ব্র্গাণ্ডের 
স্থল সুক্ষ কারণে সর্বত্র অভিবান্ত ; রৌদ্রী মায়ের দয়ামায়াশূন্য ধবংসলীলা 
সর্ধন্ত্ ব্যাপকৃ; তাই মাকে অতি বিস্তারবদনা বল! হইয়াছে !-- গীতার 
ভাষায় তিনি-“সর্বতোহক্ষি শিরোমুখম্‌ * সর্ববমাবৃত্য তিষ্ঠতি” অর্থাৎ 


তিনি সর্বতশ্চ্ষু, সর্বত্রই তাহার মস্তক ও মুখমণ্ডল বিদ্যমান তিনি 
সকলকেই আবৃত করিয়া বিরাজ করিতেছেন । 


জিহ্বাললন ভীষণা-_সর্ধবিধ রসাস্বাদন রসনাছ্ারাই গৃহীত হইয়া! 
কাকে; রসই আনন্দ । জিহ্বাসঞ্চালন চৈতন্থের গ্যোতক্‌। চিন্ময় রসনা 
সঞ্চালনদ্বারা ম। বিশ্বের পরিছিন্ন সর্বববিধ আনন্দ-রস শ্বরং আস্বাদন করিয়া 
পরিতৃপ্ত হইতেছেন !_স্থ্টিতেও মায়ের আনন্দ, পালনে, 'আনন্দ, 
আবার ধ্বংসলীলাতেও তাহার আনন্দের অভিবান্তি "তাই বিলয়- 
জনিত আনন্দ ভোগকে মন্ত্রে জিহবাললনা ও ভীষণা বলা হইয়াছে। 


রক্ত নয়ন: চি | ১২৫ 
[ জাগতিক ভাবে ক্ষুধার্ত পশু লোভনীয় ভঙ্ষ্যবস্র সমীপস্থ হইলে, 
তাহাদের রসনায় রসের আবিতাব হয় এবং জিহ্বা! বিলঙ্গিত করিয়া ' 
তাহার! মুখমগ্ডল চাটিতে থাকে-_সংস্কৃত উপকথার ভাষায় উহা 
_-স্্কণীপরিলেলিহং” ]। এততদ্যাতীত উলু-ধ্বনিও জিহবাললন-সম্ভৃত।- 
নিমগ্লারক্নয়না _কোপময়ী কাণিকার চক্ষু রক্তবর্ণা। রক্তই জীবের 
জীবনী-শক্তি; সৃতরাং রক্ত-_শক্তির ছ্যোতকৃ; স্থতরাঁং ধ্বংসলীলাতে- 
সর্বাপেক্ষা অধিক শক্তি প্রয়োগ হওয়ায়, মায়ের চক্ষু জবাফুলের ন্যায় 
অরুণ বর্শ। এতংব/তীত ক্রোধে রজোগুশের অভিব্যক্তি হয়; সুতরাং, 
ক্রোধময়ী মায়ের চক্ষুও রক্তবর্ণ। মায়ের নয়ন নিমগ্রা ইহানত। 
দুইটী ভাব আছে, যথাঁ_-(১] অত্যন্ত গম্ভীর নয়না; (২) নয়ন কোটর-. 
প্রবিষ্টা। জাগতিক নিয়মে প্রলয়ের পূর্ববাবস্থাতে প্ররুতি অতি গম্ভীর 
ভাব ধারণ করেন, স্ৃতরাং প্রলয় বা ধ্বংসের পূর্ব মুহূর্তে মায়ের নয়নে * 
গভীর ভাখ অভিব্যক্ত । চক্ষুই মানবের নিজ নিজ চরিত্রের দর্পণন্বরূপ 
_ দেহে যখন যেরূপ ভাব প্রবল হর, উহা চক্ষুতেই প্রতিবিদ্গিত হয় । 
এতদ্ব্যতীত সরলতা, কুটালত|, কিবা প্রেমপ্রবণতা প্রতি ভাবও চক্ষুতে 
বিশেষভাবে প্রকাঁশ পায়। তাই দৌোহাতে আছে-যোগী ভোগী 
রোগীকা জান, আখমে নিশান আখথমে পশান্”। মায়ের নয়ন. 
কোটরাগতা- ইহাতে ত্রিবিধ ভাব আছে--(১) প্রাকৃতিক নিয়মে 
স্বেচ্ছায় মা ধ্বংস বা! প্রলয়লীল1 সম্পাদন করেন? তথাপি স্ৃষ্টবস্ত মাত্রই 
মায়ের সম্তানতুলা ! স্থতরাং ধ্বংসলীলাজনিত রস মা অন্তর্ম,থীভাবে 
ভোগ করিয়া থাকেন; কিন্তু বাহিক উতফুল্প দৃষ্টিতে উহা! দর্শন করিতে 
সঙ্কুচিত হন! কেননা তিনি যে মা--জগজ্জননী, সর্ধবকারণের . 


কারণরূপা ! তাই সন্তানের ধ্বংসলীলাতে মায়ের চক্ষু -কোটরগণ্তা [- 
অর্থাৎ দর্শন অন্তর্মখী। (২) প্রলয়রূপিণী মা বহিষ্ম,থী প্রকাশ.ভাব 





এ টি 
একা? 


পান, সংহরণ করিতে থাকেন-_গমস্ত পদার্থেরই বীজাংশ বা কারণাংশ 
আকর্ষণ পূর্বক উহাদের বহিঃপ্রকাশ স্তত্তিত করিয়া অস্তর্ম,খী করেন 
_-তাই তীহারও প্রকাশময় নয়ন কোটবগতা। (৩) গ্রলয়রূপিণী মা 
. জ্ঞান-বৃদা রাড । ভোগের শেষে প্রতোেক বস্তুর প্রলয় অনিবার্ধয রর 
তাই প্রলয়ন্করী মা বিশুর্ব-মাংসা এবং তাহার চক্ষুও বুদ্ধের ম্যার 
কোটরগত]। 
নাদাপূরিত দিউমুখা-মার়ের নাদময় একার ব! প্রণবধ্বনি এবং 
প্রলয়কারী গঞ্জনদ্বার! দিউমগুল প্রপূরিত ও প্রতিষ্বনিত। বড্ভাঘাতের 
ধ্বংসলীলাতেও কর্ণবধিরকারী বিকট গঞ্জন অভিব্যক্ত হয়। 
সাধকপক্ষে প্রনব জপাদিদ্বার। যখন দেভ-মগ্ুলে বিভিন্ন পাদের 
অভিব্যক্তি হর, তখন আস্থরিক ভাব সমূহের গ্রলয় ফুচন! করে। 
* * বিশেষ দ্রষ্টব্-_ মায়ের রূপ ব্নার সভিত মাবকের আধ্যাতিক 
ভাব বিজড়িত আছে, অতি সংক্ষেপে তাহ! প্রদশিত হইল, যথা 
_মরমালা'বিভূষণা-মানব-দেহে বটুপন্সেরও মোট পঞ্চাশটী দল 
আছে চতুদ্দল+%ষড় দল দশ দল+-দ্বাদশ দল+ ষোড়শ দল+ছিদল 
-মোট পঞ্চাশ দল ] এই পঞ্চাশ দলে পঞ্চাশটা বর্ণ মালাও কুগ্রথিত । 
হৃতরাং মুণ্ডযালাতত্বে যাহা বধিত হইয়াছে, সমস্ত এই ভূষণরূপ 
নর-মালাতে বিদ্যমান । সাধকের অন্তর্বাহ্ে সর্বত্র গ্ররুতিরপিণী মায়ের 
অনস্তভাব ও লীলাদর্শন এবং অনুভব করাই-_দ্বীপিচন্্ম পরিধান । 
যতদিন পধ্যন্ত আধ্যাত্মিক ভাবে সমুন্নত ব| স্থপ্রতিষ্টিত না হওয়া যায়, 
যতদিন পর্যন্ত চিরবিরহী জীবের ভগবৎ দর্শন বা পরমাতভাব লব্দি না 
হয়, ততদিন সাধকের আধ্যাত্মিক ভাব বিশ্ুষ্ক ও বিরহযুক্ত, নিজ্জীব বা 
প্রাণহীন থাকে-_উহাই . মন্ত্রোক্ত শুমাংসা। কিছ্ারবদনী-_ 
আমিত্বের সঙ্ধীর্ণ ভাবকে বিশুদ্ধ করিয়া বিশ্বময় প্রসারিত করাই 


৯২৬. ৃ | রি ্রী্ীতী-তব ও সাধন-হস 





1118 - ্ . ০ 
25 ৮1873 
র 1 রি উল 8 1 
ঠ শপ? তি আন 8 রা 
8:..7.7777 এশার রা রা 


অর্ধ ৎ ্ানদাউই-বান বস্তার । সমস্ত তর রমাস্বাদনের ৰা 
পরিছিন্ন আনন্দ ভোগের মূলে সর্বরসের. প্রাণ্বরূপ চিন যাকে বা 
চিত্তি শক্তিকে উপলব্ধি করিতে হইবে-ইহাই জিহ্বা-ললন | 
আধ্যাত্মিক জগতে শক্তিলাভ করত উহাতে উচ্ছবদিত বা উল্লসিত 
না হইয়া গম্ভীরভাবে আত্মগোপন করাই “নিমগ্রারক হওয়া! 
ইহাই মন্্োক্তি সমুহের গুঢ রহস্য ও তাৎপথা !! 

এক্ষণে পরিপূর্ণভাবে বিশ্ুদ্ধচক্রের গ্রগরলীলা আরম্ভ হইল, তাই 
কুলকু গুপিনীরূপা কাণিকা দ্বিদল-পন্প হইতে, বিশুদ্ধপন্স্থিত শৃঙ্গাভিমুখী 
আর্ডিগানকারী চণ্তমুণ্ড এবং তদীর সৈম্তগনের মধ্যে অতি বেগে 
নিপতিত হইলেন, পতনবেগে বনু দৈহ্য নষ্ট হইল এবং তিনি অস্থুর- 
সৈম্ভগণকে নিজ কারণময় দেহে বিলয় করিতে লাগিলেন। দ্বিদল-পন্ে 
দেবান্থরভাবনমূহের কষ্টি গু স্থিতি এবং বিশুদ্ব-চক্রে তাহাদের বিলঘূরপ* 
যে যোগ-বিলাম যোগেশবরী কুলকু গুলিনী মা যুগপৎ সম্পন্ন 
করিতেছেন, তাহা মন্ত্রে অভিপতিভ” উভিদ্বার! প্রমাণিত হইল। 
কেননা বেগে পতন নমতল স্থানে হর না, উচ্চস্থান হইতেই হইয়া 
থাকে । পূর্বমন্ত্রে মাকে করালবদনা বল। হইয়াছে--সেই করাল 
বদনের ক্রিয়াশীল অন্থর-ভঙ্ষণদ্ধার| এখানে বিশেষভাবে পরিবাক্ত 
ভইয়াছে। কিরালবদনা” উক্তিতে গ্রলগ়ের ' বিশিষ্ট ক্রিয়াশীলতার 
অভিব্যক্তি এবং উহ! চৈতন্টভাবের গ্যোতক্‌$ কেননা মায়ের ত্রিনয়নে 
ন্্র সূর্য্য অগ্রি প্রদীপ, জিহ্ব1] লকৃলক লেলিহান্‌ অর্থাং সঞ্চালনযুক্ত 
( চৈতন্ভাবাপন্ন ), মুখে অষ্টট্ট গ্রলয়কারী হাস্ত এবং ভৈরব-গঞ্জন !- 
এইসমন্ত চৈতন্রময় ক্রিয়াশীলত! বা কর্খময় ভাবই মায়ের বদন-মগ্ডুলে 
বিশেষক্ূপে অভিব্যক্ত 1--এজন্যও মা করালবদনা 1-(৭-৯) 





১২৮ ্রীত্ীচততী-ত ও সাধন-রইস্ত- 


নিরব | 

_ সমাদায়ৈকহস্তেন মুখে চিক্ষেপ বারণান্‌ ॥১০ 

তখৈব যোধং তুরগৈ রথং সারথিন। সহ । 

 নিক্ষিপ্য বক্তে, দশনৈশ্চব্ধযত্যতিভৈরবম্‌ ॥১১ 

সত্য বিবরণ । [তিনি] পার্শবরক্ষক, অঙ্কুশধারী মহামাত্র 
(মাহুত ), গজারোহী যোদ্ধা এবং ঘণ্টাসমস্বিত গজসমূহকে একহস্তে 
গ্রহণ করিয়া মুখমগ্ুলে নিক্ষেপ করিতে লাগিলেন ॥১০॥ সেইরূপে 
[ একহস্তে ] অশ্বসহ 'অশ্বারোহীকে এবং সারথিলহ রথকে বদনমধ্যে 
নিক্ষেপ করিয়া দন্তদ্ধারা অতি ভয়ঙ্কররূপে চর্ববণ করিতে লাগিলেন ॥১১ 

তত্ব-সুধা। প্রথম শ্লোকে বল! হইয়াছে যে লোভ-মোহবগী 
চগু-মুণ্ড চতুরঙ্গ বল, অর্থাৎ গজ, অশ্ব, রথ ও পদাতি সৈন্যসহ যুদ্ধযাত্রা। 
'করিয়াছিল। এই গ্লোকদয়ে প্রধান তিনটী বলের বিলয় সুচিত হইয়াছে । 
গজসমূহ--অহংকারের কারণময় অন্ুভাবসমূহ ; উহাদের পরিচালক 
ভ্রান্তি, পার্শবরক্ষক বা সহায়ক ভেদপ্রতীতি, আরোহীগণ সত্ব- 
গুণাত্মক লোভের অন্ভাবসমৃহ ; আর ঘণ্টা--অহংরূপী গজের 
ভ্রান্তিপথে গমনের প্রতি পদে পদে জয়ধ্বনি বাঁ মোসাহেবী 
(চাটুকারিতা )। অশ্ব_মন; স্বতরাং অশ্বারোহী অঙ্বপ্প-বিকল্পাত্মক্‌ : 


চাঞ্চল্ের অন্থভাবসমৃহ | রথ-চিত্ত; সুতরাং রথারোহীগণ প্রাক্তন ও 
ইহলৌকিক অনন্ত কম্ম-সংস্কার বা কর্মবীজ। 


* শরণাগত সাধকের শৃন্তময় বিশুদ্ধ-চক্রে (আকাশ-তত্বে) কুল- 
কুগুলিনী মা সংহারিণী মুক্তিতে আবিভূতী। হইরা__আকাশতবেজাত 
উপরোক্ত আন্তরিক বলপমূহ আকর্ষণপূর্বক নিজ কারণমদ়্ তহতে 
উহবাদ্িগকে বিলীন করিতে লাগিলেন__ইহাই মস্তোক্তির তাৎপর্য । 

মায়ের এবখিধ প্রলয়কার্ধ্য এম্বরিক বহিরক্গভাব, কিছ ভগব 





4 ১ 
নি ৭৭ 5 
তন 1. 


্ 1" পা 2 
নি এ ৩১ । ! 


ধ/র 


স্বকীয় বিরাট ত্গতে প্রদর্শন করাইয়াছিলেন। তখন ভগবৎ কৃপাপ্রাপ্ত 
অঙ্জুন বিবিধ এই্বধ্যময় রূপ দর্শন করিয়া স্তস্তিত ও আনন্দে পুলকিত 


হইয়া পুনঃ পুনঃ ভগবানকে প্রণাম করিয়াছিলেন । কালের ধ্বংসলীলা 


দর্শনে ভীত অঞ্জন বলিয়াছিলেন_-“যেমন নদী-প্রবাহ সাগরাভিমুখে 
অতি বেগে প্রবাহিত হ্য়, সেইরূপ পৃথিবীর বীর-শ্রে্ঠগণ তোমার 


ও রা ৬ ১ 
$ 
৮ 


একটা রূপময় উগ্রলীল! বিলাসস্বরূপ ! ভক্ত অঞ্দুন ভগবানের | 
এশ্বরিক খশ্ব্ধ্য দর্শন করিতে ইচ্ছা! করিলে, ভগবান রূপা পরবশ হইস্া 
তাহাকে দিবা-দৃষ্টি দান করতঃ বিভিন্ন সথট্ি-স্থিতি-লয়াত্মক্‌ রূপময় এশ্বধ্য 


জলস্ত ঘুখবিবরে প্রবেশ করিতেছেন ! যেমন প্রদীপ্ধ অনলে বিনাশের 


নিমিত্ত পতঙ্গ “সকল অতি বেগে ধাবিত হয়, সেইরূপ, এই সকল 
ব্যক্তিগণ বিনষ্ট হইবার জন্য, সবেগে তোমার মুখ-গহবরে প্রবিষ্ট 
হইতেছেন” ! “তন্মধ্যে ( মুখবিবরে ) কাহারও মস্তক চুরীকৃত, আবার 


কেহবা তোমার করাল দন্তশ্রেণীর সদ্ধিতে সংলগ্র হইয়| রহিয়াছে” 15. 


গাতাতে, ইনিই কালরূপী ভগবান [- ইহা স্বয়ং শ্রমুখে ব্যক্ত করিয়া- 


ছিলেন, যথা--“কালোহস্মি লোকক্ষয়কৎ]; আবার ইনিই চণ্ডীতে ভগবতী 


কালিকা বা চামু্ডা! ব্রহ্মা হইতে অগু পর্যন্ত সকলেই কালের ক্রোডে 
জাত, ক্রমে বদ্ধিত এবং পরিণামে বিলয় প্রাপ্ত । কালের অপ্রতিহত 
ক্রিয়াশীলতা হইতে খিশ্বের কোন বস্তরই অব্যাহতি নাই ; যে শ্বাস- 
প্রশ্বান জীবের জীবনী-শক্তির পরিচাননক, উহ্হাই আবার মৃত্যুর দিকে 
গতির পরিমাপক ! তাই তিলে-তিলে শ্বাসে-শ্বাসে প্রতোকেই ম্ৃতুর 


দিকে আকৃষ্ট হইয়া অগ্রসর হইতেছে। এজন্য শঙ্করাচাধ্যও 
বলিয়াছেন_-কালো জগত ভক্ষক;”*_ কাল জগতকে সতত ভক্ষণ. 


করিতেছেন । কাল-শক্তির কৃপায় কালরূপী মৃত্যুকে অতিক্রম করত 
কালাতীত বা স্বৃতাপ্ধয়ী হইতে পারিলেই, . সাধকের নিত্য-লীলাতে 


১ 


| ১2 ডল, শী নব ও সাধন-রহস্ত 


প্রবেশ করিবার অধিকার হয়_কালাতীত না হইলে, হর-গৌরি বা 
রাধা-সতামের স্বরূপ দর্শন হয় না।--(১০/১১) | 
একং জগ্রাহ কেশেষু গ্রীবায়ামথচাপরম্‌। 
' পাদেনাক্রম্য চৈধান্তমুরসান্যামপোথয়ৎ ॥১২ 
 তৈমুক্তানি চ শস্ত্াণি মহাস্ত্রাণি তথানুরৈঃ। 
 মুখেন জগ্রাহ রুষ! দশনৈর্ম থিতান্তপি ॥১৩ 
বলিনাং তদ্বলং সর্ধবমসুরাণাং মহাত্মনাম্‌। 
মমর্দাভক্ষয়চ্চান্যানন্যা ংশ্চাতাড়য়ৎ তদ ॥১৪ 
[ অসিনা নিহতাঃ কেচিৎ কেচিৎ খটাঙ্গতাড়িতাঃ। 
 জগ্ম,বিনাশমস্থ্রা দস্তাগ্রাভিহতা স্তথা ॥১৫ 
“ * ত্য বিবরণ । [তিনি] কাহাকেও কেশাকর্ষণে, কাহাকেও | 
গ্রীবাকর্ষণে, কাহাকেও বা পাদ দ্বারা আক্রমণ করি গ্রহণ করিলেন, 
আবার কাহারও বা বক্ষস্থলে আক্রমণপূর্ববক মর্দন করিয়!৷ ফেলিলেন 
[কিছ নিজ বক্ষাঘাত দ্বারা কাহাকেও বিনাশ করিলেন 1॥১২॥ সেই 
দেবী অস্থরগণের নিক্ষিপ্ত অন্ত-শস্্রসমূহ ক্রোধভরে মুখ মধো গ্রহণ 
করিয়া দন্তদ্বারা চর্ববণ করত বিচুর্ণ করিয়া ফেলিলেন ॥১৩। এইরূপ 
বলবান মহাকার ক্বরসৈম্তগণের মধ্যে কাহাকেও অর্দন করিয়াহিলেন, 
কাহাকেও ভক্ষণ করিয়াছিলেন; আবার কাহাকেও বা বিতাড়িত 
করিয়াছিলেন ॥১৪। কতকপ্তলি অন্তর খড়গ দ্বারা নিহত হইল, 
কতকগুলি খটাঙ্গদ্বারা তাড়িত হইয়া বিনষ্ট হইল, অবশিষ্ট এরিক 
দস্তাগ্রের আঘাতে বিনাশ প্রাপ্ত হইল ॥১৫ 
তত্ব-স্ুধা। এক্ষণে বিশেষরূপে যুদ্ধ-লীল! আরজ: নদী 
কালিকা মা কাহাকেও কেশাকর্ষণে গ্রহণ করিলেন-_অর্থাৎ আস্থ্রিক 


রে ্ 
. টা ্ ৮5 ১ রর : , 
এ 8045 টা লাশ 1১155 । 
লা ডিন ৮.০) 71 ৭ দি) 1 
5? 1 ! & সিটি £ 
৯ ” রঃ ১", রি & ক 


ভাবের অস্তনিহিত গুণময় অবস্থা সংহরণ করিয়া, তাহাকে মুক্তিপ্রদান 


করিলেন। কাহারও গ্রীবাদেশ গ্রহণ করিলেন; গ্রীবা জ্ঞানময় 
মুখমণ্ডল এবং কর্মময় হৃদয়-মগ্ুলের মধ্যবর্তী স্থান। মা সেইস্থান গ্রহণ 
করায়, সর্ব্ববিধ আস্ুরিক ক্রিয়াশীলতা বিনষ্ট হইল এবং সে জ্ঞানময় 
দিব্যভাবে বিভাবিত হইল। পাদদ্ধারা আক্রমণ কিম্বা অস্থরের 
পাদদেশে আক্রমণ-_উভয়ভাবেই একই প্রকার ফল লব্ধি হয়; জীব 
মাত্রেরই পাদদেশ জড়ত্বেরে অববোধক, সুতরাং সেখানে মায়ের 
চিন্ময় আক্রমণ দ্বারা তাহার আস্রিক জড়ত্ব বিনষ্ট করিয়া, তাহাকে 
চৈতন্বো প্রতিষ্ঠিত করিলেন; কিছ্বা মায়ের চিন্ায় প্রীপাদপদ্বুদ্ার। 
অস্থুর-দেহে আঘাত করিয়! তাহার আন্ুরিক ভাব বিনষ্ট করত তাহাকে 
চিন্ময় করিলেন। প্রাণময় বক্ষস্থলে আক্রমণদ্বারা অন্তরের আস্মরিক 
ভাব বিনষ্ট করিয়া, তাহার প্রাণ-প্রতিষ্ঠ/ করিলেন; কিন্বা মায়ের 
প্রাণম্য় বক্ষস্থল অস্থুরদেহে স্পর্শ করাইয়া অন্থবের অন্ুরত্ব নষ্ট করত 
স্তাহার গ্রাণ-প্রতিষ্ঠা করিলেন। অস্গুগণের নিঙ্গিপ্ত অস্তররূপ 
শক্তিসমূহ কালিকা মা তাহার কারণময় ' দুখবিবরে গ্রহণপূর্ববক চূর্ণ 
করিয়া, নিজ শরীরে লর় করিতে লাগিলেন_ ক্রমে অস্ত্বনিক্ষেপদ্বারা 
অস্থরগণ শক্তিহীন ও দুর্ববল হইতে লাগিল। এইরূপে কোন কোন 
অন্থুরকে মর্দিন করিলেন__তাহা'রা মুতবৎ হইল, কিন্তু ভবিষ্যতে 
তাহাদের পুনরুথান সম্ভবপর রহিল। কাহাকেও ভক্ষণ করিলেন__ 
উহ্বারা চিরদিনের জন্য বিনষ্ট হইল । কাহাকেও বিতাড়িত করিলেন 
ইহারা অক্ষত শরীরে পলায়ন করিল এবং ভবিষ্যতে পূর্ণবিক্রমে 
তাহাদের আক্রমণের সম্ভাবনা থাকিয়া গেল; কেননা পরবর্তী যুদ্ধ- 
লীলায় এসকল আম্থরিক ভাবের সহারতা-গ্রহণ অন্গুর-রাজের প্রয়োজন 
হইবে.। কেহ খ্ঠাদ্বার নিহত হইল-_-অনাত্মভাব বা অজ্ঞানতা বিনষ্ট 


১৪২. নিবি ও সাধন-রহস্কা 





হওয়ায়, সে জ্ঞানময় আত্মভাবে সুপ্রজ্িিও হইল । কেহ কেহ 
খ্টাঙ্গ্ার! বিনষ্ট হইল বহুল খট ঙ্গের আঘাতে ুর্ণ-বিচূর্ণ হইয়া 
অন্ন্তে বিলীন হইয়া গেল। আবার কেহ, দস্তাগ্রের আঘাতে ধ্-বিখপ্ 
হউল--অর্থাৎ আন্থরিক শব্তিসমূহ ধও-বিধুইয় 1 একেবারে নিজীব 
বা,শক্তিহীন হইয়া পড়িল। অস্থর সৈম্তগণের বৌটিতরাময় বিভিন্নভাব- 
হৈতু ভাহাদের বিয়ের উপারও বিচিত্ধ ও বিভি্ন--ইহাই মন্ত্োত 
যুক্কলীলার রহত্য ও তাংপর্ধয -( ১২১৫.) নি 
_ ক্ষণেন তদ্বলং সব্বমন্ুরাণাং নিপাতিতম। ১1০৫ 
দুষ্ট চণ্তোইভিছুদ্রাব তাং কালীমতিভীষণাম্‌ ॥ ১৬ 
 অত্য বিবরণ। অন্থরগণের সেই সমগ্র সৈন্ত ক্ষণকাল মধো 
বিনষ্ট হইতে দেখিয়া চণ্ড অতি তীষণা দেই কালীর অভিমুখে মহাবেগে 
“ধাবিত হইল [ তংসহ মুণ্ডও ধাবিত হইল )--(১৬) 
তত্ব-্থধী। প্রজ্জলিত দাবানলে অরণা ধেমন মুহূর্ত মধো 
ভম্মীভূত হইয়া যার, সেইরূপ প্রলররূপিণী ঘারের প্রলয়াগ্সিতে আকধিত 
হইরা সমস্ত অঙ্গুরসৈন্য ক্ষণকাল মধো পতঙ্গবৎ দগ্ধ হইয়া গেল! 
কালাগ্নির সম্মুখে ক্ষুদ্র খগ্ঠোতের তে প্রকাশ যেমন বৃথা, সেইরূপ 
গরমাত্ম-ভাবের সান্নিধো অনাত্মভাবসমূহ আপনা হইতেই তৎক্ষণাৎ 
বিলুপ্ত হইয়া যার । এজন্য লোভ-মোহরপী চণ্-মুণ্ডের অঙ্চচর ও 
অন্নুভাবসমূহ শিমিষের মধো বিশুদ্ধব-চক্রে মাতৃদর্শনে বা মাতৃআকর্ষণে 
বিলুপ্ত হইয়া গেল-_ইহাই তাৎপর্য । তখন ক্রুদ্ধ চণ্ড ভীষণ! কালিকার 
প্রলরমৃন্তিতে বিলয় হইবার জন্য প্রপরবেগে প্রধাবিত হইল! সহভাবাপন্ন, 
মুণ্ড তথ্সহ ধাবিত হইল-_(১৬) ৬ | 
শরবর্ধর্মহাভীমৈ ভীমাক্ষীং তাং মহাস্থরঃ। 
ছাদয়ামাস চক্তৈশ্চ মুণ্ডঃ ক্ষিপ্ৈঃ সহজ্রশঃ ॥ ১৭ 





উ উেশ্য ও'উপায় 04 ২৩৩ | 


তানি চক্রাণ্যনেকানি বিশমানানি তন্মুখম্‌। 
বভূর্ষখার্কবিসষ্বানি স্বুবহুনি ঘনোদরমূ ॥ ১৮ 
সত্য বিবরণ । মহান্থর চওড ভীষণ শরবর্ষণে সেই ভীমনেত্রা 
কালীকে আচ্ছাদিত করিয়া ফেলিল, এবং মুণ্ডও সহ-সহলর চক্র নিঙ্ষে 
করিতে লাগিল ॥১৭। সেই বহুসং খ্যক্‌ চক্র কালিকার মুখে প্রবিষ্ট 
হইয়া) মেধ-অগ্ুলের অভানতরস্থ বু ছু রবিবিষবের গায় শোভা পাইতে: 


লাগিল ॥১৮ 
তত্বস্থধা। ব্রত- পৃজা ও যৌগাঙ্গ প্রভৃতি সাধন-ভঙ্জনের বিন 


প্রয়োজনীয়তা আছে; ফেনন! প্রবর্তক-সাঁধকের পক্ষে আত্ম-বিশ্তদ্ধির 
উহা বিশেষ সহায়ক; তথাপি উপায়কেই উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য 
বস্তবৎ ধরিয়া থাকিলে, ভূল করা হইরে_-চিরকাল সাধন-ভজনরূপ 
উপায় লইয়৷ প্রলুব্ধ বা মগ্ন থাকিলে চলিবে না, কারণ উহাই চণ্তমৃণ্ডের” * 
প্রভাব; স্ৃতরাং লাধন-পথে স্বরে স্তরে উন্নত হইতে হইবে__ ক্রমে 
উপায়গুলি উদ্দেশোর কিন্বা ইষ্টদেব-দেবীর চরণে বিলাইয়া বা উৎসর্গ করিয়া 
দিতে হইবে! শান্ধেও আছে-পজ্ঞানেন জ্ঞেরমালোক্য জ্ঞানং পশ্চাঁ 
পরিতাজে”__অর্থাৎ জানদ্বারা জ্রেয়কে দর্শন করিলে, তখন জ্ঞানকেও 
পরিত্যাগ করিবে । অন্ধকার পথে আলোর সাহাযো পথ দেখিতে হয়, 
কিন্তু পথ অতিক্রম করিয়া নিজ বাড়ীতে পৌছিলে, সেখানে প্রথক্‌ 
আলোর আর প্রয়োজন হয় না। সাধন-ভজনদার! বিশুদ্ধি লাভ করিলে, 
উহা দ্বারা আত্মাকে লাভ করিতে না পারিলেও আত্মার সান্নিধো পৌছা 
যায়। তাই চণ্ত-ুণ্ড দূর হইতে অঙস্বিকা মাকে দর্শন করিতে অক্ষম 
হইয়াছিল। এক্ষণে লৌভ-মোহরূপী ১গু-মুণ্ডের বিলয় আসন্ন; তুই 


প্রলযঙ্করী কালী মৃন্তি তাহাদিগকে আকর্ষণ করিয়াছেন, তাহারও সেট 
সৃষ্টিতে বিলয় হইবার জন্য প্রধাবিত; তাই তাহার! তাহাদের সত্বগুণময় 





্‌ ২৩৪ শরী্রীচত্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্থ 


: কর্ম ও ভাব সমূহ দেবীকে সমর্পণ করিতে লাগিল_উহাই দেবীর প্রতি 
চাগুর শরবর্ষণ। আর মোহের মোহ-বন্ধনে আবদ্ধকারী সত্বগুণময় 


৫ 


চক্ররূপ উপায়সমূহ এক্ষণে বিশুদ্ধ, উজ্জলীকত এরং দেবীতে সমপিত! 
এজন্য এ উজ্জল চক্রসমূহ সুর্যের প্রতিবিদের ক্রয়, কিবা মেঘেতে 
বিদ্বলী- প্রভার বায় মায়ের মেঘবৎ নিবিড় ঘন রুঞ্জবর্ণ মুখ-মণ্ডলের 
 যধ্যে একে একে : বিলী হইতে লাগিল 1 গ্রলয়কালীন দ্বাদশ যয 
. ষেন উদ্দিত ইয়া একে একে গ্রলয়ের ঘোরা! ঘোরতরা এবং ঘোরতমা' 
কষব্ণা কালী মৃষ্ঠিতে বিলয় হইতে লাগিল! এখানে বিশুদ্ব-চক্রে 
গস. আহ্ুরিক শক্তিসমূহ কালীতে সমর্পণ করায়, তাঁহারা 
'পরমাত্মময়ীতে মিশিবার যোগ্াতা লাভ করিয়াছেন। তাই মন 
্টাহাদিগকে মহাস্থুর (মহান্‌ অন্থুর ) বলা হইয়াছে ।--( ১৭১৮) 
' তে! জহাসাতিরুষা ভীমং ভৈরবনাদিনী। 
কালী করালবক্তাস্ত্দ,বর্শদশনোজ্জলা ॥১৯ 
তা বিবরণ । অনস্তর ভৈরবনাদিনী কালী অতিশয় ক্রোধে 
ভয়ঙ্কর অট্টহান্ত করিতে লাগিলেন, তাহাতে তাহার করালবদনের 
মধ্যবন্তী ভীষণ-দর্শন দস্তসমূহের প্রভায় তাহাকে আরও উজ্জ্বল করিয়া 
তুলিল ॥১৯| 
তত্বস্থধী। শরণাগত সাধকের আন্মরিক ভাবসমূহ বিলয় 
করার জন্য কালীমাতা, শৃন্ময় বিশুদ্ধ-ক্ষেত্রে অতি ক্রোধ প্রকাশ: 
ক্রিয়াছেন। মায়ের কোপময়ী চণ্ডিকা-মৃষ্ঠিই সাধকের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল 
সাধন করিয়া থাকেন; মাধকের আনক্তির মূল কারণসমূহ মা করাল- 
বদনে চ্বণ করিয়া বিলয় করেন! তাই এখানে ভিন প্রলয়-ৃক্ত 
ধারণপূর্বাক ভৈরব-গঞ্জনে বিকট অইর্-হাপিতে লীধকের দেহ-পুর 
প্রকম্পিত ও প্রতিধ্বনিত করিতেছেন |-ভীষণ দশন-পঙ্ক্তিত্বার। 








উদ্দ শ্বেত-প্রভা বিফিরণ করত সাধকের অজ্ঞান-তমসা বিদ্রিত 
করিতেছেন! করালবদনা মায়ের এবিধ প্রলয্রী মৃষ্ঠি ভীষগাদপি 
ভীধশা হইলেও, উহা ভক্তের নিকটে প্রেমফুল্লাননারূপেই প্রতিভাত 
হয়। কালীমাতা দক্ষিণ দিকের হস্তদ্য়ে বর এবং অভয়; আর 
বামদিকে অবস্থিত হস্তদ্য়ের একটাতে রক্তাক্ত মহা অসি, অপরট্রত 
রক্তগ্রবহবান্‌ ছি দানব-মৃগ!_-এই মৃদ্ধিতে ভারতের সরস ই কালী 
মাতার পৃ হইয়া থাকে। এই পর্ধ মৃদ্ধি অন্থরের কিছাঁ মাক্যিকের 
পক্ষে ভীতিগ্রদা ও অতি ভারা হইতে পারে, কিন্ত তক্ত-সন্তানের 
কাছে তিনি মাতৃরূপা, বরাভয়কর! ভক্তমনোহরা প্রেমকরুণার পারাবারা 
জগজ্জননী! তাই মুক্তি বা কৈবলাগ্রার্থী সাধক ভক্ত, অমা- নিশার 
মধ্যভাগে, যখন তামসীপ্রক্ৃতি বাহ-জগতকে স্ুযুপ্ত অবস্থায় নিজ অঙ্কে 
বিলয় করিয়া রাখেন , তখন সাধকও নিজ প্রকৃতির বহিম্ম্ধী সর্বববিধ, 
ক্রিয়াশীলতা সংহরণপূর্ববক বাহ্‌-প্রকতির ন্যায় আত্ম-নিরোধ ও ইক্রির- 
বিলয় করিয়া, মহাকাঁলীর মহাপুজা সম্পাদন করেন--এইরূপে ক্রমে 
মাতৃ-কপা প্রাপ্ত হইয়া, তিনি মহানির্বাণ লাভ করেন।--(১৯) 

উথায় চ মহাসিং হং দেবী চণ্ডমধাবত। 

গৃহীত্বা চাস্ত কেশেঘু শিরস্তেন।সিনাচ্ছিনৎ ॥২০ 

অথ মুণ্ডোহপ্যধাবৎ তাং দৃষ্ট। চণং এ | 

তমপ্যপাতয়দ্‌ ভূমৌ সা খড়গাভিহতং রুষা ॥২১ 

সত্য বিবরণ। অনন্তর দেবী কোপজ্ঞাপক্‌ 'হম্‌; উচ্চারণপূর্বক 
[ কিন্বা সিংহের ন্যায় উল্লম্ফষন করত ] মহা অসি উত্তোলনপূর্বক চণ্ডের 
প্রতি ধাবিত হইলেন এবং কেশাকর্ষণ করত, সেই অসিদ্বারা তাহার 


শিরশ্ছেদন করিলেন ॥২০॥ অনন্তর চণ্ডকে নিপাতিত দেখিয়া, মুণডও 
কালীর প্রতি ধাবিত হইল; তখন তিনি জুদ্ধ! হইয়া, তাহাকেও 








১৬৬ ্রীত্রীচতী- তব ও সাধন-রহস্য 


সেই সির আঘাতে নিহত করিয়া ভতলশাযী করিলেন ॥২১ 
_ তত্ব-্ধী। কালিকা দেবী লোভরূপী চণ্ডের কেশ আকর্ষণ 
করিয়া. তাহাকে মহাঅসি বা খড়গাঘাতে বধ করিলেন। কেশাকর্ষণ 
সম্বন্ধে পূর্বেও আলোচিত হইয়াছে; এখানে চণ্ডের বাষ্টি-দেহে তরিগুণের 
স্ষ্টি-স্থিতি-লয়াত্মক যে সমস্ত ভাব ও অন্ভভাব ছিল, উহাঁদিগকে 
সংহরণপূর্বক, মহাঅসিরপ জ্ঞান-খঞ্ঞদ্বারা তাহার শির বিচ্ছিন্ন 
করিলেন বা পৃথক করিলেন ! অর্থাৎ তাহার তমোগুণময় জড়ত্ব ও 
. অজ্ঞানতা এবং রজোগুণময় বিভিন্ন ও বিচিত্র প্রবৃত্তিসমূহ বিলযপূর্ববক, 
তাহাকে সত্বগুণময় বা প্রকাশময় জ্ঞান-রাজ্যে স্থুপ্রতিষ্টিত করিলেন । 
আর তাহার সহভাবাপন্ন মুণ্ড একই দশা প্রাপ্ত হইল। 
_ মায়ের হস্তস্থিত"মহা। অনি একদিকে যেমন অজ্ঞানতাকে বিচ্ছিন্ন 
- ৰা! পৃথক করিয়া জ্ঞান বা মুক্তি প্রদান করে, সেইরূপ অপরদিকে জীবের 
অনাত্ম ও অবিশুদ্ধ ভাবসমূহ বিদূরিত করিয়া তাহাকে পরমাত্মার 
সহিত মহামিলনে ,আবদ্ধ করে। এই ভাবটার সহিত “তত্বমসি” 
মহাবাক্যের সাদৃশ্য আছে, যথা--“তত্বমসি” মহাঁবাকো তিনটা কল্প 
বিদ্যমান, যথা_-তত্ত্ব-অসি; ততরগী পরমাত্মার সহিত ত্বংরূপী 
জীবাত্মার মিলন, জ্ঞানময় অনি সহযোগেই স্রসম্পন্ন হইয়া থাকে | 
এইসকল তত্ব ও ভাবই মন্ত্রোক্তিসমূহের রতশ্য ও তাইপধা |-(৯০।২১) 
হত শেষং ততঃ সৈম্তং দৃষ্টা চণ্ুং নিপাতিতমূ। 
 সুণ্ডঞ্চ সুমহাবীধ্যং দিশে। ভেজে ভয়াতুরম্‌ ॥২২ 
শিরশ্চগুস্য কালী চ গৃহীত্বা মুণ্ডমেবচ। 
প্রাহ গ্রচণ্ডাট্রহাসমিশ্রমভ্যেত্য চপ্তিকাম্‌॥২৩ 
ময়া তবাত্রোপনৃতৌ চগ্মুণ্ডো মহাপশৃ। 
| দ্ধযজ্ে স্বয়ং শুস্তং নিশুস্তধ্চ হনিস্কসি ॥২৪ 


শস্তক দান 27 ৃ রি 


অত্য বিবরণ । অনন্তর হতাবশিষ ন্তগন চণ্ড ও মুগ্ডকে | 
নিপাতিত দর্শনে ভয়াতুর হ হইয়া চতুদ্দিকে পলায়ন করিল ॥২২। কালী 
চণ্ড-মুণ্ডের মস্তক গ্রহণ করিয়া চণ্তিকার নিকট গমনপূর্বরক প্রচণ্ড 
অটহাস্ত সহকারে কহিলেন ॥২২॥ এই যুদ্ধ-যজ্ঞে আমি তোমাকে 
চণ্-মুণডরূপ মহাপশ্ুদয় উপহার দিলাম; শুত্ত- নিশস্তকে তুমিই সয় 
নিহত করিও ॥২৪ 
তত্ব-্থধা। হতাবশিষ্ট অস্জুর-সৈন্থগণ পলামমন করিল-_ অর্থাৎ 
চগ্ত-মুণ্ড বধছ্ধারা লোভ-মোহের মূল সংস্কার নষ্ট হইলেও তাহাদের | 
শাখা প্রশাখা বা অন্ভাবসমূহ সম্পূর্ণ বিলয় হইল না; কারণ এখনও 
কাম-ক্রোধরূগী মহা-অস্তুর এবং তদীয় সহকারীগণ 'জীবিত আছে; 
স্তরাঁং যাহার! পলায়ন করিল, তাহারা পুনরায় স্থযোগ পাইলেই 


আত্ম-গ্রকটু করত কামরাজের সহায়তা 1 করিবে--ইহাই পলায়রের, 
উদ্দেশ্া ও তাৎপর্য | 


যৌগিক ব্যাখ্যায়-_বিশুদ্ব-চক্রের সর্ববিধ বিলযকারধয সম্পন্ন 
হওয়ায় কুগুলিনীশক্তি তাহার নিয়স্থ মুখদ্বারা চণ্ড-মুণ্ডের ছিন্নশির 
গরতণ করিরা ছিদল-চাক্রে আগমন করিলেন [ মন্ত্েও আছে “অভোত্য 
চপ্ডিকাম্” ] এবং চণ্ডিকা্ায়ের শ্রীপাদপদ্মে সেই মুগ্দ্ধয় উপহার প্রদান 
করিলেন । বিশুদ্ব-চক্রস্থিত শুভ্ত-নিশুস্ত এবং ততসহকারী অস্থুরসৈম্তগণ 
অচিবাৎ কুপগুলিনীশক্তি কর্তক আকধিত হইয়া দ্বিদল পদ্মানিমূগে 
অভিযান করিবে। তখন বিশুদ্বচক্রটা মান হইয়া পড়িবে । এক্ষণে 
(কুগুপিনীশক্তির আগমনে দ্বিদল-পন্স্থ সদসং বৃত্তিসমূহ ক্রমে প্রকট্‌ ব!.. 
মৃত্ত হইতে লাগিল এবং সেখানে, মহাযুদ্ধের সুচনা করিল। মস্তক-_ 
জা নেন্িরসদূত এবং অন বুদ্ধি অস্ং (চিত্তরপ অন্তঃকরণের একমাত্র 
ূ কৈন্ত বাআধার; সুতরাং. জ্ঞানাঙ্গস্থরূপ মন্তক, মাতৃ-চরণে ডালি বা 


ু 


| ১৬৮ টা ্রীশ্রীচণ্ী-তত্ব ও ষাধন-রহন্ত 


উপহার দেওয়ার অতি সুন্দর উপযুক্ত সম্ভার! অদ্ধিকা মাতার কোপ 
প্রকাশেই কালিকার উদ্ভব হইয়াছিল; এজন্য এখানে মন্ত্রে অস্বিকা 
মাঁকে চগ্ডিকা? অর্থাৎ কোপময়ী বলা হইস্বাছে ।--(২২-২৪) 
খাষিরুবাচ ॥২৫ | 

: তাবানীতৌ ততো দৃষ্ট চমুন্তৌ মহান্তুরৌ। 

উবাচ কালীং কল্যাণী ললিতং চপ্তিকা বচঃ ॥২৬ 

যন্মাচ্চগুঞ্চ মুগ গৃহীত! তমুপাগতা । 

চামুণ্ডেতি ততো লোকে খ্যাত! দেবি ভবিষ্বসি ॥২৭ 

ইতি মার্কগেয়পুরাণে সাবর্গিকে মন্বস্তরে দেবীমাহাজ্মোে চগ্ড মুণ্ড, 
বধো নাম সঞ্তয়োহধ্যায়ঃ॥ শ্লোক সংখা-২৫7 মন্ত্র সংখা--২৭ 
, সত্য বিবরণ। খধি বলিলেন_-অনস্তর সেই [নিহত] চণু-ুও 
আনীত হইয়াছে দেখিয়া কল্যাণী চণ্তিকাদেবী কালীকে স্থললিত বাক্যে 
" বািলেন--যেহেতু তুমি চণ্ড-মুণ্ডকে গ্রহণপূর্ব্ক আমার নিকটে আগমন 
করিয়াছ, সেইজন্য হে দেবি! জগতে তুমি চামুণ্ডা' নামে বিখ্যাতা 
হইবে (২৬২৭), | 
. তত্ব-স্ুধা। এইরূপে সাধকের অন্তক্ত্ূথী লোভ-মোহ দ্বারা 
অনুষ্ঠিত কর্মকাণ্ডের এবং যোগ-মার্গের অন্নষ্ঠানসমূহের কতকাংশ, 
জগন্মাতা স্বয়ং কৃপাপরবশ হইয়া বিলয় করিলেন--চগ্ত-মুণ্ড নিহত 
 হইল। অতঃপর চও-মুণ্ডের পবিত্র মস্তকদ্বয় মাতৃ-চরণে উপহার প্রদত 
হইল-_ঘা গ্রীতিসহকারে উহা! গ্রহণ করিলেন এবং চণ্ু-মুণ্ড হননকারী 
ক্ষালিকাকে _্কালিকাকে চামৃণ্ড* নাম প্রদানপূর্বক জগতে পূজার! ও বিখ্যাতা 


পপ পিপাশশিপিপনাদি লাশ শিশাশিতাাক্ 


 * চওমূতডৌ বিদ্যেতে অস্তাঃ ইতি চামুণ্ডা। কিন্বা চওুণ্ বাক্যে 
হননা্থ বোধক আ যুক্ত হইয়া চানুণ্ডা পদ নি. চামুগডেতি 
পৃষোদরাদিত্বাং সাধুঃ রি নাগোজী ] | 





গু... ১ ইজ 


করিলেন। সরান হী এবং মহানবীর টিন 
দেবী-মাহাঝ্মো বর্সিত [ কালী করালবদনা.. 'নাদাপুরিতদিউ মুখাঃ ]. 
এই ধানসহকারে চামুণ্ডা কালিক! দেবীর অর্চনা হইয়া থাকে ।' 
প্রতিপদ তিথি সংক্রমণকাল হইতে পূর্ণিমা পর্যত, কিন্বাঁ অমাবস্থা: 
পধ্যস্ত, তিথিভেদে স্বধাকরের ষোড়শ কলা জীব-দেছেও ক্রিয়াশীল 
হইয়া থাকে-_এসম্বদ্ধে বিস্তৃত বিবরণ এবং স্থান-নির্দেশাদি এই গ্রন্থের 
যথাস্থানে বিস্তারিতভাবে আলোচনা! করা হইবে। তবে কাহারও 
মতে__ অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিতে অর্থা ভোগ ও ত্যাগের 
মিলন-ভূমিতেই চামুণ্ডা কালিকা। মায়ের অর্থাৎ প্রলয়মৃদ্তির পূজা হইয়া 
থাকে । মহাকালীরূপিণী কুলকুগুলিনী পক্তি এই অথুলোম ও বিলোমভাবের 
মধ্যস্থলে অর্থাৎ জীবভাব ও পরম ভাবের মহাসন্ধিরূপ মৃলাধার পদ্মে অধিষ্ঠিত 
থাকেন; এজন্য ইনি দেবীমাহাক্মের প্রথম চরিত্রের দেখতা। সাধকের 
আত্মাভিমুখী নিলোম গতি হইলেই কুলকুগুলিনী মহাশক্তি কালিকা। 
জাগ্রত হইয়া পন্মে পন্মে উখিত হন এবং স্তরে স্তারে সুল স্ুদ্ম ও কারণের 
আস্থুরিক ভাবসমূহ স্বকীয় প্রলয়-মুষ্ঠিতে বিলয় করত, ললাট-প্রদেশে 
! ছিদলে ) উখিত হইয়া সগুণ ব। সবিকল্পভাবে ভক্তনহ পরমানন্দ ভোগ 
করেন। [ ললাট-প্রদেশেই চতুর্দশী তিথিতে চন্দ্রের পঞ্চদশ কলার, 
সহিত কামকলার সম্মিলনে বিশিষ্ট আনন্দের অভিব্যক্তি হয়] এইরূপে: 
কুগুলিনীশক্তি সাধককে দ্বিদলাধিপতি স্থধাকরের স্ত্ধা বা কুলামত 
পান করাইয়া পরিতৃথ্ধ ও পরিপুষ্ঠ করেন! পরিশেষে সহজ্রারে 
পৃথিমারপ পূর্ণ স্বরূপানন্দ বা অমাকলার অমৃতানন্দ ভোগ করাইয়া 
সাধককে শিবত্ব, মুক্তি বা নির্বাণ প্রদান করেন। এজন্য দেবীও চণ্ডী 


মহাগ্রস্থের শেষাংশে অষ্টমী নবমী ও চতুরদশীতে দেবী-মাহাত্ময পাঠের, 
ও শ্রবণের বিশেষ ফল উল্লেখ করিয়াছেন !_-(২৬।২৭) 


ৃ ১ রী ্ী্ীচতী-তন্ব ও সাধন-রহ্ত 


এক্ষণে হে ভারতবামী। মায়ের প্রিয় সন্তান! এস, আমরা 
ছা রা ঠক দৈহিক ও পারিবারিক ব্যাপারে, চামুণ্ডা মায়ের মঞ্জলকারী 
. শাধাত বা নির্ধাতিনাদি তীার ্লেহময় আমীর্বাদরূপে গ্রহণ করিতে 
শিক্ষা করিবে রোগ শোক পরিতাপ সৃতি পরব মৃষ্ধিতে আলিক্গনদারা ৃ 
রর করালিনী মা আমাদের মায়া-মোহ বা সুখের স্বপন ভাঙগিয়া, জান-চ্থ 
 উন্মিলন করিয়া দিতেছেন ত্রান্ত আমরা,_তাই বিষয়-রসে বিমোহিত 
 হইয়! পরম-রস আস্বাদনে বঞ্চিত! এই জন্য জগদদ্বা কালিকা, বিষয়ের 
আভাস্তরীন্‌ কুলামৃত বা দিবা-স্তন্ত পান করাইয়া সন্তানগণকে পরিতৃপ্ত 
| করিবার জন্য বাস্ত। বহিজীগতের অন্তরালে যে. আননময 
অমৃত- ত-ধার। সর্বত্র অবিশ্রান্ত প্রবাহিত হইতেছে, সেই অমৃত্বপনপ 
পরম-রস আশ্বাদন করাইয়া কৈবলা দান করিবার জন্যই, কৈবলাদায়িনী 
কালী করাল-বেশে বিষাসক্তির বাহ-খোসাটাকে প্রলয়কূপী ভাগুবের 
আঘাতে ভাঙ্গিয়া দিরা, জীবের চৈতন্য সম্পাদন করিয়া থাকেন 
ইহাই তো প্রেম;করুণার ছদ্মবেশে চামু্ড মায়ের দ্বপূর্ব চণ্তীলীল। ! 
অতএব, আমরা যেন জাগতিক অনন্ত তাণ্ডব ও প্রলয়-লীলার অন্তরালে 
আনন্দময়ী দায়ের অফুরন্ত করুণা-ধারার উৎস দর্শন ও আস্বাদন 
করিতে সক্ষম হই-আমাদের বিশ্ব-নাট্যের যবনিকা-পতনের শুভ 
মূহূত্তে, আমরা বেদ শ্বশান-র্দিনী শ্ঠামা মায়ের অভয়-ক্রোড়ে অধিষ্ঠিত 
হইয়া . কালকে জঘ করত মহানির্বাণ লাভ করি! 
রড নমশ্চণ্ডিকায় ্ 
কালী কালী মহাকালী কালিকে পাপহারিপ্রি '... 
বরাভয়গ্রদে দেবি নারায়ণি নমোহস্ত কে 











সখ পপ স্পি্িসপপি * ” টু ১ 





উদ অয রবীক বধ 
কী তা 


 উণ্ডেচ হতে টি মুডে বিনিপাতিতে। 
বহুলেষুচ সৈল্কেষু ক্ষয়িতেষস্থরেশ্বরঃ ॥২ 
ততঃ কোপপরাধীনচেতা; শুস্তঃ প্রতাপবান। 


উদ্ভোগং সর্ধবসৈম্যানাং দৈতযানামাদিদেশ হ ॥৩ 
সতাবিবরণ। খষি কহিলেন-__চণ্ড নিহত হইলে, মু দৈত্যও ৃ 
নিপাতিত হইলে এবং বহুসংখাক সৈন্য প্রাপ্ত হইলে, অস্থরেশ্বর 
প্রতাপখানী শুস্ত কোপাবিষ্ট চিত্তে সমুদয় দৈতাসৈ্ঠকে ুদ্ধার্থে 
উদ্যোগী হইতে আদেশ করিলেন।-_(১-৩) 
তত্ব সথধা। সান্চর চণ্-মুণ্ড নিহত হওয়ায় কামরাজ শুস্তের 
কামনা পূরণে বিশেষ বাঁধা পড়িল; তাই, তিনি অতিশগ ক্রোধাবিষ্ট 
হইয় তাহার দেহ-রাতজোর সর্বববিধ শক্তি বা বলসমূই একত্রে সমাবেশ 
করত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হইবার অভিলাষ জ্ঞাপন করিলেন । 
জীব-দেহে “আষ্টধা” বা অষ্টবিধা প্রকৃতি-শকতি বিশিষ্টরূপে সতত 
ক্রিয়াশীল । গীতাতে ভগবান বলিয়া 'ছেন-_.আমার মায়ারূপ প্রকৃতি 
টু জল অনল বায়ু আকাশ মন বৃদ্ধি অহ ংকার, এই অষ্ট প্রকারে 
বিভক্ত” | এই অষ্টবিধ প্ররুতিজাত অনশ্ত সদসং ভাব এবং অস্কভাব 
সূ দেহের শক্তিমর অষ্ট প্রধান-কেন্দ্ে সতত রে স্তরাঁং 
হ্থ অসথরবৃন্দও অষ্টপ্রকার বিশেষ শ্রেণীর মত এই অষ্টবিধ 





উ্রীচী- ৭ ্ লীবন-হসত 


ন্ ছরিক ৭ শিকল সমাক্রপে ষথবিথভাবে দদন করিতে হইলে, 
'আরও অষ্ প্রকার দৈবী-শকতির আবির্ভাব পযোন_ান্াই ্ান- 


_বৈফবীপ্রমুখ দেব-শক্তিগণ। 
 কামরাজ শুস্ত কামনার মহাযজ্ঞে সর্বশ্থ'আহুতি প্রদানে উদ্ধত, 


তাই সমগ্র বল সমাবেশের আদেশ দিয়াছেন। কেননা ভগবত চরণে 
সর্বস্ব সমর্পণ 'ন। করিলে, তাহাকে স্বব্ধূপে পাওয়া যায় না) তাই বৈষ্ণব 
পদাবলীতে আছে--“পব না দিলে কি কেশবে মিলে ?”-যষোল আন 
দিতে হয়”_তাই, “লব দিয়ে আমি শব হয়েছি” |_ ইহাই দেবী- 
মাহাত্যের প্রাণময় সাধন-কৌশল। বিশেষতঃ মুক্তি কামীগণের 
-অষ্টপাশ হইতে বিমুক্তি হওয়াও বিশেষ প্রয়োজন; তাই মহাদেব 
[ ভৈরব যামলে ] বলিয়াছেন_-ম্বণা শঙ্কা ভয়ং লজ্জা জুগ্তপ্পা চেতি 
* পঁ্চমী। কুলং শীলঞ্চ মানঞ্চ অষ্টপাঁশাঃ প্রকীত্তিতাঃ” ॥ অর্থাৎ স্ব 
শঙ্কা ভয় লজ্জা জুপ্রপ্| (নিন্দা) কুল শীল এবং মান, এই অষ্টবিধ পাশ 
বা বন্ধন-রজ্জবু। অগ্ঠাত্র বলিয়াছেন_-“পাশবদ্ধো ভবেজ্জীবঃ পাশমুক্তে। 
সদাশিবঃ 1” অষ্টপাশে বদ্ধ থাকাই জীবত্ব, আর পাশঘুক্ত হইলেই 
শিবত্ব লাভ হইয়া থাকে । এতদঘ্বতীত জীবের আরও অষ্টুবিধ বিশিষ্ট 
অক্ষমতা বা জীব্ধর্্ম আছে, যথা-_অল্পশক্তিত, অল্পজ্ঞানত্, পরিদ্িত্ত, 
বহুত্ব, পরাধীনত্ব, অসমর্থত্, অপরোক্ষত্ব এবং অবিদ্যা। উপাধি-স্থানত্ব 
--এই আটটী জীব-ধশ্ম বিদুরিত করিয়া তৎ বিপরীত আটটা ঈশ্বর-ধশ্ম 
লাভ করিতে হইবে। মুক্তি ক্তকামী শরণাগত সাধকের জীব-ধশ্ নষ্ট 
করিয়! মাতৃশক্তিগণ তাহাকে ঈশ্বর-ধর্খে স্কপ্রতিষ্টিত করেন । ক্তরাং 
অষ্টশ্রেণীর অস্তুর বিলয়ের সঙ্গে সঙ্গে অষ্টশ্রেণীর অষ্টপাশও আপন! হইতে 


বিলয় হইয়া যাইবে! কেননা যে তত্ব হইতে যে পাশের উদ্ভব, সেই 
তত্ব বিলয়ের সঙ্গে সঙ্গে পাশ সমৃহও ছিন্ন বা বিলীন হইয়া যাইবে; 





ঃ (নত টি সি টো তা5ছি ) টি? ইত প ইরা ৯18 0118 ১৮ 4 
এ এ 177 
৮2 ১৪৩. 

8১2৮3, এ,$ 4 ্ সে 
মে স্ 
হই শর শত, 
০১ 








নার তৎ্সহ চে জীবনও গত 
হইবে 1১ -৩) রা ডা 
_ অদ্য সর্বববলৈরদৈক্থ্যাঃ ববি হি 
কন্ধুনাং চতুরশীতি নির্ধান্ত স্ববলৈবৃতাঃ, ও 
কৌটিবীরধ্যণি পঞ্চাশদস্থরাণাঁং কুলানি বৈ। 
শতং কুলানি ধৌঘ্রাণাং নির্গচ্ছিস্ত মমাজজয়া ॥৫ 
কালকা দৌহ্বদা মৌর্য্যাঃ কালেকেয়াস্তথাসুরাঃ। 
যুদ্ধায় সজ্জা নির্ধান্ত আজ্ঞয়া ত্বরিতা মম ॥৬ 
ইত্যান্ঞাপ্যান্বরপত্িঃ শুস্তে ভৈরবশাসনঃ। 
নিজগাম মহাসৈম্যসহত্ৈব হুভিৰ্‌ তিঃ॥৭ 
সতা-বিবরণ। অগ্ভ আমার আদেশে উদাঘুধ বংশীয় ছিয়াশীজন, 
'দৈত্য স্ব স্ব সৈগ্িগণসহ, এবং কন্ববংশীয় চুরাশীজন টৈত্য স্বকীয় সৈন্যে 
পরিবেষ্টিত হইয়া শীপ্র বাহির হউক ॥$॥ কোটিকীধ্য নামক পঞ্চাশটা 
অন্তর সম্প্রদার, ধুমবংশীয় একশত [অন্থর] সম্প্রদায় আমার আদেশে 
ুদ্ধার্থে বহিরগ্গত হউক ॥৫॥ কালক, দৌহৃদ, মৌর্য এবং কালকেয় 
অস্থুরগণ সজ্জিত হইয়া! আমার আদেশে যুদ্ধার্থে সত্বর বহির্গত হউক 1॥৬| 
অস্থর-রাজ. ভৈরব-শাসন শুস্ত এই প্রকার আদেশ প্রদান পূর্বক 
বহু সহগ্র মহাসৈন্ে পরিবৃত হইয়া নির্গত হইলেন ॥৭ 
 তত্বস্তুধ!। পূর্ব মন্ত্রে লা হইয়াছে যে, অষ্টবিধ আহ্থরিক শক্তি 
'দেহের_ আটটা প্রধান কেনে ক্রিয়াশীল হইয়। বিভিন্ন শ্রেণীর দৈত্য 
উৎপত্তির কারণস্বরূপ হয়। এখানে দ্েহ-তন্বের সহিত দৈত্যবংশীয় 
সৈল্তগণের শ্রেণী-বিভাগসমূহ ধারাবাহিকরূপে পর পর স্থুসঙ্দিত করিয়া 
প্রদর্শন করা হইল। যথা_(১) তৌম টত্াগণ-ক্িতি ৭ বা পৃরী 





+ চা ৮ িচীৰ ও সাধন-রহস্ত 


আনে, জাত আহ | ্ উদ্ধার গ্রকুি 
- প্রয়োগের অন্য ব্য্ত। এই রী ধৈডাগণ ছাপরে ব্রজ-লীলায় পুজা এ 


তর এক র্বমাই অস্ত রঃ 





বকান্থুর অথাস্থর প্রতি ৃদীতত্বে (জড় দেহ ধারণপূর্বক ) 


্রিয়াশীল হওয়ায়, ভগবান শরীক ইহাদ্িগকে বিলয় করিয়া মুক্তি প্রদান, 
 করেন। অস্ত্রধারী ভৌম অন্রগরণ আত্মস্তরিভার পূর্ণ এবং বর্ণ 


ভাবাপন্ন অর্থাৎ নিজকে অত্যন্ত বড়*মনে করে-_এজন্য অপর সকলের 
প্রতি একটা ঘ্বণার ভাব স্বাভাবিকরূপেই সতত পোষণ করে; স্থৃতরাং 
এই উদদাযুধ অস্ত্ররগণের নাশের সহিত স্বণারূপ পাশটাও আপনা হইতেই 


 বিলয় হয়। পূর্বোক্ত অষ্টধা প্রকৃতির অর্থাৎ পঞ্চমহাভূত এবং মনবুদ্ধি 


অহং এর সহিত দশেক্িয় গুণিত হইরা আশীপ্রকার পৃথক অবস্থা স্টি 
করে) তৎসহ পৃথীতত্বময় জড় বা! স্থুলদেহছের ষড়ভাববিকার (আমার 
দহ জাত, স্থিত, বদ্ধিত, পূর্ণতাপ্রাপ্ত, জড়াগ্রস্ত এবং বিনাশপ্রাঞ্ধ বা 
ত) এই ছয়টা স্থূল ভাবযুক্ত হইয়া ছিয়াশী প্রকার অবস্থা হয়--.এবদিধ 
স্থুলভাবাপন্ন আন্মরিক, ভাবই মন্ত্োক্ত ছিরাশী জন দৈত্য-গ্রধান এই 
ভৌম অন্থরগণকে বিনাশ করিবার জন্যই ভূমি ব1 ্ষিতিতত্বের অধিষ্ঠাত্রী 


্রক্ষাণী শক্তির বিশিষ্ট আবির্ভাব । 
(২). অপ, বা জল অংশেজাত কন্ুবংশীয় দৈত্যগণ_- নীলা 


কালীয় ও তৎসহচর্গণ এই বংশীয় দৈত্য ছিল; ভগবান কৃষ্ণ শ্রীপাদ- 
পদ্ম, নৃত্য-ভর্গিমাদ্বার] উহাদিগকে দমন করিবার পর, উহ্ারা সমু্দে 
আশ্রয় গ্রহণ করিরাহিল কু শব্দের অর্থ শখ ; শঙ্খ শামুক (গুগলী) 
প্রভৃতি সমুদ্র বা জণজাত প্রাণীগণের লজ্জা বা. আবরণ ভাব অতি প্রবল; 
এজন্য অপতত্বে জ [ত কম্পুবং ংশীয় দৈত্যগণও" সঙ্োট চাহ. এবং 
অত্যন্ত স্বার্থপর কেনন! নিজেদের পৃষ্ঠস্থিত গুরুভার বহন ট্্ রী | 
বারের কোনপ্রকার উদা র্‌ সনু, বা উচ্চভাব গ্রহণ, করিতে ইহারা 











রা রা? [এই ্নংঈ দৈতাগণের বিনাশের বহি জা দশটা: 
| নগপরানত হ। দেহের ড়বিধ-কোঁধেই স্ষোচ ও বি 
ক্রিয়াশীল; উচাদের সহিত উরি জনের এবং কর্ষেনিয। এই 
চতুদিশ করণ গুণিত হইয়। চুরাঈী প্রকার বিভিন্ন ভেদ-ভাবের স্থা্ি করে নু 
_ইহারাই কদ্ুবংশীয় চুরাসী জন দৈতা-সেনাপতি। এই অপ্তত্: 
জাত কন্তুবংশীয়গণকে বিনাশ করিবার জন্ই অপ তত্বের অধিষ্ঠতরী 
বৈষ্কবী বা নারায়ণী-শক্তির বিশিষ্ট আবির্ভাব প্র 

(৩) তেজাংশে বা তেজতত্বেজাত কোটিৰীর্য্য দৈত্যগণ- ইহারা 
আদিত্য রুদ্র এবং অগ্নিতেজে জাত; এজন্য অত্যান্ত বী্ধ্যশালী, তাই 
£কোটিবীধ্য” বল! হইয়াছে। ব্রঙ্জলীলাতে এই কোটিবীর্ধা বংশীয় 
তেজস্বী দানবগণ দাবানলরূপে রাখাল বালকগণের ভীতি উৎপাদন 
করিলে, গ্রীক স্বয়ং এ দাবানল ভক্ষণ করিয়া, ব্রজধাম রক্ষা করেন এবং 
সখাগণেরও ভয় বিদূরিত করেন। এই অতি তেজস্বী কোটিবী্য্য 
দানবগণকে কে না ভয় করে? ইহারা যেন সাক্ষাৎ ভয়ম্বরূপ ! মধ্যম 
চরিত্রে, এই ভয়রূপী অস্থরের স্থশ্প্ ভাবকে “উগ্রবীধ্য”্রূপে বাখ্যা করা 
হইয়াছে; এখানে ভয়ের কারপণাংশ অভিব্যক্ত | ভয়রগী পাশ হইতে মুক্ত 
হইয়া মৃত্যু্জয়ী বা কালাতীত হইতে হইবে । কোঁটিবীর্যযগণের বিলম্ের 
সহিত ভয়ক্ূপী পাশটা বিনষ্ট হয়। কুত্রেতেজাংশযুক্ত পঞ্চক্লেশ__ 
(১) অবিগ্যা, (২) অস্মিতা (অহংকারের সুক্ধাবস্থা) (৩) রাগ 
(প্রাপ্তি ইচ্ছ। ), (8) দ্বেষ এবং (৫) অভিনিবেশ (পুনঃ পুনঃ ভোগেচ্ছা), 
দশেক্দ্িয়ের সহিত সতত ক্রিয়াশীল এই পঞ্চক্লেশ, দশেজ্িয়ের সহিত, 
গুণিত ও মিশ্রিত হইয়। পঞ্চাশং প্রকার বিভিন্ন তেজময় ' অবস্থা সি 
করে-ইহারাই কোিবীর্যের পঞ্চাশৎ কুল বা. বংশ। বিশেষত 
ক্রেশ বা ছুঃখের কর্তাও কু ]--এই রুত্রতেজেজাত ভয় | কৌঁটিবীর্ধ্য 








৬ 


অহরগণকে বিনাশ করিবার জন্য এবং ভক্তকে অভয় প্রদ্ধানের জন্যই 
ত্রিশ্লধারিণী মাহেশ্বরী বা কদ্রাণী-শক্তি রৌড্রার আবির্ভাব । 

(3). মরুৎ বা বায়ু অংশে জাত ধৃত্বং শার অনরগণপৃঁজা, এবং 
আরতি ধৃপকে বায়ুতত্বের প্রতীক বগি গণ্য করা হদ্ন; বাযুকে 
স্থলদৃষ্টিতে দেখা যার না, কিন্তু যখন ধৃপ অগ্নির সহায়তায় ধুত্রাকারে 
বাযুভরে নানাপ্রকার কুগুলী পাকাইয়া ক্রমে উদ্ধে উত্থিত হর, তখন 
আমরা বায়ুর ধূত্রাকার বিচিত্র গতিবা রূপ লক্ষ্য টিতে পারি; 


এইরূপে ধু বাযুকে আশ্রয় করিয়াই উদ্ধে উখিত হ হয়। বায়ুতত্বে জাত 
ঘুশিয়বাযুর আকারে 





এই বংশীয় তণাবর্ত নামক, দৈতা, ্ধীষ 
“কিয়াশীল হইয়া, প্রকে ধারপপূর্বক বিমান-পথে উখিত হইলে, 
ভগবান বিশ্বস্তররূপে তাহাকে পাতিত করিয়া বিনাশ করেন। 






উহা [দের স্বস্ব ভাবরূপ স্বভাব বা 1 সংস্কারাদি সহছে নষ্ট হয় ন|। 
এজন্য ধৌয়গনের ধিনাশের সহিত, “শীল নামক পাশটাও ছিন্ন হয। 
 দ্রেহস্থ পঞ্চপ্রাণ এবং প্রপঞ্চের কারণরূপ পঞ্চ তন্মান্র দশেক্দ্রিয়ের সহিত 
গুণিত হইয়। একশতপ্রকার বিভিন্ন অবস্থা সৃষ্টি করে-বায়ৃতত্বমর় 
অনৃশ্ঠ ধৌশ্ুগণ এইপ্রকারে শতকুলোস্ভব__ইহাদিগকে বিলয় করিবার 


জন্যই দেহস্থ গ্রাণময় ক্ষেত্রের বিশিষ্ট শক্তি বা মিহি বজ্তহস্ত! 


ইন্দ্রাণীর আবির্ভাব । 
(৫) আকাশ বা ব্যোম্তত্বে জাত কালক দৈ » দস 
প্ঝতত্ব ক্রমে লয় হইয়! আকাচশ পধ্যবসিত হয়ঃ আবার কাল-বর্ণে 


না 


স্পা 


.. অবিশ্বাসী ্ন্ত ৃম্বলোচনও এই বংশীয় অস্থর-_তাই অধ্িকাকে অপমান । 
করিবার জন্য বায়ুবেগে ধাবিত হইয়া দেবীর হস্কারে বিন হইয়াছিলল রর 
বাঘুর গুণ, চলন প্রসারণ আকুঞ্চন প্রভৃতি; স্ৃতরাং বায়ুতত্বে জাত, 
অস্থরগণের চাল-চলনরূপ স্বভাব ব1 শীল উহ্হাদের মজ্জাগত; অর্থাৎ 





শঞ্চতত্বের দুর্গ. ২ বত 


সকলপ্রকার বর্ণ বা রঙ লয় হইয়া কালই অবশিষ্ট থাকে; এজন্য 
সর্বলয়কারী কালক অস্ত্রগণ অত্যন্ত প্রবল ও শক্তিশালী । ব্রজধামে 
ইন্জ-কোপে আকাশে "সন্বর্তক” মেঘশ্রেণী, বজ্রপাত এবং বিবিধ উৎপাত 
ক্রিয়াশীল হইলে, ভগবান গোবর্ধন ধারণ করিয়া, আকাশের উৎপাত 
হইতে ত্রজধাম রক্ষা করিয়াছিলেন । ত্রেতা যুগে শ্রীরামচন্ত্র আকাশপথ 
হইতে যজ্র-নষ্টকারী তাড়কা, মারীচ প্রভৃতি আকাশতত্বে জাত 
অস্থরগণকে বিনাশ করিয়াছিলেন। কালক অস্তুরগণের অজ্ঞানতামূলক 
ভাব অতি প্রবল, এজন্য তাহারা অতান্ত হিংসা ও নিন্দাপরায়ণ স্থৃতরাং 
ইহাদের বিনাশের সহিত জুগুগ্না! বা নিন্দারপ পাশেরও বিলয় হয়। 
আকাশতব্বেজাত প্রবল কালক অন্ুরগণকে বিনাশের জন্যই আঅস্থিকা 
মায়ের শরীর হইতে আকশতন্বের বিশিষ্ট শক্তি অপরাজিতাবা 
শিবদৃতীর আবির্ভাব [ আকাশের গুণ শব, অপরাজিতাও শত শিবার' | 

ন্যায় নিনাদকারিণী ] 
ভগবান শ্ররীকুঞ্চের দ্বারকালীলার অন্তর্গত নরকান্থুর বধের সময়ে, 
নরকান্থরের পঞ্চতত্বমষ তুর্গদমূহ__অর্থাৎ ক্ষিতিদুর্গ, জলছুর্গ, অগ্নি 
বা তেজ দুর্গ, বায়ু দুর্গ এবং* আকাশ দুর্গ অতিক্রম করার পর, তাহার 
সহিত ভগবান যুদ্ধ করিয়া তাহাকে নিহত করিয়াছিলেন। এ যুদ্ধে. 
অগ্নি-বাণ, জল-বাণ প্রভৃতি পঞ্চতত্বের বাণসমৃহও ব্যবহৃত হইয়াছিল। 
স্ৃতরাং পৌরাণিক যুগের দেবী-যুদ্ধে উপরোক্করূপ পঞ্চতন্বময় সৈন্ের 
অবতারণা বা বিবরণ, নিতান্ত কাল্পনিক কিন্বা অশান্ীর বলা যায় না! 
বরং উপরোক্ত ব্াখ্যাদ্বারা ক্রয়ে নবশ ক্তিআবির্ভাবের এবং পৃথক্‌ পৃথক্‌ 
ুদ্ধ-লীলার একটা] ধারাবাহিক শুনা, নি নাথকতা এবং বিস্ময়জনক 
প্রযোজনীয়তা দৃষ্ট হইবে। ্‌ | 
(৬) মনতত্বে জাত ু্ববংপীয রগণ_-যাহাদের অন্তঃকরণ 


১৪৮ র শ্রীশ্রীচণ্তী- ডি ও সাধন-রহস্ত' 


বা হৃদয় দুষ্ট তাহারাই দুদ এজন্য মনের.৮ ঁরিকভাব হইতে কিন্থা, 
কুসংস্কার হইতে জাত আন্তরিক ভাবসমৃহ দৌন্দ্শ্রেণীর অন্তর্গত। 
ঠা এই শ্রেণীর অস্তভূক্তি অস্থর। গ্িত্যাদি পঞ্চতত্বে জাত 
অস্থুরগণ অপেক্ষা মনতত্বে জাত অন্থরগণ স্ক্মাতিস্থপ্ম, এজন্য অধিক 
শক্তিশালী | সন্বন্প-বিকল্পাত্মক্‌ মন হইত হওয়ায়, দুহদ্গণ 
অত্যন্ত চঞ্চল; চাঞচল্যহেতু, কোন বিষয়েই ভার স্থির বিশ্বাসী 
হইতে পারে না, সকল কার্যেরই ফললাভ বিষয়ে সন্দিহান) অর্থাৎ, 
শঙ্কা বা. আশঙ্কাধুক্ত হইয়া, তাহারা আরও চঞ্চল হয়। এজন দুর 
গণের বিলয়ের সহিত শক্ক। নামক পাঁশটাও লয় হইয়া যায়।, 
আজ্ঞান্চক্রই মনের নিজ অধিষ্ঠান ক্ষেত্র উহাতে পর পর ছুইটা স্তর 
আছে--(১) মনের চাঞ্চলা-স্ব ভাবঘুক্ত স্থক্স্তর । (২) সংস্কার ও বীজাংশ 
« লঙ্বলিত কাঁরণত্তর । মনটা যখন নিম্তর্ হইয়া স্থিরত! প্রাপ্ত হয়, 
তখন উহাতে সত্বগ্ুণময় একরস আনন্দের অভিব্যক্তি হইয়া থাকে 
এবং সেখানে বিষ্কুশক্তি সত্বগ্ুণময়ী বারাহীর আবির্ভাব হয়। 
কেননা মনের স্ুম্ক্ষেত্রোভূত চঞ্চল স্বভাবযুক্ত ছু অস্থরগণকে 
বিনাশ করাই তাহার অভিপ্রায়; আর কালিক! দেবী মনের কারণাংশে 
আবিভূতা হয়া 1 মনের সংস্কার ও বীজাংশে জাত তামসিক দুহ্দ্গণকে 


বিনাশ করিয়া থাকেন। স্থতরাং মনতত্বে জাত বিভিন্ন দৌহৃদ্গণকে 
বিনাশের জন্তই কালিকা এবং বারাহীর আবির্ভাব । 


(৭) বুদ্ধিতত্বে জাত মৌর্য অন্থরগণ_এই অস্থ্রগণ বুদ্ধিতত্বে 
জাত হওয়ায় শ্রেষ্ঠ সম্পদের অধিকারী হইলেও অবিষ্তা কর্তুক মোহিত 
এজন্য মূঢ ভাবাপর। ইহারা শ্রেষ্ঠ বংশজাত এজন অকিগানী; তাই 
চিতিশক্তি অস্থিকাকে বিশেষ্বপে দর্শন করিয়াও সাহারা মান বা' 
অভিমান পরিত্যাগপূর্ববক আব্মসমর্পণ করিতে পারিবে নাঃ তাই 


চর 





কাম. তৈরব-শাসনা - | ১৪৯ 


ইহাদের বিলয়ের সহিত মান নামক পাশটাও.. অবনত হইয়া! পড়িবে! 
বুদ্ধিতত্বে জাত মৌধ্যগণকে বিনাশের জন্যই, অসীমশত্তিশালিনী বিশুদ্ধ 
পতবগুণময়ী ত্নচারিণী বীধ্যমহরী কৌমারী শক্তি আবিভূর্তা। (৮) অহং 
তত্বেজজাত কালকেয় অস্গরগণ--সর্ববিলয়কারী অজ্ঞান-তমসাচ্ছনন 
কালক অস্গুরগণের সহিত সন্বন্ধযুক্ত হইলেও, ইহারা সক্াতিসথক্ষ এবং 
অষ্টধা প্রকৃতির সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ অহংতত্বে জাত; এজন্য ইহাদের ৃ 
জাতি বা কুলের অভিমান এবং € ভেদ-প্রতীতি সর্বাপেক্ষা অধিক; সতরাং, 
ইহাদের বিনাশের সহিত কুল নামক, পাশটাও বিলয় হয উহাদের ঃ 
বিনাশের জন্যই সর্ববভেদনাশিনী সর্ধব্যাপিনী চিতিশক্তি নারসিংহ্থীর 
আবির্ভাব। লৌককভাবেও কৌলিন্ত বাঁ আভিজাত্োর অভিমান বা! 
সংস্কার-জনিত ভেদভাব সহজে দূর হয় না) এজন্য উহা ত্্ষজ্ঞান কিন্বা 
আত্মজ্ঞান লাভের বিরোধী বাঁ পরিপন্থী! জীব-দেহের সমস্ত বৃত্তি ও* 
ইন্দরিয়সম়ুহ কাম-কামনার অন্ুগত; বিশেষত: রামের অপ্রতিহত প্রভাবে 
দেববৃত্তি এবং আস্থরিক বৃত্তি সমস্তই নিস্তেজ ও নিষ্রিয় হইয়া পড়ে! 
এজনা মন্ত্রে কামরাজ শুস্তকে ভৈরব-শাসন' বলা হইয়াছে 1-(৪-৭) 

আয়াতং চণ্ডিকাং দৃষ্টী তৎ সৈন্যমতিভীষণম্‌। 

জ্যান্বনৈঃ পূরয়ামাস ধরণীগগনাস্তরম্‌ ॥৮ 

ততঃ সিংহো মহানাদমতীব কৃতবান নৃপ। 

ঘণ্টান্নেন তান্‌ নাঁদান্‌ অন্বিকা চোপবৃতহয়ৎ ॥৯ 

ধনুর্জ্যা সিংহঘন্টানাং শব্াপৃরিতদিউজুখা |. ূ 

নিনাদৈ ভীষণৈঃ কালী জিগ্যে বিক্তারিতাননা ॥১ 

তং নিনাদমুপশ্রত্য দৈত্যসৈগ্যৈশ্চতুদ্দিশম।.. 
দেবী সিংহস্তথ! কাঁলী সরোষ্টষ, পরিবারিতঃ ॥১১- 





১৫০ ্রীপ্রীচণ্তী-তত্ব ও জাধন-রহস্ 


সত্য বিবরণ। চণ্ডিকা অতি ভীষণ সৈন্যবাহিনী আসতেছে 
দেখিয়া ধনট্কার-ধ্বনি দ্বারা ভূতল হইতে গগনমণ্ডল পর্যান্ত পরিপৃরিত 
করিলেন ॥৮। হে ৃপ! অনন্তর সিংহ অতিশয় গর্জন বা মহানাদ 
করিতে লাগিলেন। অস্বিকাদেবীও ঘণ্টধ্বনি দ্বারা সেই নাদকে 
: পরিবদ্ধিত করিলেন।৯। ধুর জ্যা-ধবনি, সিহের গঞ্জন এবং ঘন্টার 
 শন্ধে দিঙ্মগুল পরিপূর্ণ করিল, আবার বিস্তারিভাননা কালী, স্বকীয় 
ভীষণ নিনাদে সেই সমস্ত ধ্বনিকে অভিভূত করিয়া ফেলিলেন ॥১০। 
_মেই শব শ্রবণে ক্রুদ্ধ দৈত্যসৈন্থগণ চতুদ্দিক হইতে দেবী সিংহ এবং 
কালীকে পরিবেষ্টন করিয়া ফেলিল ॥১১ 

তত্ব-স্থধা। বিশুদ্ধ চক্রের বিলয় কাধ্য সম্পূর্ণ হওয়ায়, কুগুলিনী 
মহাশক্তির আকর্ষণে কামরাজ শুভ্ত সবান্ধবে ও সসৈন্যে অর্থাৎ সমগ্র 
, বলসহ অভিযান করিয়া দ্বিদল-পদ্মে উখিত বা সমাগত হইলেন__তাই 
বিশুদ্ধ পদ্পটী শ্লান হইয়! পড়িল। কামরাজকে সদলবলে উপস্থিত দেখিয়া 
চণ্ডিকা (ভ্রুদ্ধা অদ্বিকা ) ধনুকের জা-শবদ্বারা প্রণবময় ধরনি বা মহানাদ 
উথিত করিলেন। দ্বিদল-পন্মস্থিত মায়ের সেই মৃহাশবে সাধকের 
দেহ-পুরের মূলাধার হইতে বিশুদ্ধচক্র পধান্ত সমস্ত চক্রগুলি প্রকম্পিত 
ও প্রতিধ্বনিত হইতে লাগিল [তাই মন্ত্রে আছে-_-্ধরণীগগনাস্তরম্‌”্]। 
অতঃপর মাতৃপ্রাশ্রিত সত্বগুণান্বিত ধশ্বাত্বা পিংহও রজোগুণে উদ্বেলিত 
হইয়া, যুদ্ধে মায়ের সহায়তা করিবার জন্য সিংহনাদ ব1 ভৈরব গঞ্জন 
করিতে লাগিলেন! তখন ভক্ত-সম্থানের উৎসাহ দেখিয়। বিশ্ব-জননী 
তিগুপনয় ঘণ্টাধ্বনির মহানাদে পূর্বের সকল শব্ধ অভিভূত বা একা 
করত, ভক্তকে অভয় প্রদান এবং অস্থরগণকে সন্বত্ত নি ছুলিলেন। 
পরিশেষে গ্রলয়-ুস্ঠি কালিকা, করাল বদন বিস্তারপর্ধীক প্রলয়ক|রী 
বিকট্‌ চী্কারে সমন্ত শব নাদ ও গঙ্জন ডূবাইয়া [ভিন প্রথমে 





মায়ের যুদ্ধলীলা. | ১৫১ 


সত্বগুণময়ী অধ্বিকা সত্বগ্রণময় প্রণব ধ্বনি বা নাদ উখিত করিলেন; 


তৎপর মহাত্মা ধান্মিক সিংহ রজোগুণান্বিত হইয়া রজোগুণময় গঞ্জন 


করিলেন; তংপর চত্তিকা জিগুণময় ঘণ্টাধবনিষ্বারা সমস্ত, নিকে রি 





| কাতান করিলেন $ পরিশেষে তামসী কালিকা স্বর 
তমোগ্ুণময় মহাশবে সমস্ত নাগ স্তত্তিত ও 





করিতে লাগিল !--ইহাই তাঁৎপর্য্য | 


যেখানে অভয়া মা স্বম্ং প্রণব-ধ্বনিতে দেহ-পুর পুলকিত করিতেছেন, 


বিলয় করিয়া ফেলিলেন! ্ 
অর্থাৎ একমাত্র প্রলয়রপী শবই অবশিষ্ট থাকিয়া, সকলের ভীতি উৎপাদন 


ধেখানে ধাম্মিক সিংহ মভাশক্তিকূপিণী মায়ের শ্রীপা্পন্ন আশ্রয়ের বলে 


বলীয়ান হইয়া, ভৈরব-গঞ্জনে মায়ের জয়ধ্বনি উচ্চারণে উল্লসিত, যে 
অপূর্ব কারণময় ক্ষেত্রে কৈবলাদারিনী কালিকা, প্রলয়ের বিকট্‌ নিনাদ 
দ্বারা সর্ববিধ অনাত্ব-ভাব বিলয়ে নিমগ্না, সেখানে অস্থুর দলন অতি তুচ্ছ, 
কথা_-তথাপি যে যুদ্ধ, উহ! ভগবতীর ইচ্ছাকৃত অপূর্ব লীল'-বিলাস 
মাত্র। এতদিন সাধক স্বয়ং পুরুষকারবূপ সাধনাদ্বার1 ক্রমে অগ্রমর 
হইয়া, পরিশেষে মাতৃ-চরণে সর্বববিধ সাধন! সমর্পণ করিয়াছেন--পুরুষকার 
যে মায়ের, উহা উপলদ্ধি করিয়াছেন !--তাই তাহার নিকটে পুরুষ 
কার?--উহ1! মায়ের! কেননা পুরুষ বা পৌরুষই যে শক্তি !_-ভাই 
সাধক পুরুষকারকেও শক্তিময় ও মাতৃময়রূপে উপলদ্ধি করিয়া সমস্তই 
মাত-চরণে সমর্পণপূর্ববক উল্লাসে জয়োচ্চারণ বা আনন্দধ্বনি করিতেছেন « 

দ্িদল-পন্নে সমাগত দৈতাসৈম্তগণ প্রলয়কারী শবে আকষ্ট হইয়া 


মেরুণৃর্দে অবস্থিত সত্বপ্ুণময়ী কৌশিকী, রজোগুণময় সিংহ এবং 


তমোগুণময়ী কালীকে চতুর্দিকে বেষ্নপূর্রবক ঘিরিয়া ফেলিল। কেনন! 
এই তিনটা মহাবলের যে কোন একটাকে পরাজয় করিতে পারিলেই, 
দৈত্যপতি শুস্ত সন্তোষলাভ করিবেন ; আর যাহাতে কেহ পলায়ন 


১৫২ প্রীতরীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্য 


করিতে না পারে, রঃ ্াস্ত সৈনতগ্রণের উদদেষ্ঠ।-(৮-১১) 

এতশ্রিক্নন্তরে ভূপ বিনাশায় সু ববাম্‌। 

ভবায়ামরসিংছা নামতিবীর্যাবলা দিশ্৮। ॥১২ 

ব্রন্মেশগুহবিষ্ণনাং তথেন্দরস্তচ শক্তয়। 

শরীরেত্যো বিনিক্রম্য তদ্রপৈশ্চর্ কি ॥১৩ 
.. যস্ত দেবস্ত যজপং যথাভূষণবা ইস! 
তদ্বদেবহি তচ্ছক্তিরনথরান যোদ্ধ মাযযৌ ॥১৪ 

_ সত্য বিবরণ। হে ভূপতে ! ইত্াবসরে অস্থরগণের বিনাশের 
দি এবং দেব-শ্রেষ্ঠগণের কল্যাণার্থে ত্র! শিব কান্তিকেয় বিষ্ণু এবং 
 ইন্্রের অতিবীর্াবলাদ্বিত শতিসমূহ তাহাদের (ক্রদ্ধাদির ) শরীর হইতে 
 বিনির্গত হইয়। সেই সেই রূপ ধারণপূর্বক চণ্ডিকার নিকটে আগমন 
ৃ করিলেন |১২১৩| যে দেবতার যে প্রকার রূপ, যেবপ ভূষণ এবং 
ষেমন বাহন, ঠিক সেইরূপ, সেই ভূষণ ও সেই বাহন লগা দেবশভিগণ 
অস্থরগণের সহিত যুদ্ধ করিবার জন্ত আগমন করিলেন ॥১৪ 

তত্ব-্ুধা। এই মন্ত্রে শক্তি এবং শক্তিমান যে অভেদ, ইহা 
বিশিষ্টব্ূপে প্রমাণিত হইল; কেননা প্রত্যেক বিশিষ্ট দেবতা হইতে 
তাহার শক্তি, ঠিক তাহারই মত রূপ, খরশ্বধা, ভষণ ও বাডনাদিসহ 
নির্গত হইলেন-অর্থাৎ দেবগণ তৎতৎ রূপ, ভুষণ এ কাহনাদিসহ 
স্ীদেবতার মূত্ি ধারপূর্বক যেন রূপান্তরিত হইলেন, এতদ্বাতীত 
শক্তি, প্রভাব কিনব শত কোসিপ্ররারে ভেদ বা বৈদক্ষণা থাকিল ন। 1 
এই বিচিত্র ভাবটা শক্তিও শক্কিমানের অ ভেদ অতিপন্নকারক। 
ব্রজ-লীলাতে ভগবতী দুর্গা, বালক শ্রীকুষ্ণকে কেড়ে গ্রহণপূর্ববক, 
নত-্থধা পান করাইয়াছিলেন। আবার প্র: কালিকা 1 মৃত্তিতে 


শক্তি অদৃশ্য... - রি 


রূপান্তরিত হইয়া, আয়ান ও কুটিলাকে দর্শনদানে, শ্রীরাধিকার 
কলম্ক-ভগ্তন করিয়াছিলেন । তাই শ্রীক্কষ্ণের পক্ষে সাধক গাহিয়াছেন_- 
প্রাসমঞ্চে আমি নট বনমালী, অস্থর-লনে আমি মহাকালী; পীতান্থর 


যেই, দিগন্থরী সেই, নরমুণ্ডমালিনী। আমি বাজাই বীশী, আবি চালাই 
অসি, আমি কালা, আমি কালবরণী” ॥ ও 
শক্তি আননম্বরূপা, এবং সর্বকার্ধ্যের সক্ষম ও কারণরূপে বিদ্যমান; 
এজন্য উহা অনস্ত ও অবাক্ত--যেমন রসাখাদন বা আননের অনুভূতি : 
মাত্রই "মুকাম্থাদনৰত? : অর্থাৎ বোবার. আস্থাদনের ম্যায় মু বাও 
বাক্াদ্বারা উহ! প্রকাশ করা যায়না; সেইরূপ শকতিও মাতম: 
অনুষ্ট বস্তু; কেননা জীব-ন্দগতে আমরা শক্তির কার্ধ্যাংশ বা. ফলমাত্র 
দর্শন করিয়া থাকি, আর লম্বা কারণাংশ অরৃষ্ট অর্থাৎ ইজি গা: ৃ 
নহে। মাটটীর জাডা-শভভি, জলের তারলা-পক্তি, অগ্নির দাহিকা শক্তি | 
বায়ুর গতি-শক্তি এবং আকাশের নিঃসঙ্গ বা শৃন্যময় শক্তিসমূহ ক্রিয়া সীল 
হইয়া বাহ-জগতে কারধারপে প্রকাশ পায়, তখনই উহা! ইন্দ্রিয় রা 
বা ইন্দ্রিরের ব্ষিণীভূত হইয়া থাকে । 
মধান চরিত্রে দেবগণ পরাজিত হইয়া ভগবতীকে নিজ নিজ অস্ত্ররূপী 
শন্তিসমূহ মহিষান্র বধের জন্য সমর্পণ করিয়াছিলেন। এক্ষণে তাহাবা 
শরণাগতিদ্বারা মাতৃকপায় উচ্চতর অবস্থা প্রাপ্ত হওয়ায় কারণ-ক্ষেত্রে 
অস্ুর বিনাশের জন্য মায়ের সাহাধযার্থে নিজ নিজ অনুরূপ আত্ম-্শক্তিময় 
মৃত্তিমমূহ নির্গত করিয়া পরমাত্মময়ী ভগব্তীর সমীপে প্রেরণ করিতে 
সমর্থ হইফাছেন 1-ইহা শরণাগতিজনিত আধ্যাত্মিক ক্রম-বিকাশেন্ 
মধুমর কলম্বরূপ! এখানে মন্ত্রে ্রদ্ধাদি পাচজন দেবতার নাম উল্লেখ - 
আছে। বারাহী এবং নারসিংহ'ও বিষ্ণু-শাক) এজন্য বরাহ এবং 


নৃসিংহ দেবতার নাম বিশেষভাবে উল্লেখ হয় নাই 1--€১২-১৪) 








১৪৪ | ্ীশ্ীচণ্ডী-তত্ব ও সাঁধন-রহস্ত 


হংসযুক্তবিমানাগ্রে সাক্ষসূত্রকমগ্ুলুঃ। 
আয়াত ব্র্মণঃ শক্তি ব্রহ্মাণী সাভিধীয়তে ॥১৫ 
মাহেশ্বরী বৃষারঢা ত্রিশুলবরধারিণী । 
. মহাহিবলয় প্রাপ্তা চন্ত্ররেখাবিভূষণা ॥১৬ 
কৌমারী শক্তিহস্তা চ ময়ুরবরবাহনা | 
যোদ্ধমভ্যাযযৌ দৈত্যানস্বিকা গুহব্নূপিণী ॥১৭ 
_. তথৈব বৈষ্ণবীশক্তি গরুড়োপরি সংস্থিতা। 
[.. শঙ্খচক্রগদ শান্গ খিডাহস্তাভ্যুপাষযৌ ॥১৮ 
_সতা বিবরণ । প্রথমত; হংসযুক্ত বিমানে আরোহণ করিয়া 
অক্ষমালা ও কমগুলুধারিণী ব্রহ্মার শক্তি আগমন করিলেন; ইনি 
্রহ্মাণী নামে অভিহতা! হইয়া থাকেন (১৫॥ শ্রেষ্ঠ ত্রিশুলধারিণী, 
মহাসর্পবলয়| অর্দচন্ত্র-বিভূষিতা মাহেশ্বরী, বুষারঢা হইয়া [ ঘুদ্ধার্থে] 
সমাগতা হইলেন ।১৬। শক্তিহস্তা গুহরূপিনী (কার্টিকেয-রূপধারিণী ) 
অধিকাদেবী শ্রেষ্ঠ মযুর-বাহনে কৌমারী-শক্তিরূপে দৈত্যগণের সহিত 
ুদ্ধার্থে আগমন করিলেন ॥১৭। সেইরূপে বৈষ্ণবী শক্তি, শঙ্খচক্রগদা 
এবং শ্রেষ্ঠ খড়গ [কিন্বা ধন্ক ও খড়গ ] হস্তে গরুড়ে আরোহপপূর্ব্বক 
সেখানে উপস্থিত হইলেন ॥১৮ 
তত্ব-স্তুধা* এখানে পর পর অষ্ট-মাতৃকা-শক্তির স্বরূপ এবং 
'আবির্তীব বর্ণনা কর! হইঘ়াছে; এসঘ্ন্ধে প্রয়োজনীয় বক্তব্য সংক্ষেপে 
রি ত করা হইল। | 
(১) ব্রক্ষাণী_হষটিকারিী. কিগাশভতি_ বা্গী। মূলাধার 
পল্সের শক্তি-ক্ষিতিতত্বমরী বা বিরাট্রূপিশী।  হংসযুক্ত বিমানে 
আরঢা_হংস জলমধ্যে বিচরণ ও অবগ্রাহন করে; তথাপি তাহার 
শরীর জলে সিক্ত হয় না) হংস ত্রিবিধ স্থান-বিহারী। অর্থাৎ জল স্থল 


ও শূন্য, এই ত্রিপথে বিচরণশীল হইয়াও নিলিপ্রভাবাপন্ন | হংস অনার 
বস্ত পরিত্যাগ করত সার বস্ত গ্রহণ করিতে সমর্থ--কেননা সে জল 
হইতে ক্ষীর তুলিয়া হইতে পারে; এজনা জীরনুক্ত মহাঁপুরুষগণকে হংদ 
ব|পরমহংস আখা! দেওয়| হইয়া থাকে । এতৎব্যতীত হংস জীবের 
প্রাণস্বরূপ; অর্থাৎ জীবের শ্বাস-প্রশ্বামকেও হংস বল! হয়-_ শ্বাস ত্যাগে 
হং আর শ্বাস গ্রহণে সঃ উচ্চারিত হয়; এই হংসঃ বা সোহহং মন্ত্রই 
অজপা! জপ। এই মন্ত্র, কিন্বা ইষ্ট-মন্ত্রের সহিত যুক্তভাবে অজপা জপ, 
সাধকের ধন্মভীব স্যট্টির বিশেষ সহাঁয়ক। এইসব কারণে বিশুদ্ধ 
রাজোগুধময়ী ্টিকারিশী ব্রদ্ধাণীর বাহন--হংস। এবিষয়ে ইতিপূর্বে, 
কিছু উল্লেখ করা হইয়াছে । অক্গস্থত্র-_অক্ষরমালা বা বর্ণমালা. 
সমস্ত তত্বের সমষ্টি, এজন্য উহা! জপমালাঞ্গরূপেও মাতৃকরে ধৃত। 
কমগুলু-_কারণ-জলের পাত্র? অর্থাৎ সষ্টির বীজাণুসমূহ উহ্বাতে ধূত। 

২) মাহেশ্বরী তমোগুণমরী লয়কারিণী শক্তি, জ্ঞানময়ী রুদ্রাণী; 
তেজময় মণিপুর চক্রের শক্তি। বৃষার্ট- চতুষ্পদ ধশ্মই বুষন্বরূপ; ধর্ম 
অর্থ কাম এবং মোক্ষ এই চতুর্বর্গ ই ধর্মরূপী বৃষের পদচতুষ্টয় ; মতান্তরে, 
ধর্মের আশ্রয়রূপ চতুর্জগত, কিন্বা তপ শৌচ দয়া এবং দান, এই চারিপাদ 
ধশ্ম। জ্ঞানময়ী মহাশক্তি ধশ্মকেই বাহন করেন; অস্বিক! মাতা ধন্মাত্বা! বা 
ধন্ম-সমষ্টিরপী সিংহকেই বাহন করিয়াছেন। ত্রিশুল সম্ন্ধে পূর্বে 
ব্যাখ্যা কর! হইয়াছে ; মৃহাঅহি ( সর্প) বলয়াঁ_কুটিল কন্ম সংস্কারের 
সমট্িই “অহি-বলয়” ; মহা বলার তাংপধ্য এই যে, উন 1 এত প্রভাবশালী 








*জপের মালাতে সাধারণতঃ ১০৮টা ফল বা গোলক থাকে। জনৈক 
বৈষ্ণব মহাত্বা উহাকে এইরূপ ব্যাখ্যা করিয়াছেন, ঘথা-_অষ্টসী+ 
চৌষট্ি গোপী+ দ্বাদশ গোপাল+ অষ্ট মুনি অষ্ট খষি+ তিন বা 
+ তিন বস্+ রাধারুষঃ- ১০৮ 





৫৬: ্রীত্রীচতী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


'ষে, জগন্সাতা গনেশ-জননীও উহার প্রভাবে প্রভাবিত__তাই তাহার 
পিতা দক্ষের অজমূণ্ড এবং পুত্র গনেশের গজ-মুণডব্যবস্থিত হইয়াছিল! 
আবার যছু বংশের প্রতি ব্রন্ষশাপ হেতু, ভগবান শ্রীরুষের শ্রীপাদপন্মও 
ব্যাধের শরে বিদ্ধ হইয়াছিল ! চন্্ররেখা ভূষণ-মায়ের ললাটে অর্দচন্র 
স্থশোভিত, আপ্র মহেশ্বরের নামও শশিশেখর'--তিনিও ললাট-প্রদেশে 
অর্ধচন্দ্র ধারণ করিয়া থাকেন স্থতরাং উভয়ের চন্দ্র মিলিয়া পূর্ণচন্তরকূপে 
পরিণত হয়। তাই হোঁয়ালী আছে-_অষ্টমীতে পর্ণচন্ত্র, কে দেখেছে 
বল? উত্তর এই যে, খ্রীশ্রুর্গাপূজার মহাষ্টমীর রাত্রে মায়ের ললাটস্থিত 
 'অর্ধচন্ত্র, আর আকাশে উদ্দিত অষ্টমী তিথির অর্দচন্ত্র উভয়ে মিলিয়! 
যেন পূর্ণচন্দ্ের উদয় হইল। কিন্বা দুর্গা গ্রতিমার উর্ধাংশে চিত্রপটে 
মহেশ্বর অধিষ্ঠিত থাকেন; সুতরাং দুর্গার এবং মহেশ্বরের অর্দচন্্র্বয 
, মিলিত হইয়া, যেন পূর্ণচন্দ্র্ূপে দ্রেদীপ্যমান হইল! মন্ত্রে চন্ত্ররেখা, 
_ উল্লেখ থাকায়, রেখা শবে চন্দ্রের ন্গীণকলা অর্থাৎ বাল-চন্দর্রেরভাব 
অভিব্যক্ত, এরূপও ব্যাখ্যা করা যাইতে পারে । 

(৩) কৌমারী--দেবসেনাপতি সর্ববিজয়ী কান্তিকের শক্তি; 
-ইনমি ব্রম্ষচারিণী এবং দেবভাব পরিচালনকারিণী মহাতেদম্বী শক্তি; 
এজন্য তাহাকে অস্থুর বিজয্ননীরূপেও উল্লেখ করা হয়। শক্তিহস্তা- 
্রক্ষচধ্য প্রতিপালনে যে অসীম বীর্ধ্য ও শক্তিলাভ* হয়, ইনি সেই 
সর্বববিজয়া শক্তিকে ধারণ করিয়াছেন। ঘিনি কামকে সম্পূর্ণ পরাজয় 

করিগাছেন, তাহার পক্ষে অন্যত্র পরাজয়ের সম্ভাবন! কোথায়? তাই 


পাশপাশি পশপাপাপি পপ পি পপি িপপিদপীশিশিলাশাশশশিপাপিপিসপাপশিীিপীপপীপীী পিপাসা শিপিপীপপা তি পাপিশীদাপািপপাশ এপাশ িিিশাটি 





ক্তুকতদ্রবোর সারাংশ সপ্তপ্রকার পরিণাম প্রাপ্ত হইয়া, পরিশেষে 
শুক্ররূপে পরিণত হয়। উহার স্ুত্্রাংশই ওজ: বাঁ স্থত্েজ ; উহাই 
সংযমী নর-নারীগণের দেহে বর্ষণ্য-জ্যোতিরূপে প্রকাঁশ পায়। এই 
ওজ:ই বল-বী্ধ্য স্বৃতি-মেধা! প্রভৃতি লাভের একমাত্র কারণস্বরূপ। 


বৈষ্বীরযড়ভুজ ৮৫4, 


কৌমারী সর্ববিজরিনী মহাশক্তি। এজন্য মন্ত্রে তাহাকে গুহরপিণী- 
অন্বিকাদেবী বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে। কৌমারী ময্ুর-বাহনা_- 
মযুর, সর্প ভক্ষণ করিয়া থাকে; সর্পের কুটিল গতি এবং খলস্বভাবই 
তাহাকে জগতে ভীতিপ্রদ করিয়! রাখিয়াছে ; স্কৃতরাৎ যিনি কুটিলতাময় 
চাঞ্চল্য কিছ্বা কুবুদ্ধি-প্রণোদিত, অপকারী বা হিংসাত্মক খল স্বভাব 
পরিত্যাগ করিয়া সরলপ্রাণ এবং পরোপকারী হইয়াছেন, তিনিই 
ময়ুর-ধশ্র্ণ এবং কৌমারী-শক্তিকে ধারণ করিবার উপযুক্ত। ব্রহ্মচারিণী-.. 
হেতু কৌমারীতে বিশ্তদ্ধ বুদ্ধি এবং মেধার বিশিষ্ট অভিব্যক্তি, এজন - 
তিনি বুদ্ধি-তব্বে জাত অস্ুরগণকে বিনাশের জন্য আবিভূ্তা। 

(৪) বৈষ্কবী- সবগুণময়ী পালনীশক্তি ; অপ তত্বময় স্বাধিষ্ঠান-. 
চক্রের অধিষ্ঠাত্রী পালনকারিণী-শক্তি। বৈষ্ণবীর হস্তস্থিত অস্ত্রাবলীর' 
ব্যাখ্যা পূর্বে করা হইয়াছে; তবে তাহার হস্তস্থিত শা “বাক্যটার,_ 
ব্যাখ্যা প্রয়োজন । সাধারণভাবে নারায়ণী-শক্তি বৈষ্ণবীর চারিটী হস্ত; 
কিন্তু এখানে শঙ্খচক্রগদা শার্গ ( ধনু) এবং খড়গা এই পাচটী অন্বেরঞ 
উল্লেখ দেখা যায় । ধন্থ থাকিলে সেখানে বানও থাকিবে, এজন্ত মায়ের 
ষড়ভূজ নুচিত হইতেছে । বামণ পুরাণে, বৈষণবী মায়ের উপরোক্ত 
ষড়বিধ অস্ত্রসহ ষড়ভূজের উল্লেখ আছে। আর “তবপ্রকাশিকা- 
টাকাকার এখানে চাবি হস্ত্রে চারি অস্ত্র থাক! সাব্যস্ত করিয়া শার্গকে 
ধ খড়োর বিশেষণ করিয়াছেন ৭ ষথা--শার্শ অর্থ-(১) প্রধান বা 


* পা্চজন্য নামক শখ, কুদশন-চক্ত, কৌমোদকী-গদা, বৈষবীয় 
রক্ষাকারী ধন্থ (শার্গ) ও বাণ এবং নন্দক নামক খঙ্জা-_এইসব : 
বৈষ্কবাস্জ। 

প' শৃঙ্গং প্রধানং স্বার্থে ণ, ইতিশাঙ্গ? | যদ! শৃ্ধনত 
ইতিশার্গ৫ তত্ময়মুিত্বাৎ লক্ষণয়া খড়েগাহপি শাঙ্গ উচ্যতে। 





১৫৮ | শ্রীশ্রীচ্ী-তত্ব ও সাধন-রহস্থয 





? শ্রেষ্ঠ (২ ) শৃঙ্গের অংশযুক্ত; অর্থাৎ খড়গ ধারণ করিবার স্থানটা শূর্ণ 
বারা রর থাকে। বৈষ্কবী গররুড়- 'ৰাছনা_যেমন ছুইটী পাখা এবং 
: গরকটী পু পুচ্ছ বাতীত পাখী আকাশে উড়িতে পারে না, সেইন্বপ সচ্চিদানন্ন 
.. আকাশে উড়িতে হইলে, জঞান-কর্ন্প দুইটা পক্ষ এবং ডকতিরূপ 
শু প্রয়োজন হত__পাখীক পুচ্ছটী নৌকার হালের মত গন্তবাস্থানে 
পরিচালনা করে; ভক্তিময় পুচ্ছও তদ্রূপ। কর্ম জ্ঞান তত্তির 
সাম্তস্তে এবং আবর্তৃনে যে সত্বগুণময় মধুমতী ও বিশুদ্ধ অবস্থার উদয় 
হয়, উহাই গ্রুড়ম্রূপ1_-সেই গরুড়ই সত্বপ্তণময় বিষুকে ধারণ 
করিতে পারেন। গরুড়ও সর্গভোজী ; অর্থাং সর্পের রঙ্গো গুণময় কুটিল 
গতি এবং ভমো গুণঘয় খলম্ব ভাব ; গরুড় গ্রাস বা বিলয় করেন। ভাগবত 
গরুড়কে ত্রিব্দম্বরূপ বলিয়াছেন, যথা-"ত্রিবুদ্‌ বেদ; স্থপর্ণস্ত যজ্ঞ বহৃতি 
পুরুষম্”_অর্থাৎ বেদত্রযরূপী গরড় পক্ষী, বজ্ঞ-পুরুষ বিষ্ণু 
বহন করেন ।--(১৫-১৮) 
 যজ্ঞবারাহমতুলং রূপং যা বিভ্রাতো হরে; | 
শক্তি; সাপ্যাযযৌ তত্র রা বিভ্রতী তন্ুম্‌ ॥১৯ 
নারসিংহী নৃসিংহস্ত বিভ্রতী সদৃশং বপুঃ। 
প্রাপ্তা তত্র সটা ক্ষেপক্ষিপ্তনকষত্রসংহতিঃ ॥২০ 
বজ্বহস্তা ঠৈবৈন্্রী গজরাজোপরি স্থিতা । 
| টে সহত্রনয়ন! যথা শক্রস্তথৈব সা ॥২১ 
" » ততঃ পরিবৃতস্তাভিরীশানো দেবশক্তিভিঃ। 
 হস্তস্তামস্ুরাঃ শীষ মম গ্রীত্যাহ চত্তিকাম্‌ ॥২২ 
সত্য বিবরণ।। ফজ্ত-বরাহের গ্লায় রূপধারিণী কার শক্তিও 
বরাহ-মৃত্ঠি ধারণপূর্ববর মেখানে আগমন করিলেন ॥১৯| নারসিংহী নৃপিংহ 


দেবের তুল্য মৃত্তি ধারণপূর্ববক তথায় আগমন করিলেন; তাহার, 
কেশরাজির সঞ্চালনে নক্ষত্রমণ্ডল পর্যন্ত ইতস্তত; চালিত হি ॥২০ 
এইরপে 'সহআনয়না ইন্ত্র-শক্তি বঙ্জুহান্তে, এরাবন্ধে,. সা রণ. 
[আগমন করিলেন; ইন্দ্র যেমন ইনিও ঠিক সেইযপ। /| ২ঞজিযর 
ঈশান মেই, দেবশক্তিগণদ্বারা পরিবৃত হইয়া চণ্ডিকাকে ' বগি, আমার 
গ্রীতির জন্য, আপনি শীঘ্র এই অস্থরগণকে নিহত করুন ॥২২ 
তত্বস্ধা। (৫) বারাহী-সব্বগুণব়ী বিষ্ুশক্তি; মনোময় 
কোধের স্থক্ম অস্ত্র সিজন বরাহরূগী ভগবান বুন্ধরাকে 
প্রলয়-বারি হইতে দন্তদ্বার| উদ্ধৃত করিয়া, ধারণ কনিমাছিলেন_-িনিই 
যজ্জ-পুরুষরূপে পৃথিবীকে ধারণ ও গ্রতিপালন করিয়াছিলেন; এজন্য 
বিষু-শক্তি বারাহী ও ,জগতের এবং জীব-দেহের পালন ও ধাবণকারিণী 
জগদ্ধাত্রীরূপা। বরাভ--কালেরও পরিমাপক : চতুদ্শ মন্বস্তরে এক কল্প 
হয়; বর্তমানে আমাদের পৃথিবীতে শ্বেত-বরাহ-কল্প চলিতেছে এবং 
সেই কল্পের ছয়টা মন্বন্তর শেষ হইয়া, বর্তমানে সপ্রম মন্বন্তর চলিতেছে । 
(৬) নারসিংহী-_-অহংতত্বময়ী ;: ইনি ভগবান বিষুর সর্ধববা(পিকা 
চিশক্তি | গুরুরুপা প্রাপ্ত ব্রহ্গজ্ঞানী গ্রহ্ছাদ নানাপ্রকারে নিধাতিত্ত 
হইলেও সর্বত্র ব্রহ্মময় ইষ্টবূপী হরিকে দর্শন করিয়াছিলেন; পরিশেবে 
ভগবান নৃসিংহ মৃন্টি ধারণ করত, ভক্তের সর্ববিধ দুঃখ হরণ করিয়াছিলেন' 
_-এই বিষু-শক্তি কিন্বা! বিষুূপা শক্তিই নারসিংহী। মধ্যম চরিত্রে 
দুর্গাদেবীর ভূজস্হস্্রে দিউঅগুল সমাচ্ছন্ন হইয়াছিল; সেইরূপ “এখানেও 
সর্ধব্যাপিনী নারসিংহীর সমুজ্জল কেশরসমূহ, সমগ্র আকাশে সঞ্চালিত . 
'হইয়া নক্ষত্রম্ুলকেও সন্স্ত ও চঞ্চল করিয়া তুলিয়াছিলেন!- ইহা প্রলয়ের:. 
পূর্ধ্ব সুচনা মাত্র । হিরণ্যন্বরূপ চিদানন্দমর আত্মাকে যিনি কশিত বা. 
'দুঃখিত করেন তিনিই হিরণ্যকশিপু। নরগণ যখন ধর্ে সথপ্রতিষ্টিত: 








১৬০. ্াশ্রাচ শী-ঠন্ব ও সাধন-রহস্ত 


হন, তখন তাহারা নৃসিংহন্বরূপ ! স্থতরাং 2ুসিংহই হিরণ্যকশিপুরূপী 
আত্যস্তিক ছু থকে বিছুরিত করিয়া আত্মাকে উদ্ধার কৰিতে সক্ষম ! 





নে জী ইন কের শনাক্ত দো 
ৃ বে ; বজ্র এবং গম্জরাজ এরাবত সম্বন্ধে যথাস্থানে ব্যাখ্যা করা 
হইয়াছে । দেহ-পুরের ইন্দ্র বা পুরন্দর হইতে হইলে, সহত্রাক্ষ হইতে 
হয়, সব দিক দেখিতে হয়। স্ুলে সক্ষম কারণে, কোথায় কি দোষ বা 
ক্রটী-বিচাতিরূপ অস্থর লুক্কাফিত আছে, তাহ! এন্ধ্ী-শক্তি সহম্রলোচনে 
দর্শন করিয়া খুঁজিয়া বাহির করেন এবং বজাঘাতে তাহাদিগকে বিলয় 
করিয়! দেহ-রাজা, নল -কাননে পরিণত করেন !-_ভাই ম! সহম্র নদ্বনা | 





-* ঈশান-_প্রল়কারী' কালপুরুষ; তাই প্রলয় কাধ্যের সহায়িকা 
অষ্ট-শক্তি গণের আধার বা আশ্রয়ভূত হইয়া সমাগত | যেখানে প্রলয়- 
মুক্তি কালিকা ধ্বংস কাধ্যে উল্লসিতা, সেখানে তাহারই একাত্ম-ভাবাপন্ন 

কালপুরুষ ঈশানের আবির্ভাব প্রয়োজন । আব্রক্ম অণুপর্য্স্ত সকলেই 
কালের অধীন; তাই দেব-শক্তিগণ কালরূপী ঈশানকে মধ্যমণিরূপে 
পরিবেষ্টন করিয়া প্রলয়ানন্দে উদ্বেলিত হইয়াছেন । 

বিশেষতঃ জীশানরূপী ঈশ্বরের আটটী এশী-শক্তি বা ঈশ্বর-ধর্খ 
'আছে, উহাই যথাক্রমে মাতৃকা-শক্তিগণের মধ্যে বিকশিত, ষথা-_- (১) 
সর্বশক্তিত্ব (-__ ইহা! সর্ববিধ স্ষ্টিকারিণী ্রক্মাণীতে বিকাশ) 
(২) সর্বজত্ব (ইহা সর্ধজ্ঞানের আধারভূতা গা 
অভিব্যক্ত )) (৩) ব্যাপকত্ব (--ইহা সর্ধব্যাপিনী নারীসি 
ই (8). একত ("ইহা অত্বিতীয় কান বা কাঁলশক্তি- 





ঈশ্বর-ধর্দা ১৬১ 


কালিকাতে অভিব্যক্ত)। (৫) স্বাধীনত্ব (_ইহা দেবগণের 
অধিপতি ইন্দ্রশক্তি ্ীতে বিকাশ); (৬) সামর্থাত্ব (ইহা: 
মহাবীধ্যময়ী কৌমারী- শক্তিতে নিহিত ) (৭). পরোক্ষ ইহা 
অতীন্দিয় রাজের সর্ববিধ দর্শনের ক্ষমতা-_অর্থাৎ, গর-া পরম্াধ 
দ্শনাদি সন্বগুময়ী বাঁরাহীতে অভিব্যক্); (৮. মায়া-উপাধি : 
বানত্ব, (ইহা! বিষুমায়া বৈষ্ণবীতে অভিব্যক্ত).। ভগবান ঈশান 
অষ্টবিধ ঈশ্বর-ধর্লের মূর্ত শক্তিগণে পরিবৃত হইয়া সাধকের অক্টবিধ 
জীব-ধর্ন্ম নষ্ট করিবার জন্য উপস্থিত হইয়াচছন।--ইহাও মাতৃকা- 
শক্তিগনের আবির্ভাবের বিশেষ প্রয়োজনীঘ়তা-স্থচন! করিতেছে । 
ঈশান, চণ্ডিকা দেবীকে দানবগণের বধের জন্য অন্থুরৌধ করিলেন, 
--কেননা শক্তিমান প্রেরণা দিবেন, আর কার্ধা. করিবেন তৎশক্তি স্বয়ং ৷ 
ঈশান আরও বলিয়াছেন--আমার গ্রীত্যর্থে দানব-বধরূপ কার্য সম্পন্ন 
কর। যেখানে স্বয়, মহাশক্তি চণ্ডিকাও, ভগক্ানরূী ঈশানের প্রীতি 
সম্পাদনের জন্য কাধ্য করিতে উপদিষ্ট, সেখানে শিক্ষণীয় বিষয় এই যে-_- 


মানব মাত্রেরই ভগবহ গ্রীত্যর্থে সর্ববিধ কাধ্য করা কর্তব্য ইহাই 
মন্ত্রোক্তির অভিপ্রীয় ।_-(১৯-২২) 


ততো দেবীশরীরাৎ তু বিনিক্ষান্তীতিভীষণা । 

চগ্ডকাশক্তিরতুযুগ্রা শিবাশতনিনাদিনী ॥২৩ 

সা চাহ ধুত্রজটিলমীশানমপরাজিত)।। 

দৃতত্বং গচ্ছ ভগবন্‌ পার্শ্ব শুভ্ত নিশুস্তয়োঃ ॥২৪ 

ত্রহি শুস্তং নিশুত্তঞ্চ দানবাবতিগর্ধিবতৌ। 

যে চান্যে দানবাস্তত্র যুদ্ধায় সমুপস্থিতাঃ ॥২৫ 

সত্য বিবরণ । অনস্তর দেবী 'অস্বিকার শরীর হইতে অতি. 

ভীষগা উপ্রন্ভাবা চণ্ডিকা-শক্তি .বিনির্গতা 'হইলেন। ইনি অসংখ্য 





১১ 


| | ১৬২ ্রীতীচণ্ী-তত্ব ও সাধন-রহস্য 
শৃগালের স্ায় শিনাদকারিণী। [ কিন্বা চপ্ডিকা-শক্তি রিনির্গত| হইলেন । 


আর সঙ্গে সঙ্গে নিনাধকারিণী শত শত শিবা বা শৃগালও বিনিষ্ছান্তা 


হইল ]॥২৩া অনন্তর মেই অপরাজিতা (চগ্ডিকা-শক্তি) ধুত্রবর্ণ 


_ ম্ৃতয়পে গমন করুন ॥২৪।. অতিগর্কিত, শু-নিশুস্তকে এবং অন্ত যে 


সয়জ্ত, দ্ধানব যুদ্ধার্থে সেখানে . রা, ইডি 
ব্লিবেন ॥২৫ 

 তত্ব-স্থধা। অঙ্গিকা মা বিশ্বজননী এবং সর্ধকারণের কারণরূপা 
্াহার কারণময় শরীর হইতে অতি উগ্র! চণ্তিকারূপিণী শক্তি নিগত। 
হইলেন-ইনি আকাশতত্বমদী--এজগ্ত শতশত শ্শিবার স্তাঁয় তুমুল 
গঞ্ধন-কারিণী। শ্রিবাশতনিনাদিনী- প্রাচীন ও আধুনিক 


ীকাকারগণ এই মত অবলম্বন করিয়াছেন যে, চণ্ডিকার আবির্ভাবের 


সহিত শতশত শৃগালও উদ্ভূত হইয়াছিল; প্রলয়-লীলাতে শৃগালের 


নক 


রক্তপান. শোভনীয় বটে, তথাপি উহা চগ্ডিকার বিশেষণ রূপে অর্থ 
করিলেও অর্থাৎ শতশত শিবা বা শৃগালের ন্ায় গঞ্জনকারিণী চণ্ডিকা 
আবিভূতি! হইলেন, এই অর্থও অসঙ্গত নহে। “তত্প্রকাশিকা"- 
টাকাকার এই. পরবর্তীমতের বিরুদ্ধে মত দিয়া, উহার সাপক্ষে ঈশানের 
দৌত্য বাক্যের অন্তর্গত “তৃপাস্ত মচ্ছিবাঃ পিশিতেন বঃ”__“আমার 
শিবাগণ তোমাদের মাংসে তৃপ্তি লাভ করুক ; এই অংশ উল্লেখ করিয়া 
এখানেও শিবা অর্থে শুগাল, এন্সপ ব্যাখ্য। করিয়াছেন. কিন্তু ইহাও 


স্বপ্ন, কর] রূঠিন নছ়ে) কেননা এখালে...শিবা অর্থে__মঙ্গলকারিণী 


ছামুণ্ডা, মাহেশ্বরী প্রতৃতি মাতৃ-শক্কিগণরূপে : ধরিলেও-কার্থব হইবে না! 


ক্ষার -মন্ত্র্ও,আন়ছ যে রুজনীজ-বধান্তে মাতৃশ্ক্জিপ . 'অন্রগণের 


জপ! হইগ়্াছিলেন। বিশেয়তঃ 





রান অঙ্গ 1 &)] ) ১ ন্য্ন্দ , কা্জপ্তধা 8 
না 


পরাজিত মা 1 ১৬৩ 


শিবদৃতীর যুদ্ধ-বিবরণে উল্লেখ আছে যে, তিনি উচ্চ অষ্টহাসিদ্বারা, 
অস্থরগনকে মৃচ্ছিত করিয়! তাহাদিগকে ভক্ষণ করিয়াছিলেন! নিশুসত- 
বধের পূর্বেও তিনি সর্বাপেক্ষা অধিক গর্জন বা উচ্চনাদ করিয়াছিলেন : 
এবং নিওস-বধসতে,। তিনি চা এবং সি), অবশিষ্ট 'অন্্রগণকে রি 
€ অর্থাৎ তাহাদের মাংস) ভক্ষণ করিয়াছিলন! স্থ 1য়. 
নিনা্দিনী বাক্যটাকে শবতত্বমী শিবদূতীর বিশেষণরণে বাধ্য করাও . 
সমীচীন এবং সুসঙ্গত। | | 
মন্ত্রে ঈশানকে ধুজটিল' এবং মাকে অপরাজিতা বলা হইয়াছে । 
যুদ্ধরূপ প্রলয় আসন্ন; তাই মহেশ্বরের শুত্র-দেহে কালাবছিন্ন চৈতন্যের 
বা কালরণী প্রলয়ের কাল ছায়া পতিত হইয়া তাহার শ্বেতবর্ণ, ধৃষববর্ণে 
পরিণত করিয়াছে; আর তাহার স্বাভাবিক শুদ্ধ সরল ভাবটিও প্রলয়ের 
জটিলতায় স্কুচিত করিয়া তাহাকে যেন চিন্তিত করিয়া তুলিয়াছে! 
তাই মন্ত্রে তাহাকে ধৃমজটিল' বলা হইয়াছে। আকাশতত্বে শব্ময়ী 
শিবদুতী জাতা!; নিঃসঙ্গ ও নিলিপ্ত ভাবই আকাশকে সকলের কারণ, 
শ্রেষ্ঠ এবং অপরাজেয় করিয়াছে; তাই-_শিবদৃতীও অপরাজিতা । 
সাধক যখন সর্বকার্ধ্যে আকাশবং নিঃসঙ্গ ও নিলিঞ্ পরমভাব লাভ 
করেন, তখন তিনিও অপরাজিতার সন্তানরূপে প্রাতিভাত হন এবং 
স্বয়ং সর্বত্র অপরাজেয় হন !- ইহাই ভাঁৎপ্য | | 
ভগবতী ভগবানকে দ্বৃতরূপে প্রেরণ করিলেন-_-প্রলয়কারী চরম 
পন্থা অবলম্বন করার পূর্বে, প্রতিপক্ষকে সতর্ক করিয়া দেওয়ার 
গতানুগতিক প্রথা স্বাভাবিক এবং সন্রীচীন; তাই--কুকুক্ষেত্র 
মহাসমরের পূর্বেও ভগবান শীর্ণ দৃততপে অধর্সের প্রতীক দুর্্েখনের 
নিকট গমন করিয়া অপমানিত হইয়াছিলেন। ইহীতে এই শিক্ষ 
লাভ হয় যে, কর্তব্যকারধায অবশ্থাই করনীয়_-উহাঁ'র ফলাফল যতই বিরুদ্ধ, 


তত বু 











১৬৪ প্রীচ্ী-তন ও (সাধন-রহসত 


বা অপ্রীতিকর রি কেন, সেদিকে দৃষ্টিপাত না করাই উচিত। 
আর এখানে মন্ত্রে শুভ্-নিশুস্তকে স্মতিগব্বিত বল! হইয়াছে-_যাহারা। 
বলপূর্ব্বক পরমাত্মময়ীকে অঙ্বশায়িনী, করিতে দৃঢগ্রতিজ্ঞ”_তাহারা। 
অতিগল্সিত এবং কন্দর্পের দর্পে অতিদপ্পাঁ সন্দেহ নাই 1--(২৩--২৫) 
ব্রৈলোক্যমিন্দ্রো লভতাং দেবাঃ সন্ত হবিভূজিঃ। 
যুয়ং প্রযাত পাক্ালং যদি জীবিতুমিচ্ছথ ॥২৬ 
বলাবলেপাদথ চেদ্‌ ভবস্তে। যুদ্ধকাতিক্ষণঃ। 
তদাগচ্ছত তৃপ্যন্ত মচ্ছিবাঃ পিশিতেন বঃ॥২৭ 
সত্য বিবরণ। ইন্দ্র ভ্রেলোকা লাভ করুন, দেবগণ যজ্ঞভাগ 
ভোগ করন; তোমরা যদ্দি বাচিতে ইচ্ছা কর, তবে পাতালে গমন 
কর ॥২৬|' আর যদি তোমরা বল-গর্ধের গব্বিত হইয়া যুদ্ধাকাজ্ী হও, 
তবে শ্রী আগমন কর; তোমাদের মাংসদ্ধারা আমার শিবাগণ 
1 মঙ্গলকারিণী প্রলয়াত্মিকা মাতৃ-শক্তিগণ, কিন্বা শ্গালগণ] তৃপ্তি, 
লাভ করুক ॥২৭ 
 তত্বস্তুধা । ' এই দৌত্য-কর্মে মায়ের চারিপ্রকার উপদেশ 
.আছে--(১) ইন্দ্র জ্রিলোকের অধিপতি হউন-_অর্থাৎ স্থুল সুক্ষ কারণময় 
জীব-দেহে দেব-রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হউক | ইন্দ্রিয় ও বৃতিসমূহ সর্বববিধ, 
চাঞ্চল্য পরিতগুগ পূর্বক প্রশান্ত ও পরমরমে বিভাবিত- হউক 
_স্এইরূপে সাধক জীব-দেহে সর্বময় কর্তা'বা পুরন্দররূপে অধিষ্টিত হউন ॥ 
»(২) দেবগণ যজ্ঞভাগ গ্রহণ .করুন-_একাদশ ইন্দ্রিয়ের সর্বববিধ কাধ্যে 
সর্রতোভাবে ভগবৎ-কর্তৃত্ব এবং ভগরৎ. অধিষ্ঠান দর্শন - ও.অস্থভব. 
করাই-ইন্তিয়াধিপতি দেবগণের . যথাযথ, অধিকার... ' এ বিষয়ে, 
মধ্য খণ্ডে এবং এই খণ্ডে, বিস্তারিতভাবে: আলোনি৩ . হইয়াছে: 
2. অস্রগণ..পোাতালে- গমন. রকুক--সর্থাট: তাহাদের আবির 


্রিয়াশীলতা জঙত্বে পরিণত হউক-__তাহারা ঘেন দেবভাব সমূহের : 
কার্ধো কোনপ্রকার বাধা না জন্মায়। (৪) বলগর্কে গর্ধিত হইলে, 
বিনাশ অনিবার্য ইহাই চতুর্থ উপদেশের ভাবার্থ। বিবেকরপী 
জ্ঞানগুর জ্ঞানময় ঈশান সতত আমাদের অন্তরে অধিষ্ঠিত হইয়া, .. 
আমাদিগকে সছুপদেশ দরিতেছেন--আমার্দিগকে মঙ্গলের পথে সতত 
পরিচালনের চেষ্টা করিতেছেন; কিন্তু আমরা তাহার বাক্য অগ্রাহ্থ 
করত মোহময় কার্যে আত্ম-নিঘ়োগ করিয়া অতি দুঃখিত হইতেছি 
এবং অতিগর্ব বশতঃ আমরা বিনাশের দিকে মতত মুখের মত অগ্রসর 
হইয়া মৃত্যুকে বরণ করিয়া লইতেছি ! স্বতরাং ভক্তি ও মুক্তিকামী 
মানব মাত্রেঃই উপরোক্ত উপদেশ চতুষ্ট় নিজ নিজ ব্যক্তিগত জীবনে 
প্রতিপালন পূর্বক জীবনকে মধুময় ও শান্তিময় করা কর্তব্__ইহাই 
ভগবান ঈশানের উপদেশ সমূহের রহস্ত ও তাৎপর্য ।-(২৬২৭)  ** 
যতো নিষুক্তো দৌত্যেন তয়া দেব্যা শিবঃ স্বয়ং। 
শিবদূতীতি লোকেইন্সিংস্ততঃ সা খ্যাতিমাগতা ॥২৮ 
তেইপি শ্রুত্বা বচে। দেব্যাঃ শব্বাখ্যাতং মহাস্তুরাঃ। 
অমর্ধাপৃরিতা জগ্মর্যতঃ কাত্যায়নী স্থিত ॥২৯ 
সত্য বিবরণ । যেহেতু সেই দেবী (চপ্তিকা-শক্তি) স্বয়ং 
শিবকে দৌত্যকর্মে নিযুক্ত করিয়াছিলেন, সেই হেতু তিনি ইহলোকে 
'শিবদূতী” নামে প্রসিদ্ধ হইলেন ।২৮। শিব-কথিত দেবীর বাক্যসমূহ 


শ্রবণ করা মাত্র, সেই অস্থরগণ ক্রোধাবিষ্ট হইয়। যেখানে কাত্যায়নী 
অবস্থান করিতে ছিলেন, সেই স্থানে গমন করিল ॥২৯ 


তত্বন্থধা। মানবদেহে শিবদৃতী গুরুশক্তিরপা-শ্রীগুরু 
অভিলাষ করেন, সাধক-ভক্তের আস্থরিকভাব দ্লন হউক--তিনি য় 
কাধ করেন না, উপদেশরূপে প্রেরণামাত্র প্রদ্দান করেন; আর কাধ্য 





১৬৬. ! ্রীপ্তীচণ্ডী-তত্ব ও সাধন-রহন্ত 


. করেন গুরুশক্তি স্বয়ং।. এখানে দেবীমাহাত্বেও ঈশান স্বয়ং যুদ্ধ করেন 
: নাই-_ এখানেও তাহার শ্রীত্যর্ধেই অস্থুর বিনাশের আদেশ। এজন্ত 
 বিবেকরূপী জানগুর ঈশান আমাদিগকে ধশ্ার্থকামমোক্ষরূপ চতুর্বর্গ 
লাভের জন্য, আমাদের মনের উপরে অর্থাৎ মন-বুদ্ধির মধ্যস্থলে শতদলে 
ঃ (গুরুপন্ণে) থাকিয়া, সংভাবের প্রেবণাদ্বাৰ। আমার্দিগকে লতত 
অনুপ্রাণিত করিতেছেন! আর সেই প্রেরণ, ধৃহাতে সাধক-জীবনে 
মূর্ত হইয়া কার্ধ্যকরী হয়, এজন্য গরুশতিরিী শিবদূতী স্বয়ং নাদের 
বিকাশ করতঃ অন্থ্-দলনী মৃত্তিতে আবিভূতী! হইয়! তাহারই মঙ্কলময়ী 
প্রল়াস্তিকা শক্তিরূপা শিবাগণের সাহাযো, মাঁধকের অনাত্ম-ভাবসমূহ ... 
ৃ টা তাহার আত্ম-রাজা সংস্থাপন করেন। শতদল-প্স্থিত 
শু এবং গুরু-শক্তির ধ্যানে আছে__ 'বামুক্গপীঠে স্থিত দিব্যশক্কিং 
৬ ূর্ণ্পানিধানম্”__ইনিই আমাদের সব্বণঞজলা শিবদূতী। 
.. ইতিপূর্কে শিৰদূতীকে আকাশততের অধিষ্ঠাত্রী দেবী বলা 
হইয়াছে এবং আকাশতত্বের অস্থরগণকে দলন করিবার জন্যই, দেবীযুদ্ধে 
তিনি আবিভূ্তা, এরূপ বলা হইয়াছে; আর এক্ষণে শতদল-পন্মের গুরু- 
শক্তি বলা হইল-_ইহাতে বাহা-ৃষ্টিতে বিরোধ থাকিলেও, অন্ত টিতে 
উভয়ই সত্য এবং সামগ্রস্পূর্ণ। বিশ্ুদ্বচক্রের বা আকাশতত্বের 
অধিপতি পঞ্চানন সদাশিব ; স্বতরাং তংশক্তি ঘপবাদ্ধিন্াই শিবদৃতী। 
$র এবং গুরু-শত্তি যখন শতদল-পদ্মে অধিষ্ঠিত থাকেন, তখন 
উহ। তাহাদের ম্ববপভাবে বা গুণাতীতভাবে অবস্থিতি__সে অবস্থায় 
তাহারা নিক্ষিয়। শুধু ভক্তের ধ্যানের বিষয়ীভূত আনন্দময় পরম- 
বস্ত্ররূপে প্রতিভাত হন এবং করুণ-ৃষ্টিতে মুছুমন্দ হান্ট করত অবস্থান 


করেন 1-ইহা শতাঁল-পদ্নস্থ স্ব্ূপভাব। আর যখন গুরু-শক্তি সক্রিয় 
বা ক্রিয়াশীলা হন, তখন প্রপঞ্চের বা পঞ্চতত্বের সম্মিলিত অবস্থান্বপ 





গুরুশক্কি শিবদূত্তী : ডি ১৬. 


আকাশতবে উদয় হইয়া, সগুণভাবে ক্রিমাপরায়না, হন-!--সেখানেও 
জগদগুরু সদাশিব নিক্রিয়ভাবে থাকেন 1--তাই থি নিসা শিব বা 
মৃতবৎ ]। সেই গুরুকে আশ্রঃ করিয়াই গুরুশক্তি শিবদূতী ক্রিয়াশীল 
হইয়া অস্থর বিলয়ঘারা সাধকের বা ভক্তের মঙ্গল বিধান করেন; 
সুতরাং এই উভয় পন্মের বা চক্রের কার্যাবলী বিচার করিলে, লমত্তই 
শৃঙ্খলাযুক্ত এবং সামঞ্রস্তপূর্ণ বণিয়া বোধ হইবে। বিশেষতঃ শত্দল 
পদ্ম, গুপ্ত ব1 গোপনীয় পন্ম-_যট্‌চক্র ভেদ করার পর, সেই গুরুধাম 
দর্শন হয়-_ গুরু-শক্তি, এই সকল মঙ্গলময় সংবাদ জগতবাসীকে 
কুপাপূর্বরক প্রদান করেন, এজন্ও তাহার নাম শিবদূতী । 

ভগবান ঈশান যেরূপ, দেহস্থ অন্তর্জগতের গুরু, সেইরূপ দীক্ষা বা 
ম্ত্াত। গুরুও সেই পরমণ্ডর ভগবান ঈশানেরই প্রতীক্‌ এবং তাহারই ” 
বহিবিকাশ মার! তিনিই প্রতাপঘন বা সৎ, তিনিই প্রজ্ঞানঘন বা... 
চিৎ, তিনিই প্রেমঘন বা পরমানন্দস্বরপ ৷ শ্রীগুরুর প্রতি এবদ্িধ 
জলন্ত বিশ্বাসই সাধক-জীবনে আধ্যাত্মিক উন্নতি লাভের অন্ততম কারণ। 
এইনব কারণে শান্েও গু, মন্ত্র এবং ইষ্ট দেব-দেবীকে_ অভেদ বুদ্ধিতে 
দর্শন ও উপলদ্ধি করিবার জন্য ব্যবস্থা আছে !-এই তিনের এঁক্যজ্ঞান- 
লাভ করিতে পারিলে, আধ্যাত্মিক উন্নতির পথ গুরু-শক্তির কৃপাঘ্র অতি 
স্থগম হর। এজন্য বৈষ্ণব-গ্রন্থে শ্রীগুরুমাহাত্মা বর্ণনাতে আছে-_“ষদ্যপি 
আমার গ্ররু শুড়িবাড়ী যাঁয, তথাপি আমার গুরু নিত্যানন্দ রায়”। 








ঈশানের দৌত্যের উদ্দেশ্য সফল হইল না) কেননা-_“বিনাশকালে 
বিপরীত বুদ্ধি;”-_তাই মহান্থরগণ ক্রুদ্ধ হইয়া দ্বিদল-পন্মের যেস্থানে 
কাত্যারনী অস্বিকা অবস্থান করিতেছিলেন, সেখানে ততক্ষণাৎ যুদ্ধার্থে 
উপস্থিত হইল ।--(২৮২৯) 


9৬৮ উীত্রীচতী-তত্ষ ও সাধন-রহস্ 
ততঃ প্রথমেবাগ্রে শরশক্তটি-বৃ্টিভিঃ | 


'ববর্ষ,রুদ্ধতা মর্ীস্তাং দেবীমমরারয়ঃ ॥৩৭ 
:. সা চ তান প্রহিতান্‌ বাণাঞ্থ ,লচক্রপরশ্বধান্‌। 
 চিচ্ছেদ লীলয়াম্মাতধনর্শ ক্তৈ মহেষুভিং ৩১ 
 জত্য বিবরণ ৷ অনস্তর প্রথমেই অস্থ্রগণ ক্রোথে উম্মত্ত হইয়া 
শর শক্তি খট্টি বর্ষণঘ্বারা দেবীকে আচ্ছন্ন করিয়া ফেলিল 1৩ৎ॥ তখন 
দেবী, সেই অস্থুর নিক্ষিপ্ত বাণ শূল চক্র এবং পরশু গ্রভৃতি অস্তরসমূহকে 
সশব্দ ধন্থ: নিক্ষিপ্ত বাণসমৃহদ্বারা অবলীলাক্রমে ছিন্ন করিয়া দিলেন ॥৩১ 
তত্ব-্থধা। এইবার মহাযুদ্ধ আরম্ভ হইলে সর্বাগ্রে অস্থ্রগণ 
ক্রমণ করিল। অস্থরগণের ইহ চিরস্তন স্বভাব-সিদ্ধ ধশ্ম; কেননা 
টে তাহারাই সর্ধাগ্রে ধশ্মকৈে আক্রমণ করিয়া ধশ্মের গ্লানি বা 
সঙ্কোচভাব আনয়ন করিঘা থাকে । তাই গীতার “ঘন যদাহি ধর্শস্ 
গ্রানিঠবতি ভারত”; ভীগবতের _“অন্তগ্রভার উক্তানাং মাকষী 
তক্রমাশ্রিতং” এবং চণ্তীর--ইথং যদা যদা বাধা দানবোখা ভবিয়াতি” 
প্রভৃতি অভয় বাণীসমূহ সমস্তই অস্ত্রগণের অগ্রে আক্রমণের ফলস্বরূপ, 
ভগবান বা ভগবতীর আবির্ভাব এবং ভক্তের প্রতি অন্গ্রহ প্রকাশপুর্ববক 
ধন্ম-সংস্থাপন লীলা । 
যুদ্ব-লীলায় অস্থরগণ পরমাত্মাভিমুখী লক্ষা নষ্টকারী শরসমূহ, 
আন্তরিক প্রভাবময় শক্তি এবং উভয় পারে ধারাল অজ্ঞানতামর খষ্টি ব| 
খড়গদ্ধারা সর্ধপ্রথমে দেবীকে সমাচ্ছন্ন করিল; তখন দেবী স্বকীয় 
প্রণবময় বা প্রণব-শব্দায়িত ধন্ঃ এবং বোধময় ও রনগয় দিরা মহাবাণ- 


নিকরদ্ারা অস্রগণের অস্ত্রবূপ রি অবলীলাক্রমে বাঁ লীলাচ্ছলে 
নষ্ট করিয়া দিলেন। 


সাধক যখন আধ্যাত্মিক জগতে কারণময় দৃষ্টি প্রসারিত করিতে 





সক্ষম হও তখন তাহার অনুষ্ঠিত কর্মসমূহ ক্রমে প্রাণময় বোরময় রি 
এবং শক্তিময় বাঁ মাতৃময়রূপে প্রতিভাত হয়|: তখন নিজরত গ্রণব- পু 
জপাদিও যেন দ্বেহস্থ অষ্টধা প্রকৃতিরূপিণী মা স্বয়ং সম্পাদন করত, 
আনন্দলাভে পরিতৃপ্ত হইতেছেন!_ ইহাই যুদ্ধলী্ার রত 1৩৭০) 
_ তস্তাগ্রত স্তথা কালী শূলপাঁতবিদারিতান্।  ' 
খটটাঙ্গপোখিতাংশ্চারীন্‌ কুর্ব্বতী ব্যচরৎ তদা। ৩২ 
কমগ্ড লুজলাক্ষেপহতবীর্য্যান্‌ হতৌজসঃ। 
রহ্ষাণী চাকরোচ্ছত্রন্‌ যেন যেন স্ম ধাবতি ॥ ৩৩ 
মাহেশ্বরী ত্রিশূলেন তথা চক্রেণ বৈষ্ণবী। 
দৈত্যান জঘান কৌমারী তথা শক্ত্যাতিকোপনা ॥ ৩৪ 
এন্দ্রীকুলিশপাতেন শতশো দৈত্যদানবাঃ| 
পেতুবিদারিতাঃ পৃথ্যাং রধিরৌঘপ্রবরিণঃ | ৩৫ 
মতা বিবরণ। তখন কালীও সেই (কৌধিকী) দেবীর সম্মুখে 
শক্রগণাকে শুলাঘাতে বিদারিত এবং খটাঙ্গদ্বারা বিমদ্দিত করাবস্থায় 
বিচরণ করিতে লাগিলেন ॥৩২। ব্রহ্গাণী যুদ্ধক্ষেত্রের যে ষে প্রদেশে 
ধাবিত হইলেন, সেই সেই স্থানের শক্রগণকে কমগ্লুর জল-প্রক্ষেপদ্বার। 
হতবীর্ধা এবং নিরুদ্ভম করিতে লাগিলেন ॥৩৩| অতিকোপনা মাহেশ্বরী 
ত্রিশলদারা, বৈষ্বী চক্রদ্ধারা এবং কৌমারী শক্তিদ্বারা দতাগণকে 
নিহত করিতে লাগিলেন ॥৩৪॥ এন্দ্রী বজপপ্রহারে শতশত দৈতা ও 
দ[নবগণকে বিদীর্ণ করিয়া ভূতলে পাতিত করিলেন-_ তাহাদের রক্তধারা 
আ্োতের ন্যার প্রবাহিত হইতে লাগিল ॥৩৫ 
তত্ব-স্ধা। কুলকুগুলিনী শক্তি প্রথমতঃ মূলাধার চত্রস্থিত সদসৎ 
বৃত্তিসমূহের বীজ বা ব্যারণসমূহ বিকাশপূর্ব্বক গ্রহণ করিলেন; তৎপর 


আল লালন 


১৭৯. অীত্রচতী-ত ও সাধন-রহস্ত 


াধিঠান- -চক্রের সদসং ৃততিনমূহের কারণাংশ কট কর গ্রাস করিলেন। 
 এইন্ধপে ক্রমে পরপর বিশুদ্ধ-চক্র পর্যাস্ত তং তখভাবাপর় অন্থরগণকে 
 যযাথথভাবে নিজ কারণময়, দেহে বিলয়পূর্ভক সকলেরই  কারণাংশ বা 
বীজাংশসহ আজ্ঞা-চক্রে সমুখিত হইয়াছেন; এখানে কারণময় ক্ষেত্রে 
সমুখিত হওয়ায়, সর্শ্রেণীর অর্থাৎ সকল চক্রের কারণময় অবশিষ্ট 
শক্তিশালী আস্গরিক বীজশুলি ক্রমে মুণ্ত হইয়। গুকট হই; ইহািগকে 
শ্রেণীবিভাগমতে যথাযথ ভাবে বিলয় করিবার সস, চক্তশভিগণ বা 

. মাভশক্তিগণ সকলেই কারণমর আজাচকে আবিভূ তা ডাতারা অর 
বিগর কা জার করিরাছেন। প্রথমেই কালী, জান লয়কারী 
শ্‌লের আঘাতে এবং চূণরূপে বিলয়কারী থটাঙ্গের আঘাতে মন-তত্বের 
কারণাংশে জাত বং অস্তথ্রগণকে বিলয় করিতে লাগিলেন; 
অর্থাৎ তাহাদের অজ্জানতা বিদুরিত এবং মোহ নই করিয়া তাহাদিগকে 
দিবাজ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত করিতে লাগিলেন। ব্রহ্ষাণী, তাহার কমওলুস্থিত 
কারণ-বারি ছিটাইয়] ক্ষিতিতত্বময় উদাযুখগণকে হতবল ও নিক্রি্ করত 
বিলয় করিতে লাগিলেন এবং যে সমস্ত বীজ, তখনও অস্কুরিত হয় নাই, 
সেই আহ্থরিক বীজসমূহ কারণবারিদ্বারা সহি করিয়া ততক্ষণা২ বিলয় 
করিতে লাগিলেন; তৎসহ দ্বণ। নামক পাশটীও ছিন্ন হইতে লাগিল। 

অতিভুদ্ধ! রৌন্রা মীহেশ্বরী, জ্ঞানময় ব্রিশূলের আঘাতে কুত্রতেজ 

জাত কোটিবীধ্য অন্থুরগণকে বিলয়পূর্ববক তাহাদিগকে দিব্জ্ঞান প্রদান 
, করিতে লাখিলেন; তৎসহ ভয় নামক পাশটাও লয় হইতে লাগিল। 
বৈষ্ণকী, মহামায়ার মায়া-চক্রভে্ঁকারী দিব্য চক্রদ্বারা অপতত্বে জাত 
কন্ধুবংশীয় দৈত্যগণকে বিলয় করিতে লাগিলেন, অর্থাৎ তখন তাহাদের 


ভেদ-প্রতীতি নষ্ট করিয়! সর্বত্র একরস ব্রহ্মানন্দময় ভাব প্রতিষ্ঠা করিতে 
লাগিলেন; তংসহ সস্কোচভাব বা লজ্জী নামক পাশটাও লয় হইতে 





১7 সাই লিন সি নিল এও উই সিনা 





জাত মৌধ্য অনুরগণকে (বিনা: করিতে ঝিল? আগে আর ্‌ 
প্রতিষ্ঠার ফলে সাধকের শ্বতি-মেধা বল-বীর্ষোর উতৎকর্ধে। তাহার. 

শাস্তোজ্জলা বা৷ শাস্মর্ম-ভেদকারী বিশুদ্ধ বুদ্ধির উদয় হইতে লাগিল 
তৎসহ মান-অভিমাবের পাশটাও নষ্ট হইতে লাগিল। এঁন্জরী, তড়িৎ ৮ 
শক্তি বজ্দ্ধারা আঘাত করিয়া, বাযুতত্বে জাত ধ্তবংশীয় অস্থুরগণকে- 
বিলয় করিতে লাগিলেন; অর্থাৎ অন্তম্মখী বিছধতের প্রবাহে সাধকের 
প্রাণ-প্রতিষ্ঠা কার্য সম্পন্ন হইতে লাগিল-_-তখন রক্তরূপ রজোগুণের 
অন্তম্মথী ক্রিয়াশীলতাদ্বারা সাধকের হৃদয়-প্রদেশে যেন আনন্দের শত 
প্রবাহিত হইতে লাগিল। তৎসহ মজ্জাগত স্ব-ভাব বা শীল 
নামক পাশটাও বিলয় হইতে লাগিল ।- ইহাই যুদ্ধ-লীলার রহস্ত ও. 
তাত্পধা ।--(৩২-৩৫) চি 

তুুপ্রহারবিধৃস্তা দ'স্থাগ্রক্ষতবক্ষসঃ | 

বরাহমৃত্ত্যা ন্যপতংশ্চক্রেণ চ বিদারিতাঃ ॥৩৬ 

নখৈবিদারিতাংশ্চান্া'ন্‌ তক্ষয়স্তী মহানুরান্‌। 

নারসিংহী চচারাজৌ নাদাপূর্ণ দিগন্বরা ॥৩৭ 

চণ্তাট্রহাসৈরস্থরাঃ শিবদৃত্যভিদৃষিতাঃ। 

পেতুঃ পৃথিব্যাং পতিতাং স্তাংশ্চখাদাথ সা তদা ॥৩৮ 

ইতি মাতৃগণং ক্রুদ্ধং মর্দয়ন্তং মহাস্ুরান্‌' 

ৃষ্টাত্যুপায়ৈ ধিবিধৈর্নেশ্ত দে'বারিসৈনিকাঃ ॥৩৯ 

সত্য বিবরণ । বারাহীর তুগ্ডাঘাতে কোন কোন দৈত্য বিধ্বস্ত 
হইল; দন্তাঘাতে কাহারও বা হৃদয় বিদীর্ঘ হইল) আব কেহবা চক্রান্তে 
বিদারিত হইয়। ভূতলে পতিত হইল ॥৩৬। নারমিংহী সিংহনাছে 





১৭২  উদ্চতীতৰ ও সাধন-রহস্তয 


'দিউমগুল এবং নভোমগুল পরিপূর্ণ করিয়া নখেরদারা কতিপয় অন্নুরকে 
'বিদীর্ণ করত এবং অন্যান্য মহান্থরগণকে ভক্ষণপূর্ব্বক বিচরণ করিতে 
লাগিলেন ॥৩% শিবদূতীর € প্রচ (উৎকট্‌) অটহান্তে অস্থরগণ মৃষ্ছিত 
হইয়া ভূতগ্লে পতিত হইতে লাগিল ; অনন্তর তিনিও তাহাদিগকে 
ভক্ষণ করিতে লাগিলেন: ৩৮। এইরূপ বিবিধ উপায়ে মাতৃগণ 
-মহাস্রগণকে বিযন্দিত করিতেছেন দেখিয়া, দৈত্যাসেনাগণ পলায়ন 
করিতে লাগিল ॥৩৯ 
তত্বস্ধা-_বিষু-শক্তি বারাহী » সত্বপ্তণপ্রধানা হইলেও। ধর্ঘা 
রক্ষাকল্লে এখানে ত্রিগুণময় ভাবের অভিবাক্তি করিয়াছেন এবং যুদ্ধে 
তিবিধ অস্ত্র বাবহার করিয়াছেন, যথা--তুণ্ড, দন্ত ও চক্র ; বারাহী 
দন্তদ্বারা সাধকের আস্থরিক ভাবের হৃদয় বিদ্বারণপূর্ববক, প্রাণ-প্রতিষ্ঠাদ্বারা 
: ধর্মভাব স্থত্টি করিয়া থাকেন ; জ্ঞানাঙ্গস্বরূপ মস্তক বা তুাঘাতে আরিক 
ভাব ও অন্থভাব অপদারণ করত, সেই ধর্শভাবকে তিনি রক্ষা বা পালন 
করেন, আর চক্রদারা আত্ম-ভাব হইতে অনাত্ম-ভাবসমূহ সম্পূর্ণ লয় 
করিয়া সাধকের মনোময় রাজো ধর্ম-ক্ষেত্র প্রতিষ্ঠা করেন। এইবূপে 
বারাহী মন-তত্বের সুক্মাংশে জাত চঞ্চল স্বভাবযুক্ত ছুহদ অস্তরগণকে 
বিনাশ করিতে লাগিলেন; তৎসহ চাঁঞ্চলাজনিত শঙ্কা নামক পাশটীও 
লয় হইতে লাগিল। 
দেবীস্থুক্তের অহততত্বময়ী সর্বব্যাপিনী চিৎশক্তি নারসিংহী * 
শব্দতত্ময়্ মহানাদদার! দেহব্রক্গাণ্ডের দিউমগ্ুল এবং নভোমগুল 


প্রকম্পিত করিয়া, আন্রিক ভাবসমূহ তস্তপূর্বক দেবার বা ধর্মভাব 
ষ্টি করিতে লাগিলেন; [নাদ বা শব, কম্পন কষ্টতৈ উখিত হয়; 


৮ পপ পপ পিল 


..* “এষা 1 নারসিংহী স্ববমিদং জতি সর্বমিদং রক্ষতি সর্বমিদং 
: ২হরতি"--তাপনীয় শ্রুতি | 








স্থসজ্জিত যুদ্ধলীলা ১৭৩. 


আবার “কম্পনাৎ জগত”_-কম্পন দ্বারাই জগতের সর্ধববিধ সৃষ্টি হইয়া 
থাকে : পূজাকালীন সমবেত বাগ্ঘ-ধ্বনি, কম্পনাঘাতে মনৌলয় করিস 
র্মভাবের স্পন্দন স্টিকরে ]1. নারসিংহী চিন নখের আমাতে ্ান্থরিক ৃ 
অজ্ঞানতা অপসারণপূর্ব্বক ধপ্থকে রক্ষা করিতে লাগিলেন; আর. ০১৫ 
আহ্থরিক ভাবসমূহ ভক্ষণদ্বারা বিলয় করিতে লাগিলেন। এইক্ষপে 
অহংতত্বে জাত সর্বোচ্চ কুলাভিমানী বিপুল শক্তিশালী কাল্পকেয় 
মহাক্রগণ বিলয় হইতে লাগিল; তংসহ কুল নামক পাশটাও লম্ব 
হইতে লাগিল। শ্শিবদূতী প্রলয়কারী প্রচণ্ড অটট-হাস্যদ্বারা আকাশ, 
তত্বে জাত কালক দৈত্যগণকে মৃচ্ছিত করত ভূতলে পাতিত করিয়া 
ভক্ষণ করিতে লাগিলেন; অর্থাৎ তাহাদের আস্থৃরিক প্রগতি স্তস্তন 
পূর্বক, তাহাদের অনাত্মভাবসমূহ নিজ কারননয় অঙ্গে বিলয় করিতে 
লাগিলেন তংসহ জুগ্ুপ্লা বা নিন্দা নামক পাশটাও বিলয় হইতে 
লাগিল। প্রলয়কারী প্রচণ্ড নাদ বা অটু হাস্যই শিবদূতীর সর্বপ্রধান ৃ্‌ 
যুদ্ধাপ্ব। যেখানে মাতৃ-শক্তিগণ স্তরে স্তরে সথসজ্জিত হইয়া, যথাযথভাবে 
সর্বপ্রকার তত্বময় অন্থরগণকে বিমর্দন ও বিলয় কাধ্যে আত্ম-নিয়োগ 
করিয়াছেন, সেখানে অবশিষ্ট জীবিত অন্থরগণ প্রাথভয়ে পলায়ন করাই 
্বাভাবিক। তবে কালক্রমে স্থযোগ পাইলেই, পুনরায় - তাহারা; 
ক্রিয়াশীল হইবে, ইহাও তাহাদের অভিপ্রায়-_€( ৩৬৩৯ ) 
পলায়নপরান্‌ দৃষ্টা! দৈত্যান মাতৃগণান্দিতান্‌। 
. যোদ্ধ,মভ্যাযযৌ ক্রদ্ধো রক্তবীজো মহাস্থরঃ ॥৪০ 
| কব মৌ পৃতত্াস্ত শরীরতঃ। 
.. সমুৎপততি, রা স্তৎপ্রমাণ স্তদাম্থরঃ 09১ 


_.. জত্য রিবরণ।..মাতৃগণকর্তৃক নিশীড়িত দৈত্য সৈল্তগণকে পলায়ন 
করিতে দেখিরা, মহাস্থর -রক্রবীজ..অতি ক্ুদ্ধ-হই়াুদ্ধার্থে ধমাগত, 


১$৭৪ রি পচ ও চি সাহন-রহ 


হই 1:৪০ ॥ রজবীজের শরীর হইতে রক্ত-বিনদ যখনই ভূমিতে পতিত 
হয়। তখনই পৃথিবী, হইতে ততমদূশ অহথর উৎপর হইয়া থাকে ॥ ৪১ 
তত্বস্থধা। রক্তবীজ--অন্তঃকরণের বীজাংশে বা কারণাংশে 
অবস্থিত জগ্মজন্মান্তরের এবং ইহলোকের অনস্ত কর্পসংস্কার, 
কর্মাসক্তি, কর্মবীজ এবং স্ক্ষাতিহুহ্জম রজো'গ্ণময় কর্মপ্রবৃত্তি সমৃহই 
রক্তবীজ * _ইহা প্রবৃত্তি ও নিবৃত্তিভেদে দ্বিবিধ-_-জাগতিকভাবে 
ইহা অন্তঃকরণে অঙ্কল্প-বিকল্লাতুক্‌ চাঞ্চলা, বিষয়াসক্তিনয় বর্খপ্রচেষ্টা বা 
অনাত্মভাবে প্রবৃত্তিূপে প্রকাশ পায়; আর নিবৃত্তি পথেও উহা! 
ধর্শবিষয়ে সঙ্কল্প-বিকল্লাতুক চাঞ্চল্য, সাধনার অনস্ত প্রচেষ্টা, কিনব 
অতিরিক্ত ভাবোচ্ছাসরূপেও প্রকাশ পায়। দ্েহস্থ রজোগুণময় রক্ত 
এবং বীজই (শুক্র ) জীবের জীবনীশক্তি ; এজন্য জীব-দেহরূপ পৃথিবীতে 
ক্রিয়াশীল রক্তবীজও অনস্ত শক্তিতে শক্তিমান, তাই তাহনে বিলয় 
করিবার জন্য, সমবেত মাতৃ-শক্তিগণ যুদ্ধ করিবেন। রক্ত ও বীজ 
( শোণিত-শুত্র ) হইতে জাত, ষড়ভাঁব বিকারগ্রস্ত জীব-দেহের সহিত 
. স্তঃকরণজাত রক্তবীজের বিশেষ সহন্ধ বিজড়িত; কেননা শারিরীক 
উর অন্তঃকরণে ছুঃখ উপস্থিত হয়, আবার মানসিক অশান্তিতে 
বা দুঃখে শরীরটাও ক্রিষ্ট হয়; অর্থাৎ বাহ্-দেহ শুকাইতে থাকে। 
এখানে রক্তবী'জের বিশেষ আশ্রয়রূপ জীবের অন্তঃকরণ সম্বন্ধ যকিঞ্চিৎ 





গরক্তবীজ শুল্ভ-নিশুস্তের ভগ্বী ক্রোধবতীর : পুত্র; রজোগুণময় কামই 
, - প্রতিহত হইয়া ক্রোধরূপে প্রকাশ পায়; এজন্য ক্রোধবতী-পুত্র রক্তবীজ 
রূজোগুশময় কাম-কামনারই সংস্কার হইতে জাত -এবং অন্তঃকরণের 
অনন্ত বেগময়. তরক্ষরাঙ্গির সমষ্টি। চণ্ডীর কোন রোম সংস্করণে 
রক্তবীজ্কের উংপত্তি সম্বন্ধে, নিযবোক্ত শ্লোকটা ভারি পিং প্লোকের পর 
অধিক দুষ্ট হয়, যা--“ভাগিনেয়ো মহাবীর্ধ্ন্তয়োঃ শ-নিও্যোঃ | 
ঠিইনিনিটিহি জোঁঙো মহাবলপরাক্রম্ঃ 1৮ '* 








তি সি 8, ৮. ৭৫ 


উল্লেখ. করা প্রয়োজন। অস্তংকরণের প্রথম যুক্তি, (১) অন- 
ংশয়াখ্মুক বৃত্তি, সংকল্প-বিকল্প এবং সতত চাঞ্চলযই ইহার স্বভাব (২) 
বুদ্ধি__ইহা মন অপেক্ষা কতকটা স্থির, কেনন! বুদ্ধিই, মনের সংশয় 
নিরাসবা মীমাংসা করে। এজন্য ইহা নিশ্চয়াত্বক বৃত্তি1 তথাপি 
বুদ্ধি যতদিন ভগবৎ ভক্তি ও জ্ঞানের সহিত মিশ্রিত হইয়া 
“স্থিত প্রজ্ঞ” না হয়, ততদিন বুদ্ধির মালিন্য বা অধিশুদ্কতা বিদুরিত 
হয়না। (৩) অহ্‌ং__ইহ! জীবের অভিমানী বৃত্তি) যদিও অহংবূপী 
আমি বা জীবাত্মা জন্মমৃত্যুহীন, উপাধি বিহীন এবং অবিনশ্বর, তথাপি 
সংসার-স্থিতিকারিণী মহামায়া কর্তৃক বিমোহিত হইয়াই, অহংরূপী জীব 
দেহাত্বাভিমানী হয়; এইরূপে আমি জাত (অর্থাৎ আমার জন্ম 
হইয়াছে ), আমি জীবিত আছি, আমি বদ্ধিত হইতেছি, আমি পূর্ণত্ 
(যুবকত্ব) প্রাপ্ত হইতেছি, আমি জড়াগ্র্ত হইতেছি, আমি মরিয়া যাইব, 
এবদ্বিধ দেহের ছয়টা বিকারের সহিত অহংরূপী আমিও যেন সতত 
বিজড়িত এবং বিকারপ্রস্ত! তাই লৌকিক বাবহারেও বলা হয়-_ 
আমি স্থন্দর, আমি অসুস্থ, আপনি কেমন?  ইত্যাদি-_-এখানেও 
দেহবাজ্সাভিমান পরিব্ক্ত। (৪) চিত্ত_সংস্কার-বৃত্বি। প্রাক্তন 
'কন্মের এবং ইহজন্মে কৃত কর্মের সর্বববিধ সংস্কার চিত্তে, বীজাংশে সঞ্চিত 
এই চিত্ত অতিশ্বচ্ছ এবং : টৈতন্তম্বরূপ [ চিত্তই চিৎ-ত্ব ]) 
জীবনের ধারাবাহিক ঘটনাবলী, এই কারণরূপিণী চিন্তই (গ্রামোফোনের 
রেকর্ডের ন্যায় ) ধারণ করেন এবং আবশ্যক মত চিত্ব-দর্গণে - স্থৃতিরূপে, 
যেকোন অতীত দৃশ্য বাঁ ঘটনা ম্মরণমাত্র প্রাতিবিশ্বিত হয় বা ফুটিয়া - 
উঠে। এজন্য চিত্ত, মনবুদ্ধি-অহংকপ ভরিগুণের জননী বা কারিণ- 
্বয়পা। অস্তঃকরপের এরই বৃ্তিতুষর .বাহ্যনুষ্টিতে. পৃথক. পৃথক 
“বোধ হইলেও, প্রকৃতপক্ষে“উহা দের -ক্রিরা খুগলৎ্ সম্পর্ক হইয়া, থাকে |, 





১৭৬ ্রীশ্রীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


দৃষ্টান্ত যথা--একটা গোলাপ ফুল দর্শন ক্ষরা মাত্র মন প্রশ্ন করিল, এটা 
কি? বুদ্ধি মীমাংসা করিল, ইহা গোলাপ ফুল) অহং অভিমান 
করিল--আমি গোলপ ফুলটা ছা আর চিত্ত দেশকাল- 
পাত্রাঞছসারে, অর্থাৎ যে দেশে যেকালে এ৭ খে অবস্থায় এ ফুলটা 
দর্শন হইল, উহ] যথাযথভাবে গ্রহণ করিল? চুলা উহা! চিত্তে সংস্কার- 
রূপে দাগ লাগিয়। গেল। এই নিয়মে, অন্তঃকরণের সমস্ত কাধ্যাবলীই 
যুগপংসম্পন হয়! জীব-জগতের অনন্ত সংস্কাররাশি অন্তঃকরণেই 
ফুটিয়া উঠে !--এই সকল পরি সংস্কার।. অনন্ত চাঞ্চলা এবং চিত্তের 
আবেগমর আসক্তি বা তর্গরাজিই রক্তবীজের 'দ মৃদ্তি ধারণ । 
.... পৃথিবীর পাচটা গ্রণ, যথা--ধব, স্পর্ণ, রূপ, রম ও গন্ধ; এই পঞ্চ 
নি বা পঞ্চততবমর পৃথিবীতে, 'রক্তবীঙ্জের রক্ত-বিন্দু পতিত 
হইলেই তংসদৃশ অস্থুর উৎপন্ন হয়--ভগবান গীতাতে বলিয়াছেন যে, 
“বিষয় চিন্তা! করিতে করিতে আসক্তি জন্মে)” স্থৃতরাং আসক্তির 
কারণ বা জননী বিষয়--এই আসক্তি বা অন্ুরাগই রজোগুময় 
রক্তবীজ-_“রক্তমন্তরাগঃ বীজং কারবংন্ইতি” অর্থাৎ রক্তই অন্ররাগ, 
বীজ কারণস্বরূপ; স্থতরাং কারণময় অন্রাগ যখন বীক্জাকারে পৃথিবীরূপী 
পঞ্চবিধ বিষযূর অন্থুপ্রবিষ্ট হর, তখন, নৃতন নৃতন সমবল রক্কবীজরূপী 
অনন্ত অনুর স্থটি করিয়া থাকে! অর্থাৎ রক্তরূগী অনুরাগ, 
বীজাকারে বা কারণময় অবস্থায় চিত্তের কারণময় ক্ষেত্রে অবস্থান 
* করিতে থাকে, তংপর দেশকাঁপ পান্রান্থদারে যখন & বীজ বিষয়রূগী পৃথিবীর 
সহিত যুক্ত হয়। তখন অনুরাগ ও বিষয়ের সংমিশ্রণে সেইবীজ মূর্ভ ওসুরজিত 
হইয়া প্রকট হইয়া -থাকে-_ইহাই"বছু রক্কবীজ্ত উৎপত্তির তর ও রহল্য ! 
 র্রক্তবীজের রক্ত' পৃথিবীতে পতিত হইলেই সমবলী রক্তবীজ 
উৎপন্ধ: হয়--ইস্থার সহিত জীব*্দেহছের, উৎপন্তি ও পরিপু্ি গ্রভৃতি 





ভরিবিধ গর্ভ: 


কার্যযাদিরও সাদৃশ্য আছে, ঘা প্রাকৃতিক নিয়মে বিশিষ্ট জীব মারেরই 
দেহ-ধারণকালে, ভ্রিৰিধ গর্ভ ভোগ করিতে হয়-(১) উধধি-গর্ভ; 
(২) পিতৃ-গর্ভ। (৩) মাতৃ-গর্ভ। প্রথমে জীব-দেহ ক্ঠির মুল বীজী 
তুবলোক ব। অন্তরীক্ষ হইতে পতিত হইয়া, পৃথিবীর সহিত সংযুক্ত, 
পৃথিবীর বাসে পুষ্ট, কোন উধধি-গণ্ডে প্রবেশ করে? অর্থীৎ ধান্য, যব বা 
অন্ত কোন প্রকার উদ্ভিদজাত থাণ্-দ্ুব্য, যাহা ভবিষ্যতে জীবের পিতা 
ভক্ষণ করিবেন, সেরূপ কোন সজীব ওুঁষধিতে অজ্ঞান অবস্থায়, কারণরূপে 
প্রবেশ করে। তৎপর মেই মূলবীজটা খাদ্য-দ্রব্য ভক্ষণের সহিত 
পিতৃ-দেহে প্রবিষ্ট হর1-_-সেখানেও সেই বীজরূপী কার্ণময় জীবকে 
দশটা গভ ভোগ করিতে হয়) [কফ, পিত্ত, বাযু--এই তিনটা 
বিশিষ্ট ধাতুমর গর্ভ এবং রস রক্ত মাংস মেদ অস্থি মজ্জা ও শুক্র, 
এই সপ্ত ধাতুঘয় গর্ভ *] পিতৃ-দেহে উক্ত দশটা গর্ভে বা গভাষ্কে, 
অবস্থিতি করার পর, এ ক্ীব-বীজ যথানিদিষ্ট কালে মাত-দেহে 
প্রবেশ করে । সেখানে মাতৃ-দেহের রক্দ্বারা সে নিজকে ও 
করিতে থাকে । বৃক্ষের 'গ্র যেমন মাটাতে উপ্ত হইলে, উহা নিজ 
আকর্ষণী শক্তিদ্বার| পৃথিবীক্বপা দ্রেহ হইতে আবশ্যকীয় সমস্ত ভ্রব্য 
আহরণপূর্বক, ক্রমে নিজ দেহটা পুষ্ট ও বদ্ধিত করিতে থাকে? সেইসব 


লা পপ পা০০০,০৭ 








২৮াশিও পাপ » শপ পিপি? িত পিসি 


* শান্্রমতে-_হু্তদ্রব্যের অসার অংশ মল-মূত্রাদিরূপে শিগত হয, 
আর নারাংশ রলরূপে অবশিষ্ট থাকে । এ রম, চারি দিবসে রক্তে 
পরিণত হয়, তংপর চারি দিবসে মাংসে পরিণত হয়) এইরূপে 
মাংস-দেহে চাবি দিবস অতিক্রম করার পর, উহ মেদে পরিবন্তিত হয়; 
ক্রমে চারি দিবসে অস্থিতে, চারি দিবসে মজ্জায় এবং পরিশেষে চারি 
দিবসে শুক্রে পরিণত হইয়া থাকে 1. অর্থাৎ তুক্তদ্রবা, মোট ২৮ দিবসে 
শুক্রে পরিণত হয়-_এজন্য শুক্র বীধ্যময়, রিহিতি বলশালী এবং 

র্বশেষ্ট ধাতু । 


১২ 


১৮ | র্‌ প্চতী-তৰ ও সাধন-রহন্ত 
টু মানবের বিচি সম্থারযক্ত মহাৰী রঃ 

| মাহ মেরী ক্ষিতিতত্বময় পৃথিবী হইতে, তাহার দেহ- পুষ্টির উপকরণ- 
সমূহ আকর্ষণ করত, ক্রমে দেহটা পুষ্ট ও বদ্ধিত করিতে থাকে। 
এইবূপে পঞ্চম মাসে দেহটী স্বাভাবিক পরিণত অবয়ব প্রাপ্ত হইলে, 
অথাৎ ইন্রি়মূহের মোটামুটি পরিপুষ্টি হইলেই, উহাতে প্রাণ-মঞ্চারিত 
হইয়া থাকে। তৎপর দশ মাস দশ দিন গর্ভোগানদে, সেই পুষ্ট 
মৃহাবীজ ভূমি বা পৃথিবীতে পতিত হয়। এখানে পতিত হইয়াও 
সেই মহাবীজরূপী জীব নিশ্চিন্ত থাকেনা-_কেননা, প্রথমেই সে 
পৃথিবীন্বরূপা মাতৃ-স্তন্তের অমৃত পান করিয়া পুষ্টিলাভ করে [মাতৃ- 
স্তন্তের অমুতও, পৃথিবীজাত খাদ্যদ্রবা ভঞ্চণেরই চরম পরিণতিষ্বরূপ ] 
অতঃপর পৃথীততৃময় দেহধাবী গোমাতার * স্থধা-রস পান করিয়া সেই 
মলবীজজাত দেহটী আরও পুষ্ট ও বদ্ধিত হইতে থাকে। অনুন্থর 
রস্ক হইলেও, সে জগছ্ধাত্রীরূপিণী পৃথিবীর এশর্যাজাত বিভিন্ন ভ্রবা- 
সম্ভারাদি আহরণ বা গ্রহণপূর্বরক স্বকীর দেহটী আমরণকাল পধান্ত 
পরিপুষ্ট করিতে প্রয়াসী হয়। পরিশেষে মৃত বা পঞ্চ প্রাপ্ত হইলেও, 
রক্ত-বীজসম্ভৃত পঞ্চভুতের দেহ, পঞ্চভৃতমর পৃথিবীতে বাঁ পৃথীতত্বে 
বিলীন হইয়া যার '__স্থৃতরাং রক্তবীজজাত পাখিব দেহেরও স্ষ্টি-স্থিতি- 
লয়াদি কার্ধা, প্রতাক্ষে বা পরোক্ষে পৃর্থিবীকে আশ্রয় করিয়াই হইয়া 
খাকে। আবার এই রক্তবীজময় পঞ্চভৌতিক দেহকে আশ্রয় করিয়াই 
'আমি'রূপী জীবাত্মাও দেহাত্মাভিমানী হইয়া থাকে 1-এইসকল তত্ব ও ভাব 
রক্তবীজ উৎপত্তি প্রভৃতির অন্তপ্রকার গৃঢ় রহস্য ও তাৎপর্য 1-_ (8০1৪১) 
* গোগণ হচ্ছ বা নঅস্াণ ধ্বনিতে ভাকে.উহা প্রকৃতপক্ষে 


জগক্মাতারই নাম! এক্ন্য গোমাতা মাতৃতুলা বা দেবতুলা-_ইহা 
সায়নাচা্য খক্বেদের ভায্ে বলিয়াছেন 





) 4০8 কা ১৭ টা 1 দু 
ই বান 4 ০ -ক 
[৭ ০,০1০ শর)... 
22 0 ০ । 
ণ ১2228171515 
টিক 5২7 সবক ক 





_ ততশ্ৈস্্ী সববজজেণ রক্তবীজমতাড়য়ং৪২ 
কুলিশেনাহতস্তাশ্ত তন স্ত্রাব শোণিতম্‌। 
 সমত্ুস্থু স্ততোযোধা স্তদ্রূপা স্তৎপরাক্রমা; ॥8৩ 
: যাবস্তঃ পতিতান্তস্ত শবীরাদ্রক্তবিন্দবঃ। 
তাবন্তঃ পুরুষ! জাতাস্তদ্বী্যবলবিক্রমাঃ ॥৪8 
তে চাপি যুযৃধুস্তত্র পুরুষা রক্তসম্ভবাঃ। 
সমং মাতৃভিরত্যুগ্রশস্বপাতাতিভীষণম্‌ ॥৪৫ 
সত্য বিবরণ। সেই-_মহাস্থর (রক্তবীজ) গদাহস্তে এন্্ীর 
সহিত যুদ্ধ করিতেছিল; অনন্তর এন্দ্রী স্বীয় ব্দ্বাা রক্তবীজকে 
প্রহার করিলেন ॥৪২॥ বজদ্বারা আহত হওয়ায় তাহার দেহ হইতে 
শোণিত-শ্লাব হইতে লাগিল এবং তাহা হইতে তত্তল্য আরুতি ও 
পরাক্রমবিশিষ্ট যোদ্ধাগণ উখিত হইতে লাগিল ॥৪৩| তাহার দেহ 
হইতে যতসংখাক রক্তবিন্দু (ভূমিতে) পতিত হইল, তত সংখ্যক 
রক্তবীজের স্থায়, বীর্ধা বল ও বিক্রমযুক্ত পুরুষ (অস্ত্র ) উৎপন্ন 
হইল ॥88| সেই যুদ্ধক্ষেত্রে রক্ত-সম্ভৃত পুরুষগণও মাতৃগণের সহিত 
অতগ্র শস্ত্র নিক্ষেপ করত, অতি ভীষণভাবে যুদ্ধ করিতে লাগিল ॥৪৫ 
তত্ব-স্থধা। সর্বগ্রথমেই রক্তবীজ এন্দ্রীর সহিত যুদ্ধারস্ত করিল-_ 
ইহার কারণ সুম্পষ্ট; কেননা দেহ-পুরের পুরন্দরম্বরূপ ইন্দ্রের শক্তি 
এক্জী প্রাণময় হৃদয়প্রদেশে ভড়িৎসম্টিপে অধিষ্ঠিত; স্থতরাং 
সাধকের প্রাণময় ক্ষেত্রে অজ্ঞান-সমষ্টিবূপ আস্থরিক গদাঘাতত্বারা এ 
স্থানের দেবরাজ নষ্ট করিয়া দিতে পারিলে, সাধককে অতি সহজে 
অস্থুরের কবলে কবলিত করা যাইবে ! এইক্ত খ্রশ্জ্ীর সহিত সর্ধাগ্রে | 


দা 


নিক একি সপ 


উজ: ২2১25- 2 


ীপ্রীচ্ভী-তব ও সাধন-রহস্ত | 


্ধ। শেষ ্ াব্রিয়র অধিপর্ডি-াথার হত্তের অসীম 
ক্ষমতাদারাই তিনি ব্্ ধারণ করিতে পক্ষম। হৃস্তঘ্ারাই গ্রত্যাহাররূপ 
| আদান, প্রধান হইয়া থাকে_মধু-কৈটভের সহিতও ভগবান বিজু 
দীর্ঘকাল আদান-প্রদানরূপ বাহ্যুদ্ধ করিয়াছিলেন) স্তৃতরাং এশ্্ী- 


1 শক্তিকে পরাজিত পারিলে, সাধকের পপ্রত্যাহার'বূপ শ্রেষ্ঠ সাধনার 









: অঙ্গটা বিকল হইয়া পড়িবে! ইহাও এন্দ্রীর সহিত আগ্রে যুদ্ধ করার 
'অন্তরূপ কারণ। অতঃপর এন্দ্রীও দিব্যতড়িৎ-নিশ্মিত বজদ্বারা 
| রি আঘাত করিলে, তাহার শরীর হইতে শোণিত-বিন্দুর 


বাহ ছুটিতে লাগিল-_অর্থাৎ দেহের অধিষ্ঠাত্রীদেবী সাধকের 


ট রর চাঞ্চল্যে বজ্রব্নপী দিব্য তড়িংএর আঘাত দ্বারা সেই চাঞ্চলা 
: স্তভিত করিলেন! তখন সাধকের দেহে অনন্থ বিদ্যুৎ প্রবাহ অস্ত্ম,খী- 
ভাব উজান গতিতে ছুটিতে লাগিল-_উভাই মন্ত্রো শোশিত-বিন্দ 


হার 5 উর শোবিত- বিন হইতে অসংখ্য রল্তবীজান্ধর উখিত 
হইল--সাধক যখন ইষ্টদেব-দেবীর ধান-ধারখাদি-দারা মনকে স্থির 
করি পরমানন্দ লাভের চেষ্টা করেন, তখন রাক্তবীজের শরীরে বজাঘাত 





পড়ে।--তাই সে তড়িংবেগে অবি্ঠা-বিছুগ্িত চাঞ্চল্য অনস্কপ্রকার 


'. বৈষয়িক বা! অনাত্মভাবের অবতারণা করিয়া, সাধকের সাধনা পণ্ড করিতে 


চেষ্টা করে; তখন সাধকের মন, বিক্ষিপ্ত হইরা বিষয় হইতে বিষরাস্তুরে 
পরিভ্রমণপূর্ববক লক্ষ্যবিষয় হইতে বিচ্যুত হইয়! বহুমূখী চঞ্চল হর়_ইহাই 
রক্তবীজের নব নব অনন্ত শক্তিশালী মৃদ্তি ধারণ ! 

বীর্ধ বল ও বিক্রম-মস্ত্রোক্ত এই বাক্য-ত্রয়ের ভাব এই -ঘ--রক্ত- 
বীজ, তীয় অসীম বীর্ধা-প্রভীবে অনস্ত রক্তবীজ ্ষ্টি করিতে লাগিল, 
বল-প্রভাবে সৃষ্ট, অস্ুর-বলকে ( সৈম্তগণকে ) রক্ষা করিতে লাগিল, 
আর-বিক্রমের প্রভাবে দেবভাবরূপী মাতৃগণকে পরাদ্ধয় করিবার জন্য». 


জিবিধ শক্তি 


সরয়পী, আন্থরিক-ক্তি বারা ভীষণ দ্ধ জে: শাগিল। | ত্ 
 প্রকাশিকা-টীকাকার উপরোক্ত বার্ন ব্যাখ্যা করিয়াছেন, যথা 
'বীধ্য »ইন্দিয়শক্তি; বল- দেহ-শক্তি ; বিক্রম-্উৎসাহ ) :. অর্থা 
রক্তোডুত অস্থরগণ ইন্জরিয়-শক্তিতে, দেহ-শক্তিতে এবং উৎসাহ-শ্তিত 
সকলেই রক্তবীজের তুলা ।-( ৪২৪৫) 

পুনশ্চ বজ্রপাতেন ক্ষতমস্ত শিরো যদা। 

ববাহ রত পুরুষাস্ততো৷ জাতা; সহত্রশঃ ॥৪৬ 

বৈষ্ণবী সমরে চৈনং চক্রেণাভিজঘাঁন হ। 

গদয়। তাড়য়ামাস এন্দ্রীতমস্তররেশ্বরম্‌ 1৪৭ 

বৈষ্ণবাচক্রভিন্নস্য রুধিরআবসম্ভবৈঃ | 

সহত্রশো জগদ্ব্যাপুং তত্প্রমাণৈ মর্ান্ুরৈঃ ॥৪৮ 

শক্ত্যা জঘান কৌমারী বারাহীচ তখাসিনা । 

মাহেশ্বরী ত্রিশূলেন রক্তবীজং মহাস্ুরম্‌ ॥৪৯ 

সত্য বিবরণ । পুনরায় যখন বজ্রপাতে উহার মস্তক আহত 
হইল, তখন রক্ত-জোত প্রবাহিত হইল এবং তাহা হইতে সহশ্্র সহস্র 
পুরুষ (অন্ুর) উৎপন্ন হইল ॥9৬| যুদ্ধে বৈষ্ণবী এই রক্তবীজকে 
চক্রদ্ধারা আহত করিলেন; এন্্রীও সেই অন্্রপতিকে গদা-প্রহার 
করিলেন ॥৪৭| বৈষ্ণবী রক্তবীজকে চক্রদ্বারা আঘাত করিলে, তীর 
রক্ত-প্রবাহ হইতে তৎসদৃশ সতম্্র সহস্্ মহাস্থর উৎপন্ন হইয়া জগৎ 
পরিব্যাপ্ত করিল ॥8৮॥ তখন কৌমারী শক্তিদ্বারা, বারাহী খড়াদারা 
এবং মাহেশ্বরী ত্রিশলদ্বারা মহাস্থর রক্তবীজকে আহত করিলেন ॥৪৯ 

- তত্ব-স্তধা। মাতৃ-শক্তিগণ দৈবী-শক্তিবূপ দিব্যান্ত্রেরে আঘাতদ্বার' 

রক্তবীজের চাঞ্চল্য ও অনন্ত সংস্কাররাশি, বীজাংশ হইতে ক্রমে পর পর 








১৮২ শ্ীশ্রীচ্ী-তন্ক ও সাধন-রহস্য 


বিকশিত ও পরিপুষ্ট করত, তাহাদিগকে রি করিতে লাগিলেন।, 


কারণ-ক্ষেত্রে বীজাংশে অবস্থিত রক্ত-বিন্দুূপী গ্রিক বীজসমূহ, ক্রমে 


বর । 
1 


পুষ্ট হইয়! একএকটা পরাক্রমশালী দৈত্ারূপে পাঁ+** হইল এবং যুদ্ধ 
.করত মাতগণের হন্তে নিহত হইতে লাগিল । করুণীময়ী জগজ্জননী 
আজ ভক্তের দুঃখে দুঃখিত হইয়া যুদ্ধচ্ছলে সাধকের জন্ম-জন্মাস্তরের 
সঞ্চিত অনস্ত কর্-বীজরাশি সমূলে উৎপাটনপূর্বক ধ্বংদ করিবার 
মানসে বিবিধ মাতৃ-শক্তিবূপে আবিভূর্তী হইয়াছেন !--যেখানে সাধকের 
মনোময় ক্ষেত্রে আজ্ঞা-চক্রে চত্রেশ্বরী মান্ৃশক্তিগণ সমবেত হইয়া, 
সর্বশ্রেণীর অস্থরগণকে দলনপূর্ববক যুদ্ধ-লীলায় উল্লাসিত, সেখানে অচিরাং 
সাধকের মন, চির-স্থির হইয়া, মনের “ইন্দ্রামন” বা দেবভোগা নাম 
সার্থক করিবে !_সাধক, দিবা পরম ভাবে বিভাবিত হইয়া অবিলঙ্্ে 
হুদিপন্নে ইষ্ট-দরশমে কৃতরুতা হইবেন-_-এই মহাযুদ্ধঈ সেই সৌভাগোর 
স্ত্রপাত। 

এইবার ইঞ্জ্রীণী রক্তবীছ্ছের মন্তকে বজীঘাত করিয়াছেন ; সুতরাং 
জ্ঞানা্স্বরূপ মস্তক হইতে তড়িৎ বেগে অজ্ঞানতমসার বীজসমূহ 
অপহ্ছত হইতে* লাগিল; কিন্বা উহ্বারা অনন্ত মুক্তি পরিগ্রহ করত 
মাতৃগণ কর্তৃক বিলয় হইতে লাগিল। বৈষ্ণবী দংদার-মোহের ও 
*মোহ-ভঙ্গের কারণস্বরূপ বৈষ্ণবাম্্ চক্রদ্বারা সাধকের সাংসারিক মমতা 
এবং আমি-আমার ভাবের কেন্ত্রূপী রক্তবীদ্কে আঘাত করিতে 
লাগিলেন। এন্দ্রী লয়কারী আত্ম-জ্ঞানরূপী দিবা গদাঘাতে পুনরায় 
রক্তবীজকে নিপীড়িত করিতে লাগিলেন; কৌমারী ব্রহ্মতেজময় 
্রদ্মে বিচরণকারী ব্রক্ষচর্য। শক্তিরূপী অস্দ্ধারা সেই মহাস্থরকে 
নিবীর্ধ্য ও শক্রিহীন করিতে লাগিলেন। বারাহী প্রলয়কারী জ্ঞানময় 
মহাঅসিদ্বারা তাহাকে আঘাত করিতে লাগিলেন; অর্থাৎ “তত্বমসি* 







যুদ্ধে শক্তি ক্ষয় এ ১৮৩ 


প্রভৃতি বেদের মহাবাক্যে তাহাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করিতে ইচ্ছা করিলেন। 
আর, নারসিংহী ত্রিপ্বণাত্মক্‌ ত্রিশূলের আঘাতে, সাধকের ত্রিগুণের 
খেলা ভঙ্গ করির] তাহাকে আত্ম-চৈতন্যে উদ্বদ্ধ করিতে প্রয়াস 
পাইলেন !_ ইহাই যুদ্ব-লীলার রহস্য ও তাৎপর্য্য।--(৪৬-৪৯) 
সচাপি গদয়া দৈত্যঃ সব্বা এবাহনৎ পৃথক্‌। 
মাতৃঃ কোপসমাবিষ্টে৷ রক্তবীজো মহাস্ুরঃ ॥৫৭ 
 তস্তাহতস্য বুধ শক্তিশূলাদিভি ভূর্বি।. 
পপাত যো বৈ রক্তৌঘন্তেনাসঞ্থতশোইনুরাঃ ॥৫১ 
তৈশ্চাস্থুরা স্থক্সম্ভৃতৈরস্থুরৈঃ সকলং জগৎ । 
ব্যাপ্তমাসীৎ ততোদেবা ভ়মাজগ্ম,রুত্তমম্‌ ॥৫২ 
সত্য বিবরণ। সেই মহান্থুর উৎপাদক * দৈত্য রক্তবীজ, 
রুদ্ধ হইয়া গদাদ্বারা প্রত্যেক মাতৃ-শক্তিকে আঘাত করিতে লাগিল ॥৫০| 
শক্তি-শুলাদিদ্বারা আহত সেই রক্তবীজের দেহ হইতে যে রক্ত-ল্রোত 
ভূতলে পতিত ইল, তদ্বারা আরও শতশত অস্থুর উৎপন্ন হইল |৫১1 
অন্থুরের রক্ত-জাত মেই অন্তুরগণে নিখিল জগত পরিব্যাঞ্ধ হইল; 
তাহাতে দেবগণ অত্যন্ত ভষ্ পাইলেন ॥৫২ 
তত্ব-স্তুধা। তখন রক্তবীজ অজ্ঞানতাময় ভেদ-প্রতীতিকারক 
গদা বা! আন্রিক শক্তিদ্বারা মাহ-শন্ডিগণকে আঘাত করিতে 
লাগিল; কিন্তু চিন্ময় দেব-শরীরে সেই আঘাতদছ্বারা কোন ফল হইল 
না, পক্ষান্তরে অস্থরের শক্তিই ক্রমে, প্রতি আঘাতে ক্ষয় হইতে লাগিল। 
মাতশক্কিগণ বহু রক্তবীজের বংশ বিনষ্ট করিলেন? তথাপি তাহাদের 
শেষ নাই! বরং আরও জগদব্যাপ্ত হইল। অস্তঃকরণজাত রক্তবীজ 
অন্তর্জগতে এবং বহির্জগতে সতত ক্রিয়াশীল; সাধারণতঃ মানুষের যন 


্পকপপপপপপপাশীপিশা পাশাপাশি 


* মহাত্তঃ অন্থরাঃ যস্মাৎ স মহাস্থর; ইতি; (অতঃ ন পৌনক্লজ্ঞাম্‌ )। 


. 
০1. 1021 


১৮৪ প্রীশ্রীচণ্ডী-তত্ব ও সাধন-রহস্য 


এক মুহূর্তও স্থির থাকেনকত কল্পনা-জল্পনা, হ্বাভ-প্রতিঘাত উথান- 
পতন এবং উত্মত্বের ন্যায় দিগ বিদিক্‌ পরিষ্ 1 কেনন! ইহাই যে 
মনের চিরন্তন স্বভাব । বিশেষতঃ রজ্গোগুণই রক্ত--রক্তমেব বীজং 
যস্ত সরক্তবীজঃ ইতি” রক্তই যাহার বীজস্বরূপ সেই রণ্তবীজ। যেমন 
বীজ, মাটার সংস্পর্শে অস্কুরিত হইয়া ক্রমে রূপে পরিণত তয়, সেইরূপ 
রজোগুণ ( _ইহাই রক্ত ) অনন্ত বিষয়ের সংস্প শপ বীজবৎ ক্রিয়াশীল 
- হইয়া, অনন্ত ভেদভাব -এবং অসীম চাঞ্চলা কৃতি করে। তাই-- 
» ব্রজোগুণঘয় মনেরও বিরাম নাই বিশ্রাম নাই ।__উহা সতত তরঙ্গ ফ়িত। 
" -বিচার করিলে, মনের অনন্ত বিক্ষেপ এবং অফুরন্ত তরঙ্গরাজির 
নিকটে, মহাসাগরের উত্তাল তরঙ্গ-মালাঁও বুঝি পরাস্ত হইয়া যাইবে 1 
ইহাই রক্তবীজবংশের জগ্‌ৎ-পরিব্যাপ্তি! রজোগুণময় ব্তউবীজের অনন্ত 
বক্রিয়াশীলতা দর্শনে, সত্বগ্ূণমর ইন্সিয়াধিপতি দেবগণসন্ত সাধক, উদ্যমহীন 
নৈরাশ্থযুক্ত এবং ভীত হইয়াছেন; কেননা নাতি-পজার সভভাউপকরণ- 








সমূহ একে একে সংগৃহীত হইতেছে আনুন অহাপূজার আসময়গ 
আপন্ন-_-অথচ এরূপ উন্নত ও আনন্দযুক্ত অবস্থায়, রজোগুণের শ্রলরমূখী 
চাঞ্চলাজনিত* বাধা-বিস্ব দর্শনে সাধকের পঙ্চে ভয় পাওয়া 
্বাভাবিক--( ৫০-৫২ ) 
তান্‌ বিষগ্নান্‌ সুরান্‌ দৃষ্টা চণ্ডিকা গ্রাহ সত্তর! । 
উবাচ কালীং চামুণ্ডে বিস্তরং বদনং কুরু ॥৫৩ 
মচ্ছন্ত্রপাতসম্ভুতান্‌ রক্তবিন্ুন্‌ মহাস্থ্রান্‌ । 
রক্তবিন্দোঃপ্রতিচ্ছ ত্বং বক্তেণানেন বেগিতা 58 
ভক্ষয়ন্তী চর রণে তছুৎপন্নান্‌ মহাস্ুরান । 
এবমেৰ ক্ষয়ং দৈত্যঃ ক্ষীণরক্কো। গমিষ্যতি ॥৫৫ 
ভক্ষমাণাস্ত্বয়৷ চোগ্রা নচোৎপংস্তযস্তি চাপরে ॥৫৬ 


'যোগক্ষেম-বহন ১৮৫ 


সত্য বিবরণ । দেবী-চণ্ডিকা দেবগণকে বিষ দেখিয়। তৎক্ষণাৎ 
[ মাভৈঃ বলিয়া ] আশ্বাস প্রদান করিলেন এবং কালীকে বলিলেন 


চামুণ্ডে! তোমার ব্দন-ঘগ্ডল বিস্তার কর॥ [মতান্তরে দেবী, 
চণ্তিকা, দেবগণকে বিষগ্ন দেখিয়া, সত্র নখাভিগামী হইয়া কালীকে 
বলিলেন_ চামুণ্ডে!_ইত্যাদি। ( প্রাহ_রখাভিলাধী )] ॥৫৩| তুমি 
আমার অন্্রাধাতে উৎপন্ন র্ত-বিন্দুমকল এবং রক্ত-বিন্দুসম্ভৃত মহান্থুর- : 
গণকে সত্বর বা সবেগে ] মুখের মধ্যে গ্রহণ কর ॥৫৪| র্‌ তুমি 71 
রক্ত বিন্দ-সমভূত অস্গুরসমূহ ভক্ষণ করিতে করিতে রণক্ষেত্রে রিচরণ করা৷ 





এইরূপে এই দৈত্য ক্ষীণরক্ত হইয়া, বিনাশ প্রাপ্ত হইবে 1৫৫8 তুমি : 


ভক্ষণ করিলে, অপর উগ্র দৈল্লগণ আর উৎপন্ন হইবে না ॥৫৬ 


তত্ব-স্তৃধা । $ভক্তগণকে ভীত হইতে দেখিয়া, অভয়! অদ্ধিকা মাতী, : 


“মাভৈঃ” শব্দ উচ্চারণ করিয়া যেন বলিতেছেন-_এপ্রিয় সন্তানগণ ! ভীত 


হইওন1--“ম| বিষীদত”-__বিষাদগ্রস্ত হইওনা! রক্তবীজ বধের উপায় 
আমি করিতেছি" !--ভর না পাইলে কি অভরাকে পাওয়া যায়? সংসার- 
জালার ভঙ্জডিত ও ধ্রিভাপ-তাপে তাপিত হইয়া, যখন মায়ের ভক্তসম্তানগণ 
সংসারকে বিদবৎ মনে করিয়া বিতৃষ্ণ হন, তখন অভয়া অদ্থিকা মা, ভক্তের 


ভয় ব্দিরিত করিবার, কিছ। ত্রিতাপ জালা উপশমিত করিবার উপযুক্ত 


বাবস্থা কিয়! থাকেন 1- গীতার ভাষায় উহ বোগক্ষেম-বহন? | 

কালিক| মায়ের করাল বদনের চর্বণক্ষপ কপাবাতীতি, অন্তঃক রণের 
চাঞ্চপাঘর অশান্ত বক্তবীজ বিনাশ হয় ন1। শোক-মোহাদির প্রচণ্ড 
আঘাতে, ব্রিভাপের দ্বাবদাহী উতৎপের জালায়, জীবের প্রবৃত্তিমুখী 
গতি রুদ্ধ হইয়া, চৈতন্যের উদয় চিজ মায়ের প্রতিকূল কৃপাদারা 
মানবের অনাত্ম ব| অনিত্য বিষ হইতে নিতো, অসত্য হইতে সত্যে 
ক্রমে আকর্ষণ হইয়া, বৈরাগোর উদয় হইতে থাকে; তৎপর গুরু-কপায় 


১৮৬ শরীশ্রীচক্জী তত্ব ও সাধন-রহ্স্য 


বা ভগবৎ কুপায় কর, জ্ঞান বা ভক্তি সাধনাদ্দাপা বিশুদ্ধ-চিত্ত হইয়া 
সাধকের অভীষ্টসিদ্ধি হয়; সৃতরাৎ গ্রলয়ঙ্করী “রালবদনা কালিকার 
বাহিরের বা বাহা-জগতের নিষ্টরতার অন্তরলে, মানবের জন্য 
অফুরস্ত আনন্দধার1 নিহিত থাকে! --তাই কালী করুণারূপিণী 
কৈবলাদায়িনী 1... ডি 

| অধ্িকামীতা রক্তবীজ বধের তিনটা উপার়, কাপ্কাকে উপদেশ 
করিয়াছেন; উহা! সাধকগণের পক্ষে আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য অবলম্বন 
করার ইঙ্গিং রহিয়াছে। কালিকার প্রতি মায়ের আদেশ যথা--(১) 
বদন বিস্তার কর; (২) রক্তবী্জের রক্তবিন্দুসমূহ মুখে গ্রহণ কর; 
(৩) রক্ত হইতে উৎপন্ন অন্নুরগণকে চর্বণ বা ভক্ষণ করিতে করিতে 
যুদ্ধক্ষেত্রে বিচরণ কর। এক্ষণে উপরোক্ত আদেশ ত্রয়ের রহন্্য 
ভেদপূর্ব্বক প্রদর্শন করা হইতেছে । [১] বদন বিস্তার কর--বদনমগ্ুলই 
জীবের জানাঙ্গন্বরূপ মস্তুক-_উহ। প্রকাশ ভাবাপন্ন জ্ঞানেন্দিয় এবং 
অন্তরোন্দ্রিয়্ সমূহের অধিষ্ঠান-ক্ষেত্র, এবিষয়ে নান; স্থানে বল। হইয়াছে; 
স্তরাং বদন বিস্তার করার তাংপধ্য-- জ্ঞান বিস্তার কর! বা ত্রহ্মজ্ঞানে 
স্থপ্রতিষ্ঠিত হইয়া, বিশ্বের সর্বত্র একরস পরমানন্দমর বা শন্তিময় 
পরমভাব দর্শন করা ।--এই উপায় যথাযথভাবে গ্রহণ করিতে 
*পারিলে, রক্তবীজের বিনাঁশ অনিবার্য । [২] রক্তবিন্টুসমূহ কালিকার 
মুখে গ্রহণ, অর্থাৎ অর্পণ করা । রক্তবীজের রক্তরূপ কশ্ম-বীজ, সংস্কার- 
বীজ প্রভৃতি, কিম্বা আসক্তি-বীজসমূহ সমস্তই করালবদন|। ফালিকাতে 
সমর্পণ করিতে পারিলে, রক্তবীজের চাঞ্চল্য চিরতরে 'গলীন হইয়া 
যাইবে! অর্থাৎ প্রারব্ব-কম্মের ফলে, স্ুখ-ছুখময় যে কোন অবস্থা 
উপস্থিত হউকৃ না কেন, উহা? ভগবানের বা কর্খ-ফলের দানরূপে 
অচঞ্চলভাবে সাক্ষীরূপে গ্রহণ করিতে পারিলে? কিন্বা রজোগ্রণময়. 


অমৃতত্ব লাভ ১৮৭, 


সর্ববিধ কম্ম এবং কর্মফল, মহাশক্ভিমদ়ী জগদন্বা বা পরমাত্বময়. 
ভগবানের গ্রীত্যর্থে অর্পণ করিতে পারিলে, চিত্ত-ক্ষেত্র বিশুদ্ধ ও নিস 
-তইয়া রক্তবীজের রক্তবিন্দুর কবল হইতে বিমুক্ত হইবে। [৩] 
অস্থরগণকে ভক্ষণপূর্ববক যুদ্ধ-ক্ষেত্রে বিচরণ__সংসার-ক্ষেত্রই যুদ্ধক্ষেত্র, 
এখানে জীবন-সংগ্রামে জরী হইতে হইলে, স্থুল-সুক্-বরণের সর্ববিধ 
চাঞ্চল্যকে ক্রমে অভ্যাদ এবং অধাবসায় সহযোগে পদদলিত করিতে 
করিতে আমিত্বের বিশুদ্ধি সম্পাদন করিতে হইবে! অবিশ্রীস্ত এই . 
সাধনাতে মগ্ন বা বিচরণশীল হইয়া মনের উপর বিজয় .আনয়ন করিতে 
হইবে !__এইরূপে জয়-পরাজয়ে প।ভালাভে স্থখ-ছুঃখে সমভাব প্রতিষ্ঠা 
করিয়া, মানব-জীবনের সার্থকতা সম্পাদন পূর্বক অমৃতত্ব লাভ করিতে 
হইবে! তাই গীতাতেও ভগবান বলিয়াছেন_-“স্থথ-ছুঃখে যাহার সমান, 
ভাব, সেই ধীরপুরুষ অমৃতত্ব লাভের অধিকারী ”। 
আজ করুণামর়ী জগজ্জননী অস্বিকা, সাধক ভক্তের রক্তবীজ বধের 

তার স্বয়ং গ্রহণ করিয়াছেন! ধন্য করুণামরীর করুণা 1_-তিনি স্বয়ং 
অন্তর বধের উপায় উ৬':ন না করিলে, সাধকের সাধ্য কি যে সংষমরূপ 
নিরোধ, কিন্বা সত্বগ্ুণময় অন্যষ্ঠানদ্বারা বক্তবীজকে বধ করিবে? 
চিত্ব-ক্ষেত্রের কারণাংশে কোথায় কোন প্রাক্তন-বীজ বা সুক্গাতিস্ক্ষয 
দুর্বলতা গোপনে লুক্কাইত আছে, মানবের সাধা কি যে,সে উহ্থা 
নিজ শক্তিতে খু'জিয়া বাহির করিয়া বিনাশ করিবে? -স্থতরাং সেই 
লুক্কাইত বীজসমৃহকে প্রকট্‌ করিয়া বিনাশ করিতে একমাত্র জগন্মাতা' 
অপ্থিকাই সক্ষম! -চাই শুধু জলন্ত বিশ্বাস, নির্ভরতা এবং. 
সর্বতোভাবে আত্ম-সমর্পণ-_-( ৫৩-৫৬ ) 

ইত্যুক্ত1 তাং ততো দেবী শূলেনাভিজঘান তম্‌। 
মুখেন কালী জগৃহে রক্তবীজন্ত শোণিতম্‌ ॥৫৭ 


১৮৮ শ্রী শ্রীচ্ডী-তব ও সাধন-রহস্তয 


ততোসাবাজঘানাথ গদয়! তত্র চণ্ডিকাম। 

ন চাস্তা বেদনাং চক্রে গদাপাতৌ3কামপি ॥৫৮ 

তল্তাহতস্য দেহান্তু বু স্ুআাব শোণিতম্‌। 

যতস্তত স্তদ্বক্তে ণ চামুণ্ড ংপ্রতীচ্চতি ॥৫৯ 

মুখে সমুদগতা যেইস্তা রক্তপাতানম্মহা স্থরাঃ | 

তাংশ্চখাদাথ চামুণ্ড পপৌ তস্ত চ শোণিতম্‌ ॥৬০ 

সতা বিবরণ। দেবী কৌষিবী কাসি৮ এইরূপ বলিয়া 
রক্তবীজকে শৃলদ্বারা আঘাত করিলেন। কালীও রক্তবীজের 
(প্রবহমান) শোণিতরাশি মুখে গ্রহণ করিলেন ॥৫৭ অনন্তর রক্তবীজ 
যুদ্ধে চণ্ডিকাকে গদাছ্ধারা আঘাত করিল। কিন্তু গদাঘাতে তিনি 
অল্পমাত্রও বেদনা অন্ভব করিলেন না 1৫৮1 দেবী কর্তউক আহত 
*রভবীজের দেতের যেধে সান হইতে শোণিতআব হইতে লাগিল, 
চাদুা নেই সেই স্থান হইতে মুখদ্ধারা তাহা পান করিতে লাগিলেন ॥ 
৫৭ তাঁতার (চামুগ্ডার) মুখ নধো রন্তু পতিত হওয়ার়। যে সমস্ত 
মতাজুর উৎপন্ন ভইতে লাগিল, চামুণ্ডা হাতাদিগকে ভক্ষণ করিলেন এবং 
রকুবীহের € বুক্তপান করিতে লাগিলেন ১০ 

তত্ব-স্বধা। এইবার অন্থিক! দা জ্ঞানময় দিলা শুলন্ধারা রক্ত" 

বীন্ভাক আঘাত করিলেন; আর কালিকা, সাধকের রাজোগুণযয় রক্ত 
বিন্দু বা মান্বরিক বীঙ্গসমূহ গ্রাস করিয়া, তাহার কন্মগ্চয় করিতে 
লাগিলেন। অনন্তর রন্রবীজও তাহার অজ্ঞান-বিজগ্ডিত আহ্বরিক 
শক্তি বা ভেদ-জ্ঞানময় গদাদারা, কিন্বা ছূর্ববাকা গ্রয়োগপ গদাদ্ারা 
অস্থিকাকে আক্রমণ করিল [ গদ্‌ ধাতুর অন্য অর্থ বাক্তবাকা ] কিন্ত 
শত গালি-বষণেঞ্ড মা বিচলিত হন না! কেননা তিনি যে মা 
জগজ্জননী তাই অজ্ঞান সন্তানের প্রলাপোক্তিতে তাহার ছুঃখবা 


হখময় বেদন ১৮৯ 


বেদনা হইতে পারে না। আর গদাঘাতে মায়ের শরীরে অল্পমাত্রও, 
বেদনা বা কষ্টময় অনুভূতি হইল না--কেননা তিনি যে চিন্মরী আনন্দযগী 
এবং সর্বকারণেরও কারণরূপাঁ_তাই ছুঃখের বেদন বা অনুভূতি তাহাকে 
ব্যথিত বাক্রিষ্ঠ করিতে পারে না!_কেনন! তিনি যে সমস্ত বেদনার 
কার্ণরূপ। বেদন-সমষ্টি! আবার তিনি ষে, সদ্ধেদনরূপী বেদেরও জননী 
বাবেদমাতা 1 সুতরাং গদাঘাত তাহাকে বেদন] দেওয়] দুরে থাকুকঃ, 
তাহার চিম্মর দেহ স্পর্শও করিতে পারে নাই । তথাশি তিনি রুপাপুররক 
অস্থরের অজ্ঞান-সমষ্টি সংহরণ বা আকধণ করিয়া, নিজ কারণময় দেহে. 
লয় করিতে লাগিলেন-_ইহাই দেবীমাহাত্মের ঘুদ্ধ-কৌশল। রক্ত-.. 
বীজের দেহের যেখানে রক্তআ্রাব, সেইখানেই চামুগ্ডার রক্তপান!_অতি 
চমৎকার রণ-লীলা! কেননা ঘে ন রজোগুণময় রক্তরূপী বীজের ক্রিয়া- 
শীলতা, সেখানেই প্রলয়-মু্তির প্রলয় গ্রাস! বিশেষত; শরণাগত , 
সাধক যদি ভ্রম বশত;, ভগবানে সর্ববতোভাবে নিভর না করিয়া, কোন 
অনান্স-স্থতে বিশেষ আক হন, তখন ভগবান সেই বস্তুটা গ্রাস করিয়। 
তাহার মোহ ভঙ্গ করত, ঠতন্ত সম্পাদন করেন- ভক্ত, সহার মনে 
করিয়া, যে ডালটা আশ্রর করেন, তাহাই ভগবান ভাঙিয়। দেন! 
সংসারের সর্বত্রই করাপিনী মায়ের এবন্িধ বিচিত্র যুদ্ধলীল। অভিব্যক্ত। 
বদ্ধজীব এ আঘাতে নিতান্ত অভিভূত বা শোকগ্রস্ত হয়; আর শরণাগত 
সাধক, সাক্ষীরূপে নিজ জীবনে উচ্ভার আভ্তান্তরীণ মঙ্গল বিধান প্রত্যক্ষ 
দর্শন করিতে সমর্থ হন-ইহাই পার্থক্য। ব্রজের কালীয়-দমন 
লীলাতেও অহংকারবূপী রজোগুণময় কা-টয়, যে মন্তকটী উচ্চ করিয়া 
আস্ফালন করিত, উহ্াই ভগবান শ্রীরুঞ্ণ নৃত্যভরে দলন করিয়াছিলেন; 
পরিশেষে, কালীয়, রত্তবমনদ্বার শক্তিহীন হইয়৷ ভগবানে আত্ম-সমর্পণ 
করিয়াছিল। এখানে কুষ্ণলীলার অনুরূপ লীলাই অন্য আকারে কালিক: 


(জী ও লান-হন্ 





এরুপ অভিযান. দহ 
৭ প্রশ্ন হইতে পারে-চিন্মী কাকার দেশী « শঁসিম বিয়গে 2. 
কেননা মুখেও অস্থুর উৎপন্ন হইয়াছিল । ইহার সমাধানও কঠিন 
নহে; কেননা ধিনি সর্বকারণেরও কারণরূপা, তাহাতে ক্ষিত্যাদি 
পঞ্চতত্বও অব্যক্তভাবে নিহিত থাকে । বিশেষতঃ এখানকার যুদ্ধ-লীলা 
আজ্ঞা-চক্রের কারণময় ক্ষেত্রে; আর এখানে ভৌমট্দভাগণ পর্যাস্ 
সমাগত; স্থৃতরাং মহাকারণরূপিণী মায়ের ললাট-ফলক হইতে আবিভূতি। 


কালিকার কারণময় বদনেও ক্ষিতিতত্ব থাকা স্বাভাবিক; এজন্য 
সেখানেও অস্থর উৎপন্ন হওয়াও সম্ভব হইয়াছে । 


আর কালিকাদেবীর মুখে অস্থর গ্রহণের আরও একটা স্থন্দর ভাব 
আছে। ইতিপূর্বে বলা হইয়াছে যে, রক্তবীজ প্রবুত্তিমুখী এবং 
নিবৃত্তিমুখী উভয়ত:ই ক্রিয়াশীল হয় এবং রজোগুণসন্ুত অতিরিক্ত 
ভাবোচ্ছাসও আত্ম-লাভের বিদ্লষ্বরূপ রক্তবীজ। এইট ভাবোচ্ছাস- 











| সমূহ দেহের অন্য স্থান অপেক্ষা প্রকাশময় মুখম গুলেই বিশেষরপে 
অভিব্যক্ত হয়; এজন্য কালিকাও নিজ বদনদ্বারা উহাপিগকে গ্রান 
করিয়াছিলেন। , ভাবাবেশে অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস আধ্যাত্মিক-শক্তির 
ক্ষয়কাী; আর উহা কর্তব্য-কার্যেও অবহেলা আনয়ন করে; 
আবেগময় উচ্ছাস জোরার-ভাটার মত-পরিশেষে তমোগ্তময় 
অবসাদে উহার পরিসমাপ্ধি! কেননা উচ্ছাসদ্বারা ক্রমশঃ শক্তি-ক্ষ 
হওয়ার পর, এমন একটা বিশুফ অবস্থা আসিতে পার, যাহা 
মরুভূমিতুল্য নিরস। জাগতিক নিয়ম ধীর-পদ-বিক্ষে”  চলিলেই 
দীর্ঘপথ অনায়াসে অতিক্রম করা যায়; পক্ষান্তরে কেবল দৌড়াইয়' 


নচলিলে, গমন বা গতি রুদ্ধ হইবে এবং পথিকও হাপাইতে বাধা হইবে । 
.এই্সন্ত গন্তধাপখে পৌছাইতেও গৌণ হইবে; স্থৃতরাং মুখমগ্ডলে 





স্বর মমবেত আক্রমণ | ৯ 


প্রকাশিত ভাবোচ্ছা রূপ বে কা নিল 
করিয়া দমন করেন__ইহাও মন্ত্রোক্তির অন্যতম তাৎণর্া।- 5 | 

(দেবী শৃলেন বজেণ বাণৈরসিভিধা্টিভিঃ। 

জঘান রক্তবীজং তং চামুণ্ডাপীতশোণিতম্‌ ॥৬১.. :. 

স পপাত মহীপৃষ্ঠে শস্সংঘসমাহতঃ। 

নীরক্তশ্চ মহ্ছীপাল রক্তবীজো! মহাস্ুরঃ ॥৬২ 

সতা বিবরণ। কৌধিক্ীী দেবী, শূল বজ্জ বাণ খঙ্গা এবং খটিদ্বারা 
রক্তবীজকে আঘাত করিতে লাগিলেন এবং চামুপ্ডা তাহার রক্ত পান 
করিলেন ॥৬১॥ হে রাজন্‌। সেই মহা্ুর রক্তবীজ সমবেত শস্ত্া্ধাতে 
আহত ও রক্তশূন্য হইরা ভূতলে পতিত হইল 1৬২ 

তত্ব-ন্ুধা। রক্জবীজ মহাহ্থরকে বধ করিতে হইলে, সমবেত বা 
সঙ্ঘবদ্ধভাবে অস্থরূপ দিবাশক্তিসমূহ প্রয়োগ করা প্রয়োজন। বিশেষতঃ 
রজোগগুণময় রক্তবীজ, শব্ধ স্পর্শ রূপ রস এবং গন্ধ, এই পঞ্চবিধ 
বিষয়কে আতর করিয়াই অভিব্যক্ত হয়; স্ৃতরাং এখানে অন্থিকা মাতা, 
শূল প্রক্নতি পঞ্চতন্কময় পীচটা অঙ্গের সমবেত আক্রমণে রক্তবীজকে 


ব্ধ করিলেন। (১) ধজ--আকাশতত্ব; কেননা উহা আকাশ হইতে 
শবে পতিত হয় [ আকাশের গুণও শন ] (২) শক্তি-বাযতত্ব 
প্রাণরূপী বাযুই জীবনী-শক্তি * (৩) আস--তেজতত্ব ; (৪) বাণ 
রসতত্ব [ এই অন্ত্াদির তত্ব সম্বন্ধে পূর্বেও যথাস্থানে বাখা করা 
হইয়াছে ]। (৫) খষ্টি--পৃথীতত্ব ; খট্টি-_উভয়দিকে ধারযুক্ত খড়া, 
এজন্য অন্যান্য অস্ত্র অপেক্ষা ইহা অপিক প্রভাবসম্পন্ন ; বিশেষত: পৃর্থী- 
তত্বর্ূপ জড়কে আঘাত করিয়া উহাকে চৈতন্তময় করিতে বিশেষ 
৯ অমরকোহেও আছে-শকিং পরার প্রাণ” ইতামর। 
অর্থাৎ শক্তিই পরাক্রম, শক্তিই প্রাণ বা বায়ূ। রঃ 














২৯২, অত ও সাধন-রহস্ত, . 


4 
শক্তিশালী অস্ত্রের প্ররোছন-উহ্বাই খ্টি। এইরূপে একদিকে... 
€করণামী মা পঞ্চতত্রময় পঞ্চবিধ অস্ত্র যুগপৎ আক্রমণে রক্তবীজকে 
: দিবাভাবে এবং দিব্জ্ঞানে বিভাবিত করিলেন, অপরদিকে চামুণ্ডা 
* দেবী, অস্ত্রাঘাতে প্রবাহিত সমগ্ত রক্ত পান ক্রি ফেলিলেন! অর্থাৎ, 
. সাধকের সর্ববিধ রজোগুণময় ক্রিয়াশীলতা ও সংক্কার-বীজসমূহ গ্রাস বা 
1 । বিলয় করিলেন! তখন রক্তবীজ রভশূন্ত হইয়া ভূতলে পতিত 
, হইল_অর্থাং তাহার ক্রিয়াশীলতা ও সঙ্গীবতা হড়ত্ে পরিণত বা 
. পঞ্ত্প্রাপ্ত হইল। এইবপে দেবী, সাধকের মনোময় রাজাটা বিশুদ্ধ 
: অচঞ্চল ও দেবভাবে পূর্ণ করিয়া, তাহাকে প্রশান্তি ও পরমানন্দ 
. প্রদান করিলেন ।--(৬১/৬২) 
ততস্তে সবমতুলমবাপুস্্িদশা ঘৃপ। 
. তেষাং মাতৃগণে। জাতো ননর্া্ম্মদো দ্ধতত ॥৬৩ 
ইতি মার্কগ্য়পুরাণে সাবনিকে মন্তস্তরে দেবী-মাহ হবো রক্তবীজ 
বধোনাম অইঘোহধারত। শ্লোক সংখা-উ১3 মন্ত্র মংখনঙও 
মতা বিবরণ | হে নৃপতে অনস্কর দেবগণ অতুল আনন্দ 
প্রাপ্ত হলেন: তাহাদের দ্হজাত মাডগ+ রক্তকূপ মগ্পানে উদ্ধত 
হইরা নৃত্য করিতে লাগিসেন 17৬৩) 
তত্ব-স,ধা। ইন্দ্রিরাধিপতি দেবগণ তাহাদের অন্তঃকরণরূপ 
দেঁবরাজ্য অসুর কবল হইতে বিমুক্ত দেখিবা পরমানন্দিত হইলেন। 
দেহস্থ যে সকল দেবডাব, রক্তবীজের প্রভাবে প্রকাশ হইতে পারে নাই, 
তাহারা এক্ষণে বিশিষ্টকূপে উদ্ধত? বা ক্রিঘ্াশীল হইলেন, দেহস্থ 
মাতৃ-শক্তিগণ রক্তবূপ রজোগ্তশকে বিশুদ্ধ করিয়া, অর্থাৎ পরমাত্মামর 
অনুরাগে অভিরঞ্জিত হইরা, প্রেঘানন্দরূপ মগ্য পান করত, নৃত্য করিতে 
লাগিলেন_-আনন্দের অতিশব্যে সাধকের দেহে অশ্র-পুলকাদি সান্বিক 





এ লন ক 
২2479188৭ টপ 
দর উট বিলেত তত 2 সু 

! রা. | ৮০০০: । 


কবল প্রকাশ পাই আনন্দের স্পন্দন তুলিতে লাগিল। সাধক ৃ 
প্রথমে মধুকৈটত বধ দ্বারা বাহতঃ শান্তিলাভ করিয়াছেন? তৎপর 
মহিষান্থ্ররূপী রজোগুণময় অহংকারের সুস্স্ভাব এবং অন্ুভাবসমূহ 
বিলয়দ্বারা জ্ঞানে ও প্রাণে প্রতিষ্ঠিত হইয়াছেন; এক্ষণে ধৃত্রলোচন, 
চণু-ুণ্ড এবং রক্তবীজ প্রভৃতি কারণ-ক্ষেত্রের আন্তরিক বীজনমৃহ, বিলয় : 
হওয়ায়, পরমানন্দের সারিধ্যলাত করিয়াছেন_তাই সাধকের*নিকট 
সমগ্র জগত আনন্দমমীর আনন্দ. শীলান্ধপে প্রতিভাত হইতেছে! ২. 
এইরূপ অবস্থা উপলক্ষ্য করিয়াই মাতৃ-সাধক গাহিয়াছেন_-“যে রানে 
আনন্দময়ী তোমাকে । সেকি অন্তরে কি বাহিরে আনন্দময় সব 
দেখে ॥ ভবে আনন্দ যে পায়, সেত আগে পায় এ পায়; নইলে 
আনন্দময়ীর চরণ বিনে আনন্দ কোথায়? তাই চরণতলে হৃদয় ঢেলে 
পাগল! পেল পাগলীকে ॥...সেত ঘটে পটে মঠে কেবল আনন্দের , 
ছটা দেখে ইহাই প্রকৃত দর্শন । রকবীজ বধ হওয়ায়, সাধক আজ 
দেহস্থ দেবগণ এবং দেব-শক্তিগণের আনন্দ মহোৎসবের সহিত 
সম্মিলিত হইয়াছেন উহারা সহশ্রার-বিগলিত আননদ-স্থধারূপ মছ্য- 
পানে বিভোর !-ভীহাদের চিত্রক্ষেত্র পরমানন্দে নৃতাপরায়ণ !--(৬৩) 

এক্ষণে এস সাধক! আমরা আনন্দময়ী মায়ের প্রেমাননদময় 
শ্রীচরণ-সরোজ ধান করিতে করিতে দিব্য জ্যোতিতে উদ্ভাসিত হইয়া 
পরমানন্দ লাভ করি। ওঁ নমশ্চগ্ডিকায়ে 


আনন্বকন্দসন্ভূতং জ্ঞাননাল স্থুশোভিতম্‌। 
ত্রাহি মাং সংসারাদেঘারাৎ দিখ)জ্যোতি নমোহস্ত্ তে ॥ 


১৯৩ : 





১৯৩ 


নবম অধ্যায়_নিশুভ্ত বধ। 
(১৯0১৪ 





রাজোবাচ ॥১ 
বিচিত্রমিদমাখ্যাতং ভগবন্‌ ভবতা। মম | 
দেব্যাশ্চরিতমাহাত।ং রক্তবীজবধাশ্রিতম্‌ ॥২ 
ভূয়ন্চেচ্ছাম্যহং শ্রোতুং রক্তবীজেনিপাতিতে । 


'চকার শুস্তে। যৎ কন্ম নিশুস্তশ্চাতিকোপনঃ ॥৩ 
| 
সত্য বিবরণ। রাজা জ্বথ বলিলেন_-ভগবন্‌ আপনি 


আমাকে রন্তবীজ-বর্ধ বিষরক দেবীর বিচিত্র উরিত-যাহাক্স্য বর্ণন। 
করিয়াছেন ॥২| রক্তবীজ বধ হইলে, শুস্ত কি কম্ম করিপেন এবং 
অভি কুদ্ধ মিশুস্তও [কি করিলেন 7, পুনরায় তাহা শ্রবণ করিতে 
ইচ্ছা করিতেছি ॥৩ 

তত্ব-স্তরধা। দাধকরাজ থাতৃ-লীলার অদ্ভত বিবরণ শুনিয়া 
বিশ্বয়াবিষ্ট হইলেন এবং পরবর্তী লীলা শুনিবার জন্য তদীয় জ্ঞান-গুরুর 
সমীপে কৌতুহল ও ব্যগ্রতা প্রকাশ করিতে লাগ্রিভেন। কামরা 
শুস্ভের কামনা, পুনরায় বিশেষরূপে প্রতিহত হওয়া, তাহাতে ভরের 
প্র বাশ পাইল; আর তাহারই একাত্স-ভাবাপন্ন নিশুস্ত স্বয়ং ক্রোধরূপী; 
এজন্য উহাতে সর্বাপেক্ষা অধিক ক্রোধের অভিবাক্তি হইল, তাই 
মন্ত্রেও নিশুস্তকে অভিক্রুদ্ধ বলা হইয়াছে [ নিশুস্তশচাতিকোপনঃ ]। 


প্রলয় অভিযান ১৯৫ 


বিশেষত: পরবর্তী মসমহে দখা যাইবে যে নি অতি ক্রোধারিত রঃ 
হইয়া [ অমর্যুদ্বহন্‌] মুখ্য অস্থরসেনা 1 পরিবেিত হইয়া সর্ধাগ্রে 
দ্ধার্থে বহিরগত হইলেন, আর শুভুও সবলে তাঙ্ছার অঙ্গমন করিলেন) . 
সৃতরাঃ নিশুস্ত বধ লীলাটাতে সর্বত্র ক্রোধের বিকাশ ষ্ হইবে এবং 


তাহার ফলে যে সর্বনাশ মং ঘটিত অনিবার্ধ্য, তাহাও ক্রমে প্রদর্শন 
করা হইবে । 


সর্বত্রই বলা হইয়াছে যে, দেবী-মাভাম্মোর যুদ্ধীল অন্তর্থবী 
ভাব অর্থাৎ সাধকগণের ভগবৎ অভিমুখী গতি) আর অস্থরগণের 
প্রলয়মুখী অভিযান । তবে সময় সমর প্রবুত্তিমুখী বাহা আস্থরিক 
ভাবও যুদ্ধস্থলে বিচারের বিষয়ীভূত হর; কেননা প্রারন্ধের ফলে 
জীবনুক্ত সাধকের জীবনেও নানাপ্রকার ছুঃখমর় ভোগ উপস্থিত হইতে 
পারে_কিন্তু তিনি উহাতে সাঙ্গীভাবেই অবস্থিতি করির। থাকেন।, 
ক্রোধের বাহাভাবে বিশেষ ক্রিয়াশীলতী থাকিলেও এখানে নিশুস্তের 
ক্রোধ পরণাত্মাভিমুখী ; কেনন! কাঁদরাজ শুস্তের একমাত্র কামনা 
সেই অপুর্ব জোতিশ্মহী নারী-্রতুকে লাভ করা; তরাং সেই কামনাতে 
বাধা-বিদ্ন হইয়া যে অতি ক্রোদের উত্পত্তি হইয়াছে, তাহাও 
অন্থম্মুথীই বুঝিতে হইবে। বিশেষত সাধকগণেরও অন্থন্থু খী ক্রোধের 





আবশ্তকতা আছে; নিজের উপর ক্রোধ করা উচিং-কেন আত্ম- 
 বিশ্ুদ্ধিবা সংঘম করিতে পারিতেছি ন!?-কেন আধ্যাত্মিক উন্নতি 
বা শক্তিলাভ হইতেছে নাঁ_কেন ভগবানকে পাইতেছি না? ইত্যাদি-_ 
_ এবদিধ ক্রোধময় ভাবও রজোগুণের ন্ম্মথী ক্রিয়াশীলতা । বিশেষতঃ 


অভীষ্ট বস্ত-লাভে বাধা পড়িলে, ক্রোধই এ বাধা অপসারণ করিয়া 
লক্ষ্য বস্তর সান্সিধা আনয়ন করে; সুতরাং ক্রোধের অন্ত্দুখী ভাব 
মজলগ্রদ ।--(১ -৩) £ 


১৯৬ শ্রীশ্রীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


খষিরুবাচ ॥৪ 
 চকার কোপমতুলং রক্তবীজে নিপাতিতে। 
টিতে নিল হতেষস্তবু চাহবে ৫ 





ভস্ঠাগ্তত্তথা পৃষ্ঠ ার্য়োশ্ঠ উরি 
 সনদক্টৌষটপুটাঃ ভুদ্ধা তত্তং দেশীমুপাযঘু! ॥৭ 
_ আজগাম মহাবীর্ষ; শুস্তোইপি স্ববলৈ বৃতিঃ। 
নিহস্তং চণ্তিকাং কোপাৎ কৃত্বা যুদ্ধন্ত মাতৃভিঃ ॥৮ 
সতা বিবরণ । খধি বলিলেন__রক্তবীজ এবং অন্যান্য অস্থুরগণ 
যুদ্ধে নিহত হইলে, শুস্তান্তর ও নিশুস্ত অতিশদ্ধ কোপান্থিত 
হইলেন ॥81৫॥ অনন্তর নিশ্ুস্ত, সেই মহতী সেনা নিহত হইতেছে 
 দেখিরা অতিশয় ক্রোধাস্থিত হইয়া প্রধান প্রধান অস্থুরসেনাসহ যুদ্ধাথে 
দেবীর অভিমুখে ধাবমান হইলেন ।৬। নিশ্বান্তের সম্মুখে পশ্চাতে এবং 
উভয় পার্খে অবস্থিত মহ্াস্থবরগণ ক্রোধে ওয্টপুট দংশনপূর্বক দেবীকে 
নিহত করিতে অগ্রসর হইল ॥৭| মহ্বাবীধ্যবান শুস্তও যুদ্ধ করিয়া 
মাতৃগণের সহিত চণ্িকাকে নিহত করিবার জন্য, স্বকীয় সৈন্থে 
পরিবেষ্টিত হইয়া সক্রোধে আগমন করিলেন ॥৮ 
তত্ব-স্তুধা। এই শ্লোকাবলীতেও ক্রোবময় ভাবের বিভিন্ন অভিবাক্তি ; 
কেননা, “কোপমতুলং১ “অমর্ষমুদবহন্ ওট্টপুটদংশন, একোপাৎ এই 
সকল উক্তিই ক্রোধের অভিব্যক্কিব্প্রক। পরামাত্মমহী মহাশক্কিকে 
লাভ করিবার জন্য নিশুস্তের সর্ধত্যাগী ক্রোধ জগচ্ছে অক্ঠুলনীয় বটে। 
তাই তিনি ক্রোথের স্বরূপমূত্তি ধারণ ( উদ্বহন্‌) পূর্বক, সন্মুখে পশ্চাতে 
এবং উভয়*্পার্থে সৈন্যবল দ্বারা চতুর্ববর্বাহ রচনা পূর্বক, নিজ্কে মধ্যস্থ 


চতুরব্ুহ 0১৯৭ 


হইয়া অভিযান করিয়াছেন! ইজ থেব লষ কায লাঙগ এ 
চতুর্কর্গ ; কেননা শরণাগতির দাফল্যে রে. 
আপনা হইতেই লাভ হইতে পারে। ? জাতের সি 
পন্থকেই শ্রে্বল মনে করিয়া উনারা বরপূর্বাক তগবানকে ৪ টু 
করিবার চেষ্টা করিলে বিফল মনোরথ হইতে হইবে; কেননা ধর্মলাভের 
সাধনা, অর্থ বা পরমার্থ লাভের মাধনা, অভীষ্ট কামনা পূরণের সাধনা, 
'কি্ব! মোক্ষ লাভের জন্য সাধনা, এইসকল সমবেত সাধনা দ্বার! 
বলপূর্ববক দিদ্ধি আনয়ন করা যায় না। এ সম্বন্ধে ভগবৎ কৃপা বা 
শরণাগতির পথই একমাত্র শ্রেষ্ঠ উপায়ন্বরপ। কাম-কামনার সহভাবী 
নিশুস্ত চতুর্ববর্গ সাধনারূপ বলের সহায়তায় অন্বিকাকে লাভ করারূপ 
সিদ্ধি আনয়নের জন্য অভিযান করিয়াছেন, মহাবীর্ধয কামরাজও ক্রোধের 
সহায়তা করিবার জন্য সবলে বা সদর্পে অগ্রসর হইয়াছেন__কেনন! 
কাম-ক্রোধ পরম্পর আপেক্ষিক ব! সহভাবাপন্ন। অন্থ্রগণ ক্রোথে 
ওষটপুট দংশন করিতে লাগিল_-অথাৎ তাহাদের প্রত্যেকে নিজেই 
নিজকে দন্তাধাতে শক্তিহীন করত ক্রমে শক্তিক্ষয় করিতে লাগিল, ইহাই 
তাংপধা ।--( ৪-৮) 
| যুদ্ধমতীবাসীৎ দেবা! শুস্তনিশুস্তয়োঃ। 

শরবধমতীবোগ্রং মেঘয়োরীব বর্ষতোঠ৯ 

চিচ্ছোদাস্তাষ্ছরাংস্তাভ্যাং চণ্ডিকাশ্ড শরোৎকরেঃ। 

তাড়য়ামাস চাঙ্গেমু শস্ত্রৌঘৈরস্্রেশ্বরৌ ॥১০ 

নিশুস্তো নিশিতং খড়গাং চন্ম চাদায় স্গ্রভম্‌। 

অতাড়য়ন,দ্িংসিংহং দেব্যা বাহনমুত্তমম্‌॥১১ 

তাড়িতে বাহনে দেবী ক্ষুরপ্রেণাসিযুত্তমম্‌। 

নিশুস্তস্তাশু চিচ্ছেদ চন চাপ্যক্টচন্দ্রকম্‌॥১২ 





১৯৮ রী শ্রীচ গ্ী-তত্ব ও সাধন-রহস্থ; 


 জত্য বিবরণ। অনন্তর দেবীক্৯ক নহি ত বারিবধশকারী মেঘের 
যার শরবর্ণণকারী শুস্ত-নিশ্ুস্তের ভীষণ মুদ হইয়াছিল ॥ঈ। চণ্ডিকা দেবী 
শর সমূহের দারা এলুর-নিগিপ্র শরনিক বর, ততক্ষণাত ছিন্ন করিরা 
ফেপিলেন এবং নানাবিধ শাগ্ধাঘাতে অন্তরপতিগবের অঙ্গ, ক্ষত 
বিক্ষত করিলেন ॥১০। (তখন) নিশ্তস্ত শাণিত খড়গ এবং স্থুনির্শল 
চণ্মফলক (ঢাল ) গ্রহণপূর্্বক, দেবীর শ্রেঙ্ঈবাহন সিংহের মন্তকে আঘাত 
করিল 7১১| বাহন আইত হইলে, দবৌ ক্ষরপ্র নামক [ ক্ষুরের ধারের 
 স্তায় অতি সুক্ষ] অন্তদবারা নিশুস্তের উঃ অসি এবং অষটচন্দ্র-চিহ্নিত 
 চক্্ফলকও ছেদন করির়| দিলেন। ॥১২ 
তত্ব-স্ুধা। কাম-ক্রোধরণী শুভ্ত-নিশুস্তের মুক্তিকাল আসর, তাই 
তাহার! মেঘের জলবর্ষণের ম্যায় ম্মান্্রিক শক্তিসমূহ অদ্থিকার প্রতি 
নিক্ষেপ করিয়া,শ টি হইতে লাগিল । সর্বাছুতিকারী গ্রলয়ানল- 
রূপ মহাযজ্ঞের জ্যোতি; বিকীর্ণ ভইতেছে 1 হাই আতু-আছতকারী 
অন্থুরের দল মি পতঙ্গের স্যার প্রপরবেগে মৃত্ারদিকে  প্রধাবিত 
হইয্বছে। মেঘের জলবধণ কাধ্য শেষ হই গেলে, সে অতি 
ক্ষীণকায়া বা ছায়াঘাত্র অবশিষ্ট থাকে; সেইজপ ক্রমানুয়ে শ্তিবূপ 
অস্ত্রত্যাগ দ্বারা উভরে ক্রদে শক্তিহীন ভইতে পাগিশইহাই মন্োক 
উপমার তাতপর্বা। তখন অপ্দিকাদেকী শরবপ প্রণকানন্দ দ্বারা এবং 
দিব্য অস্ত্রের চিদানন্দমর আলোক-সম্পাতে অস্ুরগথকে  দিবাভাবে 
বিভাবিত করিতে লাগিলেন। 
অনন্তর ক্রোধের পূর্ণমুণ্ডি নিশুস্ত অনন্ত ভেদ..তীতি বা ভেদজ্ঞান- 
রূগী আস্থরিক সুক্ক্াতিন্ক্ম (ইহাই “নিশিত" ) খড়গী এবং 
জড়ভাবোপন্ন অজ্ঞানতামর আস্থরিক প্রভাবসম্পন্ন চম্্ন ( ঢাল) লইয়া 
সর্বপ্রথমেই দেবীর পদাশ্রিত ধন্দাত্মা বা উত্তমভাবপ্রাপ্ত নিংহকে 





আক্রমণ করিল। কেননা সাধকের ধর্ম্ভাব-সম্টিকূপী সিংহ্‌কে 
শাস্থরিকভাবে বিমোভিত করিতে পারিলেই, সহজে কার্য সিদ্ধি হইবে 
এবং দবীভাবের অবীশ্বরী অগ্গিকা তখন পরাজিত হইয়া আত্ম-সমর্পণ 
করিবেন, ইভাও অন্তরের অভিগ্রার। মধ্যম চরিত্রে সিংহের উপরে 
বিশেষভাবে আক্রমণ ভওয়াতে, দেবী কোপান্ধিতা হইয়াছিলেন। এখানে 
দেবী-বাহনকে উত্তম বলা হইয়াছে, কেননা মধ্যম চরিত্রে গ্রাণগ্রতিষ্ঠা 
হইয়াছিল, এক্ষণে সর্বত্র আনন্প-গ্রতিষ্টার বিপুল আয়োজন! এজন্য 
পর পর উত্তমভাবই লদ্ধি ইইতেছে। “অনন্তর দেবী--ক্ষুরগ্র'- অর্থ 
হ্ষজ্ঞানময় ত্রাস দ্বার নিশুপ্তের উত্তম খড়গ এবং অষ্টচন্্র শোভিত 
চ্ম ছেদন করিয়া তাহাকে ব্রশ্জ্ঞানে উদ্ধদ্ধ করিলেন। মাতৃতত্তে 
নিশুস্তের বিলর বা মুক্তি আসন্ন । তাই দেবীর অন্ত্াঘাতে চ 
শ্তিরপী অন্্পমূহ বিশুদ্ধ হইয়া উঠিযাছে, তাই মন্ত্রে তাহার অদিকে 
উত্তম” বলা হইয়াছে এবহ চন্মাকে এ পৃর্ববমন্ে প্র বল! হইয়াছে? 
অর্থাৎ চণ্মের ছড় স্বভাব অপচ্ছত হইয়। চৈতন্তভাবাপন্ন হইদ্বাছে। আর 
চন্ম অষ্ট-ন্দ্র শোভিভ-ইহাঁপ ভাংগা এই যে, নিশুস্ত পূর্বোক্ত 
অষ্ট শ্রেণার অন্গুরগনের অধিনারকরূপে বুদ্ধে সমাগত, কেননা শিশুস্ত 
বধের সহিত শুস্ত-নিশুগ্তের সনস্ত নৈগ্ঠ বিনষ্ট হইয়। যাইবে এবং শুস্ত 
একক হইবেন! স্বতরাং দেনানায়কের আন্গুরিক আবরক অষ্টফলক- 
শোভিত অস্ত্রে ( চন্মে) অই্টবিধ অন্বশ্রেণীব জয়-ধ্ৰবজ, অষ্টবিধ জীব- 
ধর্দের বিশিষ্ট আবরক চিহ্ন, কিবা অষ্টপাশের বন্ধনকারী কারণময় ভাব 
উহাতে চন্ত্রবৎ উদ্ভাসিত 1- ইহাই “শান্তির তাৎপধ্য ।_( ৯১২), 


- ছিন্ধে চন্দন খড়োচ শক্তিং চিক্ষেপ সোইসুরঃ | 
তামপ্যস্ত দ্বিধ! চক্রে চক্রেণাভিমুখাগতাম্‌ ॥১৩ 





টি জট ও সামকলহ 
_.. কোপাখাতো নিশ্ুন্তোহথ শুলং জন্তাহ জানব 

আয়ান্তং মুষ্টিপাতেন দেবী তচ্চাপ্যাচুর্ণয়ৎ ॥১৪ 
_ জাপি দেব্যো ভ্রিশলেন ভিন্লা ভন্মত্বমাগতা ৪১৫ 

ভু) পরশুহন্তং তমায়াস্তং দৈত্যপুক্ষবম। 

আহত্য দেবী বাণোধৈরপাতয়ত ভতলে ॥১৬ 

সতা বিবরণ | চর্শ ও খঙ্গা ছিয় হইলে, সেই অস্নর শক্তি 

নিক্ষেপ করিল; দেবী তাহার সেই অস্ত্র সন্থখাগত হইব! মাত্র, চক্রদ্ধারা 


ঘিখত্ডিত করিয়া ফেলিলেন |১৩| অনস্তর দানব নিশুভ কোপে 
প্রজ্জলিত হইয়া শুলাস্ব নিক্ষেপ করিল; দেবী তাহাও যুষ্ট্যাঘাতে 
বিচর্ণ করিয়া! দিলেন ।১৪॥ তৎপর সেই অস্থুরও গদা বিদুর্নিত করিয়া 
চৃপ্ডিকার প্রতি নিক্ষেপ করিল; দেবী ত্রিশূলঘ্বারা সেই গদ্াকে বিদীর্ণ 
করিয়া ভম্ম করিয়া ফেলিলেন। ॥১৫| অনস্তর সেই দৈত্যশরে্, 
পরশ্ড (কুঠার ) হস্তে আগমন করিতেছে দেখিয়া, দেবী বাণসমূহদার। 
আহত করিয়! তাহাকে ভূতলে পাতিত করিলেন 1১৬ 
তত্ব-স্ুধা। তখন ক্রোধরাজ আস্থরিক পূর্ণবলরূপ শক্তি, সেই 
কারণময়ী অন্বিকার প্রতি নিক্ষেপ করিলে, দেবী বৈষণবী-অদ্্, দিব্য 
* চক্রদ্বারা উহা বিনষ্টপূর্ব্বক গ্রহণ করিলেন। হখন মে অজ্ঞানতাময় 
ভেদ-প্রতীতিকাঁরক আস্মরিক শূল গ্রহণপূর্ধবক নিক্ষেপ করিল; দেবী 
দিব্যজ্ঞানে দৃঢ়তার মুষ্টির আঘাতে উহ! নষ্ট করিলেন । তখন অন্থর 
আত্ম-বিশ্বৃতিরূপ লয়কাঁরী গদাঘার] আক্রমণ করি, দেবী তাহ! 
ত্রিগুণলয়কারী ত্রিপুটাজ্ঞানময় ত্রিশূলের আঘাতে নষ্ট করিয়া, তাহাকৈ 
'আত্ম-চৈতত্তে উদ্ধ দ্ধ করিতে লাগিলেন-তাহার অজ্ঞানময় বিস্থৃতি ভঙ্ম 
হইয়া গেল। তখন ক্রোধপতি সর্বত্র ভ্রান্তি-উৎপাদক অজ্ঞানতাময় 





পরশুসহ অগ্রসর হইলে, দেব জা, রক নারী বাপমিকরবার | 


তাহার ভ্রান্তি নাশ করিলেন; তখন আস্মারিক ভাবের সর্রননাশ হওয়ায়, 
অস্থররাজ স্থুরভাবে বা দিব্ভাবে বিভাবিত হইয়া আনন্দে মৃত 


অবস্থায় মৃতবৎ পড়িয়া রহিলেন। 
তগবান গতাতে বলিয়াছেন--4বিষয় ধ্যানকারী পুরুষের সেই 


| সকল বিষয়ে আসক্তি জন্মে, আমক্তি হইতে কামনার উদ্ভব; 


কামনা প্রতিহত হইলেই, ক্রোধ উৎপন্ন হয়; তৎপর ক্রোধ হইতে 
সম্মোহ (হিতাহিত বিবেচনা শৃন্বত! ) উপস্থিত হয়; ক্রমে 
স্সৃতি-বিভ্রম জন্মে; তাহা হইতে বুদ্ধিনাশ, এবং বৃদ্ধিনাশ হইলেই 
মৃত্যুতুল্য অবস্থা বা মৃত্যু হয়।” এই ভগবং উক্তির ভাবটা যথাযথভাবে 
ক্রোধরূপী নিশুস্তের পূর্বোক্ত যুদ্ধে এবং পরবর্তী যুদ্ধে অতি স্ন্দররূপে 
প্রতিফলিত! ইহী নিয়ে প্রদর্শন করা হইতেছে-_দেবীর অপূর্ব , 
রূপ-ব্ণনা শ্রবণ করত, শুভ্ত-নিশুভ্তের দে বিষয়ে আসক্তি জন্মে । তৎপর 
দ্রেবীকে লাভ করিবার কামনা তাহাদের অন্তরে অত্যন্ত প্রবল হয়; 
তৎপর পৈন্তািব্ বিনাশে সেই কামন| বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায়, তাহাদের 
অতিক্রোধ উৎপন্ন হর। তখন ক্রোধম্ নিশুস্ত, সবলে ধাবিত হইয়া 
প্রথমেই দেবীর বাহন পিংহকে আক্রমণ করিল; কিন্ধ দেবী, পদাশ্রিত 
ভক্তকে রক্ষা করিলেন। অনন্তর ক্রোধদৃত্তি নিশুন্ত, দেবীকে দর্শন করিয়া 
সম্মোহিত্ত হইলে এবং তীহাকে লাভ করিবার জন্য তাহার সমস্ত শক্তি 
প্রণেগ করিলে, দেবী তাহাও বার্থ করিয়া দিলেন। অনন্তর শঙ্তিক্ষয 
হেতু তাহার স্থৃতি-ভ্রম উপস্থিত হইল; অর্থাৎ যদিও দেবীকে 
আর়ত্বাধীন করা সম্ভবপর হইল না, তথাপি তাহাকে বিনাশ নিশ্চয়ই 
করিতে পারিবে, এইরূপ ভ্রান্ত-বিশ্বাসে সে দেবীর প্রতি আঙ্রিক শূল 
নিক্ষেপ করিল; কিন্তু দেবী তাহা হস্তদবারারণ করিয়া চুফেলিলেন; 


২০২ , স্ত্রী শিডতী-ত্ৰ ও সাধন-রহস্তয 


' তখন তীভার বুদ্ধি লোপ হইল অর্থাত... + করা কর্তবা, স্থির করিতে 
ত নিক্ষেপ করিল; দেবী 


না পারিয়!, পরিশেষে আস্থরিক গদা দূর 
তাহাও ভম্ম করিনা ফেলিলেন। তখন অনটানে €ও দাজ্জায় তাহার 
. মৃত্যুতুলা অবস্থা হইল এবং সে জীবন্মৃত তুণা হইয়া পরশুসহ ধাবিত 
হইলে, দেবী তাহাকে রসময় বাণাঘাতে মৃচ্ছিত করিয়া ভূমিশারী 
করিলেন অর্থাৎ গীতার ভাষায় তাহার বিনাশ উপস্থিত হইল-_ইছাই 
. উপরোক্ত মন্ত্রে র্িতযুদ্ধ-নীলায় রহস্ত-ও তাৎপধ্য ।_-(১৩-১৬) 
 তস্মিন্‌ নিপতিতে ভূমৌ নিশুন্তে ভীমবিক্রমে | 

ভ্রাত্য্যতীব সংক্তুদ্ধঃ প্রযযৌ হস্তমন্থিকাম্‌ ॥১৭ 

স রথস্থস্তথাত্যুচ্চৈ গৃহীহপরমাধুপৈ:| 

তুজৈরষ্টাভিরইুলৈ বর্যাপ্যাশেষং বভোৌ নভঃ ॥১৮ 

সতা বিবরণ। মেই ভীম-বিক্রম ভ্রাতা নিশুস্ত ড়? পতিত হইলে, 
শুস্ত অতীব ক্রুদ্ধ হইয়া অগ্থিকাকে নিহত করিবার জন্য ধাবিত 
হইপ ॥১৭। সেই শুস্তাগর রথারূঢ হইয়া অতুলনীর জদীঘ অস্ত 










নানাপ্রকার শ্রে্গ অক ধারবপূর্বক সমগ্র আকাশমগ্ডল পরিব্যাপ্ধ 
হইরা শোও পাইতে লাগিল ॥১৮ 

_ তত্বস্ৃধ]। কারণনর দ্বিদল-চক্রে মনোমর কোষে ক্রোবরূপী 
নিশুস্তের সামগিক পতনে বা নিক্ষিরভাবে, সাধকের চিভ-ক্ষেতে প্রশাগ্তি 
ও আনন্দের অভিব্যক্তি হইল । তখন কামরূপী শুপ্ত, কামম্য় অতুলনীয় 
সাক্ষাৎ স্থশোভন মন্মথ ঘুরি পরি গ্রতণপূর্বাক সশস্ত্র অষটস [হতে সুসজ্জিত 
হইয়া, লাধকের দেহ-রথে আরোহণ করত মূলাধার £রতত দ্বিদলশ্চক্রের 
উপরিস্থ শূণ্ঠমর আাকাশনগুল পর্যান্ত পরিব্যাপ্ত হইরা বিরাজ করিতে 
লাগিল।, [ মদনের শরাঘাতে আহত হইলে মূলাধার হইতে মস্তি 
পর্যন্ত সমস্ত প্রকাশমর স্থানসমূহ বিক্ষোভিত হইয়! থাকে ] জীবদেহস্থ 


অষ্টাঙ্গ মৈথুন ২০৩ 


মনোময় রথেই কন্দর্প সর্বাগ্রে আরোহণ করিরা থাকেন_ ইহাই, 
মন্ত্রো রথ । আর কামরাজের অষ্টবাহুই শাস্ত্রোভ অষ্টাঙ্গ মৈথুন, 
যথ্]-শববণ (বা ম্মরণ ), কীর্তন, কেলি, প্রেক্ষণ ( প্রকুষ্টরপে দর্শন 
বা৷ অহেষণ), গুসথভাষণ, সঙ, অধাবলায় এবং গরিগ নি্পত্তি 
. ইহা শুধু অনঙ্গের বহিরঙ্গ বিভাগ নহে, প্রকৃতপক্ষে যে কোর্ন শি ৃ 
কামা বস্থ সংগ্রহ বা ভোগ করিতে হইলে, উপরোদ্ত আট আই 
উপায়স্বরূপে ব্যবস্বত হয়। রূপ রসাদি বিষয়ের 'সঠচিত ্রিগণে 
সংযোগ, ক্রিয়াকেও মৈথুন বলা হয়; এজন্য সর্ধেছ্ছির সংযম বার্থ ূ 
মেখুন ত্যাগ ; আর ব্র্গে বা! ব্রঙ্গজ্ঞানে বিচরণণীল হপ্যয়াই রন্তপক্ষে 
_ব্রক্ষচধ্যপালন। নতুবা শুধু কামেন্রিয় সংবমদ্বারা ব্র্দচধ্যের 
চরম ফল লাভ করা যায় না। 
এক্ষণে কামনার অষ্টবাহু সন্ধে অতি সংক্ষেপে দুইটা ছৃষ্টান্ত উল্লেখ 
কর। হইল, যথা_-(১) অদীক্ষিত একব্যক্তি জনৈৎ সদগরর সম্বন্ধে 
প্রদংশাবাণী শ্রবণ করিলেন (ইহাই শ্রবণ ব। স্মরণ ) তাহার নম্ন্ধে 
আলোচন। করিতে নাগিলেন (ইহাই কীন্তন ); অভিজ্ঞ লোকের 
নিকট যাতাগ়াত করিয়া পরামর্শ লইলেন (ইহাই কেনি)। তাহার 
অন্বেষণে বহিগত হইয়া! দর্শনলাভ (ইহাই প্রেক্ষণ)) তাহার সহিত 
দীক্ষ। সন্ধে গোপনে আলাপ (ইহাই গ্রহ্থভাষণ ); ত্পর দীক্ষার 
উপকরণ সংগ্রহ (ইহাই অধ্যবসার) এবং দীক্ষা গ্রহণ (ইহাই 
ক্রিযা-নিষ্পত্তি)। (২) পরহস্তগত কোনও একটী সম্পত্তি যেন উদ্ধার 
করিতে হইবে-_প্রথমে নিজসম্পর্তি অপরের দখলে থাক] সন্ধে শ্রবণ, 
তংপর উহার আলোচনা (কীর্তন); অভিজ্ঞ ব্যক্তির নিকট যাতায়াত 


(কেলি); কাগজপত্র দেখান (প্রেক্ষণ) তৎপর গোপন পরার, 
মোকদ্দমা করার সন্কল্প, এবিষয়ে আবেদনপত্র ঠিক কর! (অধ্যবসায়) 











র্‌ ২০৪ ্ীতরীতী-তত ও সাধন-রহস্য 





| এবং উহা দাখিল ও নিষ্পত্তি করা (কিযানিপততি) । স্থতরাং এইরূপ- 
' ভাবে বিচার করিলে, সমস্ত বিশিষ্ট কাধের সহিত অষ্টাঙ্গমৈথুনরূপ 
_ কামনার অষ্টবাু বিজড়িত।-ইহাই কামরাজ শুস্তের অষ্টবাহ 
-. প্রসারণের গৃঢ় তাৎপর্য অষ্টবাহস্থিত অগরপ্রকার অস্ত্র, যথা--শ 
স্পর্শ রূপ রস ও গন্ধাত্মকূ, মদনের পঞ্চবিধ শর এবং মন বৃদ্ধি অহং। 
ৃ কেননা (১) মনদ্বারা কামের বিষয় স্মরণ বা চিন্ন ( আস্থরিক ধ্যান); 
। (২) বুদ্ধিদ্বারা উহ্হা মনন অর্থাৎ নিয়ত তত্ভাবে বিভাবিত হওয়া 
. ( আন্থরিক ধারণা)? আর অহত্ার ৮ তন্ময় লাভ অর্থাৎ 
1 জকার কারিত হওয়া ( আস্মুরিক সমাধি)? ছুরাং অধ গ্রকৃতির 
উপরোক্ত অষ্টবিধ ভাবই অষ্টবাহছ সমদ্থিত কামের ঠা আমুধ বা 
.. প্রাণময় অস্ত! এজন্য অষ্টবাহু সমন্বিত কামকে বিনাশ করিবার জগ্ই 
দেরীও অষটভূজা মহাসরস্বতীরূপ ধারণপূর্বক আবিভূতী! (১৭1১৮) 
_. তমায়ান্তং সমালোক্য দেবী শঙমবাদয়ং। 

জ্টাশব্ব্চাপি ধন্নৃষশ্চকারাতীবছুঃসহম্‌ ॥১৯ 

পূরয়ামাস ককুভো৷ নিজঘণ্টাম্বনেন চ। 

সমস্তদৈত্যসৈন্যানাং তেজোবধবিধায়িনা ॥২০ 

ততঃ সিংহো মহানাদৈজ্তাজিতেভমহামদৈঃ | 

গৃরয়ামাস গগনং গাং তথোপদিশো দশ ॥২১ 
| সত্য বিবরণ । দেবী তাহাকে আগমন করিতে ছে ধধা শঙ্খধবনি 
ৃ করিলেন এবং ধনুকের অতি ছুঃসহ জ্যাশব করিলেন **৯॥ [দেবী ] 
. সমস্ত দৈত্যসৈল্যগণের জেঃজাবিনাশ সম্পাচ্নকারী নিজ ঘণ্টাধবনিদ্ার 
ৃ সমস্ত দিউমগল পরিপৃরিত করিলেন ।২০॥ অনন্তর সিংহ হস্তিগণের 


: মানব নিবারণকারী মহাগঞ্জনে ভূমগুল এবং সমীপবর্তী দশ দিক 
1 পূর্ণ করিলেন ॥২১ 





রাম ও কাম রর ৃ 


তত্ব-্থধা। কামরাজকে আসিতে দেখিয়া শঙ্খধবনি ও নি? 
সাধক যদি কোন সমর নিজদেহে কামের স্থক্মাতিস্থত্্ম আগমন অনুভব 
করেন, তবে উহা! নিবারণ কল্পে ধর্মভাব উদ্দীপনকারী যে কোন 
কাধা তৎক্ষণাৎ কর] কর্তব্য । “জর মা" “জয় গুরু' প্রভৃতি ধ্বনিরূপ 
শঙ্খধবনিদ্ধার! প্রথমেই উহা দমন হইতে পারে; নতুবা প্রণব জপবা 
ইষ্টমন্ত্র জপাদি দ্বারা অন্যন্মণী হইতে পারিনেও, কামাস্থুরের পক্ষে উহা 
দুঃসহ হইবে এবং সে অন্তধ্ণান করিবে । কেননা &্লোহাতে আছে 
“ধাহা কাম তাহ] নেহি রাম, ধাহ| রাম তাহা নেহি কাম। দোনো 
একট্টা নেহি রহে দিবস-রজনী এক ঠাম |” অর্থাৎ যেমন দিবা ও 
রাক্সি একত্রে অবস্থান করিতে পারেনা, সেইরূপ যেখানে 2 
আধিপত্য, সেখানে রাম থাকিতে পারেন না, আর যেখানে (জপ: 
ধ্ানাদিজনিত) রামের অবস্থান, সেখানে কাম থাকিতে পারে না। 
এইরূপে জপ ও ধ্যানাদি করিতে করিতে দেহে যখন তরিগুণময় নাদের 
অভিবাক্তি হয় (ইহাই ঘণ্টাধবনি ); তখন উহা কামরূপী দৈত্যের 
সর্ববিধ তেজের বিনাশ সম্পাদন করে। এইকূপে কামজয়কাঁরী ধর্মাত্া' 
সিংহরূগী সাধক মদন্নাবী কাম-কামনাঁর ঘনীভূত অবস্থারূগী অজ্ঞানতাময় 
হস্তীর কিন্বা মদান্ধ কন্দর্পের দর্পচর্ণ করিতে সক্ষম হইয়া, আনন্দধ্বনি 
করিলেন এবং সেই আননো সাধকের দেহ-পুরের মূলাধার হইতে দ্বিদলের 
মহাকাশ পর্যান্ত এবং অন্তঃকরণের (ইহাই বর্তমান রণক্ষেত্র ) দশদিক 
পুলকিত ও উল্লসিত হইল ইহাই কামরূপী শুস্তের আগমনে, 
মন্্রোক্ত শবতত্ব অভিব্যন্কির গুঢ় তাংপর্ধা। 

সহভাবী নিশুস্তের মূচ্ছাতে কামরূপা শুস্ত দিদল-চত্রে মনোময় রথে 
অরোহণ করত, অষ্টবাহযুক্ত স্বরূপ-এ্বধ্য মৃদ্তি ধারণ করিয়া দেবীকে 
বরাক গ্রহণ করিতে উদ্যত হইলে, দেবী তাহার অগ্রগতি, ভিত 


২ | রীশ্রীচণ্তী-তত্ব ও দাধন-রহসত ূ 


করিবার জন্য প্রথমেই র্শভাব ৃষ্টিকারী শঙ্-নিনাদ বা নাহ ফানি 
করিলেন; অনন্তর অস্গরগণের পক্ষে দুঃসহ বা অসহ্য ধনুষ্টঙ্কার বা 
প্রথবাদি ধ্বনিদ্বারা ধর্মীভাব পোষণ বা রক্ষা করিতে উদ্যত হইলেন; 
তৎপর গ্রল়কারী ঘণ্টা-নিনাদদ্বারা, কামরাজ ও তৎ সহকারীগণের 
তেজ ও বল নাশ করিতে লাগিলেন । অনন্তর ধন্মাআ সিংহ কন্দপাহত 
মদোন্পত কামরাজের মনজ্রাবী সুক্মাতিসুক্ম ভোগাকাক্র! নিবৃত্ত বা 
্তসুনকারী রাজসিক মহানাদদ্বার। ভূমগল হইতে গগন যগ্ুল পথাস্থ 
( মূলাধার হইতে আজ্ঞা-চ পধান্ত ) দশদিক প্রতিধ্বনিত ও বিক্ষোভিত 
করিলেন 1--(১৯-২১) ্‌ 
ততঃ কালী সমুৎপত্য গগনং ক্মামতাড়য়ৎ। 
করাভ্যাং তন্নিনাদেন প্রাকৃষ্বনাস্তে তিরোহিতাঃ।২২ 
অট্রাট্রহাসমশিবং শিবদূতী চকার হ। 
তৈঃ শবদৈরস্রাস্তরেনঃ শুস্তঃ কোপং পরং রঃ (২৩ 
-.. ছুরাত্মংস্তিষ্ঠ তিষ্টেতি ব্যজহারাম্থিকা যদ 
তদা জয়েহাটিহিত। লি ॥২৪ 

সত্য বিধরথ। অনন্তর দেবী কালিকা আকাশে উখিত ভইয়। 
করছয়দ্বারা পৃথিবীকে তাড়না করিলেন ; সেই শবে পূর্ববোখিত শব্ষঘকন 
তিরোহিত হইল |২২॥ শিবদূতী ভীষণ অট্টা্ হাস্ত করিলেন । এ শবে 
অন্থরগণ ভীত হইল; তাহাতে শ্ুম্ত অত্যন্ত কোপান্বিত হইল ॥২৩॥ “রে 
দুরাত্মন! থাক্‌ থাক্‌,” অন্বিকা এই কথা বলিলে, আকপস্থিত দেবগণ 
জয়ধ্বনি করিয়া উঠিলেন ॥২৪ 

তত্ব-স্তুধা। অনন্তর প্রলয়রূপিণী করুগাময়ী কালিকা (কুগুলিনী- 
শক্তি) আজ্া-চক্রের উপরিস্থ মহাশুগ্কময় “গগনে বা আকাশে 
(কারণময় অংশে ) সমুখিত হইয়া সেখানকার শুস্তরূপী কামের বহিশ্ম খী 


3038০51877৮ 77 র্‌ ২. টি তি ৮1017 ৭178 র 
দন এ ন্ঃ শিরিন যা না ডি, এখুও 3 ধন ক, ১ 0818775২ 


প্রকট্কারী পঞ্চততময় পৃথিবীর অংসীতৃত য্‌ল কীট, ভাঙার অভর 
হস্ত-ঘুগলের মর্গলময় আঘাতদ্বার। সাময়িকভাবে নষ্ট করিয়া দিলেন! 
অর্থাং তখনকারমত সেই কামের আক্রমণ-চেষ্টা সমূলে উৎপাটিত হইল। 
লৌকিকভাবেও _কাম-বাণে 'আহত হইলে, উহার ক্রিরাশীলন্তাব 
বীজটী মস্ভিক্কে অবস্থিতি করত সমগ্র দেহটা বিক্ুত্ধ করিতে থাকে 
স্লৃতবাং মর্গলনরী কালী সাধকের বিক্ষোভকারী কাম-বীজটাকে নষ্ট 
করিয়া তাহার অগ্তরাকাশ মেঘমুক্ত করিলেন। কালিকার করাঘাত- 
জনিত যে বিপুল শব উত্থিত হইল, তাহা পূর্বোখিত ত্রিগ্রণময় শব্দকে 
অভিভূত করিদ_-কননা। উহা থে মহাকাশে উখিত বিপুল শব বা 
শবতন্নাত্র। তখন গুরুশক্তি শিবদূতী অটট হ্া্দ্বারা াধককে আনন্দ 
 প্র্ানপূর্ব্বক অন্গুরগণের সন্ভাস উৎপাদন করিলেন, কাম-রাজের 
সহকারীগণের চেষ্টা বিফল দেখিরা, তিনি কুপিত হইলেন, তাহাতে দেবী, 

তাহাকে আর কিছুপণর অপেক্ষা করিতে বলিলেন-_অর্থাৎ তাহার 
বিনাশরূপ মুক্তি অনভিবিলগগেই সংঘটিত হইবে ইহাই দেবীর ১ 
এভি্-তিঠ' বলার অভিগ্রায়। তখন দেসস্থ উদ্দিয়াধিপতি দেবগণঞ্খ 
আনন্দে অন্থিক] মারের জরধ্বনি করিতে প্রবুত্ত হইলেন ।--(২২-২৪) 

শুস্তেনাগত্য যা শক্তিযুক্তা জালাতিভীবণ|। 

আয়াস্তী বঞ্ছিকূটাভা সা নিরস্তা মহোক্ষয়া ॥২৫ 

সিংহনাদেন শুভ্তস্ত ব্যাপ্তং লোককত্রয়ান্তরম্‌। 

নির্থাতনিঃম্বনো ঘোরে। জিতবানবনীপতে ॥২৬ 

শুস্তমুক্তাঞ্থরান্‌ দেবী শুভ্তস্তৎপ্রহিতাস্থরান্‌। 

'চিচ্ছেদ স্বশরৈরু্রৈঃ শতশোহথ সহস্রশঃ ॥২৭ 

ততঃ সা চণ্তিকা া শৃলেনাভিজঘান তম্‌। 

্স তদাভিহতো ভূমৌ মৃচ্ছিতো নিপপাত হ॥২৮ 


২০৮ শ্রীশ্রীচ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


সত্য বিৰরণ। শুভ অগ্রদর হুইয়া অতিভীষণ শিখাবিশিষ্ট যে 
'শক্তি-অস্ত্র নিক্ষেপ করিল, অগ্সিরাশির ন্যায় ্রভাবিশিষ্ সেই শক্তি 
আসিতে না আপিতেই, দেবীর মহোক্ক1! নামক অন্্দ্বারা [ পথিমধ্যে ] 
নিরন্ত হইল ॥২৫| শুস্তের সিংহনাদে-ত্রিলোক পরিব্যাপ্ত হইল; কিন্ত 
হে অবনীপতে ! দেবীর ভীষণ বজ্রধ্রনি সেই দিংহনাদকেও অতিক্রম 
করিল ॥২৬| দেবী, স্বকীয় তীক্ষ শরসমূহদ্বারা শুস্ত-নিক্ষিপ্ত শত-মহম্র 
বাণ ছিন্ন করিলেন; আর শুস্তও তদীয় শরসমূহদ্বারা দেবী-নিক্ষিপ্ত 
শত-সহশ্র বাণ ছেদন করিলেন ॥২৭॥ অনস্তর চণ্ডিকা কুদ্ধ হইয়া শৃলদ্বারা 
তাহাকে আঘাত করিলেন ; তথন শুভ্ভ-আহত ও মুচ্ছিত হইয়া ভূতলে 
পতিত হইল ॥২৮ 

 তত্বন্ুধা। অন্তরপ্রদেশে দেবীপ্রাপ্তিরপ কামনাদ্ারা বিদ্ধ 
কামরাজ শুস্ত, অপ্রতিহত প্রভাবসম্পন্ন ুম্প,রণীয় উগ্র অনলরূপ কামের 
পরিপূর্ণ শক্তি দেবীর প্রতি প্রয়োগ করিলে, দেবী অগ্রিগ্রদাহের ন্যায় 
জাল! প্রদানকারী কামের সেই জলন্ত শক্তিকে তাহার প্রেমানন্দপ্রদ 
মহাজ্যোতিঃরূপ মহোক্কা অ্্দ্ধারা বিলয় করিয়া ফেলিলেন! তখন 
পরাজিত শুল্ক প্রতিশোধ গ্রহণের জন্, কামোদ্বীপক ভীষণ গঞ্ছনাদিছার। 
সাধকের স্ুুল-হ্থপ্ম-কারণময় দেহত্রয় বিক্ষোভিত করিতে চেষ্টা! করিলে, 
 অপ্দিকা মা কারণময় বজ্জাঘাতের প্রলয-ধ্বনিদ্বার। কামরাজের গঙ্জন 
বার্থ করিয়! দিলেন। এইরূপে চিন্মী দেবীর সহিত ক্রমাগত শত-সহত্র 
শর বিনিময় শুস্তের আহ্বরিক ভাব ক্রমে বিশুদ্ধ য়া দেবভাবে 
 পরিবন্ঠিত হইতে লাগিল! ভাই তিনি দ্রেবীর দিব) শরসমূহও তাহার 
বিশুদ্ধ শর-নিকরদ্বার! ছেদন করিতে অর্থাৎ উহা গ্রহণ করিতে সম্্থ 
হইয়াছেন। অতঃপর দেবী অনন্ত ভেদ-প্রতীতি নষ্টকারী দিব্য জ্ঞানম় 
শূলাঘাতে কামরাজ শুস্ককে মুচ্ছিত করিয়া, ভূতলে পাতিত করিলেন; 


ক্রোধের সহত্রবাহ | ্ ০৯ 


অর্থাৎ তাহার অজ্জান-তমসাচ্ছন্ন জড়ত্ব বা আন্রিক ভাব অনেকটা 
নষ্ট হওয়ায়, আনন্দের আতিণয্যে তিনি মৃচ্ছিত হয়া পড়িলেন ইহাই 
ুদ্ব-বিবরণের রহস্য ও তাতপর্ধয।-_(২ ৫-২৮) 

ততো নিশুস্তঃ সংপ্রাপ্য চেতনামাত্কার্পুকঃ। 

আজঘান শরৈর্দেবীং কালীং কেশরিণং তথা ॥২৯ 

পুনশ্চ কৃত্ধা বাহ্‌নামযুতং দনুজেশ্বরঃ | 

চক্রায়ুধেন দিতিজম্ছাদয়ামাস চণ্ডিকাম্‌ ॥৩ 

ততো ভগবতী কুদ্ধ! দুর্গা ছুর্গান্তিনাশিনী । 

চিচ্ছেদ তানি চক্রাণি স্বশরৈঃ শায়কাংশ্চ তান্‌ ॥৩১ 


সত্য বিবরণ । অনন্তর নিশুভ্ত চেতন প্রা হইয়া ধনুক গ্রহণ- 
পূর্বক শরদার1 দেবীকে, চামুণ্ডাকে এবং সিংহকে আঘাত করিল ॥২৯। 
দিতিপুত্র অন্থরাধিপতি নিশুস্ত, পুনরায় অযুত বাহু বিস্তার করত চক্র 
এবং আমুধ [ বাণসমূহ ] দ্বারা চণ্তিকাকে আচ্ছাদন করিয়া ফেলিল 1৩, 
তৎপর দুর্গতিহারিণী ভগবতী দুর্গা ভ্রদ্ধা হইয়া, নিজ শররাজি দ্বারা 
নিশুস্ত-নিক্ষিপ্ত সেই চক্র এবং বাণসমূহ ছেদন করিলেন ॥৩১ 

তত্বসধা। ক্রোধবূপী নিশুস্ভ অচেতন হইয়াছেন বটে, কিন্ত 
বিনাশ প্রাপ্ত হন নাই। এক্ষণে তিনি নব-বলে বলীয়ান হইয়া, ভেদ- 
প্রতীতিকারক্‌ আন্থরিক ধনু গ্রহণপূর্বক সত্বগুণময়ী মহাসরম্বতী 
কৌধিকী দেবীকে, রজোগুণময় সিংহকে এবং তমোগুণময়ী কালিকাকে 
নিজ শরদ্বারা আক্রমণ করিলেন; তৎপর অযুত বা দশ সহত্র বাহু 
প্রসারিত করিলেন। ক্রোধের পাত্র বা অপাত্র নাই, আর উহার ক্রিয়া- 
শীলতার বিষয়ও অনস্ত বা অসংখ্য--এজন্য ক্রোধরূপী নিশুস্তের সহস্র 
সহম্ম বাহু। বিশেষত; ক্রোধরূপী অন্গরের কবল হইতে মুক্ত পুরুষগণও 


১৪ 


২১০ ্্ীপ্রীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 
মুক্ত নহেন__কেনন ক্রোধের সংস্কার জন্দগত ও স্বভাবগত: ঘা বাক্ষত 
শুকাইয়! গেলেও যেমন কিছুনা কিছু দাগ থাকিরা যায, সেইবূপ 
ক্রোধের সংস্কারও একেবারে নষ্ট হয় না। মে নিশুনকে দিতি ত্জ 
বলা হইরাছে-দহবি কশ্থাপের অদিতি ও দিতি, 
হইতেই আদিতা প্রভৃতি দেবগণ এবং ৮ নর দৈতা বা দানবগণের 
উৎপত্তি । ] 

রাবী ঞোধন্ধপী নিশুস্ত আস্গুরিক চক্র ও মেসো দায়াজাল 
ঃ করুভ ৯৩ দেবীকে আচ্ছাদিত করিগে, ছুর্গতিনাশিনী দুগ। 


হয় 
[৫ 
তা 





নিজ দিব্য শরাঘাতে অন্তরের দানাজাল ছিম বিচ্ছিন্ন করিয়া দিলেন! 
যিনি স্বমং মহামায়া, তাহাকে আন্ুরিক মায়া-জালে আচ্ছাদিত 
করার গ্রচেষ্টা, অঙ্গানতত্রমসা থর অন্থরের পক্ষেই সম্ভব। কংস- 
কারাগারে শ্রীকৃষ্ণ চনম গ্রহণ করার পর, তাহাকে ক্রোড়ে লইয়া 
বন্দে যখন কারাগার হইতে বহির্গত হঠ: এলেন, তখন প্রাণের 
অঙ্-কান্তিতে ব! জ্যোতিতে কারাগারের রি দ্বারগুলি আপন| 
হইতেই খুলিয়া ধন্গুদেবের বহির্থমের পথ উদ্ুক্ত করিয়। দিযাছিল ! 
সেইঝপ এখানেও মারের অঙ্গজ্যোতিঃ রেখাবূপ পরম রসনয় শরনিকরের 
গ্রভ দ্বারা আস্কুরিক আচ্ছাদনরূপ অজ্ঞান-অন্গকার ততক্ষা বিদুরিত 
হইয়াছিল ইহাই মগ্োক্তির তাঅপর্য 17 (২৯৩১) 

ততো নিশুস্তো বেগেন গদামাদায় চণ্ডিকাম | 

অভ্যধাবত বৈ হস্তং দেত্যসেনাসমাবৃতঃ 

তস্তাপতত এবাশু গদ্াং চিচ্ছেদর চণ্তিক... 

খডোন শিতধারেণ স চ শৃলং সমাদদে ॥৩৩ 

শুলহস্তং সমায়ান্তং নিশুস্তমমরাদ্দনম্‌ | 

হাদি মি শূলেন চরিত চণ্ডিকা ॥৩৪ 





পূর্ণ অভিযান - 
ভিন্নস্ত তশ্তয শুলেন হৃদয়ান্নিঃস্তোইপরঃ। 
মহাবলো৷ মহাবীধ্যস্তিষ্টেতি পুকষো বদন্‌॥৩৫ 
তস্য নিক্ষামতে। দেবী প্রহস্তয স্বনবং ততঃ। 
শিরশ্চিচ্ছেদ খডোন ততোসাবপতদ্‌ ভূৰি ॥৩৬ 
ত্যবিবরণ। অনন্ত নিশুস্ত দৈতা সেনাগণে পরিবেষ্টিত ভইয় 
গদা1 গ্রহণপুর্ধক চ্ডকাকে বধ করিবার জন্য মহাবেগে ধাবিত 
ইল ॥৩২॥ চ্িকা, তদভিমুখে ধাবিত ভওরামাজ্র তীক্ষ খঙ্াদার 
তাহার গদা ছিন্ন করি) দিলেন, তখন দে শুল গ্রহণ করিল (৩৩। 
অমর-পীডক নিশুস্ত, শূল হস্তে গমন করিতেছে দেখিয়া, চগ্ডি। 
অতিবেগে স্বীয় শূল নিগেপ করত তাহার জার বিদ্। করিলেন 1৩৪। 
 শুলাধাতে বিদীর্ঘ ভদীর হৃদর হইতে অপর একটা মহাবল ও ম্াবীধ্যবান | 
পুরুষ, তি (থাক্‌) বলিতে বলিতে নির্গত হইল 1৩৫| অনম্থব “নই 
পুরুষ বহির্গত হতে না হইতেই, দেবী উচ্চঙাস্য করত খড়াছ্থারা তাহার 
মস্তক ছেদন করিলেন; তখন সে তপতি উইল ॥৩৬ | 
তত্বস্তধা। তখন ক্রোধপী শিহন্ত অষ্টঙ্খেণীর .সকল : 
অস্থরগণকে সা্জ লইয়। দেবীর অভিমুখে দবেগে গ্রপরঅভিযান করিল 
এবং দেবীর প্রতি আত্ম-বিম্থৃতিবপ ভ্রান্তি ও অজ্ঞানতামর গদা নিক্ষেপ 
করিল । দেবী সুক্ষ অদ্ান-ছেদক জ্ঞানময় খডগদ্ধাবা এ গদা নষ্ট করিয়া 
দিলেন। তখন সে অজ্ঞানতামর ভেদ-প্রতীতিকারক শুল গ্রহণ করিয়া 
অগ্রসর হইলে, দেবী ব্রঙ্মজ্ঞানময় দিবা শৃলে প্রচণ্ড আঘাতে ক্রোধরাজের 
হৃদয় প্রদেশ বিদীর্ণ করিয়া তাহার স্থস্মাতিৎক্ষ্ দেহে প্রাণ-প্রতিষ্টা করত, 
দিব্যজ্ঞান প্রনান করিলেন। তখন বিদারিত অন্থুর-দেহের কারৎ-ক্ষেত্র . 
হইতে পুনরায় এক মহ্কানলনীর্ধাসমদ্বিত ক্রোধের কারণময় সংস্কারযুক্ত 
উগ্ন মৃত্ঠি বহির্গত হইতে না হইতে, দেবী অস্থিক! উচ্চহান্বদ্বারা আনন্দ 





২৯২ ্ীশ্রীচশ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


প্রকাশপূর্বক তাহাকেও দিবাজ্ঞানময় ৭ক্গঘাতে দিত করিয়া 
ভূপাতিত করিলেন-_অর্থাৎ তাহার জ্ঞানম; 3 অংশ মাতৃদেহে লীন 
হইল এবং অজ্ঞানাংশ পৃথক্‌ করিয়া ভূতলে বা গড়তে মিশাইয়া দিলেন 
_এইরূপে ক্রোধ্ণী মহাপন্ড বা মৃহারিপু * মাতৃ-কুপায় মাতৃচরণে 
উৎসর্গীক্কত হইল! মহিষাব্বরের ্থায় এখানেও জ্রোধময় নিশুষ্টের 
কারণভাবাপনন সংস্কার মৃষ্ঠিটা পূর্ণ বিকশিত হইতে না দিয়াই, চণ্ডিকা 
তাহাকে বধ করিলেন; কেননা সাক্ষাং কামরা শুস্ত সশরীরে এখনও 
জীবিত; স্থতরাং তাহার সহিত একান্ম- ভাবাপন্ন ক্রোধের কারণাংশও 
মপর্ বিলয় হইলে, তাহার স্বশোভন কামমৃষ্তির অঙ্গহানি হইবে ! কেননা 
পরবর্তী শেষ যুদ্ধেও ক্রোধের তেজ-বিকিরণ প্রয়োজন হইবে । বিশেষত; 
কামরাজের বিলয়ের সঙ্গে সঙ্গে অবশিষ্ট ক্রোধ-লেশ আপন হইতেই 
বিলয় হয়া ফাইবে, ইহাই দেবীর অভিপ্রায় । 
ইতিপূর্বে বলা হইদাছে যে, গীতাতে ভগবান ক্রোধের ক্রম-পরিণতি 
উল্লেখ করিয়া পরিশেবে যে বিনাশ দেখাইয়াছেন, ইহ| নিশুস্তের পরবর্তী 
যুদ্ধেও অভিব্যক্ত- ইভাই এখানে দেখান যাইতেছে । 

ৃচ্ছিত ক্রোধমুত্তি নিশুস্ত চেতনা পাইয়া পুনরার যুদ্ধে প্রতৃত্ত হইল। 
দেবীকে দর্শন করিয়া 1 তাহাকে লাভ করিবার জন্য পুনরায় ক্রোধ প্রবল 


্ 








* যুরিষ্টির দ্রৌপদীকে উপদেশ দিয়াছিদ্ন_ইহলোকে ক্রোধ 
জীবের বিনাশের মূল বলিয়া দুষ্ট হয়- ক্রুদ্ধ ব্যক্তির বাচ্যাবাচ/ জ্ঞান 
থাকে নাও সেনা করিতে পারে, এন কশ্ম নাই! ক্রোধ মানৃষকে 
পণ্ুভাবাপন্ন করে-__অবধাকে বধা করে; ক্রুদ্ধ কক্তিগণ আত্ম-ঘাতী 
হইয়। নরকগামী হয়। ক্রোধ মানুষের যুখ-চন্ত্রমার কমনীয় কান্তি 
বিদুরিত্ করির' উহ! বিভৎস দৃশ্টে পরিণত করে”্_মহাভারত। 
বিশেষত: আধুনিক অভিজ্ঞ চিকিতসকগণ, ক্রোধকে উল্মাদের প্রধান 
কারণ 'বলিরি। নির্দেশ করিয়াছেন। 


মায়াজাল ২১৩ 


হওয়ায়, নিশুস্ত আন্গুরিক শররূপ নাগ- -পাশে দেবীকে কালীকে এবং 
সিংহকে বন্ধন করিয়া আনিবার জন্য ত্রিগ্তণময় শর নিক্ষেপ করিলে, দেবী 
উহা বার্থ করিয়া দিলেন। তখন সেই মায়াবী সন্মোহিত হইয়া অমৃত 
বাহ বিস্তার করত, চক্র ও বাণের সম্মোহন মায়াজাল সৃষ্টি করত, দেবীকে 
চতুদ্দিক হইতে আচ্ছাদন করিয়৷ ফেলিল! কিন্ত আর্ভ-জনের ছ্ুঃ রখ 
নাশিনী মহামায়া দুর্গা এ মাযাবীর মায়াজাল ছিন্নভিন্র করিমী 
ফেলিলেন। তখন অপরিসীম শক্তি-ক্ষরহেতু নিশুস্তের পুনরায় তি ৃ 
বিভ্রম উপস্থিত হইল-_তাই দেবীকে বধ করিবার বুথা আশায় মে 
আস্থরিক গদ! লইয়া দেবীর দিকে ধাবিত হইল। দেবী তাহার সেই 
উদ্যমও নষ্ট করিয়া দিলেন ; তখন পুনঃ পুনঃ বার্থতার তাহার বুদ্ধি লোপ 
হইল__তাই পুনরায় শূল লইয়া দেবীকে আক্রমণে উদ্যত হইলে, দেবী 
কতৃক বিনাশ প্রাপ্ত হইল-_ইহাই ক্রোধের চরম পরিণতি _স্থৃতরাং* 
নিশুস্ত-ব্ঘ-লীলাতে গীতার ক্রোধ-বিষয়ক গ্লোকটা পর পর মূর্ত হইয়া 
ুন্দরর্ূপে অভিবাক্ত হইয়াছে 1--(৩২-৩২) 

ততঃ সিংহশ্চখাদো গ্র-দখ্রাক্ষনশিরোধরান্‌। 

অস্থুরাংস্তাংস্তথা কালী শিবদূতী তথাপরান্‌ ॥৩৭ 

কৌমারীশক্তিনিভিন্নাঃ কেচিন্নেশুম হাস্ুরাঃ | 

্রহ্মাণীমন্ত্রপুতেন তোয়েনান্যে নিরাকৃতাঃ ॥৩৮ 

সত্য বিবরণ। অনন্ভর সিংহ (নৃসিংহরূপী * শক্তি ) উগ্রদংষ্্ী- 











তীর প্রাচীন ও নবীন টীকাকারগণ সকলেই এই মঙ্তোক্ত সিংহকে দেবী-বাহন, 
সিংহরূপে গণা করিয়াছেন । কিন্তু আমি সিংকে নৃসিংহ শক্তিরূপে ব্যাখ্যা করিতে বাধা 
হইলাম; কেননা পরবন্তী চারিটা শ্লোকের সহিত এঁক্য করিয়! দেখিলে দেখা বাইবে ষে, 
একমাত্র নারসিংহী ব্যতীত নবশক্তিগণের অন্থাগ্ত সকল শক্তি বা মাতৃগণের এই যুদ্ধে 
ওধ ক্রিয়াশীলতার উল্লেখ রহিয়াছে; জার উক্ত শ্লোক চতুষ্টয়ের শেষ গ্লোকটীতে দেরী- .. 


২১৪, ্রীত্রীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্য 


করিতে লাঁগিলেন। 





কালী ও শিবদূতী অগ্থান্য অন্নুরগণকে ভু 
কতকগুলি মহানুর কৌদারীরশ ভিদারা চিনি রাতে 


অপর কতক গুলি ব্রঙ্গাণীর মঙ্গপূত জলে বিান্ত তইল 0৩৮ 


তত্বস্ধা। অষটশ্রেোর সৈঠগরণের আনিনাঘক হি শিশ্ন 
চা রঙ 
অসুর-নৈগ্চগণ 


| করিত লাগিলেন 1৩৭] 





তম্মধয সতস্ত মুচ্ছিত, আজ নিশুস্ত বিনাগপ্রপ্ধি । জতনাং 
চগ্রভক্ষ ইরা পিল । তখন যে আেহীর অভটিকে বিনাশ কলদিবার অন্য 
যে যে মাত্ুগণ আবি তা, ভাঙার এই শেম বৃন্ধে অঙ্গরগণনে মথাযথ 
ভাবে বিল করিতে লাগিশেন। নারসিংহী-এহংতবেজাত 
৪55 দুটি বিলয় করিলেন । ভহসহ সাধকের কুল? টড 
নামক পাশ! ভিন চিরতরে বিলীন হইল; আর জীব-ধন্ব ২ 
2 ঠা রি ৩ 'ব্যাপকড় লাভ এ অনস্থর 
'কালিকা দেবী দন-ভতের জারদাংশে জাত দুঙ্দবশীয় ভরগণকে 
ভক্ষণ করিলেন। তৎদ সাধাকের শঙ্ক:. নামক পাশ বীছাশদঙ্ত 

নষ্ট হইল । আর তীহার জাব-পন্থ বহুত নই 5১ উশর-ধশ্ব একত্- 

ভাব লব্ধ হইল। শিবদূতী_আকাশত, 3 জাত কালক শা 
অস্থরগণকে বিনাশ করিলেন | ভহসভ সারলের জগ্ষগ্যা ন। জা 
নামক পাশটা বিনষ্ট তউল-এইকপে গুরশন্ডি হিদজাতী আনবেন 
সর্বপ্রকার বাধা-শিঘ্ অপনারিত করি ভাভার স্চ লন এক সাধন 
করিলেন।  আনস্তর কৌমারী - বৃদ্দিতাতেভ * মোহ ংশার 
বাহন “হৃগাধিসের" কানা পূপকঃসে উল্লেখ কন হইয়া, সুতণাং হেপানে সন্ত 
নাতৃশস্থিগণের নাম 'ও কার্ধাতা বিশেমভাবে উল্লেখ হহিয়াণ্, সেখানে টানা ॥ নাম 

বা কার্ধয কিছুই উল্লেখ থাকিবে ন! অথচ দেবী-বাইন সিংহের নাম ও কাধা, উবার 


উল্লেখ থাকিবে, ইহা, মোটেই বুক্ঠিনঙ্গত বা পমীটান নহে! হতরাং সিংহকে নসিংহ- 
শ্তিরপে ব্যাথা! করাই কর্তব্য মনে করি-..লেখক। 





চি 
রি 
বি 
রস 
সই 
রে 
পু 
তা 
রঃ 
খু) 





অস্থুর নাশ ২.১ ১৫ 
অস্তরগণকে বিনাশ করিলেন । তৎসহ্ সাধকের মান নামক পাশটাও 
বিলর হইয়। গেল; আর সাধকের জীব-ধর্্ম “অসমর্থত নষ্ট হইয়া ঈশ্বর- 
পর কআাগর্থাত্' লাভ হইল। টকা উদ্দায়ুধ 
(ভীমন-অসুরগণকে বিনাশ করিলেন । তংনভ দাধকের ঘ্বণ! শাম 


তা, 


পাশটা এই হইল; আর হাজার ক আস অন্ন শভিতা নষ্ট হইয়া 
ঈশ্ব-বশ্ম পসর্ববশক্তিন্ব' লাভ হইল 1--এইকূপে সাধক অষ্টপাশ এবং অষ্ট 
জীবধন্ম হইতে ভ্রুদে মুক্ত হই টি শুদ্ধ হইতে লাগিলেন 17৭ 1-৩৮) 


 মাহেশ্বরীত্রিশূলেন তি পেতুন্তথাপরে । 

 বারাহীতুগুঘা [নেন কেচিচ্চ, ণীঁকৃতা ভুবি ॥৩৯ 

খগ্খগ্ঞ চক্রেণ বৈষ্ণব্যা দানবাঃ কৃভাঃ। 

বন্ধেণ চৈন্রীহস্তা গ্রবিযুক্তেন তথাপরে ॥3০ 
কেচিদ্বিনেশুরস,রাঃ কেচিন্নষ্টা মহাহবাৎ। ৩৪ 
ভক্ষিতাশ্টাপরে কালী শিবদূত -ম্গাধিপৈ 08১ 17. 
ইতি দাকত্েপুরাণে সাঝতিকে মন্বন্রে দেবী-যাহ..এ] নিশুভ 
বদনাম নবমোহধ্যারঃ। কদম ১১ 

উ্য বির । কতক গুপি অন্ত মাহেশ্বরী বর ভ্রিশুঃ 1াঘাতে বিদীর্ণ 
আর তক বং বারাভী তুগ্ডাঘাতে চূ্ণীরুত হইয়া 


ৃ এ গাদা রা বারা রঃ ও 2122 
ভরিতে গজ হইল ॥৩১। বেষবা চঞ্ছ্বারা কতকপ্জাল দাশিবকে 
তত ্ রি চিন যি টা ৭.২ 
থণ্ড-বিখিগড করিয়া কেলিলেন ) আর কতকগুলি অসুর এআর স্বহন্তে 
নিক্ষিপ্ত বজাঘাতে খণ্ড খপ্ত হইল ॥১০॥  £কগাঁল অসুর নিহত হইল। 


রা দ্ক্ষেতর হইতে পলারন করিল; আর অবশিষ্ট অস্থরগণ, 
মুণ্ডা শিবদূতী এবং মৃগাধিপ ( সি ) কতৃক ভঙ্গিত হইল |9১ 


তত্বস্থধা। এইরপে মাহেশ্বরী_তেগততজাত কোটিবীধ্ধ্য 
অস্রগনকে বিলয় করিলেন। তখ্সহ সাধকের 'ভয়” নামক পাশটাও 


২১৬ | 
বিলীন হইল; আর তাহার ভীব-ধশ্থ ১5 জানত” নষ্ট হইয়া, ঈশ্বর-ধর্ধ 
'সর্কজ্ত্ব' লাভ হইল। বারাহী-_ মনত্বের হাক্মাংশে জাত ছুহাদ 
বংশীয় অন্ুরগণকে বিনাশ করিলেন। তংসহ সাধকের শিঙ্কা' নামক 
পাশটাও বিলয় হইয়া গেল; আর তাহার জীবধন্ম 'অপরোক্ষাত্ব' ভাব 
অর্থাৎ অপর দর্শন বা সর্বত্র ভেদ্ভাব প্রত্ক্ষ করার মন্্ীরভা নষ্ট হইয়া, 
ঈশ্বর-ধর্শ পপরোক্ষণভাব, অর্থাৎ পর দর্শন বা অভেদদ পরম ভাব দর্শন 
করার ক্ষমতা লাভ হইল। বৈষ্ণবী--অপতবজাত কম্ুবংশীয 
দৈতাগণকে বিনাশ করিলেন । তৎসহ মাধকের লঙ্জী| নামক পাশটাও 
নষ্ট হইল; আর তাহার জীব-ধশ্ম অবিদ্বা-উপাধি-্থানত্ব নষ্ট হইয়া : 
ঈশ্বর-ধন্ধ 'মায়া-উপাপিবানভ্' লাভ হইপ-অর্থাৎ সাধক মায়া বা 
শ্তিতন্বের সমাক্‌ জ্ঞান লাভ করিলেন, এীন্জ্ী-বাযুততজাত ধুসর 
বংশীয় অস্থ্রগণকে বিনাশ করিলেন; ততসহ সাধকের “শীল নামক: 
গাশটী নষ্ট হইল। আর তাহার জীব-ধর্দ সর্ববিষয়ে “পরাধীনন্ব' নং 

হইয়া, ঈশ্বর-ধনধ সর্বববিষয়ে প্্বাধীনত্থ' লাভ হইল। রা 
.. এইরূপে মাতৃশক্তিগণ প্রধান অষ্টশ্রেণীর অন্থুরগণকে বিনাশ ্‌ 
করিলেন। অনন্তর যে সমস্ত আস্মুরিক ভাব অবশিষ্ট রহিল, তাহাদের 
মধ্যে কতকগুলি যুদ্ধ-ক্ষেত্রের সংঘর্ষে বা চাপে পড়িয়া বিনষ্ট হইল; 
কতকগুলি পলায়ন করিল-_ অর্থাৎ ভবিষ্যতে অস্তরবংশ রক্ষার্থে 
বীজরূপে পরিণত হইয়া নিগ্ষিয হইল; আর অবশিষ্ট ত্রিগ্ুণযযর 
অহৃরগণের মধো তমো ধপ্রধান অঙ্ুরগণকে, তামনী কাপী বিনাশ 
কৰিলেন। সন্বপতণপ্রধান অস্থবগণকে, সান্বিকী শিবদূতী বিনাশ 
করিলেন; আর রজোপ্ণপ্রধান অন্থ্রগণকে, রঙ্গোগ্ণাস্থিত মুগাধিপ 


সিংহ ভক্ষণ করিলেন অর্থাৎ মাতৃগণ অস্থরগণকে বধ করত তাহাদের 
রঞ্তমাংসদ্ধারা তৃপ্তিলাভ করিলে, ধন্মাত্মা সিংহ যুদ্ধের মঙ্থাপ্রসাদরূপে 


প্রীপ্ীচন্ী-তত্ব ও সাধন-রহস্থ 








অবশিষ্ট দৈতাগণকে ভক্ষণ করিয়৷ এ টিন! 
যুন্ধ-লীলার রহস্য ও তাংপর্যা।--(৩৯-৪১) 

সাধকের রজোগুণময় ক্রোধ, যাহা! অস্থম্মবীভাবে নানারপে 
ক্রিরাশীল হইয়া মুক্তি-পথের অন্তরায় বা বাধা হি করিয়াছিল, সে 
আস্থরিক ভাব এবং অন্ভাবসমূহ বিনষ্ট হইয়াছে। এক্ষণে সাধকের 
ক্রোধরূপী ভগবতমুখী রাজোগ্রণ বিশুদ্ধ হইয়া পর-বৈরাগা, পরাভক্তি 
এবং প্রেমান্তরাগরূপে প্রদীপ্ধ হইয়া উঠিতেছে! অষ্টশ্রেণীর আত্মরিক 
চাঞ্চল্য বিলয় হওয়ায়, সাধক রজোগুণময় অষ্টসিদ্ধি * লাভ করিয়াছেন; 
আনন্দের আতিশযো সাধকের দেহে অশ্রু পুলকাদি অষ্ট-সাত্তবিক 
লক্ষণসমূহও প্রকীশ পাইতে লাগিল তিনি আছ অষ্টবিধ জীব 
পরিত্যাগ করত ঈশ্বর ধর্ম বা ঈশ্বরত্ব লাভ করিলেন। দেবীমাহাত্ের 
আদি ৫ নাকে, ও জানগুরু বি অষ্টম মমত্বধা মহামানব্ধ লাভের কথ? 
যাহা ৃ 








তত করিয়াছিলেন, অনন্ত সাধন-সমুদ্র মন্থন করিয়া, সেই 
অম্ৃত-নত এক্ষণে উত্তোলিত হইয়াছে-_্থদীর্ঘ সাধন-পথ অতিক্রম 
করত, সাধক এক্ষণে পরমাত্মার সাল্িধ্য উপনীত হইয়াছেন !--এক্ণে 
সাধকের লন্ধ ঈশ্বর-ধর্ারূপ এশবধ্যটাকে পরাত্মময়ী মাতুচরণে ডালি 
দিয়া মহাষজ্ঞের পূর্ণ আহুতি প্রদান করিতে হইবে !_তাহা হইলেই 
মহামায়ার মহাপূজ। স্তুদম্পন্ন হইবে ।_-ভক্ত-ভগবানের একাত্মমিলনরূপ 
মহারাপের মহা 'লীল। হদম্পন্ হইয়। মহামানবত্ব লাভ হইবে 


₹ অনি, বথা--(১) অণিমা (ইচ্ছামত ছোট হওয়া). (২) লিমা (ইচ্ছামত 
লঘু ঝা হাল্কা হওয়।,_থেচনরতলাভ ) : (৩) মহিমা (ইচ্ছামত বড় হওয়1): (৪) প্রাপ্তি 
( ষথেচ্ছা গমন): (৫) প্রাকাম্য (দূরহিত বস্তু নিকটে আনয়ন): (৬) বশিত (স্তপ্তন, 
জীবমাত্রকেউ বশীভূত কঃণ ): (*) ঈশিল (ভৌতিক দর্ববিধ পদার্থের উপর প্রতুত্ব.) ; 
(৮) কাম বমায়িত্ব ( ইচ্চামত যে কোন পদার্থ যেকোন শক্তি প্রয়োগ )। 








২১৮: শীত্রীচতী-তব ও সাধন-হ্ত 


এক্ষণে হে ভক্তবৃন্দ। আঙ্ন আমরা ভন্ত-গবানের নেই পরম 
বা শেষ নীলাটা আন্বাদনের জন প্রস্থত হইয়া মহামায়া মাঝের চরণে 
প্রণত হই। ওঁ নমশ্চণ্ডিকায়ে 1! 
ওঁ দক্ষষজ্ঞবিনাশিন্তে মহাঘোরায়ৈ | 
'বাগিনীকো।টিপরিপু তায়ৈ ভদ্বকালো, 
ও হীং ছুর্গায়ৈ নমঃ ॥ 


শ্ভ্ন চ্ল্ভ্িভ্ 
দশম অধ্যায়__শুল্ত বধ | 


0৯0৮5 
থষিরুবাঁচ ॥১ 
নিশ্ুন্তং নিহতং দৃষ্] ভ্রাতরং প্রাণসন্মিতম্‌। 
হন্যমানং বলঞ্ধৈব শু্তঃ ত্রুদ্ধোইব্রবীদ্‌ বচঃ ॥২ 
সত্য বিবরণ | খধি বর্িনেন- প্রানপ্রতিন। আত নিশুথকে 
নিহত হইতে এবং সৈম্ভনকলকে পিন হইছে দেখিয়া, শ্বস্ত তদ্ধ হুইরা 
বলিল ॥--১।২ * . 
তত্ব-ন্ুধা। কামরাজ শুষ্ের সেনাপতি, উস, রাজ্য সমন্তুই 
বিনষ্ট হইয়াছে; অবিশ্বাস, লোভ-মোহ, অগ্রঃকরণের ছুর্দিমনীয় চাঞ্চল্য ও 
সংস্কাররাশি স মন্তই বি প্রাপ্ত; জি একাত্মুভাবাপন্ন সোদরতুলা 
ক্রোধরগী নিশুস্তও নিইত-জগতে আমার বলিতে তাহার আর 


৫ 


জা 
চে 


বিশুদ্ধ আমি . ১ 


কেহই নাই, কেবল জি মাত্রই অবশিষ্ট। এইবূপে রি 
শালী শুস্তের কারণ-ক্ষেত্রে অবস্থিত সর্ধবিধ আস্থরিক সং স্কাব্রাদি জ্ঘে 
যথাযথ দেশ-কাল-পাত্র সংযোগে প্রকট করিয়া, করুণারূপিণী জগন্মাতা 
সমস্তই বিনষ্ট বা বিলর করিয়াছেন! এজন্য শুন্তের আমিত্ব ভাবটা 
ক্রমে বিশুদ্ধতা! প্রাপ্ত হইয়াছে * -তীভার জীবাত্া, পরমাত্সাতে | লয়, 
হইবার যোগাতা লাভ করিরাছে! কিন্ত অবশিষ্ট এক্টী ভেদ ভাবের 
ন্তা নথাক আত্ম-জ্ঞানের পরিষ্ফরণ হইতেছে নাও উদ্ত এই যে 
সর্বনাশ হইলেও, এখনও সেই পরমাতুমর়ীকে ভেদভাবে লাভ করার 
কাননাটা কানরাজের জদয়ে অত্যন্ত বলবতী--এখনও শুল্তের আম্মজ্ঞান, 
্রপ্গ্জান ব। ভগবন্ জ্ঞানের পরিপূর্ণন্ব না. হওয়ার, সচ্চিদানন্ন স্বরূপত্ত 
লাঙের খিদ্পু রতিয়াছে। ভাই ভাগ্যবান সাধকের কাম-কামনারূপ 
সর্বাপেক্ষা বদবান রিপুটা বিশয় বা বিশুদ্ধ করিয়, তাহাকে পরদাস্মভাবে 
বিভাবিত করিবার জগ্ঠই করুণামরী মাদের এই অপুর্ব সমর-নীলা ! 
_ইভা জীবাস্া-পরমাজ্ধার অভেদাতুক্‌ দিলনের অপুর্ব বিলাস মান্র। 
ব্রঙ্গগোগীগণের সহিভ পরনাত্ব। শরুফ্ের অভে্দাস্মক্‌ মিলনের জন্তাই 
অতুযুঙ্জন প্রেমরনে পরিপূদ্ নিভা-রাদলীল। মঞ্তাধামে প্রকাশিত তা 
মর-্রগতে অর্থের, ভিডি? করিরাহিল। গোপীগণ শ্রীকুষ্ণকে 
পরমাত্মা, এজগ্ সব্বশ্রে্ট মনে করিতেন । পঙ্গণন্তরে নিজেদের সঙ্বন্ধে 
জীব ভাবীর হীনতা বা | দাসী প্রস্ততি নানাভাৰ পোষণ করিতেন। 
নে আমিঙ্বের বিশুদ্ধ অবস্থায় ্বক্নূপভাব আপন! হইতেই কুটিয়া উঠে! - তাই জনৈক 
মতাদরশী বৈজ্ঞানিক নিজের সম্বন্ধে লিখিয়াছেন-- “আমার নিহাম্থ কোথায়? এই সবের 
মূলে আমি না তুমি? "ভিতর ও বাহিরের শক্তি-সংগ্রানে জীবন, বিবিধরপে 
পরিষ্ফুটিত হইতেছে! -উভয়ের মূলে একই মহাশক্তি ; তাহীদ্বারাই অঙজীব ও সভীব, 
অণু ও ত্রদ্ধাণ্, সমস্তই অধুপ্রাণিত | সেই মহাশক্তির উচ্ছ্বাসেই জীবনের সর্বববিধ 
অভিব্যক্তি সম্ভব ৷” | 


২২, ্ীরীচতরী-তৰ ও সাধন-নহস্ত 


রাসলীলাকালীন ভগবানের অন্তদ্ধানে, গোপীগণ দীনহীন ও নিংসহায় 
ভাবে ক্রনন করিয়াছিলেন । সমান সমান ভাব না হইলে, প্রেমের সম্যক্‌ 
স্কৃ্ঠি ও পরিণতি হইতে পারে না; এজন্ব শ্রীরাসে প্রকটিত জীবভাবীয় 
হীনতা ও ভেদভাব, যাহা গোগীগণের দাসী প্রার্থন। প্রভৃতির অস্তরালে 
নিহিত ছিল, তাহা বিদুরিত করিয়া, গোগীগণকে একাত্মমরী করিবার 
জন্ত, প্রেমমর ভগবান গোপীগণের অঙ্গের নানাস্থানে শ্রীকর-কমলের 
অঙ্গুলী স্পর্শদারা জীব-ভাবীয় লজ্জা ও সর্বাবিধ ভেদ-জ্ঞান নষ্ট করিয়া, 
তাহাদের অন্তর বাহা বিশুদ্ধ করত প্রেমানন্দের উদ্দীপন করিয়াছিলেন; 
পরিশেষে স্বরূপ পরমাঁনন্দ ভোগ করাইবার জন্য, গোপীগণের হৃদয়ে 
আত্ম-আনন্দ-শক্তিকে নিরুদ্ধ করিয়া তাহার সহিত আত্মারাম ভগবান 
প্রেমানন্দম্ আত্ম-রমণ বা প্রেষবিলাস করিয়াছিলেন । এইরূপে 
জীবাআআ-পরমাত্মার মিলন সংসাধিত হইয়াছিল__্রীরাস-নগুলে 
জীবভাবাপন্ন সাধিকা গোপীগণ ক্রমে পরমভাবে বিভাবিত হইয়াছিলেন ! 
অর্থাৎ রাধাময় হইয়৷ তাহারা পরমাত্মা শ্রুকুষ্ণের সহিত একাত্ম-মিলন 
দ্বারা ধন্য ও* কৃতার্থ হইঘলাছিলেন। দেবী-মাহাত্মোর শুস্তবদ লীলাতেও 
পরমাত্মারূপিণী মহামীর়া অগ্থিকা, সাধকের জীবভাবীয় সর্ববিধ ভেদ ও 
কারণ-স্তরের কামনা ও অবশিষ্ট সংস্কারাদি বিলরপূর্ববক তাহাকে পরমাত্ম- 
স্বরূপে স্থপ্রতিষ্ঠিত করিবার জন্যই, এখানে সমর-কৌশলচ্ছলে দেবী- 
রামের অবতারণ| করিয়াছেন! ইহা! ক্রমে প্রদশিত ₹ইরে ।--১২ 

বলাবলেপছৃষ্টে ত্বং ম! ছুর্গে গব্ধমাবহ |. 

অন্যাসাং বলমাশ্রিত্য যুধ্যসে যাতিমানিনী ॥ ৩ 

সত্য বিবরণ। হে ছুর্গে! তুমি বলগর্বের বড়ই উদ্ধতা হইয়াছ 
গর্ব করিও না; যেহেতু তুমি অতিমানিনী হইয়াও অপরের বল আশ্রর় 
করত যুদ্ধ করিতেছ ॥_-৩ 








তত্ব রথধা। 'বলাবলে'  পহ রতি টাকি | 
শুস্ত, €দরীর প্রতি স্বাভাবিকরূপে নিষ্টর বাক্য প্রয়োগ | করিলেও 
বাক্যগুলি গ্লেষভাবযুক্ত এবং বহু অর্থবোধক, ইহা প্রাচীন টাকাকারগণ 
উদ্ধার করিয়াছেন, যথা__বলাবলেপছ্ষ্ট_(১) ) বলের অবলেপ 
( গর্বর ), তদার। ছুষ্ট (ছুব্বিনীত বা উদ্ধত ) (২) দেবীর পরমার্থ বল 
অন্ত সর্বপ্রকার বলকে নিরাস করে, ইহাই বলাবল, আপদুষ্ট__ধীহার 
সর্বপ্রকার দোষ অপগত হইয়াছে । (৩) যিনি অতি বলবানকেও 
বলহীন বা অবল করিতে পারেন, আবার অতি দুর্ববলকেও যিনি বলবান 
করেন, তিনিই বলাবল। (৪) যিনি ভক্তগণকে প্রবল করেন, 
আবার অভভ্তগশাকে অবল করেন, সেই মহাশক্কিমর়ীই বলাবল. 
অপদুষ্ট__াহার আত্ম-পররূপ ভেদ নষ্ট হইয়াছে এবং যিনি সকলেরই 
ফলদাত্রী। ছুর্গেশছুত্ডেঘ়া, দুর্গতিহরা কিম্ব! বাকা-মনের অগোচরা। 
মা গর্বমাবহ--(১) গর্ব করিও না (২) গর্ববং মা আবহ- আমাকে 
গব্বিত করিও ন1; অর্থাৎ কুপাপৃর্ধক আমার গর্ব নাশ কর, কিন্বা 
আমাকে স্থমতিদ্বারা কপা কর। (৩) মা-হে জগজ্জননি !' 
গর্বমাবহ - তোমার গর্ব করারু, যথেষ্ট কারণ আছে 7; কেননা 
অহৎকারাদি সর্বভাব তোমাতেই বিলয় হয়; কিংবা তুমি আপনার 
এশ্বর্যে বা প্রেম-গরবে গরবিনী; রা সব কারণে গর্ব করিবার 
অধিকার একমাত্র তোমাতেই বিদ্যমান | অন্তাসাং বলমাশ্রিত্য যুদ্ধসে- 
(১) অগ্ঠান্য শক্তিগণের বল বা সাম্র্থা আশ্রয় করিয়া, অর্থাৎ অপরের 
সাভাষ্য গ্রহণ করিয়া যুদ্ধ কর (২) তোমারই বল বা শক্তি অন্যান্ত'সকলে 
আশ্রয় করিয়া ক্রিয়াশীল বা পরাক্রমশীল হর । (৩) তুমি পরমাত্মা 


স্বরূপা বা পরমাত্মময়ী, এজন্ত প্রকৃতিকে আশ্রয় করিয়া তোমার বল 
প্রকাশ হয় অর্থাৎ শক্কিমানের বল, শৃক্তি বাতীত প্রকাশ করা সম্ভবপর 


২২২ শ্রীশ্রীচণ্ডী-তত্ব ও সাঁধন-রহস্য 
নহে। তুমি অতিমানিনী-(১) অতি গজিতা (২ মকলেরই 
সম্মানযোগ্যা (৩] সকলেরই জা এ পৃজাত অতএব সর্বশ্রে্া ! 
আমার অপরাধ ক্ষমা কর--ইহাই ভে এ গানা গ্রকার তাখপযা। 
মাকে সাক্ষাত্ভাবে দর্শন করা সত্তেও কনদাপে ২ 
আত্মসমর্পণ করে নাই, এদুন্য অগ্িকা £ 
রূপে সঙ্গোধন করিরাছেন। 

এই মন্ত্রে চতী-দাধকের প্রতি উপদেশেরও রি আছে, যথা 
মানবঘাত্রই মহাশক্তিমযী গ্রক্কৃতির বলে বলীরান ইইয়াই সর্বববিধ কণ্ে 
আত্মনিয়োগ করে এবং “আমি কর্তা" “আমি তৌক্তা' এরদিধ 
অভিমানে অভিমানী হয়। অর্থাৎ প্রত্যেক জীবই অপরের (প্রকৃতির ) 
বল আশ্রর করিয়াই ক্রিয়াশীল ভর, এরপ অবস্থার সকছেরই প্রধান 
কর্তব্য এই থে, সর্ববিধ ডিন পরিত্যাগ করত, শিজ নিড প্রকৃতি 
ও বল সমূহকে মাতম শভিরূপে উপলব্ধি করিয়। পরমানন্দ লাভ কর 





এইরূপে আমর1 ভব-দুর্গতি হাবিণী দুর্গ ঘাকেই থেন অকপ বলের বস, 
সকলের মূর্লাধার এবং সকণ কন্মের শিন্থ রূপে উপ্লর্ধি করিতে পাতি 
আমাদের জীব-ভাবীয় সমস্ত দোষ পেন আপগ্ এ আমরা হেন 
বিশ্বজননীকে অতি সন্মান প্রদানপৃর্বক অন্তরে বাতিরে সর্বত্র মহানাডা 
মাধের মহাপৃঙ্জা হুসম্পন্ন করিতে পারি !-উতাও মক্কোক্ির গঃ 
তাত্পধ্য |--(৩) 
দেবুাবাচ ॥ ৪ 
একৈবাহং জগত্যাত্র দ্বিতীয়া কা মমাপরা | 
পশ্যৈতা শ্যৈত দুষ্ট ময্যেব বিশস্ত্যো মদবিভূতয়ঃ ॥ ৫ 


ততঃ সমস্তাস্তা দেব্যে ্রহ্ধাদীপ্রমুখা লয়ম্‌। 
তস্য চিনা জগ্মরেকৈবাসীৎ তদান্থিকা ॥ ৬ 


একৈবাহং ০৪ : ২২৩ 


সত্য বিবরণ । দেবী কহিলেন--এই জগতে আমি অদ্বিতীয়; 
আগি ভিন্ন দ্িতীপ্ আর কে আছে? রে ছুষ্ট! 'দেখ--আমারই 
বিভুতিরূপা ইহার! আমাতেই প্রবেশ করিতেছেন ॥ ৫ ॥ অনন্তর সেই 
এরন্গাণী প্রমুখ শভি সনৃত) মেই দেবীর শরীরে লীন হইলেন; তখন 
অদ্বিকা একাকিনীই ঘৃদ্ধ-্থলে অবস্থান করিতে লাগিলেন ॥ ৬ ॥ 

তত্ব্তধী। “একৈবাহং” (একা+এব+অহ্ং); এই মহ্থা- 
বাক্টার সহিত, খধিবাক্য--“নিত্যৈৰ সা” এবং অতিবাকা-, 
"একমেবাদ্ধিতীক্মং" প্রভৃতির সর্ধবতোভাবে সাদস্ত ও মিল রহিয়াছে । )" 
ইহাতেও স্বগত, স্বভাতীয় ও বিজাতীয় ভেদ পরিশন্য স্বরূপ ভাব, 
বিকশিত, যথা-এক! (স্গগত ভেদ শ্‌হ্য ), এব (ম্বজাতীর ভেদ শ গ্ ), | 
অহং (বিজাতীয় ভেদ ৮%/)|  “একফেবাদ্বিতীয়ং, বাকাদ্ারা 
ভগবানকে পরোক্ষভাবে লক্ষ্য করা হইয়াছে । কিন্তু একই অর্থবোধক 
“একৈরা দ্বারা হগললী নিজেকেই নিজে গ্রতক্চভাবে অভিবান্ত 
করিযাডেন; অর্থাৎ “সি 4.৮ এই পরোক্ষ ভাবের উক্তির পরিবর্তে 
“অহুংকপ প্রত্যক্ষ ভাব, মা স্বয়ং নিজমুখে প্রকাশ করিয়াছেন। 
বিশেষতঃ এখানে, দেন নি শরীকে ঈব মাঁতকা-শন্ভিগণকে লয় করিয়া, 
তাহার উদ্ভির সততা এবং নার্থকতা গ্রদশনপূর্ববক, নিজ অদ্বিতীয় 
প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত করিলেন! দেবীহভের গথমেই সর্বববিভূতি 
পারণকারিণী সর্ব-জননী পরমাঝ্্থয়ী অহং (আমি) ভাব্টাকে কীজ 
বা কারণরূপে দেখান হইয়াছিল, তাতাই ক্রমে কাক্ষেত্রে মূর্তরূপে 
লীলানন্দের মধ্য দিয়া ক্রমে প্রদশিত হইয়াছে; পরিশেষে বিভিন্ন 


শক্তিসমূহকে প্রকট করিয়া পুনরায় উহাদিগকে নিজদেহে বিলয়পূর্ববক 
মহাশক্তির সর্বকারণত্ব ও সর্ধজননীত্ব প্রতিপাদন করা হইয়াছে। 


রতি তেরা জেদ হে রদ 
মঃ শুস্তকে বলিরাছিলেন এবং প্রদর্শন করিযাক্ছিলেন যে, তিনি ভিন্ন 


২২৪ _.. আ্রীস্রীচতী-তব ও সাধন-রহস্ত 


এ আর দ্বিতীয়, ই বন _জগতরূপেও, মা, আবার, জগতাতীত। 
 আব্যক্করূপেও চিন্মযী মা; নিমিত্ত কারণরূপেও মা, আবার উপাদান 


কারণরপেও মা 1_গণাশ্রয়কূপে এবং গুঁময়রূপেও একমাত্র মায়েরই 
'ৃভিবাক্তি; স্ৃতরা শুস্তের অস্তর বাহিরও যে মাতৃময়, ইহা কেন সে 






৪ ঝি মাও বুঝিতেছে লা, ইহাই মায়ের অভিপ্রায় । 


_ পরমাত্মার অদ্বিতীয়ত্ব বিষয়ে দেবীস্ক্ত ব্যাখ্যাকালে বিচার করা 
হইয়াছে এবং দেখান হইয়াছে যে ছুইটী ধূলিকণার মধ্যেও পরস্পর 
পার্থকা রহি়াছে। এইবূপে ছুইটী, গাছ বা যেকোন ছুইটা বস্ততে 
বৈনাদৃ্ রহিয়াছে; এমন কি অনুবীক্ষণ-যন্ত্ের সাহায্যে দেখা যায় যে, 
দুইটা রোম বা চুল পরথাস্ত একরকমের হয় না। ্থষ্টির বৈচিত্রময় 


প্রবাহে এবং জগতের প্রতি অণু-পরমাণুতে ৪ এই অদ্ধিতীয়ত্ব বিদ্যমান ! 


- তাঁই গন্নমীতাও সগর্কের বলিয়াছেন “একৈবাহংঃ | 
দেবী-মাহাত্মের এই মন্ত্রে ংখ্যা-বিজ্ঞানের অপূর্ব্ব তত্ব ও রহস্য 9 


নিহিত আছে । তাহা সংক্ষেপে বিবৃত হইল। «“একৈবাহং”__আমি 


চে 


একা; এখানে “একা শব ্বীমি্-_ইহাই প্রকৃত বা প্রধান; সংখ্যা 
হিসাবে ইনি $( এক) ; রাঃ রত সাগাশকি বা পরমা প্রতি ; 
আবার “একোহহতৎ বহুস্যাম্‌?, 'পিি্বান্দোন্ডিরদ ইনি এক | অত্র 
জগতি দ্বিতীয়া কা উল সগতে আমাব্যতীত দ্বিতীয় 
আর কি আছে? অর্থাৎ কিছুই নাই। মন্ত্োক্তির এই অংশঃ * শৃন্য- 
বাচক , কেনন! এই জগতে প্রকুতিব্যতীত বাক্তভাবে আর কিছুই 
থাকা সম্ভব নহে, এজন্য দ্বিতীয় বস্তর অভাবটী * শৃন্যতুলা। 
পক্ষান্তরে ব্যক্তভাবে দ্বিতীয় বস্ত না থাকিলেও, প্রকৃতিতে উপহিত 






অবাক্ত চৈতন্যকে বা কালপুরুষকে বিচারের স্থলে দ্বিতীয় কিছু বলিয়া 


কল্পনা করা যাইতে পারে। সেই পরম পুরুষরূপী মহাকাল কিংবা 


সংখ্যা বিজ্ঞান | . | ২২৫. 


শিবময় অব্যক্ত-চেতনাকে শৃন্ * বাঁ ' বিন্দুরূপেও কোন কোন শাস্ত্রে রর 
উল্লেখ কর! হইয়াছে। ] বিন্দর- শিবমরভাব ) নাদ- প্রকৃতির . 
শঞ্িমর তাব। ইহাও এততসহ তুলনা কর যাইতে পারে ]। এই 
প্রধান থা প্রককতিকূপিণী ১ [ এক) এর সহিত, « শূ্তময বা বিন্দু. 
পরম পুরুষ মহাকালের সহযোগেই অনন্ত বিশ্বের স্থষ্টি- স্থিতি-লয়াদি_ 
সবরবিধ কাধ্য চণিতেছে। এইরূপে পরম! প্রকৃতিই পরমপুরুষের সহিত রর 
মিলিত হইয়া দশদিকে পরিব্যাপ্ত হইয়াছেন এবং একে শ্ন্য-দশ 
(৯০), এই স্বরূপগত দশবিধ ভাবে মূর্ত হইয়া দশমহাবিদ্যার তত্ব 
মুন্তিরপে অভিব্যক্ত হইয়াছেন । বিশেষতঃ, তত্্রঘতে ভগবানের 
দশাবতারও, প্রকৃতিরূশিণী দশনহাবিষ্ঠারই দশবিধ বিশিষ্ট শক্তির বিকাশ 
বা ভগবতীর লীলা-বিলাস। * এবং ১ ব্যতীত, ২ হইতে.৯ পর্যন্ত 
আরও ৮্টা মৌশিকভাবাপন্ন নংখা। দৃষ্ট হয়; কিন্তু সুম্্রূপে বিচার, 
করিলে দেখ! যাইবে যে, উহারাও সেই প্রধানরূপ! ১[এক] এ এরই' 
বিভিন্ন বিবর্তন মাত্র, কেননা ২ক্ক+ক+১) ৩ ১+১+১) অবশিষ্ট 
ছয়টা সংখাও এই নিয়মে ধরিকহেইবে | এইরূপে একরপী প্রধানের : 
সহারিকা ও একাম্মিকা উপরোর্ক্াটটা সংখ্যা, ১ রূগী মূলা প্রকৃতি 
এবং ০ শৃন্তপ্ূপী অব্যক্ত চেতনার সহযোগে অর্থাৎ মোট ১০টী সংখ্যার 
যোগাযোগদ্বারাই অনন্ত সংখ্যার স্ষ্টি হইয়াছে। জাগতিক হিসাবে 
» শহ্য সংখ্যাটা যতক্ষণ শৃন্ত ব্যতীত অন্য কোন সংখ্যার সহিত সংযুক্ত 
না হয়, ততক্ষণ উহার কোন মূল্য ধরা হয় না অর্থাৎ ততক্ষণ উহা 
নিগ্ণ ব1 অব্যক্তত্বরূপ * কিন্ত প্রকুতিরূপিণী যে কোন. সংখ্যার সহিত 
যুক্ত হইলে সেই * শৃন্যেরও মূলা হয়; তখন অব্যক্ত ভান্বাপন্ন শূন্য ” 


পিপিপি েশপিপশগাশশপাপাীশিটন পশিপশিতিপপাপািপাশাপিপাপািটিপিশিপপপপকপপা পাপী 


সিডি 








*% * শৃহ্ অর্থে অভাবযুষ্ঠ বা শ্যাম অবস্থা নহে, পক্ষান্তরে উহা নিগুণ বা শুণাভীত, 
*. পরিপূর্ণ অবাত অবস্থা । এক্ম্ত জ্যোতিষ-শাস্ে * শৃগ্-বিলুকে পূর্ণ অর্থে গ্রহণ করা হয়।' 





২২৬ শ্রীশ্রীচণ্ী-তত্ব ও সাধন-রহস্থা 


গ্রকতির সহঘোগে গুণময় হইয়া, ব্যক্তভাবে আত্ম-প্রকাশ করেন। 
জুর্ধা-কিরণ সাধারণ দৃষ্টিতে দেখা যায় না বটে, কিন্তু যে বস্তুতে উহা 
প্রতিহত বা প্রতিফলিত হয় উহাকেই প্রকাশ করে, আবার তদ্বার! 
নিজেরও প্রকাশনর পত্তা বাঁ অস্তিত্ব জানাইয়! দেয় । 
দেবী মাহাত্মোর এই মন্ত্রে কৌশিকী বা অগ্থিক! দেবীই প্রান বা 
_প্রক্কতিরূপিণী ১, মন্্োন্ত ৭ শূন্যময় ভাবই মৃত্যু ঈশানরূপী মহাকাল 
কিধা প্রনরের একাত্ম-শক্তি চাঘুণ্ডারূপিণী কাপিকা * ; আর অবশিষ্ট 
অষ্ট-মাতৃকা শক্তিই অবশিষ্ট আটটী সংখ্যান্বরূপ। ১ হইতে * পদান্ত 
নয়টা সংখার সা অধ্িকা না, কালিকা প্রভৃতি নব মাতৃকা-শক্তিগণকে 
বিকাশ বা! প্রকট করিয়া, পুনরায় তাহাদিগকে নিজ কারণমর শরীরে 
পুনঃ প্রবিষ্ট করত; ১ এক বা অদ্বিতীয়ারূপে অধিষ্ঠান করিছা- 
_ছিলেন। এইরূপে জগদথথা মা জগৎবাসীর চৈতন্য সম্পাদনের নিমিত্ত 
এবং গ্রপঞ্চম্ জগতকেও মায়ের বিভূতি বা মাড়িরূপ আন্বাদন করাইবার 
জন্য, সজোরে ঘোষণা কবিন2 £ন_-একৈবাহং 11---(৫1৬) 
$ দেব্যুবাচ ॥৭ 
অহং বিভূত্যা বহুভিরিহ জুপৈর্যদাস্থিত| | 
* + তত সংহ্ৃতং ময়ৈকৈব তিষ্ঠাম্যাজৌ স্থিরো ভব ॥৮ 





& মহাকাল, লোকক্ষয়কারী ষে সন্ত কাধ্য করেন, হাহা গীতার একাদশ তথ্যায়ে 
প্রদশিত হইয়াছে, সেই সমন্ত কাধ্যই চণ্তীর চামুণ্ডা বা কালিকা, কগাল বপনের চর্বদ্বারা 
সম্পাদন করিয়। থাকেন ; সুতরাং কাল এবং কালী অভের ও একাত্স্তাবাপন্ন এফন্য 
উভয়েই * শৃন্ত তুল্য। মহাশক্তি-রূপিণী দশমহাধিপ্কাগণের প্রলোরফ্ধর তৎ তৎ শিব 

আছেন) কিন্ত প্রলয়মূত্তি খুমাবতীর শুষ্যময় শিব, এজস্ত তিনি বিধবা। আর কালী 
_ খলিতে, সকলেই ৬ নহেদ, গুগাতীতা, জিগুণদন্থী এবং প্রত্যেক গুণের বিভিন্ন 
রঙা আছেন_তাই ও া্াশৃক্তি গুণৃতীতা কা চিপ ৭ অিগশমী 


সা সৃতি ৰ যি ্ জা 











কারামরী মা না ২২৭৪ 


সত্য বিবরণ। দেবী বলিলেন__আমি স্থীয় বিভূতি প্রভাবে । 
বহুরূপে অবস্থিত ছিলাম, এক্ষণে তাহা আত্ম-দেহে সংহরণ করিলাম। 
এখন যুদ্ধে আমি একাই রহিলাম; তুমি স্থির হও ।--( ৭৮) | 

তত্ব-স্তধা। মায়ের বিভৃতিম্বরূপা! ব্রন্ধাণীপ্রমুখ নব-শক্তি, মায়ের. 
চিন্ময় ও কারণময় দেহে বিলীন হইল। এই গ্রন্থের প্রথম খণ্ডে বলা 
হইয়াছে যে, দেবী মাহাত্মোর উত্তম চরিত্রে কারণভাবাপন্ন আন্ুরিক 
সংগ্রাম অভিব্যক্ত। এই মন্ত্রে মহাকারণময়ী মা, নিজ দেহে বিভূতিষধ়্ী 
শক্তি-সমূহকে লয় করির! নিজ কারণত্ের প্রতিষ্ঠা করিয়াছেন। আর 
হাদ্বারা উপরোক্ত গ্রন্থোক্তির মতাতাও নিঃসংশয়কূপে প্রমাণিত 
হইয়াছে । কৌশিকী মা! বাহিরে সত্বগ্ণমহ়ী মহাসরম্বতী হইলেও 
অন্তরে প্রলমুগ্করী ব। সর্ধবলয়কারী তামসীভাবাপন্ন!7 এজন্য তিনি 
সর্বববিধ বিভূতিকে নিজদেহে বিলয় করিতে সমথথ। হইয়াছেন । | 

সাধকগণের পক্ষে বিভৃতিলাভ করা বা বিভৃতিতে মুগ্ধ থাকা, 
কিম্বা বিভূতি আশ্রয়দ্বারা যে কোনপ্রকার শ্তি প্রয়োগ করা, চরম 
লক্ষ্য-বস্ত্ব লাভের পক্ষে বিশেষ অন্তরায় বা বাধান্বরূপ। এজন ধাহারা 
যোগ বা সাধনলন্ধ বিভূতিতে যুদ্ধ হন বা এক্ডি প্রকাশ করেন, তাহাদের 
শক্তি বা বিভূতি মা সংহরণ করিয়া থাকেন; তখন সাধক কিছুকাল 
শক্তিহীন হইয়া নিরস স্তরে পতিত হন। অনন্তর পুনরায় লক্ষ্য-বস্তুতে 
বিশেষ একাগ্রতা, ব্যাকুলতা এবং তন্ময়তা প্রকাশ পাইলে, অভীষ্ট 
দেব-দেবী, সাধককে যথাসময়ে সিদ্ধিগ্রানে কৃতার্থ ক্রেন। এখানেও 
শুভ, বাহ-এশ্বর্যে মুগ্ধ ছিল, তজ্জন্য মায়ের বিভৃতিসমূহকে বিদুরিত 
করিবার চিন্তা বা চেষ্টা পূর্বে আসে নাই। কিন্তু শু্তের, স্কবিধ 
| বাহক বলবা শ্বর্ধোর বিনাশ, ইয়াছে। এক্ষণে ঈদ লভ্‌ করা 
ব্যয় মাতৃ-বিভৃতিসমূহে, . উপর ভাঙার হিলি িনাছে। 


4/ 








২২৮ ্রীশ্রীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


তাই করুণামরী মা, সেই বিভূতিসমূহ সংহরণ করিয়া, তাহাকে জ্ঞান ও 
চেতনা প্রদান করিলেন। মহাকাল বা মহাকালীর, সংহার ঝা 
ংহরণলীল। দেখিয়া কেহই স্থির থাকিতে পারেনা--তাই ভক্ত অর্জুনও 
চঞ্চল ভইয়াছিলেন, স্বৃতরাং অভক্ত শুস্ত যে চঞ্চল হইবে, তাহাতে 
আর সন্দেহ কি? তাই মা শুস্তকে বলিঘ়াছেন--স্থির হও, কেননা 
বিভৃতি-সংহরণ-লীল! শেষ হইরাছে, এক্ষণে ভুমি আর আমি মাত্র 
অবশিষ্ট । সুতরাং চাঞ্চলা পরিত্যাগ কণত স্থিরভাবাপন্ন হইয়া 
এখনও আমাতে আত্মসনর্পণ কর, নতুবা বলপ্রয়োগের চেষ্টা করিলে, 
তোমাকেও আমাতে লয় করিয়; ফেলিব 1 ইহাই মাতৃউক্তির বিশেষ 
তাৎপধ্য। তান্্রিকগণের পিপ্ষিলাভের পূর্বেও নানাপ্রকার বিভৃতি, 
বিদ্বূপে প্রকট হইন্বা, সাধকগনের ভীতি উৎপাদন করিতে, কিন্বা 
চাঞ্চলা আনয়ন করিতে চেষ্ট। করে। তখন সদগুরু “মাভৈঃ” বলিয়া 
শিল্তের চাঞ্চলা দুর করিতে প্ররান পান; সেইরূপ এখানেও শুস্তের 
গ্রাতি মানের অযাচিত করুণা'গ্রকাশ এবং স্থিরত্ব লাভের জন্য উপদেশ 1! 
দেবী ও শুক্তের যুদ্ধ-লীলারহস্য উদঘাটনের পূর্বে আরও একটী 
প্রণিধান যোগা বিষয়ের আলোচন। করা কর্তব্য। নিজ নিজ অভীষ্ট 
: পুরণ করিবার অভিলাষে, ভগবান ব! ভগবতীকে লাভ করিবার ইচ্ছাও 
কামনা । কেননা ইষ্ট দেব-দেকীর সহিত ভাবরাজ্যে জড়িত হইলেও, 
আত্মোস্রিয় প্রীতির ইচ্ছামাত্রঃ কাম; পক্ষান্তরে রুষেন্দিএর প্রীতি 


ইচ্ছা অর্থাৎ ইষ্ট দেব-দেবীর গ্রীতার্থে সমপিত ব। অনুষ্ঠিত “ক্রিয়। মাত্রই 
প্রেম। মহাশভিরূপিণী নারীমুণ্িকে কান্তাভাবে লাভ করিবার জন্ 
কান্তিক কামনার মহ্তাযজ্জে, কামরাজ শুস্ত সর্বস্ব আহতি প্রদান 
করিয়াছেন ! কিন্তু তথাপি তাহার উদ্যম বা অধ্যবসায় নষ্ট হয় নাই? 
সহভাবাপন্ন ক্রোধের মূর্ভ-অবস্থারূপী নিশুস্ত বিনষ্ট' হইলেও, অভীষ্ট . 


আত্মজ্ঞান ঠা ২২৯ 


প্রাপ্তির বিদ্নহেতু এখনও শুস্তের ক্রোধময ভাঁবের কিঞ্চিং লেশ বা উদ্দীপন 
আছে; এখনও সেই অপূর্ব নারীকে লাভ করিবার কামনা শুস্তের 
হৃদয়ে বলব্তী !__কেনন! কামের স্বভাঁবই কামনা, উহা! মাতৃরুপাদ্ধারা 
বিল না হওয়া পথ্যন্ত, দেই দু্পরণীয অনল কিছুতেই নিভিবে না। 

জনক রাজ] খন তদীয় গুরুদেব অষ্টাবক্র মুনির নিকটে 
র্জ্ঞান লাভের কামনা করিয়া প্রার্থন! জানাইগ়াছিলেন$ তখন 
গুরু-শিষ্কের মধ্যে যে অতুলনীর বাকা-বিলাস হইয়াছিল, তাহার 
কিঞিৎ উপলব্ধি করিতে পারলেই, শুস্ত ও মাথের বুদ্ধলীলার রহস্যটী 
সহজেই বুঝা! যাইবে । আঅষ্টাবক্র বলিরাছিলেন--বৎস ! তোমার স্খ- 
ছুঃথ সমান, তোমার আশা-নিরাশা সমান, তোমার জীবন-মরণ সমান) 
তুমি আপনাকে পূর্ণজ্ঞানম্বরূপ বোধ করিয়া, জীব-ভাব লয় কর। ততত্ব- 
জ্ঞানপ্রভাবে বাগী মুক হইয়া ধায়, জ্ঞানীও জড়বৎ হয়; তুমি সাক্গীস্বরূপে 
চিন্মররূপে বিরাজিত; অতএব নিরপেক্ষ হইয়া সানন্দে বিচরণ কর। 
অস্যা, রাগ, ঘ্বেষ মনের ধশ্ম, কিন্তু গ্রকৃতপক্ষে তোমার মন নাই ! 
যেতেতু তুমি নিব্বিকাঁর নিব্বিকল্প ও জ্ঞানস্বরূপ ! সাগরে তরঙ্গবৎ ধাহাতে 
এই বিশ্বত্রন্ধা্ড স্ষুরিত হইতেছে, তুমিই সেই চিন্নরস্বরূপ; এই প্রকার 
তত্ব জ্ঞাত হইয়া, তুমি সর্ধপ্রকার চিন্তা সন্তাপ ও কামন। পরিত্যাগ 
কর। চিত্ত খন কামন] করে, শোক করে, জ্রুদ্ধ হয়; কোন বস্ত ত্যাগ 
করে, আবার কোন বস্তু গ্রহণ করে, ছুঃখিত বাঁ আনন্দিত হয়, তখন 
উহা! বন্ধনস্বরূপ। আবার যখন এসকল ভাব বা তরঙ্গরাজি হইতে 
মুক্ত হয়, তখনই মুক্তির বা জীবন্মুক্তির অবস্থা লাভ হয়। 

আত্মস্বরূপ অপার মহাসাগরে এই বিশ্ব-তরঙ সমুখিত হউক, | 
কি্ব৷ লয় প্রাপ্ত হউক; তাহাতে আত্মময় তোমার ক্ষতি বৃদ্ধিকি? 
বৎস! চিন্ময় জগতের সহিত তোমার ভেদ নাই--তোমার হেয় বা 





২৩০ ী্রীচ্ী-তত ও সাধন-রহস্ত 


উপাদেয় বস্ত কিছুই নাই ! সংসার-সমুদ্রে একমাত্র আত্মাই ছিলেন, 
এখনও বর্তমান আছেন, আবার ভবিষ্বাতেও থাকিবেন-তুমিও আত্মময়, 
স্থতরাং বন্ধন বা মুক্তি কিরূপে সম্ভবে? হে চৈতন্স্বরূপ! তুমি 
ঙবল্প-বিকল্পদারা চিত্বকে উদ্দিপ্ন করিওনা ; আত্মারাম হও, আনন্দস্বরূপ 
হও এবং শক্তিময় হও। তুমি যে সমাধি-লাভের ইচ্ছা করিতেছ-__ 
রা তোমার বন্ধন! তুমি যে ব্রদ্ধজ্ঞান লাভের ইচ্ছা করিয়াছ-- 
ইহাই তোমার জীবত্ব! নতুবা তোমার বন্ধন ও জীব-ভাব কোথায়? 
তুমি নিত্য মুক্ত স্বভাববান! তোমার জন্ম নাই, মৃত্যু নাই ; ষড়ভাব 
বিকারের সহিতও তোমার কোন সম্বন্ধ নাই। এইবূপে তোম!র যদি 
আত্মজ্ঞান লাভ হয়, যদি তোমাতে আর আত্মাতে কোন পার্থকা না 
থাকে, যদি ধাতা , ধোয় ধ্যান এবং জ্ঞাতা জ্রেয় জ্ঞান, একই বর্ষে 
পর্মযবসিত হইয়। যায়, তবে আর ধ্যান-ধারণা কিন্তা সমাধির প্রয়োজন 
কি? সাধনা ও কামনারইবা অস্তিত্ব কোথায়? ধাহার চিত্ত মোক্ষ 
_লাভেও নিঃম্পৃহ, সেই আত্মজ্ঞান-তৃপ্ত মহাত্মার সহিত কাহার তুলনা 
হইতে পারে? অতএব তুমি আত্মস্থ হও) জীবদেহ-ভাণ্ডে এবং 
(অুঙ্ধাণ্ডে সর্বত্র ব্র্জ্ঞানময় আত্মস্বরূপ আত্মারাম ভগবানকে রে 
করিয়া আআ-রমণনিষ্ঠ হও এবং আত্মানন্দ লাভ করিয়া ধন্য হ 

রাজা জনক; কায়মনোবাকো সংযমের সাধনাদ্থার।, রে 
পূর্বেই অতি বিশুদ্ধ করিয়াছিলেন; সর্ববিধ ছন্দ 'অবস্থাতেও 
সাক্ষীভাবে অবস্থানের যোগাতা! লাভ করিয়া, স্থিরত্ব প্রাপ্ধ হইয়াছিলেন 
সুতরাং তিনি শ্রীপ্ুরুর উপদেশামবত পানের সঙ্গে সঙ্গেই অপরোক্ষ 
্রঙ্ধানন্দময় অন্নতৃতি লাভ করিলেন! অত:পর আত্মস্থ হইয়া, প্রীগ্তরুকে 
 আত্মজ্ঞানময় অন্গভৃতিসমূহ সমর্পণ পূর্বক বলিতে লাগিলেন-__“অহো ! 
আমি এতদিন মোহবশে বিড়স্বিত ছিলাম ।__আমি নিরপ্ন শান্ত নিত্য 


মৃত্যুহীন আমি রর ঠ 


বোধস্বরূপ আত্মা! জলজাত তরঙ্গ ও বুদ্ধদ যেমন জল হইতে 
পৃথক্‌ নে, বন্ধ যেদন স্ুত্রসমষ্টি বঝাতীত আর কিছুই নহে; সেইরূপ 
আত্মা হইতে সঞ্জাত এই বিশ্ব আত্মন্বরপ আমা হইতে ভিন্ন নয়। এই 
নিখিল জগতই আমার, অথচ আমার কিছুই নাই! অর্থাৎ আমি 
। আত্মা) সব্ধত্র বি্বমান থাকিরাও নিলিপ্ত ও নিঃসঙ্গ! অহো! 
আমার পরা 7 কোথায়? কামনাইবা| কোথায়, অর্থই বা কোথায়? 
আমার বিবেকিত। কোথায় » দ্বৈতভাঁব কোথায়, আর অদ্বৈত ভাবই বা 
কোথায়? আমি. আত্ম-্মভিমায় সংস্থিত! আমি অবিনশ্বর ! 
অব্যয় '_ব্রল্জী হইতে স্তস্ত পধ্যন্ত জগতের সকল বস্তু বিনষ্ট হইলেও, 
আমি চিরবিদ্যনান ! স্থতরাং এইরূপ আঘাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার” 1 
দেবী-মাহাত্মো ভগবান ও ভগবতী যুদ্ধরূপ লীল্গা-বিলাসঘ্ারা জীব- 
ভাবাপন্ন মামিকে বিশুদ্ধ করত, সচ্চিদানন্দ স্বরূপত্থে স্প্রতিষ্ঠিত করিবার 
কৌশ প্রদর্শন করিয়াছেন ; সেই অপূর্ব যুদ্ধ-লীলীর এখানেই পৰি 
সমাপ্তি হইবে! অচিরে শুস্তরূপী__জীবাত্মা, পরমাত্মাতে মিলিত 
হইয়া পরমানন্দ লাভ করত ধন্য ও কৃতার্থ হইবেন 17৭1 ৮) 
খবিরুবাচ ॥৯ 
তত প্রববৃতে যুদ্ধং দেব্যাঃ শুন্তস্তা চোভয়োঃ | 
পশ্যতাং সর্বদেবানামস্ত্রাণাঞ্চ দারুণম্‌ ॥১০ 
শরববৈঃ শিতৈঃ শঙ্ত্রৈ স্তথাক্ত্রশ্চিব দারুণৈঃ। 
তয়োধুদ্ধিমভুদ্ভূয়ঃ সর্ধবলোকভয়ঙ্করম্‌ ॥১১ 
সত্য বিবরণ । খধি বলিলেন--অনস্তর দেবান্থুরগণের সম্মুখে - 
দেবা ও শুষ্তের নিদারুণ যুদ্ধ আবন্ত হইল |৯1১০॥ স্থতীক্ষ শর বধণ 
ং ভীষণ অস্ধ-শস্তদ্ধার! তাহাদের মধ্যে সর্ধলোক-ভয়াবত অতিষহৎ 
যুদ্ধ হইয়াছিল [ ভূয়; অতিমহৎ ] ॥১১। 


২৩২ শ্ীশ্রীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


তত্ব-্তুধা। দেবী ও শুভ্তের যুদ্ধকে মন্ত্রে সর্ববলোক-ভযঙ্কর দারুণ 
এবং স্থমহৎ বলা হইয়াছে । এই যুদ্ধ-লীলাতে শুস্তের স্ুল-সুক্মকারণ- 
দেহের অবশিষ্ট সর্ববিধ নদলৎ ্ ভাব এবং সংস্কারাদি নষ্ট হুইবে ২ 
পরিশেষে এ ত্রিবিধ দেহক্ধপী ্রিলোকও বিলয় হইয়া ভক্ত শুভ্ত, মাত- 
রূপায় মহাযুক্তি লাভ করিবেন; স্বতরাং এবিধ ভ্রিলোক-বিলয়কারী 
যুদ্ধকে মন্্ধে সর্বলোক-ভয়ঙ্কর বলা হইয়াছে । স্বুল ব্মপেক্ষা স্থাক্ম্ের 
শক্তি বা ক্ষমতা অধিক এজন্য শারিরীক বল অপেক্ষা মানসিক বলের 
স্থান অনেক উচ্চে। শুধু গায়ের জোরে কোন কার্ধা সকল করিবার 
চেষ্টাকে পশু-বল প্রয়োগ, বলা যাইতে পারে। মান্টবের বৃদ্দি-প্রস্তত 
একটা এগ্িন ( চ:0810০ ) দশহাজার মণ ভার, অনাঁদামে সবেগে টানিতে 
পারে। কিন্তু শারিরীক বলদ্ধারা এ কাঁধা করিতে হইলে, আত্যন্থিক 
বলক্ষয় হইবে মাহী; অথচ উহা বৃদ্ধি-লন্ধ যন্ত্রের সমকক্ষ কিছুতেই 
হইবে না। এই নিরঘে স্কুল অপেক্ষা শ্ুক্ষ্ের ক্ষত অধিক; আবার 
কারণ-স্তরের শক্তি, স্বল-হ্ক্্ম অপেক্ষা অনেক অধিক; এইসব কারণে 
এখানে মন্ত্রে কারণ-স্তরের অস্্াদিকে এবং যুদ্ধ-লীলীকে দারুণ বলা 
হইয়াছে । 
* : মন্ত্রোক্ত 'ভয়ঃ' বাক্যটা চণ্তীর আধুনিক টাকাকারগণ পুনরায় বা 
পুনঃ পুনঃ অর্থে ব্যবহার করিয়াছেন; কিন্তু নাগোজী প্রভৃতি গ্রাচীন 
টাকাঁকারগণ উহাকে মহৎ বা স্থমৃহৎ অর্থে ব্যাগা। মা নন; উহ! 
সমীচীন এবং সুসঙ্গত হইয়াছে ; কেননা গীতাতে ভগবান প্রক্লুতিরূপপিনী 
মহামায়াকে যোনি বা কারণরূপা মহতব্রক্ম বলিয়াছেন; আবার 
 দর্শন-শাস্ত্রমতে * মহত্তত্ই সকল তত্বের আদি মহাকারণন্বরূপ সত্বপ্তণ- 
সমষ্টি; আজ্ঞা বা দ্বিদল-পদ্মই মহত্তত্বের আশ্রয় বা বিলাস স্থান; আর 
ছিদলের মহত্তত্বময় প্রকাশভাবযুক্ত সব্বগুণান্বিত চিাকাশেই সাধকগণেব 


রিতার এরা যা অহা সাজছে 2. 


জয়যাত্রা | | ২৩৩ 


জোতিঃমপে ইষ্-দর্শনাদি সসম্পন্ন হয়! ভতকাৎ দ্বিদল-পদ্ধের ধুদধ- 
বিলাসকে মন্ত্রে ভূয়ঃ বা জুমহৎ বলা খধিগণের অন্তদ্র্টির পরিচায়ক । 

এই মন্ত্রে দেবতা ও অস্থরগণের সম্মুখে যুদ্ধ হইল" বলিরা উল্ত 
হইয়াছে । যেখানে অন্থিকা দেবী ও শুস্ত এককভাবে যুদ্ধে অবস্থিত, 
সেখানে অগ্গরগথের উপস্থিতি কিরপে সম্ভবে 7 ইহার সমাধানও 
কঠিন নহে; কেননা, দেবী-ঘুদ্ধে যে সমস্ত অন্্র ভচচাতুর ইয়া পলায়ন 
করিয়াছিল, ভাহারাই দুর হইতে ভীত-সন্থস্তভাবে শুগ্রের যুদ্ধ দ্রেখিতে 
লাগিল, ইহা স্বাভাবিক। [ চগ্-মুণ্ড বধ অধাধে আছে-হিতশেষং 
ততঃ সৈম্তং"*--*দিশো ভেজে ভয়াতুরম্‌ 25 আাঝার নিশুস্ত ও তৎ সৈম্থগণ 
বিনছ হইলে, কতক অনুর পলায়ন করিয়াছিল । 

রজোগুণের বিভিন্ন ক্রিয়াশীতা যুদ্ধবূপে অভিবাক্ত;  দেবী- 
মাহাত্যোর যুদ্ধরাঁজি হুল প্রবুত্তিদুখী বিলাস নহে ! পক্ষান্তরে, উহা 
আত্মাভিমুণী বা ভগবৎ অভিমুখী জয়ঘাত্র'-পথের বিদ্ব অপসারণ রি 


রি 
| 


আত্ম-বিশুদ্ধি করণাথে, শা মভাজন ৪9 ভগবত পগ্রদশিত ভুমঙ্গল 











অন্ষ্ঠান। বজোগ্রণ যখন প্রবৃত্তি পথ পরিত্যাগ করির। শিবৃত্তি-পথে 
প্রধাবিত হয়, তথন উহা! অন্ুরাগ-রঞ্চিত হইয়া, কোন কোন অবস্থাতে 
পরবৈরাগা বা পরাভভ্ভিরূপে প্রকাশ পার, কিঙ্গা পাত্রভেদে উহা, 
ব্রত-পৃ।, বজ্ঞাদি অগুষ্ঠানের প্রবল ইচ্ছারূপে, অথবা অষ্টাঙ্গ যোগ 
সারধনাদিদ্বার| আজ্ম-বিকাঁশের চেষ্ট। এভতি রূপে অভিবাক্ত হয়, 
[ এবিষয়ে পূর্বেও উল্লেখ করা হইয়াছে ]1 ক্রমে এ প্রকার সাধন-পথে 
যে সকল বিস্বকর ভাব বা বিশুদ্ধি-লাভের অন্তরায় উপস্থিত হয়, তাহা 
মাতৃ-ক্ুপায় ক্রমে অপসারিত হইলে, সাধন-পথের অনুরাগ ভগবৎ 


প্রেমান্তরাগে অভিরঞিত হইয়! দীপ্তি পায়। ভাগ্যবান সাধকরপী শুস্ত 
'ভগবতীর দর্শন লাভ করিয়াঃছন-াহার নিজন্ব সমস্তই দেবী-লাভের 





২৩৪ জীতরীচতী-তব ও দাধন-রহ্য 





দৃঢ় কামন।-যন্ছে বলি প্রদান কী ন তাই তিনি এক্ষণে 


বৈরাগাসম্পন্ন। একক এবং বিশুদ্ধ 1 _এইন্ধপে ২ মাতচরণে বথানব্বস্থ দান 
করিয়। তিনি নিশ্ব হইয়াছেন, এক্ষণে আস্রুলি বান মাত্র অপশিই্! 
স্থৃতরাঃ এই শেষ আহৃতিটা দিতে পারিলেই' অহাষজ্-নথসম্প্ন হইয়া 
: মহাযুদ্ধের অবসান হইবে এবং ভক্তও মাত- চরণে ম্হানির্ধাণ লাভ, 
 করিরা ধন্ত হইবেন !! সুতরাং এই সর্বস্ব সমর্পণরূপ ুন্-নীলা অভিনব 
বটে এবং ইহা স্থরাঙ্থর প্রভৃতি সর্ব-শ্রেণীরই দর্শনযোগা এবং উপভোগা 
সাধক ইষ্ট লাভের জন্য প্রণব জপ করিতে লাগিলেন ইহাই মস্কো 
শুস্তের শরবর্ষণ; আর বিশুদ্ধ মানসোপচারসমূহ অর্থাৎ বিশুদ্ধ অন্থরের 
পবিত্র ও দিবাভাবসমূহ ইষ্-চরণে সমপ্পণ করিতে লাগিলেন_ ইহাই 
গুভ্ভের শিত শস্ত্রাদি অদ্থিকার প্রতি নিক্ষেপ 1--এইনকল ভাবই মঙ্থোক্তি- 
মমূহের তাৎপধ্য।--(৯-১১) 
দিব্যান্তস্্াণি শতশো মুমুচে যান্যাথান্থি কা । 
বভগ্ত, তানি দৈত্যেন্্রস্তৎপ্রতীঘাতকর্তুতিঃ ॥১২ 
মুক্তানি তেন চান্্রাণি দিব্যানি পরমেশ্ববী | 
বভগ্ত লীলয়ৈবোগ্রনস্কারোচ্চারণাদিভিঃ ॥১৩ 
সত্য বিবরণ। অনস্থর অন্থিকা দেবী যে শত শত গেণাস্থসমূহ 
শুস্তের প্রতি নিক্ষেপ করিলন, দৈতাধিপতিও নিজ প:ক্পাকারী 
অস্ত্সমূহদ্ারা তাহা বার্থ করিয়া দিলেন! আবার কেই অকযাবিপতি 
যে সকল দিব্য অন্তর নিক্ষেপ করিল, পরথেশ্বরী মেইসকল ভব প্রচণ্ড 
হুঙ্কার প্রভৃন্তিঘবার অবলীলাক্রমে ভগ্ন করিয়া দিলেন 1--(১২1১৩) 
_ তত্বস্থধা। অস্থিক! দেবী শুস্তের প্রতি দিব্য ভাব সকল মপ্বরূপে 
নিক্ষেপ করিতে লাগিলেন, তাহা শ্ুস্ত নিজ অশ্থদ্ারা বার্থ করিয়া- | 
দিলেন!_-এই উক্তি সমূহে অতি স্থন্দর দুইটি রহশ্ত আছে যথ।_ 


ভক্তের দান ২৩৫. 


প্রথমতঃ শুস্, ক্রমে বিস্তদ্ধতা প্রাপ্ত হইয়া, এক্ষণে প্রায় দেবীর সাধুজ্যতা 
বা সচ্চিদানন্দন্বরূপত্ব লাভ করিয়াছেন; | পূর্বে কোন অবস্থাতেই কেহ 
দেবীর ধিবান্্সমূহ অম্পূর্ণ বার্থ করিতে পারেন নাই, কিন্তু এক্ষণে 
মায়ের পায় ও তাহার ইচ্ছার, শুল্ত দিব্যভাবে বিভাবিত হওয়ায়, দেবীর 
অস্ত্মূহ ব্যর্থ করিতে সমর্থ হইয়াছেন। দ্বিতীয়ত: নিক্গ সমর্থ. 
দিব্যভাবরূগী অন্দবারা শুস্, দেবীর: অন্তগুলি: লয় করিতেও সম 
হইলেন ইহার তাৎপর্য এই যে, শু স্বয়ং দিব্যভাবে পূর্ণ হওয়ায়, রং 
দেবীপ্রেরিত অস্তরক্ূপী দিব্যভাব সমূহ নিজের ভিতরে গ্রহণ করিতে 
সমর্থ হইয়াছেন! অর্থাৎ দেবীপ্রদত্ত দিব্যভাব দ্বারা তিনি আরও. 
বিশ্ুদ্ধভাবাপন্ন ও শক্তিশালী হইলেন। আর শ্ুদ্ধভাবাপন্ন শুস্ত, তরী 
পিবাস্ত্রূপ শুদ্ধভাবসমূহ [ইহাই মস্ত্রোক্ত দিব্যানি অগ্ত্রাণি ], সর্বব-নিয়ন্ত 
পরম সামর্থাশীল৷ পরমেশ্বরীতে শ্রদ্ধার সহিত অর্পণ করিলে, তিনি 
ভঙ্কাররূগী দিবা লর-শপ্রিদ্বার। উ। স্বয়ং সানন্দে গ্রহণ করিলেন; কেননা! 
আদ্ধা ও একান্তিকতার সহিত মহাশক্তিময় ভগবানকে ধিনি যাহাই 
প্রদান করুন ন| কেন, তিনি স্বয়ং উহ গ্রহণ করিয়া থাকেন; সৃতরাং 
শুষ্ত-প্রদত্ত সম্ভার যতই অকিঞ্চিংকর হউক, তথাপি তাহা জগন্মাতা 
যেশ প্রশংসাধুক্ত বাক্যাদিদ্বার আনন্দ প্রকাশপুর্বক গ্রহণ করিলেন ! 
| --তাই মন্ত্রে আছে, “উচ্চারণাদিভিঃ” ] 

হু্কার সন্ধে মধাম খণ্ডে সবিশেষ আলোচনা কর! হইয়াছে । 
এখানে হৃষ্কারদ্বারা দেবী আন্তরিক তেজময় ও শক্ষি-সম্পন্ন অস্্সমূহ 
বিপয় করিরা ফেলিলেন। ইহাদ্ারা হুগ্কারের অপীগ প্রভাব বা ক্ষমতা 
ঠা হইয়াছে। আর সাধকগণের পক্ষেও সর্ধববিধ আন্রিক বৃদ্ধি 
সমৃহকে বিলয় করিবার পক্ষে হগ্কার একটা ব্রদ্ধান্্স্বরূপ। ইহাও 
এখানে সাক্ষাভাবে প্রতিপন্ন ও প্রমাণ করা হইল। বিশেষতঃ 





৫ 


১৩৬. ৃ শ্রীশ্রীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্থ 


'ভাবাবস্থায় ভক্তগণও, ভুষ্কার-ধ্বনি করিয়া আনন্দ প্রকাশ করিয়। 
_ প্রাকেন 1--(১২/১৩) 


ততঃ শরশতৈ দেবীমাচ্ছাদয়ত সোহন্তুরঃ। 

সাঁপি তৎ কুপিত। দেবী ধন্গুশ্চিচ্ছেদ চেষুভিঃ ॥ ১৪ 

ছিন্নে ধনুষি দৈত্যেন্্র স্তথ৷ শক্তিমথাদদে । 

চিচ্ছেদ দেবী চক্তেণ তাঁমপ্যস্ত করস্থিতাম্‌ ॥ ১৫ 

ততঃ খঙ্জামুপাদায় শতচন্দ্রঞ্চ ভানুমৎ | 

অভ্যধাবৎ তদা দেবী; দৈত্যানামধিপেশ্বরঃ ॥ ১৬ 

তন্তাপতত এবাশু খড়গং চিচ্ছেদ চণ্ডিকা | 

ধনুমুক্ৈঃ শিতৈবাণৈশ্চম্ম চাককিরামলম্‌ ॥ ১৭ 

সত্য বিবরণ | অনন্থত্র সেই অক্র শত শত শরদ্বারা দেবীকে 
আচ্ছাদিত করিয়। ফেলিল। দেবীও কুপিতা হইয়। বাণসমুহ দ্বারা 
তদীয় ধন্ধু ছিন্ন করিলেন ॥১৪॥ এইবূপে ধন্চ ছিন্ন হইলে, দৈত্যরাজ শক্তি 
অস্ত্র গ্রহণ করিল; দেবী তাহার করস্থিত শক্তি অস্্বকে চক্রদ্বার ছেদন 


.করিয়া ফেলিলেন ॥১৫| অনন্থর দৈতারাজাধিরাজ শুস্ত, খড়গ এবং 
অতি প্রভাশালী শত-চন্দ্র নামক চম্মফলক (ঢাল) গ্রহণ করিয়া তৎক্ষণাৎ 


দেবীর প্রতি ধাবিত হইল ॥১৬| শুস্তান্থর নিকটে আসিতে ন1! আসিতেই 
চপ্ডিকা, ধনুন্ম,ত্ত তীক্ষবাণদ্বারা সুর্যা-কিরণতুল্য প্রভাপিশিষ্ট তদীয় খড়গ 


ও চম্ম তৎক্ষণাৎ ছেদন করিয়া ফেলিলেন ॥১৭ 


তত্ব-স,ধাঁ। জীবন্ুক্তি লাভ করিলেও 'প্রারব্ব-কর্মাফল ভোগ 


- বাতীত নষ্ট হয় না, এবিষয়ে পূর্বে বলা হইয়াছে। এজন্ বিশুদ্ধ 


সাধকের জীবনে যে কোন প্রকার সখ ছুঃখময় কম্ম বা ফল উপস্থিত হয়, 
তিনি তাহা স্থির ধীর ও সান্ষীভাবে সমস্তই গ্রহণ করেন বা বরণ 


বাণস্নিক্ষেপ রহস্য ূ ৃ ২৩৭ 


করিয়া লন! কেননা, এই অবস্থায় কর্ধে বা কর্মকলে আসক্তি জন্মিতে 
পারে না এবং কম্মকলও আপনা! হইতে মহাশক্তিময় ভগবৎ-পাদপদ্ধে 
সমপিত হয়। এছন্য উহা আর নৃতন কর্ম-বন্ধন সষ্টি করিতে পারে নী। 
কাহারও মতে__প্রারন্জনিত ছুঃখমর অবস্থাঘ্বার। অভিভূত হইয়। 
মানসিক তীব্র অশান্থ ভোগেই রুদ্র-গ্রন্থিরপ। মনের এই দুঃখমর, 
অশান্তির কেন্ত্র স্থানও দ্বিদল-চক্রের মনোময় কোযে । সুতরাং ছন্দময়, 
খিগ্বকে সমষ্টভাবে বা বাঙ্টিভাবে সব্বাবস্থায় আনন্দময়রূপে অনুভব ও- 
আম্বাদন করাই রুদ্র-গ্রন্থিভেদ। বিশেষতঃ মানব-জীবনের চির-অতৃপ্তিই 
মুক্তির দিকে ব। পরমাত্মার দিকে আকর্ষণকারী মায়ের কূপ বা আকর্ষণ |, 
এইরূপে জীবন-প্রবাহের কর্ধাস্োত শত শতমুখী ব। অসংখা হইলেও), 
সাধক তাহাতে বিচপিত না হইয়া, সমস্ত কম্ম ও কর্ম্ল ভগবান বাঁ 
ইষ্ট দেব-দেবীর গ্রীত্যর্থে সমর্পণ করেন-_ ইহাই দেবীর প্রতি শুস্তের, 
শত শত শর নিক্ষেপ। শর, শত শত হউক ন। কেন, কিন্তু লক্ষ্যবস্ত 
এক অর্থাৎ একমাত্র অপিকা ; ইহাও প্রণিধানযোগ্ বিষয় । রূপ-রসার্দি 
পর্চ বিষয় এবং জীবনী-শক্তির মূল কেন্দ্রস্বরূপ পঞ্চ প্রাণ, জ্ঞানেন্দ্িয় ও. 
পঞ্চ কন্মেপ্ত্িরের সহিত মিলিত ও গুশিত হইয়! শত শত ভাব এবং 
অনুভাবের সৃষ্টি করে ইহারাই মন্ত্রোক্ত শত শত শর। ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে: 
শব্দ স্পর্শাদি বিষ গ্রহণে বা আস্বাদনে প্রাণে প্রাণে সখ বা দুঃখের 
অনুভূতি হয়-এই সকল অন্ুূতি রসম্বরূপ) এজন্য মাতৃ-পৃজার 
উন্নত, সাধক, অন্ুভূতিময় পরিচ্ছিন্ন আনন্দ বা! নিরানন্দসমূহ অর্থাং 
রসতত্, মাতৃ-চরণে সমর্পণ করিল, কিন্বা সমস্তই মাতম রি টি 
করিল !-_ইহাও শুস্তের শরবর্ষণ। ও 
লক্ষ্যবস্তুর সান্নিধ্যে লক্ষাবস্ত লাভের উপায় বা সাধমাকে পরিত্যাগ 
করাইি কর্তব্য; কিছ্া সাধনা" আপনা হইতেই “পরিত্যাক্ত হয়া ধাঁ). 


না ১৩৮ 7 রি  পীীচতী-তব ও নি লাধন-রহন্ত 

কিন্তু রি সাধনা বা সাম কর্ম-্রবাহের সংস্কার : রি সে 
ডং হইতে চাহেনা, তাই গুরুশক্তি বা জগন্মাতা সাধকের সন্বগ্তণময 
কর্শপ্রচেষ্টা কোন না কোন উপায়ে নষ্ট করিয়া দ্েন। সৌভাগ্যবশে 
কোন কোন লাধকের সাধনা, আপনা হইতেই খিয়। পড়ে। তাই দিন্ধ 
মাত-নাধক বলিয়াছেন_-“আন্রে ভোলা জপের মালা ভাদাই 








গনঙ্গাজলে” । 
সাধক-শ্রেষ্ঠ শুভ যে অস্ত্রসমূহদ্বারা মাতৃপুজারূপ মহাযুদ্ধ সম্পন্ন 


করিতেছেন, সে সঙ্বদ্ধে কিছু আলোচনা করিলে, পাঠক-পাঠিকাগণ এই 
বীরপৃজার ভাবটী সহজেই হদয়ঙ্গম করিতে পারিবেন । এখানে 
শুস্তের যুদ্ধোপকরণসমূহ বিশ্তদ্ধ হওয়ায়, মাতৃপূজজার উপকরণরূপে 
পরিণত ও বাবহত হইয়াছে । বিধি মার্গে পুজা করিতে হইলে, 
পুষ্প ধূপ দীপ নৈবিদ্য ও গন্ধ, এই পঞ্চ উপচারের বিশেষ প্রচয়াদন 
হয়; আবার জীব-দেহও পঞ্চ যহাভৃতের প্রপঞ্কীকরণদ্বারা গঠিত । 
দেহের এই পঞ্চ উপাদানের সহিত, উপরোক্ত পঞ্চ উপাচারের অতি 
নিকট সম্বন্ষ, যথা- পুষ্প - আকাশ-তত্ব, ধূপ -বায়ুতব, দীপ- 
তেজতব, নৈবিছ্ - রসতত্ব, গন্ধ - পৃথীতত ৷ সুতরাং পঞ্চ উপচার 
দ্বারা পরমাত্মার পূজা করার অর্থ ও ভাব এই যে, এক একটা নিজতব, 
ইষ্টদেব-দেবীরূপ পরমতত্বে সমর্পণ করা ! শুস্তের পুজোপকরণরূপ অস্্রাদির 
ব্যাখ্যা যথা__ধন্ধু - সআকাশতত্ব [ আকাশের গুণ শব, ধকজা হইতেও 
শব ধা হয়, আবার ধনবৎ আকাশেই রাষধর্টীর রূপ প্রতিফলিত 

; শক্তি বাত [ প্রাণবাযু ও শ্বাস-প্রশ্বাসই জীবের 
রি খড়গ" তেজতব [ দ্বেবী-মাহাত্মোর বিভিন্ন মনে “ডা- 
এপ্রভাঃ “কিরোজ্জ” প্রভৃতি, উক্িদ্ারা: খ্ডগকে তেজতত্বরূপে বর্ণনা 
করা হইয়াছে । অধ্মুম চরিত অঙ্ক ব্যাখ্যাকালেও এসকল বিষয়ে 





| উরে করা হইয়াছে ] শর-অপ বা দত শরৎ একতানতা৷ 
দ্বারা আনন্দ-রদের অভিবাক্তি হয়, শরদ্ধারা লক্ষ্যবস্ত ভেদ করিতে 
পারিলেও, বিশেষ রম বা আনন্দের বিকাশ হয়। এ সম্বন্ধ 
অস্ত্ব্যাখযাকালেও কিছু আলোচনা হইয়াছে । আর রসের বিশিষ্ট 
অভিব্যক্তি কন্দর্পে ব মদনে 3 মদনের পঞ্চ শরেই তাহার সমস্ত শক্তি 
কেন্দ্রীকত; এজন্য শরে রসতত্বের অভিবাক্তি ]; চর্্ম্পৃথীতত 
[ পৃথিবীর গুণ গন্ধ, চর্দেতেও গন্ধ আছে, আর পূর্থীতত্ব সুলঙহে হ্‌তু 
জড়ভাবাপন্ন; এন্য চৈতন্য স্ফুরণের প্রতিরোধক বা আবরক) 
চত্মও আবরক অস্্ 17 অশ্ব-ইন্দিয় ও বুত্তিগণের ক্রিয়াশীলতা; 
সারতী -ঘনতন্ব ! মনই ইব্জিরগনের সারথী ব। পরিচালকস্বরূপ ]) 
মুদগর স্বৃদ্ধিত [ পরাজিত ব্যক্তিমাত্রই প্রতিশোধ গ্রহণের জন্ 
বুদ্ধিতত্বের আশ্রর গ্রহণ করিয়া থাকে, অর্থাৎ শত্রুকে জব করিবার 
জন্য বৃদ্ধিসহযোগে বিশেষ উপায় উদ্ভাবনের চেষ্টা করে_ ইহাই 
-মুদ্গরদ্বরূপ |; মুর্টি-সহগ্রলযর কাধাবলীতে মোহময় দৃঢ়তা, [ অর্থাৎ 
কশ্মসংস্ক'র ব1 কর্দরত্যাগে অনিচ্ছা ] এইসকগ ভাবময় পুজোপকরণরূপী 
অস্ত্সমূহ, এখানে ঘুদ্ধলীলাতে যথ!যথভাবে গুয়োগ করিতে পারিলেই, 


শুস্তক্কত আত্মারামের প্রেমপুজ। কিরূপে সম্পন্ন হইয়াছিল, তাহ! 
সহজে হদয়ঙ্গম হইবে। 


মাধক ঘখন ইঠ্টদেব-দেবীতে তন্ময়া লাভ করিতে সক্ষম ॥ হইলেও, 
প্রণব জপাদি (ইহাই মন্তরোক্ত ধনুম্বরূপ *) এবং প্রাণাম্থামাদি প্রাণ- 
নিরোধক সাধনাবলী (ইহাই মন্তরোক্ত শক্তি) পরিত্যাগ করিতে 
কুষ্টিত হন, তখন মা ধেন লীলাচ্ছলে ৷ সন্তানের মঙ্গলের জন্যই 
_কোপান্ধিতা হইরা সন্বগুপের কয়লার কারণসমূহ . উচ্ছেদ করেন। 





পে সিপপাপাগপাপিপ পিপাসা ৮৮ পপ পপি সী পীপাশিীশীশিশীপীশিলীিলাাপিপপিসিপপিপিপীট 
রি 


- ক “িণরোমু ধন্থং শরোভাক। ন্মত্্গ্যচাতে"_ -ক্লতি 


২৪০ রীশ্রীচণী-তত্ব ও সাধন-রহ্স্ত 


এখানেও প্রথমত; শুস্তের আঙরঙ্থরূপ ধনটা, নিজ বাণরূপ অতি সুক্ষ 
ইচ্ছাঁশক্তির সাহায্য ছিন্ন করিলেন বা সাদরে গ্রহণ করিলেন। 
এইরূপে শিস্ত-প্রদতত ধনকরূপ প্রণবশবধয় আকাশতত্ব দেবী গ্রহণ 
করিলে, সে শক্তিরূপ প্রাণময় বায়ুতত্ব সমর্পণ করিল। দেবী উহা 
সত্বগুণময় চক্রাত্দ্বারা খগ্ডন করিলেন 7 অর্থাৎ দিব্যদুষ্টিরপ প্রকাশমর 
সুদর্শন সাহভাযো গ্রহণ করিলেন। অতঃপর তেজন্বী মাতৃশক্তিতে 
বলীরান সাধক শত চন্দুক্ুধোর স্ায় উজ্জল খঙ্গরপ তেজতত্ব সমর্পণ 
করিবার জন্য দেবীর প্রতি প্রধাবিত হইল । 
এখানে মন্ত্রে শুস্তকে “দৈত্যানামধিপেশ্বর” বলা হইয়াছে। শুস্ত 
দৈত্যগখের অধীপ বা দৈতাপতি ছিলেন, এক্ষণে অনাত্মভাবসমূহ বঙ্জন 
করত বিশ্তদ্ধভাবাপন্ন হইয়া আত্ম-জর করায় এবং তাহার মুক্তির 
আসন্নকীল উপস্থিত হওয়ার, তাহাকে অধিপেশ্বর অর্থাৎ অধিপতিগণেরও 
পতি বা ঈশ্বর বলা হইয়াছে । ভগন্মাত। তদীর সুক্মাতিসথক্্ম ইচ্ছাশক্তি 
বা সর্ধতোভেদী প্রকাশ-সত্তাবূপ বাণের সাভাফো শুস্ত-প্রদত্ত তেজতত্ত্ব 
( খড়গ) এখং পুর্থীতত্্ (চ্ম ) গ্রহণ করিলেন [ এবং তংসহ ইন্দিয়- 
বৃত্তির ক্রিয়াশীলত| ( অশ্ব ) এবং মনতত্ব ( সারথী 9) গ্রহণ করিলেন ] 
.এইবূপে মাধকরাজ মাতৃকৃপায় সতৃগুথের অবশিষ্ট আসক্তি ও ক্রিয়াশীলতা 
হইতে মুক্ত হইলেন_তীাহার মনোময় কোষ ভেদ হইল +১৪-১ ৭) 
হতাশ্বঃ স সদা দেত্যশ্ছিন্রধন্বা বিসারথিঃ1 ... 
জগ্রাহ মুদগরং ঘোরমস্থিকানিধনো ছ্যতঃ 1১৮ 
. চিচ্জেদাপততস্তস্ত মুদগরং নিশিতৈঃ শরৈঃ। 
তথাঁপি সোইভ্যধাবৎ তাং মুষ্টিমুদ্ধম্য বেগবান্‌ ॥১৯ 
: সমুষ্টিং পাতয়ামাস হৃদয়ে দৈত্যপুক্গবঃ। 
দেব্যাস্তঞ্চাপি সা দেবী তলেনোরস্যতাড়য়ৎ॥১০: : 


তলপ্রহারাভিহতে' দিপপাত' মহীতলে ॥ 

 স দৈত্যরাজঃ সহসা'পুনরেব তধোখিতঃ ॥২১ 

সত্য ৰিবরণ। অশ্বহীন ছিন্নধন্থ এবং সারথিবিহীন' হওয়ায়, 
সেই দৈত্য অখ্থিকা-নিধনে উদ্ত হইয়া, ভীষণ মুদগর গ্রহণ করিল ॥১৮| 
সে আসিতে না আসিতেই দেবী তীক্ষ বাণ ঘারা সেই যুগ্দর ছেদন 
করিলেন। তথাপি সে মুষ্টি উদ্ঘত করির! অতিবেগে চণ্তিকার প্রতি 
ধাবিত হইল ॥১৯। সেই দৈত্যরাজ দেবীর হৃদয়ে মুষ্টি প্রহার করিল; 
দ্বেবীও নেই অন্ুরের বক্ষঃস্থলে করতল দ্বারা প্রহার করিলেন ॥২০| 
করতলাঘাতে আহত হইপ্া, সেই দৈতারাজ ভূতলে নিপতিত হইল এবং 
তৎক্ষণাৎ আবার উখিত হইল |২১ | 

তত্ব-্ত্ধা। এইরূপে সাধক-শরেষ্ঠ শুভ্তের মন ও ইন্দরি়বৃত্তিসমূহ 
নিরোধ এবং আকাশাদি ততবসমূহ পরমাত্মভাবে লয় হইল। তখন সে, 
কুটিলভাবাপন্ন (ঘোর ) মুগ্দররূপ বুদ্ধিতত্বটাকে অস্থিকাক্ূপিণী 
নিঃংশেষিত পরম পনে (নিধনে) * অর্পণের জন্য উদ্যত হইল! 
অর্থাৎ সারাতসার। পরাতপরা অন্বিক মাকে শুদ্ধাশুদ্ধ সর্ববিধ ভাব 
সমর্পণ করিবার জন্য ইচ্ছুক হইল । তখন দেবী, স্বরূপ আনন্দ প্রদান 
কারী হুক্মতম রলময় শরদ্বার| এ বৃদ্ধিতত্ব (মুদগর ) গ্রহণ করিলেন। 
“তথাপি" অর্থাৎ ত্রমে শুস্তের পঞ্চতত্ব, ইক্রিয়বৃত্তি ও মন বুদ্ধি প্রভৃতি 
বিশ্তদ্ধ হইয়! চিন্মরভাবে বিভাবিত হইলেও, পরমাত্মময়ী মায়ের সহিত 
ভেঘ*বুদ্ধির উপশম হইলন'! বরং তীহাকে লাভ করিবার কামনা, 
স্থক্মাতিস্চ্্ভাবে আরও প্রবল হইয়া উঠিল! সাধক-রাজ . শুস্ত 

সন আনি না নেব 
ইহাতেও'সমপ্ত দেবগণের নিংশেধিত সারাংশ দ্বারাই, মায়ের ভিডিও ) এয 
বলা হইক্সাছিল ৷ ঈ নি এ তির ২ 0. 








৯৬০ 


শ্ীচণ্ী- -তন্ব ও সাধন-রহস্ত 


চি কোে উদিত হযাছেন_-তথার ভাষার, কার ভাব 
: বিশু কমমাবস্থা গা হই, অশ্মি্তায় প্র্িঠিত ০০ 
রী দেবীর চিন্ম্ ভাবের সংস্পর্শে ও বিনিময়ে শুস্তের “নিত 
: স্থক্মাতিস্থক্্র অহংভাব চিন্য় ও জ্যোতিত্মান্‌ হইয়া উঠিল! _লাধকযাজ 
দেবীর ব্বরূপভাবের সান্দিধা লাভ করিলেন।. এইন্ধপ উন্নত অবস্থা 
লাভ করিলেও, কামনারূপী শুস্তের বিজ্ঞানময় ক্ষেত্রে, অস্বিকাকে 
প্রাপ্তির কামনা আরও দৃঢ় হইল (ইহাই মস্তোকত মু্ি)। নদী ষেমন 
সাগরের সান্লিধা লাভ করিলে, উচ্ছ দিত হইয়৷ অতি প্রবলবেগে সাগর- 
সঙ্ছম করিয়া থাকে, সেইরূপ শ্তস্তও অগ্থিকাকে প্রাপ্তির কামনার্ধপ 
দৃঢ় মুষ্টিসহ, তাহার প্রতি অতি বেগে প্রধাবিত হইলেন এবং দেবীর 
প্রাবময়, হৃদর-প্রদেশে মুষ্টিদ্বারা ত্বাঘাত করিলেন! শুস্তের এবন্বিধ 
আঘাতটীর অন্তরালে, প্রাথময় অভিন্থন্দর ভাব বিগ্মান। শুস্ত যেন 
মায়ের প্রাণে আঘাত করিয়া আত্ম-সমর্পণ করিতেছেন এবং প্রার্থন। 
জানাইতেছেন-“ওগো প্রাণময়ি ! প্রফুল হও; একবার দীনের 
প্রতি করুণা বিতরণ কর।-_আমায় একটু ভালবাস 1 আমি তোমার 
কপা-কটারক্ষের দৃ্টপাত আশায়, প্রাণম্ন ভালবাসা প্রাপ্তির লালসায়, 
সর্বস্ব বিসঙ্ন দিয়া, সর্ধত্যাগী হইয়াছি!_-তোমাকে প্রাঞ্ধিই আমার 
একমাত্র লক্ষা ও কামনা । ওগো প্রেমমরি! তবু'কি আমার প্রতি, 
তোমার এতটুকুও দয়াও হইবে না?” ইহাই এবময় প্রদেশে 
ৃষ্ঠ্যাধাতের অপূর্ব ভাব ও তাঁৎপর্য্য । 

 আতঃপর 'দেবীও শ্ুস্তের প্রাশময় হদম-প্রদেশে শ্ীকর-পল্পবের আত্বাত- 
ারা তাহাকে আনন্দ প্রদানপূর্মাক আত্ম-ন্বরূপে উদ্ধ করিদবা তাঁহার 
শ-গ্রাতিষ্ঠা করিলেন। হাম-প্রদেপই প্রাণমনন জীব-চৈতস্তের 
অধিঠান কে, এবিষয়ে সধ্যম চরিত্রে আলোচিত হইয়াছে) এন্ধন্ত 


ডি 

লা . রঃ 

রা 4 জি 
৮ । 055 

। চারু 













সঙ্গে ভাব টড 7 ্‌ খ্ধ্হ্‌ 


অ্িকা ক চিন্ময় রা সাধকের জীবতাব অপসারিত করি ' 
তাহাকে প্রাণময় ও. আত্মময় করিয়া লইলেন। তখন স্বাননের 
আতিশহ্যেশস্ত মৃদ্ছিত খুনে পতিত হইলেন! দারা 
ক্ষেত্রে তাহার অজ্ঞানতামূলক সংস্কার ও ভেদভার জড়ত্বে পরিণত বাঁ. 
বিনষ্ট হইল ( ইহাই মহীতলে পতন )। পুনরায় তিনি উঠিয়া 
পড়িলেন। ইহার কারণ এই যে, বহুকালের অভ্যন্ত অজ্ঞানতা ও 
জড়ভাবীয় সংস্কার নষ্ট হইলেও, তাহার প্রতিক্রিয়। কিছুকাল পর্যন্ত 
বিদ্যমান থাকে--চলস্ত গাড়ী হঠাৎ থামাইলে, তাহা নিক্ঞবেগে কতকটা 
অগ্রসর হয়; পশুর মস্তক বলিদ্বারা দ্বিধাকূত হইলেও, ছেদিত অংশদ্ধয় 
কিয়কাল ছটুফট্‌ করিরা জীবনী-শক্তির ক্ষনিক ক্রিরা দেখাইয়া থাকে। 
এই নিয়মে শ্রস্তেরও ভেদজ্ঞান, মাতৃ-কৃপাম্পর্শে দূর হইয়া ও যেন হয় নাই! 
তাই আবার তিনি উিত হইলেন ।_-(১৮-৯১) 

উৎপত্য চ প্রগৃহ্যোচ্চৈ দেবীং গগনমাস্থিতঃ। 

তত্রাপি সা শিরাধারা যুযুধে তেন চণ্ডিকা ॥২২ 

নিষুদ্ধং খে তদা দৈত্যশ্চপ্ডিকা চ পরস্পরম্‌। 

চক্রতুঃ প্রথমং সিদ্ধমুনিবিস্ময়কারকম্‌ ॥২৩ 

সত্য ৰিবরণ। দৈ্যাধিপ্তি দেবীকে গ্রহণপূর্ববক লম্দপ্রদানে 
আকাশে উিত হইলেন; দেবী চগ্ডিকা সেখানেও অবলগ্গনশুন্তা হইয়া 
তাহার সহিত যুদ্ধ করিতে লাগিলেন ॥২২। তখন আকাশে প্রথমত: 


দৈতা এবং চপ্তিক। উভয়ে, সিদ্ধ ও মুনিগণের বিশ্থয়জনক বাহ্যুগ্ধ করিতে 
লাগিলেন ॥২৩ 


তত্ব-্থধা। এই গ্রন্থের কোন কোন স্থানে বলা হইয়াছে যে রা 
উত্তম চরিত্রের যুদ্ধলীলা কারণময় অবস্থা। .এই যুক্তি, এখানে মঝোজি.. 
দ্বারাও সমখিত, ও প্রমাণিত কেননা শৃন্তে ০ ইয়া, দীর্ঘকাছ। 












২৪৪ 


্রীত্রীচণ্থী-ত্ব ও সাধন-রহস্ত 


যুদ্ধ করা কারণতবের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমাপস্বরূপ। এতদ্বাতীত কারণ স্তর 
চতুর্জগ্নতের তৃতীয় স্তর, বথা--€১) স্কুল জগৎ, (২) হুম্ম জগং 


(৩) কারণ কা বৌদ্ধ জগৎ ঠা অধ্াত্ম বা তুরীয়ভাব। এ সম্বন্ধে পূর্বেও 


কিঞ্চিৎ উল্লেখ কর! হইয়াছে । বৌদ্ধগণ শৃন্যময় কারণস্তরকেই প্রধানত 
দিয়াছিলেন: তৎপর শঙ্বরাচার্ধা শূন্যবাদ খণ্ডন পূর্বক অধ্যাত্মবাঁদ 
প্রতিষ্ঠিত করিয়াছিলেন এবং সর্ববিধ উপ|সকগণেব মতবাদ, ব্রদ্ষজ্ঞানে 
সমন্বয় * করত, প্রেমভক্তিমর ক্তবমালা গ্রকাঁশ করিয়াছিলেন । অধ্যাত্ব- 
রাজের চরঘ সীমানায় উপস্থিত হইতে ভইলে, সাধকমাত্রকেই 
উপরোক্ত চতুব্বিধ স্তর অতিক্রম করিতে হয়। দৃষ্টান্তশ্বরূপ দেখান 
যাইতেছে যে--সাধক ঘখন ভগবানের কোন একটা সাকার মৃত্তি অবলক্থন 
পূর্বক তন্ময়ভাবে ধ্যান করেন, (উহাই স্ুল হইতে স্ুক্ষস্তরে গমন ) 
তখন ধ্যানের গাঢ অবস্থায় ধাত। ধ্যর ধান একত্বে বিলীন হয়; ক্রমে 
অনির্বচনীয় আনন্দপ্রদ শম্যমর স্থির অবস্থা! উপস্থিত হর-উহ্হাই তৃতীর 
ব!কারণক্তর: ক্রমে এভাবে অভান্ত হইয়। অগ্রসর হইলে, সাধকের 


. চিদাকাশ অভিব্যক্ত হইয়া, প্রথমে জ্যোতিঃ দশন হর, ক্রমে পরিপর 
অবস্থার, সমীধিলাভে ইষ্ট দর্শন বা দিদ্ধিলাভ ভয় । এখানে সাধকরান্ড 


শুস্তও সিদ্ধিলাভের পূর্ববাবস্থা। প্রাপ্ত ইয়াছেন এবং কারণ- -্তরে বা 
শ্ন্যমর স্থানে উখিত হইয়াছেন । 

_ সাধকশ্রেষ্ঠ শুস্ত এত বিশুদ্ধ ও নক্তিশানী- কে যে, তিনি 
অস্বিকা দেবীকে ধারণপূর্বরক দ্বিদল-পদ্মের উপরিস্থ শূন্তময় নিববিশেষ- 


আনন্দপ্রদ নিরালক্ষপুরে ( আনন্দগয় কোষে ) উখিত হইলেন। 
এইক্ধপে জীবাত্মার সহিত, পরমাত্মার মহামিলনের শুভ মূহুর্ত 


* শাহ আছে - প্টপাসকাঁনাং দিদা কষ রণ? রাপ- প-কজনা" অর্থাৎ বিডি মতাবলহী 
উগাসকগণের নিধির নিদিতই গর, অনরপ বা ষ্ঠিপরিগ্রহ করিযাছেন।' 





আসন ৪ তখন শুস্তের “আমি ও আমার বলিতে? কারণময় ক্ষেত্রে | 
যাহা কিছু সংস্কার বা বীজ ছিল, তং সমন্তই হ্তদ্বারা অস্বিকাকে 
সমর্পণ করিয়া পরমানন্দ লাভ করিতে লাঁগিলেন__ইহাই মস্তোনত 
মর স্থানে বাহ্যুদ্ধ। অদ্বিক! দেবীও শ্রীকরকমলের কমনীয় চিন্ময় 
স্পর্শ দ্বার শুস্তের সুক্ক্াতিস্থক্ম বাঁ কারণ-স্তরের সর্ধববিধ মালিন্য, 
চাঞ্চলা ৪ ভেদভাব নষ্ট করিয়া তাহাকে পরমাত্মময় করিলেন। এইরূপে 
শুস্তরূুপী সাধক, সেই নিরালম্বপুরে পরমানন্দে ব্রহ্মময় আত্মপৃজা 
স্থসম্পন্ন করিলেন! এই আদান-প্রদানময় বাহযুদ্ধরূপ মহাপূজা দর্শন 
করিয়া পিদ্ধ মুনিখষিগণও বিস্মিত হইলেন। ক্তরীশ্ীরাসলীলাতেও 
করুণাময় ভগবান, গোপীগণের সর্ধবিধ ভেদভাব অপসারিত করিয়া 
ত্রাহারদিগকে পরমাত্মময়ী করত, আত্ম-রমণ করিয়াছিলেন এবং সেই 
অপূর্ব রাসলীপা সন্দর্শনে দেবগণ মহযিগণ প্রভৃতি সকলেই পরমানন্ৰ 
প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। |] 
যৌগিক ঝাখ্যায়_-আজ্ঞা বা দ্বিদলপন্ম সমন্ধে পূর্বেবেও কতক 
বল| হইয়াছে; তবে ইহাও প্রণিধানযোগ্য বিষয় যে, এই অপূর্ব 
ক্ষেত্রেই মনোময়। বিজ্ঞানময় এবং আনন্দময়, এই তিনটী কোষ 
সশ্মিলিত। এতদ্যাতীত এই পন্মের উর্ধাংশে বা অন্তশ্চ্রে অবস্থিত 
নিরালক্ব-পুরী সম্বন্ধে কিছু উল্লেখ করা প্রয়োজন। স্ুযুগ্নানাড়ীই 
ত্রিবেণীসঙ্গমের সরম্থতী। দেবীমাহাত্ব্যের মহাসরস্বতীর যুদ্ধলীলা 
ছিদলস্থ বিভিন্ন স্থানেও বিশিষ্টরূপে প্রকটিত। এখানে ুযুয্নানাড়ীর 
শেষ গ্রন্থ-স্থানই নিরালক্ব-পুরী এই পরমানন্দময় ও ৃন্তময স্থানের 
অধিদেবতা মহীকাল বা মহেশ্বর_ইহার অন্য নাম দিদ্ধলিঙ্গ বা 
ইভর-লিঙ্গ ; আর এখানকার শতি-_গ্ৌরী দেবী বা মহাপরসথতী, 
বীজ- হ্বীং। এই মহাকালরূপী রুদ্র এবং মাহেশবরী গৌরীর, গু 


২৪৬ প্রত্রীচখবী-তৰ ও সাধন-রহস্ত 


ভেদ করাই ক্ুদ্রগ্রন্থিভেদ । ক্ধনৈক সিদ্ধযোগীর মতে, সক্ষাতিসৃম্ 
প্রাণবাযুর সহিত নিরালগ্বরূগী মহাকাশ বা কারণের গ্রন্থিই কুদ্র-গ্রস্থি। 
এই নিরালগ্বপুরই জীবাত্মার বা জীবদেহের শেষ বন্ধনস্বরূপ আনন্াময় 
কোষ-_-এই কোষ ভেদ করিতে পারিলেই জীবাত্মার সহিত পরমাত্মার 
স্ববূপগত মিলন হয়। এই কোষ বা অপূর্ব পুরীটী ভেদ করা বড়ই 
কঠিন এবং দুস্তর পারাবারতুলা! এজন্ত এখানকার অধিপতি 
দেব-দেবীর রূপা বাতীত, এই দুস্তর পুরী অতিক্রম করা যায় না? 
অর্থাৎ জগদগ,রু মহেশ্বর এবং গুরু-শক্তিরূপিণী জ্ঞানময়ী রুদ্রাণীর 
কুপাদ্বারাই এই শেষ গ্রস্থি-্থান ভেদ করা সহজসাধা হয়। এখানে 
তিনটা বিশেষ পী$ বিদ্যমান, যথা--(১) বিন্ুপীঠ (২) নাদ-গীঠ এবং 
(৩) শত্তি-পীঠ (যহাশক্কি-বীজ ভ্ীং এই গীঠেই অরিষ্টিত)। এই 
_স্িলম্ষপুরী বায়ুরও লযস্থান-_অর্থাৎ ইহার উর্ধে আর বায়ুর অস্তিত্ব 
নাই। এখানে ব্রদ্ধা-বিষু-শিবাত্মক্‌ একটা ত্রিকোণ-মগ্ুল আছে; 
এ ভ্রিকোণ-মগুল, ত্রিগুণের৪ লয়-স্থান। ম্বতরাং এইস্থান ভেদ 
.করিতে পারিলে, গুণাতীত হইয়া, সহস্ার-পল্পে যাইতে আর কোন 
| বাধা থাকে না এবং সিদ্ধিও 'করতলগত হয়। নিরালঞ্পুর- -বিহারিণী 
মহাসরস্বতী মায়ের রুপা, লাধকরাজ শুস্ত লাভ করিমাছেন; তাই 
অদ্বিকা দেবীর সংস্পর্শে সেই পরমানন্দ-পুরীতে প্রবেশ করিতে সমর্থ 
হইয়াছেন; সেখানে মাতৃক্রোডস্থিত শিশুর যায়, পরমানন্দময় অপূর্ব 
লীলা- বিলাসে যেন তাহারা উভয়েই নিমগ্ন ও ক্রিয়াপরায়ণ !-_তাই 
সিদ্ধমুনিখবিগণ ও সেই লীলা খেলা! দর্শনে বিশ্বিত, টি ও. 
বিযু। 1--(২২২৩) 
ততো! নিযুদ্ধং সুঁচিরং কৃষধা 1 ভেনাম্বিকা সহ। 
- উৎপাত্য ভ্রাময়ামাস চিক্ষেপ ধরণীতলে ।২৪ ' 


 উথান-পত্তন ২৪৭ 


জ ক্ষিপ্তো ধরণীং প্রাপ্য মুষ্টমুদ্ঘম্য বেগিতঃ। 

'অভ্যধাবত দুষ্টাত্বা চণ্ডিকানিধনেচ্ছয়া'|২৫ 71" 

সত্য বিবরণ । অনন্তর অধ্বিকা তাহার সহিত বহুক্ষণ বাহুদ্ 
করত তাহাকে উর্ধে উত্তোলনপূর্বক: বিঘুধিত করিয়া, ধরণী-পৃষ্ঠ 
নিক্ষেপ করিলেন ॥২৪। 'নিক্ষিপ্ত এবং ভূমিতল প্রাপ্ত হইয়া, রে 


দুরাস্থা মুষ্টি উত্তোলনপূর্বক চণ্ডিকাকে নিধনের জন্য ধাবিভ'হই্লী1২৫ 
তত্বস্থধা। এই পরঘানন্দমর মিরালঘ-পুরে বা আনন্দময় কোষে 


বিশুদ্ধ সাধক, পরমাত্মময়ী কৌধিকী দেবীর সংস্পর্শে দীর্ঘকাল 
বিশি্ই আনন্দ উপভোগ করিলেন। এইরূপে বাহুযুদ্ধবূপ' পরস্পর 
পরস্পরের ভাব-বিশিময়াদির পর, ভক্ত-সাধককে স্বরূপানন্দ প্রদান 
করিবার অভিপ্রায়ে, অঙ্থিকা দেবী শুস্তের স্থূল সুক্ষ ও কারণময় দেহটা 
বিঘুণিত করির! পৃথিবীতে ফেলিয়া দিলেন! অর্থাৎ তাহার অবশিষ্ট 
বাঁজাংশের ভেদ ও অজ্ঞানতা জড়ত্বে পরিণত করিলেন। ': তখন 
পরমাত্মভানে বিভাবিত ও আনন্দময় হওয়া সত্বেও, শুস্ত পূর্ব সংস্কারের 
বেগ বশত: চণ্ডিকারূপ নিঃশেষিত সারাৎসার পরম ধন লাভৈ পুনরায় 
ইচ্ছুক হইয়া, (ইহাই মন্োক্ত মুষ্টির উদ্যম ), সবেগে ধাবিত'হইলেন। 
পুনঃ পুন; শুস্তের এবিধ উত্থান-পতনের মধো আধ্যাত্মিক: 
জগতের একটী বিশেষ শিক্ষণীর ভাব বিগ্যমান। ধাহারা বিলোম- 
গতিতে পরমান্মময় ভগবান বা! ভগবতীর দিকে আকুষ্ট বা পরিচালিত 
হইতেছেন, তাহাদের জীবন-স্তরেও সদ্নৎ ভাবরাশির উান-পতনাদি 
হয়া থাকে ।: এই অবস্থাতে সীধকগণ কখনও নিজের উন্নত অবস্থা 
দর্শনে উৎফুল্ল হইয়া উঠেন; আবার কোন কারণে কিছ প্রাক্তন- কর্্মবশে 
নিজের কোনগ্রকার পত্তন বা অবনতি দেখিলে, অতাস্ত বাখিত ও ও. 


41815 


অবসাদদ্রস্ত হইয়া পড়েন! কিন্তু একথা স্মরণ রাখা কর্তব্য যে, মানব | 


পরীী-জ গু সাধন 


| ক জীবন, তরে উখান্-পতনাদি স্বাভাবিক রা 
লৌকিকতাবেও, কোন বিশিষ্ট গন্তব্য স্থানে যাজ। রা পথিমধ্যে 
কোথাও স্ন্দর ধূথ্, কোথাও মরুভূমি, কোথাও হুন্দর ফল-ফুলের 
বাগান, কোথাও মন্দিরাদি, আবার কোথাও বা মহ।শ্মশানের বিভৎস 
ষ্ঠ প্রভৃতি দেখিতে দেখিতে লক্ষ্ণাভিমুখে অগ্রনণ হইতে হয়। 
জল-প্রান্তির আশাতে ভূমি খনন করিলেও, সেখানে কঠিন-কোমলভেদে 
নানাপ্রকার ভূ-স্তররাঙ্জি অতিক্রম করিতে করিতে, পরিশেষে জল- 
প্রাপ্তিদ্বারা শাপ্তিলাও সম্ভব হয়। 

এইরূপ শ্বাঙাবক ও ব্যবহারিক নিয়মে, অনন্ত পথের বা 
অধ্যাত্ব-পথের যাত্রীগণের পক্ষেও উথান-পতন, কি! কঠিন কোমল 
স্তর অতিক্রম কর! অপরিহার্য । যাহারা *বদরী-নারামণ বা *কেদার 
নাথ দর্শনার্থে হিমাণরের পথে বাত্রা করেন, তাহাদের« একবার উতান 
বা চড়াই করিগা, আবার তথা হইতে পতন ব। উতরাই করিতে হয় 
কিন্ত প্রকৃতপক্ষে, এ উওয় অবস্থাই, অগ্র-গতির পরিচাএক। বিশেষতঃ 
সদগুরুর আশ্রিত বা ভগবতী মায়ের কৃপাপ্রাপ্ত সাধকের জীবনে, প্রাক্তন 
কর্ধবশে অনিচ্ছানত্বেও যদি সাময়িকভাবে কোন প্রফার পতন হয়, তবে 
উহাও ভগবৎ ইস্ছা- প্রযোদিত কর্মক্ষর বা গুএক্ষের ব্যাপার মাত্র 
সুতরাং উহাতে অবসাদগ্রস্ত বা নিরাশ না হইঞ], ছি উৎসাহে 
রাখা-বিস্স অতিক্রম করত অগ্রগমন করা কর্তবা 1: তাই ভক্তশ্রেষ্ঠ 
শুভ্ভ, পতিত হইলেও, ততক্ষণাৎ উখিত হইয়া, পুনর্ধার লক্ষ্যাভিমুখে 
নরীন উদ্ধ্ষে পুনঃ পুনঃ ্রধাবিত ইহা লাধক-জীবণে একটা স্াশা প্রদ 
অতি উত্তম শিক্ষা। 


| সাধকরাজ শুস্ভ এবং জান-গ্রেমের  অধিষাত্র অস্বিকা মায়ের 
ু রী লা, চৈতন্তের এবং আনন্দের অপূর্ব (বিলাস !--উহ মায়ের 











চিদ্ানন্দময় দোল্বরূপ 1-_তাই মাতৃ-সেবক রামপ্রগাদ গাহিয়াছেন-_. 
“দোলে দোলেরে আনন্দময়ী করালবদনী ্যামা”__এখানেই মানবীয় 
সাধ ও সাধনা, ভাবও ও ভাবনার মহামিলন বা পরিপূর্ণ এখানেই 
অধ্যাত্ম-বসন্তের চিন্নর আবির্ভাব--_আনন্দ-মলয়-হিল্লোলের মধুময় 
পরশন এবং প্রেমভক্তি-অঙ্গরাগের শাশ্বতী ছন্দ, পুললকভরে কম্পমান 
এবং দোছুলামান্‌!! তাই বিশুদ্ধ সাধকের নিম্মীল শন্থঃকরণে। এই 
অবস্থায় চিদানন্দের হিন্দোল-দোঁলা আপন! হইতেই দুলিয়া উঠে! 
তখন সাধক, সেই প্রেষ-দোলাতে ইষ্ট দেব-দেবীকে বসাইয়া আনন্মর 
কোষে বিশিষ্ট আনন ভরপুর হইয্বা থাকেন। অশুটি, অশুভ এবং 
আস্রিক ভাব থাকিতে, স্বরূপ আনন্দের বিকাশ হইতে পারে না; তাই 
ব্রজধামে অজ্ঞানতারূপী অঙ্নুরকে বধ করার পর (ইহাই প্রচলিত 
প্রথায় জ্ঞানরূপ অগ্রিদ্বারা অজ্ঞান-তমসার কেন্রুরূপী “ভেড়ার ঘর', 
পোড়ানের পর ), ভগবানের দোল-যাত্রা সুসম্পন্ন হইয়াছিল। এখানেও 
করুণাময়ী জগম্মাত।, তক্ত শুস্তের অশুচি আন্গুরিক ভাবসমূল জ্ঞানময় 
শূলাঘাতে ভূতলে পাতিত বা জড়তে পরিণত করিয়া, তাহার জীবন- 
দৌল।টা বিশ্তুদ্ধ ও প্রাণমর্র করিলেন। অতঃপর মহাসরস্বতী মা বিশুদ্ধ 
ভক্তের হৃদগাদনরূপ প্রেম-দোলাতে অধিষ্ঠতা হইয়া 'ঘুদ্ধস্থলে ভাব- 
বিনিময়রূপ প্রেমবিলাস দ্বারা দোলাগ্িত হইয়া! ভক্তকে কৃতার্থ করিতে 
চিরে? ইহাই মন্তরোক্ত উখবান পতন এবং যুদ্ধলীলার তাৎপর্যা 

_-( ২৪1২৫) 

তমায়ান্তং ততো দেবী সর্বদৈত্যজনেশ্বরমূ। 
 জগত্যাং পাতয়ামাস ভিত্ব! শূলেন বক্ষসি ॥২৬ 
স গতাস্থ, পপাতোর্ব্যাং দেবীশূলা গ্রবিক্ষতঃ 
চালয়ন্‌ সকলাং পৃথথীং সান্দিদ্বীপাং সপর্ববতাম্‌ ॥২৭ 


২৫০ শ্রীশ্রীচণ্ী-ত্ ও সাধন-রহস্ট 


সতা বিবরণ। অনগ্তর দেবী সেই সর্বমৈত্যাধিপতি শু্তাক 
আগমন করিতে দেখিয়া, শূলদ্ধারা তাহার বক্ষসথদ বিদ্ধ করতঃ, তাহাকে 
_ স্কৃতলে পাতিত করিলেন 1২৬। দেবীর শূল।গ্রহারা বিদ্ধ শুস্ভ, পঞ্চত্গ্রাপ্থ 
_ হইয়া লসাগরা সথীপা সপর্কাতা বে কল্পিত করত টুন পতিত 
হইল 8২৭ 
 তত্ব-্ধা। অতগঃর পরমাকুমণী অনধিক, বি্াত সাধকরাছ 
শুপ্ভের জড় দেহটাতে ব্রদ্ধজ্জানমর শুলদ্বারা আধাত করিয়া, ক্টাহার 
চিল্সর ও আত্মময় স্বরূপটা পৃথক করিলেন--তখন বিশুদ্ধ জীবাত্মার 
সহিত পরমাত্মার মহামিলন সংসাধিত হইল! ভক্তরা স্তীস্ত, জীবন্ত 
 পরিত্যাগপূর্বক, শিবত্ব লাভ করত, রুদ্র-গ্রস্থিতোদ করিতে সক্ষম 
ভইলেন। তীহার সমস্ত সংখর-বীজজ চিরতরে উপশমিত হইল এবং 
ঠত্রিগুণণর ভ্রিবিধ কর্শ-বীজসমূহ ক্ষয় প্রাপ্ত হইল * অর্থাং উহাদের 
কর্তোংপ্ুদিকা শক্তি চিরতরে বিলুপ্ত হইল। এইকপে শুস্তের 
কাম-কামনাময় দেহের পতনে দেহস্থ সপ্তলোক, মেরুদগুরূপ পর্ববতাদি 
প্রকম্পিত হইল অর্থাৎ জীবভাব হইতে বিমুক হইয়া চিন্য়কূপে 
প্রতিভাত হওয়ায়, আনন্দে দেহের সর্বত্র পুলকাি সাত্িক লক্ষণসমূচ 
প্রকাশ পাইতে লাগিল। সাধকের বিজাতীয় ভেদ অপদারিত 
হওয়ার, কারণমর জগত তাহার অভেদভার প্রতিষ্ঠি স্টল তখন 
তিনি পরমাত্মার সহিত এ একাত্ম- স্বিলানে একমেবাধ্িতীয়ং এই স্বরূপ 





সপে শপ টিপিপি? এ পাপী পিপি শে শত ০০০ পপ শশা পিশিশীশশিাশীপিশশা 


এই পুকার অবস্থা সম্বন্ধে শান্ত আছে - এভিরতে গদয়-গ্স্থি ছিন্ন রব-দপা:। 
্ষীয়ন্তে চান্ত কর্মাণি তক্সিন দৃষ্টে পরাবরে |” . অর্থাৎ পরমান্থার স্বরূপ র্শনলাত হইলে, 
হদয়-গরস্থি[ প্রাণময় বিকুগ্রন্থি এবং দ্বিদলগ্থ কদ্র- রি _কেননা বোগশাস্ে আজ্সা-চক্রকে 
হৃদয় বলা হয় ] ভেদ হইয়া যায়; সাধকের র্বাবিধ মংশগের কারণ বা বীজ ছি হর এবং 


সমন্ত কর্ণ ক্ষয় হয় । 


পরমহংস ভাব ২৫১ 
ভাব সম্যাকরূপে উপলব্ধি করত পরমানন্দ প্রাপ্ত হইলেন এইরূপ 
সাধকেব স্বরূপ আনন্দ-প্রতিষ্ঠ। সুসম্পর হইল। 
তঃপর জীবনমক্ত সাধককে যদি সংসার-ঙীলায় পুন; প্রবেশ করিতে 
হয়। তবে তিনি উহা নিঃ সঙ্গ ও _নিজিপ্তভাবে সম্্ 'সাক্ষীরপে' শনি 
করিবেন-তখন মহামায়ার সংসার-লীলাটা সাধকের দৃষ্টিতে শক্তিময় 
রক্ষময় মাতৃময় ও পরমানন্দময় ভগবৎ লীলারূপে প্রতিভাত হইবে? 
এইরূপ অবস্থা প্রাপ্থ সাধক, প্রব্ঙ্গাশ্রমীই হউন, কিন্বা গৃহস্থাশ্রমীই 
হউন, তিনি হংস বা পরমহুংসতুল্য হন; তাহার মানব-জীবন লাভের 
চরম স্বার্থকতা হইয়! থাকে! পরিশেষে যখন, সাধকের স্থুল দেহষ্টার 
অবসান হর, তখন তিনি বিদেহ বা নির্বাণ মুক্িলাভ করেন; কিন্বা 
ভক্ক-জনোচিত লালোক্য ক সাধুজ্যাদি মুক্তিলাভ করত, ভগবান বা! 
ভগবতীর নিতালোকে নি স্লীলার় প্রবেশ করেন 11--(২৬২৭) 3 
'ততঃ প্রসশ্নমখিলং হতে তশ্মিন্‌ ছুরাত্মনি। রি 
জগৎ স্বাস্থ্যমতীবাপ নিন্দলঞ্চাভবন্নভঃ ॥২৮ | 
 উৎপাতমেঘাঃ সোক্কা যে প্রাগাসংস্তে শমং যযুঃ । 1 
 সরিতো! মার্গবাহিন্তস্তথাসংস্ত ত্র পাতিতে ॥ ২৯ | 
_ ততো দেবগণাঃ সব্ধে হর্নির্ভরমানসাঃ |" 
বভূবুমিহতে তশ্মিন্‌ গন্ধবর্বা ললিতং জগ; 1৩০ 
মবাদয়ংস্তথৈবান্যে ননৃতুশ্চাপ্সরোগণাঃ 
_ববুঃ পুণ্যান্তথা বাতাঃ স্ুপ্রভোহভুদ্দিবাকরঃ, ॥৩১ 


(৯ পা শনাপাশীপিপাীীীপিশিপিািপিপশিপিসপ্পাপ 
শিপ সদ পাশাপপপিপ্পিপপপিসপীপাপ পিপাসা পালটা 


ক্ংসার ত্যাগ করিয়া! বৃক্ষতলে বাঁদকে বিন প্রেযঙ্কর বা দৌভাগ্যহয় বলিয়া মনে করেন, 
হাব ত্যাগমপ্তি সাধন। অপেক্ষা, গৃহস্-আশ্রমে বাস করিযাও, ধিনি র্া্ক-শয়নকে 
মাতৃ-কোড়ে শয়ন বলিয়। অনুভব করিতে পারেন, ভাহার সাধনা অধিকতর সাফবাহিত 
বলিয়া গণ্য হইবে ! ইহাই চণ্তী-সাধনার নিগৃঢ তত্ব ও রহস্ত রঃ 





২৫২ | শ্রাশ্রীচণ্ডাতত্ব ও সাধন-রহত্য 


জঙ্বলুশ্চাগ্রয়ঃ শান্তাঃ শান্তদিগজনিতন্বনাঃ ॥৩২ 
ইতি নার্কগ্েরপুরাণে সাবমিকে মন্বন্তরে দেবী-মাহাত্যে শুভ বধে। 
নাম দশমোহধ্যায়ঃ | শ্লোকসংখা-২৭২ মন্ররং খা-৩২ 
সত্য বিবরণ। অনস্তর সেই দুরাম্ম নিহত ₹ইলে, অখিল জগং 
| প্র ও অতীর সুস্থ হইল এবং আকাশও নির্মল হইল ।২৮। শুস্ত নিহত 
হওয়ার পূর্বে যে নকল উত্কাবুক্ত মেঘ উৎপাত হৃচন| করিত, তাহারা 
: পৌমাভাব ধারণ করিল এবং নদীদমৃহ প্রকৃত পথে প্রবাহিত হইতে 
লাগিল ॥২৯॥ অনন্তর সেই দুরাত্মা নিহত হইলে, দেবগণ পরমানন্দিত 
হইলেন এবং গন্ধর্্গণ স্থবললিত গান করিতে লাগিলেন ॥৩ণা কতিপঃ 
গন্ধবর্ব বাদ্যধ্বনি করিতে লাগিলেন, অপ্গরাগণও নৃতা করিতে প্রবৃত্ত 
হইলেন, অল্গকূল বায়ু প্রবাহিত হইতে লাগিল এবং দিবাকর উজ্জল 
প্রভা ধারণ করিলেন ॥৩১। আহবনীগাদি অগ্রিপমৃহ নিধূ্ম বা উপাত- 
কৃচক-শবহীন্‌ হইয় শান্তভাবে প্রজ্ৰপিত হইলেন ॥৩২ 
তত্ব-স্থধা। এইরূপে জীবাত্বার ছুঃখ বা ছুগগতি চিরতরে 
উপশমিত হওয়ায় [__ইহাই মন্ত্রোক্ত আত্মনি (জীব-দেহে ) ছুঃ (দুঃখ 
হতে (নষ্টে)] সাধকের নিকট সমস্ত জগত মধুময় ও আনন্দময়রূপে 
প্রতিভাত হইতে লাগিল; তাহার নিজ ত্রিতাপজাল৷ উপশমিত-হওয়ায়, 
তিনি হন্ছ হইরা প্রশান্তভাব ধারণ করিলেন! সাধকের, লিুদ্ধ চিত্ত 
বা চিনাকাশ, কান-কাননাণি জনিত সর্বববিধ সংস্কার হইর্তেবিমুক্ত হওয়ায়, 
বিমরতায এবং তেক্জন্থিতায় উজ্জল হইয়া উঠিল! যেনকল দ্রশিবীরর 
দীপ্তি বা আন্গীরকভাব উদ্ধার মত উদ্দীপ্ত হইয়া, সাধকের অস্তঃ করণকে 
রিং ক্ষোভিত করিত, তাহা চিরতরে উপশম প্রাপ্ত হইল। অনন্থ 
কামনারূপ চঞ্চল মেঘরাণি রিদূরিত হওয়ায়, সৌধাভাব প্রতিষ্ঠা হইল। 
দেহস্থ ঈড়া পি্গলা যু! প্রভৃতি নাড়ীরগা 1 নরদীসমূহ বিশুদ্ধভ্বাবাপক 


সিদ্ধ অবস্থ। | | ৫৩ 
স্বাভাবিক ৪ পবিভ্রভাবে প্রবাহিত হইতে লাগিল। এইরূপে 
াখিপতি দেবগণও পুনরায় যথাযথ যজ্ঞভাগ পাইবার আশায় 
পরমানন্দে পুলকিত হইলেন। তখন সাধকের, বিশুদ্ক-দেহে অনাহত 
ধ্বনি, প্রণব-ধ্বনি এবং বিভিন্ন নাদের অভিবাক্তি কইতে লাগিল-_ইছাই ও 
াস্কোভ গন্র্্গণের সুললিত গান ও বাগ্য! এই অপূর্ব আবসথুয় সার্ক: 
দেহে অঙ্ক পুলক কষ্প প্রভৃতি সাঁত্বিক লক্ষণসমৃও প্রকাশ পিতে 
লাগিল-হাই অগ্গরারূপী শক্তিগণের নৃতা 1 এইরূপে সাথফের 
দ্হেস্থ পঞ্চবামু, প্রশাস্তভাবাপন্ন হইল, জুখাবহ ও স্বন্তিদায়ক নিঃশ্বাস: 
প্রশ্বাস বহিতে লাগিল এবং বাহিক জগতের বায়ুমগুলও মধুময়রূপে 
প্রতিভাত হইল । দেহস্থ প্রাণ ও চক্ষর অধিপতি দিবাকর, প্রশান্ত দিব্য 
জ্যোতি: বিকিরণ করত সাধকের অন্তজ্জগতে এবং বহিজ্জগতে 
চিদানন্দের বিকাশ করিলেন, দেহস্থ তেজরূপী বেশ্বানর এবং নাজ 
মগ্ডলের জটঠরাগ্রি প্রভৃতি বথাযোগ্যভাবে ক্রিয়াশীল হইলেন অর্থাং 
জঠরের ভোজ্য পরিপাকাদিরূপ অগ্রিধজ্ঞ,। মশিপুরের তেজতত্বময় 
কালাগ্রির কাঁধ্য এবং সাধকের অন্যান্ত তেজনয় কম্ম-যজ্ঞাদি, যথাবিধি, 
শান্থভাবে অনুষ্ঠিত হইতে লাগিল । এইরূপে সাধকের অম্ঙগলকারী 
শব্দমূহ প্রশান্ত হইল; অর্থাৎ বাহ-জগতের শব্দসমূহ যাহা! পূর্বে 
সাধনার বিদ্রূপে প্রতিভাত হইত, তাহা এক্ষণে বীণার. স্থমধুর, 
বঞ্কর বা গুপ্রনধ্বনিবৎ প্রতীয়মান হইতে লাগিল !সর্বববিধ শব্দ 
প্রবধবনিতে পধ্াবসিত হইল * 1] এইরূপে সাধকের, অন্তরে মাহি নী 


1 এট 


ভয়! 
১ (স্কি 
ঠক 









লিটল ] 
? 


: * বন্ধ বা সাধারণ জীবের পক্ষে -বহিষ্ঞগতের অনন্ত শব্দ এবং হুরসমূহ' যেন বে ৃ রি 
ব বিশৃঙ্লভীবে শব্ারমান বলিয়া প্রতিভাত হয়। কিন্তু তী-দাধক বখন'উন্ গা 
প্রাপ্ত হন, তখন তিনি অনুভব করেন _ বাহা-চশ্গতের এবং অন্তর্জগতের সমন" হা: 
শদসমূহ, সমন্তই হুশৃঙ্খলভাবে একই হুরে বীধা-: সমস্তই ধেন' একই ভাকষ্যে কে 





২৫৪ ্রী্ীচতী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


 অর্কত্ব সর্বভাবে আনন্বভাব স্থপ্রতিষ্ঠিত হওয়ায়, সাধক পরমানন্দ 
৷ প্রাপ্ত হইলেন। 
ৃ  ষোগিক ব্যাখ্যায়-_সাধক আজ্ঞাপদ্স্থ অস্থশ্চক্রে গুরুশক্তি রুদ্রাণীর 
: অহিত মিলিত হইয়া ততকপায শিবময়, হইলেন এবং নিরলন্বপুরী বা 
৷ কারব-সমৃতররূপ আনন্ধময় কোষ বা রুদ্র কেদে করিয়া সহম্ারে 
উপনীত হইলেন, ষট্চক্ররূপী কল্পতরু বা মহিমময় কুলবৃক্ষের যৃলটা 
 স্বলাধারে অবস্থিত; এ বৃক্ষের ডালপালাসমূহ, অন্তান্ত চক্রুরূপে 
« অভিবাক্ত; আর এ কল্প-পাদপের ছত্রবৎ স্থবৃহৎ অগ্রভাগই সহআজার-_ 
 উহাতেই সিদ্ধিরূপী ফল-ফুলাদি স্থশোভিত ॥ কিজ্ঞানী, কি কর্মী 
সা ঘোগী, কি ভক্ত, সকলের নিকটেই সহম্দল পন্মটা ইষ্-ধাম বা 
 নিতালোকন্বরূপ। এ বিষয়ে পূর্বেও কিঞ্চিৎ আভাস প্রদত্ত হইয়াছে। 
| সবীব-দেহে সহম্রাররূপী এই পরম স্থানকে, কেহ কেহ পরমপদ, কেহ বা 
ব্রহ্মপঘ, কেই বিষ্ুলোক বা বৈকুগ্ধধাম, কেহ নিতালোক বা গোলকধাম, 
কেহ শিবলোক বা কৈলাসধাম, কেহ কেহ প্রর্ৃতি-পুরুষস্থান, কেহবা 
পরমাত্মময় আননাবাম, গুরুধাম, আবার কেহ পরম ব্যোম্ক্ষেত্র ব। 
তুরীয়স্থানরূপে বর্ণনা করিয়া থাকেন। তত্বদশী 5 খই ক্ষেত্রের 


পিপিপি শাশশিসিসপিপপানাসসি 


ৰ 








বং নাদময প্রণব-ধ্বমিতে পর্ধাবসিত। তখন পরমায়জাবে বিভা এবং ভত্ম়তাপ্রাপ্ত 
সাধকের জীবদ-্বীণাতে বাস্-গগতের সমবেত এক্যতানবক্ত নিচ নাদ, 
প্াতিষ্বানিত ও প্রতিকম্পিত হইয়া, অপূর্ব মূর্চছনার বাতি করে| সেই অবস্থায় 
ধক কে মহামমূত্রের গ্ায় অনুভব করিতে খাঁকেন একদিকে কর্ম-প্রবাহরূগ 
গুতা ফলভানবৃকু উদ্বিধালার তালে তালে অপূর্ব নৃত্য-বিলাম, অপরদিকে মিশ্র 
মহাপারিথয় চি-বিজাদ _র্াৎ পরমানন্দের স্বরণ অভিব্যক্ষি || [ সমূজের টিবি 
উদ্ভান তরজময় অবস্থা, তিনিও 








সহত্রদল পদ্ম ২৫৫ 


পরমতত্ব ও মাহাস্মা অনেক প্রকারে বর্ণন] করিয়াছেন *| ছিদ্লস্থ 
_নিরালহপুরী ষেন আনন'মর কারণজলম্বরূপ, উহাতে যুন্না নাড়ীটা 
পল্মের মুনালদদৃশ। সেই মৃালের সহিত যুক্ত সহশ্রদল পদ্মটী যেন 
অক্ুল সাগরে ভালমান এবং স্বরূপ আনন্দে দোছুলামান ! বিবিধ. 
রঙ-বেরঙে চিত্রিত, এই মহাপস্মের পঞ্চাণটী দল, পর পর কুড়িস্তরে. . 
সসজ্ছিত। বর্ণমালার পঞ্চাপটী অক্ষর, _দৌিময়” “মাতৃকাবর্রপে 
সহম্র্থল পদ্নের প্রতি দলে বিরাজিত; এই মাতৃকা- বর্ণসমূহই যোগ্িনী, 
বা গোপিনীস্বরূপা | অর্থাৎ সহশ্রদল পদ্মের কুড়িটা স্তরের প্রতিন্তরে . 
পঞ্চাশটা ষোগিনী বা গোপিনী বিবিধ ভাব এবং অন্ুভাবে স্থুরপ্রিত ও. 
সথসজ্জিত হইয়া যুগপৎ এ্বরধ্য এবং মাধুর্য প্রকাশপূর্ববক যেন দপ্ডায়মানা | 
সর্ববোপরি পদ্মের কণিক মধে পরম শিব ও মহাশক্তির মহাসশ্মিলমে 
ভক্তগণের আনন্দ-বিলাস ! কিন্বা তথায় শ্রীরাস-মগ্ডলে শ্রীশ্রীরাধাকষণের,. 
নিত্-রাসলীলা! এই সহম্রারে মহাশক্তিময় বিসগ্থানে অমানাযী ' 
ষোড়শী চক্্কলা বিগ্ভমানা-__ইহাকে অমৃতধারা বা দিব্য কুলামৃত বলা 
হইয়া থাকে । এইরূপে ক্ষীবনুক্ত দিদ্ধলাধক সহশ্রদল পন্মস্থিত দিব্য 
সোম-ধারা পান করত  পরমানন্দ ও অযৃতত্ব লাভ করিয়া ধন্য ও. 
কুতার্থ হইলেন !! 
জীবের প্রাণরূপী রাধা কুগুলিনীশক্কির সহিত মিলিত রি 
অর্থাৎ তাহার শক্তিতে শক্তিমান হইয়া, ষটচক্রের প্রতি চক্র হইতে 
মাতৃকা-ব্ণরূগী বিভিন্ন তত্ব ও ভাবময় গোপিগণকে ক্রমে সঙ্গে করত, 
সহম্রারে পরমাত্মার সহিত অভিসারে প্রধাবিতা হইয়াছিলেন; এইক্সপে.. 
৬ শিলস্থান; শৈবা পরদ পুরুষং বৈকাবগণ। রীতি ্রাজ হরিহরপনং কেপে |. 
গদং দেব্যা জেবীচরণবুগবান্ারদিক।, মুনীন্রা অপান্জে রস্ৃিপূরস্থারমমলং-টতকর | 
নিকপণম্‌। ; এরা ৮০০৭২ উই ০১ বত ক পপ 








২৫৬ রীত্রীচগী-তব ও সাধম-রহস্য 


তিনি রি, যনোনর কোষে ক্রমে টীনীত হন। তংপর বিজ্ঞান 
ময় ও আনন্দময়-কোষকপী কারণ-জল সমন্বিত মন্তাসমুদ্র, কিবা শূন্যময় 
নিরালঙ্পুরী অতিক্রম করত, সংঘবদ্ধ গোপিগণসহ, বিরহিণী প্রাণময়ী 
ও শক্তিময়ী রাধারাণী, পরমাত্মা বা পরম পত্তির সহিত মহামিলন 
করিলেন! অর্থাৎ কুদ্রগ্রন্থিগকণ ছুস্তর পুরী বা মায়া-পারাবার পার 
হওয়ায়, সাধকরপী রাধা বা শক্তিমর জীবাত্বা বিশুদ্ধ হইয়া, ষট্চক্র 
ভেদ করত, পরমাত্। শ্রী রষ্চ বা পরম শিবের সহিত মিলিত হইয়াছেন ! 

_ রাধাকৃ্ণ বা শিব-শক্তির শিণনে, সংস্রারে সন্মিলিত গোপিগণ 
বা যোগিনিগণ সহশ্র দলে বিরাজিত থাকিদা, আজ প্রেমাদন্দে, নু 
পরাণ! 11 ইহাই মস্োক্তির তাংপধা--€ *৮-৩২ ) ০ 
5 এক্ষণে সাপকশ্রেষ্ঠ শুভতের মাতৃ-পৃজাটী একবার অতি সংক্ষেপে & 
অথাবন করিলে, নেখ। যাইবে যে, কি কুন্দররূপে সমস্ত তত্ব ক্রমে 
লয় হই, পরিশেষে আত্মন্বরপণাতে স্থসমাধান হইয়াছে! পৃজার 
প্রথমেই শত শত শর বর্ষণদারা পরিচ্ছিন্ন বন্তমুখী আনন্দ বিলাসযুকত 
রলম ভাবরাশি একমুখী করিরা মাড়-চরংণ বিলয় করা হইয়াছে । 
তৎপর ধন্ুকরূপ আকাশতৰ লয়; অন্ত ঃপন ক্তিন্ূপ বাযুততব লর; 
তৎপর খড়ীরূপ তেজতত লয়; ক্রমে চর্ম পিবীতর লয়। এইরূপে 
দেহের পঞ্চ-মহাভুত ব: অন্নময়ংকোষ লয় করার পর, ইন্দিয়াদি 
( অশ্ব) সহ, মন ( সারখি ) লয় অর্থা শ্রাণময় ও মনোময় কোষ- 
লয়) তৎপর বুদ্ধি (মৃগ্দর) লর, অথাং জ্ঞানময়-কোষ লয়; 
বসা বিজ্ঞানময় কোষে বিশুদ্ধ-ভাবাপন্ন সুক্ষ অং বা অন্মিতা লয় 
ধাঁ িজ্ভামময়-কোষ বিল! অতঃপর গিরালঙ্গপুরে বা আনগ্দময় 


কোনে মহাসরশ্বতীর সহিত আননদ-বিলাসঘার। কারণবীন্গসমূহ লয় এবং 
বিশিষ্ট আনন্দ উপভোগাস্থে উহা | মাতৃঅঙ্গে বিল অর্থাৎ আনন্দময় কোষ 

















যুক্তি... , ০ ৫ 
বিলম। পরিশেষে হাত ষ-ঘুক্ক রা জীবস্মার সহিত পরমাণ্মার 


মহামিলন॥ এইবপে উত্তম-চরিত্রের যদ্ধনীলারপ অপুর্ব রা 


রহ অস্থরগপের অধাবসার এবং সর্বত্যাগীভাবসমূহ, সাধক-মীবনের 
প্রেখানন্দ-দীপ্ত অতুযুজ্জল আদর্শস্বরূপ!! 


হে সোপদরতুল্য প্রাণ-প্রতিম বিশ্ববাসী ভ্রাতী-ভগ্নিগণ ! তোমরা 
দেবী-যুদ্ধের এই গৃঢ়লীলা-চাতুবামর শহাপূজানূপ অমুতোপম সাধন-রহস্য 
নিজ নিজ ব্যক্তিগত জীধনে প্রতিকপিত করিয়া! ধন্য ও কৃতার্থ হইতে 
চেষ্টা কর। প্রথম চরিত্রে গন্মনী মায়ের নিতা] সংঘুত্তির বিকাশ 
দেখি বয়াছঃ অতঃপর মধ্যম চরিত্রে প্রাণ ও জ্ঞান প্রতিষ্ঠাদ্ধার 
চিন্নী মায়ের সর্বান্তধ্যামিনী বূপটী দর্শন এবং উপলদ্ধি করিগ্নাছ 
: এইবার মায়ের সর্ববিমোহন (প্রমানন্দের বূপটা আস্বাদন করিতে চেষ্টা 
কর--এইরূপে অন্তরে বাহিরে, সর্বস্ৃতে সর্বত্র আনান্দর অভিব্যক্তি, | 
দর্শন ও আস্বাদন করিয়া ধন্য হও !__ আনন্দ হইতেই জীব-জগত জাত, মাঃ 
আনন্দেতেই পরিধৃত পরিপালি এবং পরিপুষ্ট, আবার আননস্বরূপ 
মহাকালের ক্রোড়েই জীব-জগত সমন্ত বিম বা লয়প্রাপ্ত ! জীবন তোমা- 
বিগকে আনন্দে ব।চাইছেচ।ঘ ! মরণ তোমাদিগকে আনন্দে খা আলিঙ্কন- 
পাশে আবদ্ধ করিবার জন্য বাস্ত ।-চতুদ্দিকেই কেন আনন্দের ছড়া- 
ছড়ি, আনন্দের কোলাহল ! আনন্দব্যতীত জীব-»গতের কেহই এক 
নুৃর্ভও বাঁচিতে চায়না! তোমরা কি সেই অমৃতদয় আনন্দন্গরূপের 
সন্ধান লইবে না? জীবনের অভিমান ঘুচাইয়া কি পরমাম্মভাবে 
বিভাবিত হইবে না? উঠ জাগ, প্রাপা বর লাভ করিতে চেষ্টা কর। 
এস সাধক, এস স্থধি! আমরা সেই নিত্যানন্দমমী জগন্বাতার জান- 
প্রদীপ্ত প্রেমাভিষিক্ত অভয় শ্রচরণ-সরোজে সানন্দে প্রণিপাত করত». 
্রহ্মানন্দে মা-_মা৷ বলিয়া আত্মহারা হই 1- জয় যা আনন্দময় 11. 


২৫৮ শ্রীশ্রীচণ্তী-তত্ব ও সাধন-রহস্থয 
$ নমশ্চ্ডিকায়ে | 


যা চণ্ডী মধু-কৈটভাদি দলনী যা মহিযোন্ম.লিনী, 
... যা ধূত্রেক্ষণ-চণ্-মুণ্ডমথনী যা রক্তবীজাশনী । 

_ ষাচ শুস্ত-নিশ্তস্ত দৈত্যদমনী যা সিদ্ধিলক্মীঃ পরা, 
স! দেবী নবকোটিমৃন্তিসহিতা মাং পাতু বিশ্বেশ্বরী ॥ 





উল্শুস্ম চন্ল্িভ্ 
একাদশ অধ্যায়__নারায়ণী স্বৃতি 


শিল্পা ১৮৫৫৯পীটিতটিশিলিশী 


খষিরুবাচ ॥১ 


দেব্যা হতে তত্র মহাকুবেল্ে 
সেল্দ্রাঃ সুরা ব্পু গিয়া 
কাত্যার়নীং তুষ্টবুরিষ্টলস্তাদ লন 
| বিকাসিবক্ঞাস্ত 2প।|সিভাণ।;॥২ 
_. ত্য বিবরণ। খধি কহিলেন-যুদ্ধে ব্রেবীকর্তৃক মহাজুর।শিপত্তি 
শুস্ত নিহত হইলে, বহ্িপ্রমুখ ইন্দ্রাদি ব্ব্গেএ স্ব স্ব অভীষ্ট ল|ভহেতু 
পূর্ণমনোরথ হইয়া প্রদু্নবদনে দিউন৪ উদ্ভামিত করত, কাত্যারনীকে 
স্তর করিতে লাগিলেন,। 1 আশাশ দিন 21২ 


সাতৃ স্তব ও ২৫৯ 

তত্বস্ধা। শ্রতিমতে অগ্নিই দেবতাগণের মুখন্বরূপ) এজস্ত 
 অগ্মিকে পুরোগামী করিয়! দেবগণের গুব; এতছাতীত "মগ্নি, বাগিজ্িয়ের 
অধিপতি, স্থৃতরাং বাক্যময় স্তবে, অধিপতি দেবতাকে সম্মুখে রাখা 
স্বাভাবিক ও স্থশোভন। সত্তবগ্রণপ্রধান দেবগন রজঃ ও তমোগুণের 
বিশিষ্ট গ্রভাব হইতে বিমুক্ত হওয়ায়, এক্ষণে উজ্জল গ্রাভায় চতুদ্দিক 
উদ্তাসিত করিয়া পরমানন্দে স্তবপরায়ণ হইলেন। সাধক যখন মাতৃ 
কুপায়, কাম ক্রোধের সর্ববিধ প্রভাব হইতে বিমুক্ত হইয়া! বিশুদ্ব- 
ভাবাপন্ন হন, তখন শ্রীগ্ুরুতে বা ইষ্ট দেব-দ্রেবীতে কৃতজ্ঞতাময় 
অর্পণ করিয়া থাকেন-ইহাও  ভ্তবস্বূপ। বিশেষতঃ এখানে 
ইন্জিয়াধিপতি দেবগণ পুনরায় ন্ব স্বযজ্ঞভাগ গ্রহণের অধিকার প্রাণ 
হওয়ায়, তাহারা আনন্দে পুলকিত হইয়া স্তবোশ্বুখী হইয়াছেন_ ইহাই 
তাখ্পধ্য। 


[ ভ্তব-মন্ত্ সমূহের অন্ুবাদ_ও শব্দানুগত ব্যাখা, এখানে 
স্বাকারে পর পর প্রদত্ত হইল; এতদ্বাতীত বিশিষ্ট তাৎপর্ধা, স্কোক 
ব্যাখ্যার পর বন্ধনী মধ্যে প্রদত্ত হইল ]। 


| দেবগণের স্ব ও প্রণাম] 

দেবী প্রপন্নান্তিহরে প্রসীদ প্রসীদ মা তচগ।হখিলস্তয | 

প্রসীদ-বিশ্বেশ্বরি পাহি বিশ্বং ত্বনীশ্বরী দেবি চরাচরস্তা ॥৩ 

হে দেবি! হে শরণাগত-ভক্ত-ছুঃখ-বিনাশিনি ! তুমি গ্রসয়। 
হও) হে অখিল জগজ্জননি ! তুমি প্রন্না হও) হে বিশ্বেশ্বরি! তৃমি 
প্রসন্া 5৪; হে দেবি! তুমি চরাচরের অধীশ্বরী, [ অতএব ] এই বিশ্ব 
রক্ষা কর 1৩1 হেবিশ্ব-জনমি। তুমি শরণাগত ভন্কের র্বিধ দুখে - 
নাশ করিয়া থাক। হে দেবি! তুমি অস্থর ভাবকে হিংসা করিয়। 
থাক, তাই তৃমি হিংসনকর্রী তীঁমসী দ্েবীরূপে আবিভূর্তী হু: 


| ৬, শ্রীশ্রীচী-তত্ব ও সাধন-রহস্ 


[দেবী শবের এক অর্থ হিংসনকন্ত্রী]। তুমিই গুপন্ন ভক্তের ছুঃখ- 
হরকারী সান্বিকী মৃতিতে প্রকাশিত হইয়া! থাক; অখিল জগতের 
বান্ুূপে তোমারি সথগ্টি-কারিণী রাজশী মৃত্তির বিকাশ; আর তোমার 
 বিশ্বেশ্বরী মৃত্তিটা ত্রিগুণের সমন্বয়রূপা মূলা প্রকৃতি বা মহামায়া! অতএব 
হে ভ্রিগুণময়ি ও ত্রিগুণাতীতা মা! তুমি কুপাপূর্ববক বিশ্বের ধ্বংসমূখী 
প্রগতি নষ্ট করিয়া শাস্তি ও আনন্দ প্রতিষ্ঠা কর এবং তৎসহ আমাদেরও 
সর্ধবাপীন মঙ্গল বিধান কর।--(৩) 
আধারভূত। জগতত্মেক! মহীন্বরূপেণ যতঃ স্থিতাসি। 
অপাং স্বরূপস্থিতয়া তবয়ৈত-দাপ্যাফ্যতে কৃৎস্বমলজব্যবীধ্যে॥ ৪ 
হে অগ্রতিহত্প্রভাবে ! একমাত্র তুমিই জগতের আধাররূপ।। 
কারণ তুমি মহীব্মপে অবস্থান করিতেছ। তুমিই জলরূপে অবস্থান 
করিয়া সমগ্র জগতকে আপাগিত বা আনন্দিত করিতেছ ॥8॥ তে 
পৃথিবীরূপা জগচ্গণনি ! তুমি মাটা বা মা-টীরূপে জীব-জগতের 
নকলকে ধারণ করিরা রহিরাছ; আবার তোমারই দেহজাত রসদ্ধারা 
, পুিপ্রা্ ভোজ। ভ্রব্যাদিদ্ারা তুমিই যথাযথভাবে সকলকে তুষ্ট ও পুষ্ট 
কঁরির! পরিপালন করিতেছ। হে ছুগ্ধদ্বারা জগতের সর্বশ্রেষ্ঠ ভোজ্যবস্থ 
প্রস্তুত হয়, তাহার আশ্রয়ন্বরূপ গবাদিও তোমারই রস-পুষ্ট আহাধা 
গ্রহণ করিয়াই পরিপুষ্টি লাভ করে এবং নেই রদ ভূক্ত ড্রবোর 
পরিণতিই, অমুতোপম দুগ্ধ । হে মহীরূপিণি জগগ্ধাত্রি মা। এইরূপে 
বিচার করিলে দেখা যাইবে যে, একমাত্র তোমারই করুণাতে জীব-জগং 
, ধৃত সন্ভীবিভ এবং পরিপুষ্ট। আবার জীব-সৃষ্টিকারী বীজ ও পালনকারী 
বীজমৃহ ও তুমিই প্রতাক্ষে বা পরোক্ষে ধারণ ও পোষণ করিয়! থাক। 
হে মাত! তোয়ার জলময়ী করুণা- ৃত্তিও তোমাতেই ধৃত ও. 
পরিধান হে সর্ধ্ঘ হিতিষিণি জলরূপা নারাযণি!। তোমার করুণা ও 


জল দেবী ২৬১ 


আনন্প-ধারা বিশ্বময় উৎসারিত। তুমিই বিরাট মৃত্তিতে সমুর্র-জলরূপে 
জীব-জগতের_মহোপকার সাধন করিতেছ। কেননা আতপ-তাঁপে 
তাপিত হইয়াই সমুদ্র-জল বাপ্পাকারে উর্দে উিত হইয়া মেঘরূপে 
পরিণত হয়। এইরূপে বিভিন্ন প্রকারে অবস্থিত জল মধো, তুমি 
জলচর প্রাণীগণকেও আশ্রয় দানে পরিপুষ্ট করিয়া থাক। হে প্রাণময়ি 
নারায়ণি মা! তুমিই তড়াগ ঝ। কুপোদকরূপে যেখানে সেখানে অবস্থান 
করত, সকলের পক্ষে স্থল হইয়। জীবকে তৃপ্তি দান করিতেছ। 
আবার আধ্যাত্মিক জগতেও তুমি নিম্মল স্চ্ছ দিব্যভাব ব1 আনন-ন্থধা 
দ্বার সাধকগশকে পরিতৃপ্ধ করিয়| থাক । এইরূপে হে করুণাময়ি মা! 
তুমি জীব-জগতের অন্তরে বাহিরে রস-ধার! বাঁ আনন্দ-প্রবাহরূপে 
বিরাজিত থাকিয়া সকলকে অভিষিক্ত করিতেছ!-_তোমার অনন্ত 
মহিমা ও ভাব কেহ বর্ণনা বা প্রকাশ করিতে পারে না, তাই তোমার 
শক্তি ও বীর্য অলঙ্ঘনীয়। 
ত্বং বৈষ্ণবীশক্তিরনস্তবী্য] বিশ্বস্য বীজং পরমাসি মায়া 
ংমৌহিতং দেবি সমস্তমেতৎ 
ত্বং বৈ প্রসন্না ভূবি মুক্তিহেতুঃ ॥৫ 
হে দেবি! তুমি অসীম নীর্দাশালিনী বৈষ্কবী-শক্তি, তুমিই বিশ্বের 
বীজ বা কারণস্বরূপ পরমা মহামায়া; তুমিই এই বিশ্ব-চরাচর শ্বীয় 
অমীম ক্ষমতাবলে সম্মোহিত করিয়া রাখ, আবার তুমিই জীবের প্রতি 
গ্রসন্না হইলে, সংসার-বদ্ধন হইতে তাহাকে মোচন করত মুক্তি প্রদান 
করিয়া থাক ॥৫| হে মহাশক্তিরূপিণি মহামায়৷ মা। তুমি সত্বগুপময়ী 
বৈষ্ণবী-শক্তিরূপে জীব-জগত পরিপালন করিয়া থাক তুমিই রজো- 
গুণমী মৃদ্তিতে বিশব-্থ্টির বীজসমূহ ধারণ কর) আবার তুমিই তাঁঘদী 
অনন্ত বীর্ধাময়ী মৃত্তিতে জীব-জগত সন্মোহিত করিয়া থাক! অইরগে 


ডি | শ্রীশ্রীচণ্ী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


অরিমৃর্ভিরূপা পরম। মহামায়ারপেও একমাত্র তুমিই বিশ্ব-্রঙ্মাণ্ডের সর্ধন্র, 
অধিষ্টিতা। হেমাতঃ! তোমার এই শ্রেষ্ঠা মহামায়া মৃত্তিতে ছুইটী 
পরষ্পর বিরোধী ভাব আঙ্িত ও লীলাগফ্িত।--এক লীলাতে তু 
বিশ্বের প্রত্যেক বস্ত বা জীবকে বন্ধনে আবদ্ধ করিরা সম্যক্রূপে মোভিত 
করিতেছ; আর, অপর লীলাদ্বারা তুমিই প্রসন্না হইয়া জীবকে মুক্তি 
প্রদানে ধন্ত করিতেছ (৫) 
বিছ্যাঃ সমস্তাস্তব দেবি ভেদা; স্ত্িয়ঃ সমস্তা; সকলা জগংস্ু। 
ত্বয়ৈকয়া পৃরিতমন্বয়ৈতৎ কা তে স্তৃতিঃ স্তব্যপরা পরোক্তিঃ ॥৬ 
_ সর্বভূতা যদা দেবী সবগমুক্তিপ্রদায়িনী। 
বং স্তুত! স্ততয়ে কা বা ভবন্ত পরমোক্তয়ঃ ॥৭ 
হে দেবি' সমস্ত বিদ্যা, জগতের সমস্ত স্ত্রী বা নারিগণ, সকলেই 
তোমার অংশন্বরূপা [কিন্বা সমস্ত বিদ্যা এবং কলাসমন্বিতা জগতের 
সমস্ত নারিগণ তোমারই অংশরূপ] ]; একমাত্র অদ্বিতীয়! জগজ্জননী- 
দ্বারাই এই বিশ্ব-ব্হ্ধাও পরিপূর্ণ বা পরিবাণ্র হইয়া রহিয়াছে অভ্র 
হে স্তবাতীতা 1* শ্রে্ উক্তিদ্বারা তোমাকে কিরূপে স্তব করা সম্ভব? 
॥৬| হে দ্বেবি! যখন তুখি সর্বভূত। অর্থাৎ সব্ধস্বরূপ| কি ব্্স্বর্রপিণী 
* এবং স্বর্গ ও মুক্তি প্রদারিনী, তখন তোমার স্তব করিতে আরম্ভ করিলে, 
কোন পরম উক্তি বা স্থতি-বাকাদারা৷ তোমার স্বরূপ-বর্ণনা সম্ভবপর 
হইবে? অর্থাৎ যেখানে দেবীই সর্বস্ব-রূপা সেখানে জ্মারকের এবং 
পৃথক্‌ স্বতি-বাক্যের অভাবহেতু, কোনপ্রকার স্তব করাঈ সম্ভব নহে! 
| ইহাই ভানার্থ ] ॥৭॥ হে মহাবিগ্ারূপিণি জগঞ্জননি | বেদাদি 
অষ্টাদশ বিদ্যা * কিনা ত্রন্মবিদ্যা, শ্তিবিষ্ঠা, আত্ম-বিদ্যা, গুহ্-বিদ্যা, 


শপশপশপপিকজিশ পাক পপ খপ 


৯ ভাগবত বতে বা টপ হখ_চারিকো হত কো শীলা ও হাদি 


দর্শন শান, পুরাখাদি। ( উপনিষদাদি ) ধর্মশীল্প, আয়ুর্বেদ, ধনুর, গাক্ধবধ্য-বো, এব 
অর্থ-শান্। 


দেবীর অংশ | ২৬৩ 


তত-বিষ্যা, গান্ধররয-বিষ্যা ধন্থবিবগ্যা এবং আম্মবিবগ্। প্রভৃতি বিছ্যানমূহ 
তোমারই অংশরপা মৃদ্তিবিশেষ ; সথষ্ি-স্থিতি-লয়াত্মিকা পরম কলা বা 
বিদ্যা-সমস্বিতা ব্রঙ্গাণীপ্রমুখ নবশক্তিগণও তোমারই অংশভেদ মাত্র! 
জগতের নারী-শক্তি সমূহ তোমারই অংশমৃর্ঠিরূপা । অর্থাৎ 
সকলেই তোমারই কলা ব| অংশসহ বিরাজিত1 । জাগতিক পাতিত্রত্যাদদি 
দ্রীধন্মী এবং চৌধট্রি কলাও তোমারই ভেদ বা অংশভূতা। হে. 
বিশ্বকূপিণি জননি! তুমিই স্বগত-স্বগাতীন- শিঙ্গাত্ীন হদরহি। 
আদ্ধিতীরা৷ জগদস্বা মৃদ্তিতে অনন্ত কোটি ব্রঙ্গাণ্ডে পরিব্যাপ্ত হ্‌ইরা 
পরিপূর্ণরূপে বিরাজমানা! এই অবস্থায় দ্বিতীয় খস্তর অভাবহেতু, 
কে তোমার স্তব ধা পূজ| করিবে ?--আর এই অবস্থায় পরাপর শ্রেষ্ঠ 
ব। প্রশংসনীয় উক্তি সম্থলিত স্তবই বা কিরূপে সম্ভব! কেননা স্তব- 
স্থতিরপেও যে তোমারই বাক্যাময় বা প্রণবনয় নিত্য অভিব্যক্তি 1-(৩) 

হে বিশ্বাত্মিকা বিশ্বরূপা সর্ব-রূপিণি মা! তুমি বিশব-ঙ্কাণডের, 
সর্ধবস্ববূপে অবস্থিত; তুমি খর্গঘুক্তিপ্রদা, এজন্য স্বগকামী ও 
মোক্ষকামীগণ সততই তোমাকে কোন না কোনরূপে স্তব করিয়া 
থাকেন; হে ব্রহ্ম! এইরূপে তুমি অদ্বিতীয়াহেতু, স্তবাদি দ্বিতীয় 
বস্তর নিতান্তই অভাব; বিশেষতঃ স্তবদ্ধারা যা কিছু বর্ণনা করা যাইবে, 
তদ্ধার৷ তোমার পরম ভাবের কিছুমাত্রও প্রকাশ করা সম্ভবপর হইবেনা। 
কারণ, তোমার স্বরূপ একমাত্র তুমিই জান--অংশভূতা হেতু, অন্ত কেহই 
তোমাকে জানিতে পারে না; এজন্য তুমি স্তব-স্তুতির পরপারে অবস্থিতা 
বা স্তভবাতীতা ! স্বতরাং প্রকৃতপক্ষে তোমার স্ভব একেবারেই 
অসম্ভব ।--(*) 


সর্ববস্তয বুদ্ধিবূপেণ জনস্য হাদি সংস্থিতে। | 
স্বর্গাপবর্গদে দেবি নারায়ণি নমোইস্তব তে ॥৮ 


টু? চীন ও সাধনা 


_কলাকাষ্ঠাদিরূপেণ পরিণাম প্রদায়িনি | 

বিশ্বস্তোপরতৌ শক্তে নারায়ণি নমোহস্ত. তে ॥৯ 

হে দেবি নারায়ণি! তুমি প্রাশিমান্রেরই হৃদয়ে বুদ্ধিরূপে অবস্থান 
করিতেছ, তুমি স্বর্গ ও মোক্ষদায়িনী; তোমাকে নমস্কার করি ॥৮| তুমি 
কলা কাঠা প্রভৃতি কালরূপে জগতের পরিণাম বা রূপান্তর বিধান 
করিতেছ। তুমিই এই বিশ্বের সংহারকারিণী শক্তি, তুমি নারায়ণা 
_ তোমাকে প্রণাম ॥৯॥ হে ভোগ-মোক্ষদায়িনি ী'রূপিণি নারাফণি 
যে নিশ্চয়াক্িকা বৃদ্ধিদ্ধার৷ মানবগণ বিষয়ভোগ করে, কিবা তোমার 
শরণাগত হইয়া ভোগ (ম্বর্গ *) ব! অপবর্গ (মুক্তি) লাভ করে, 
তুমিই সেই ধী বাবৃদ্ধিরূপাঁঁ_সেই বুদ্ধি বিশুদ্ধ বা নিম্মল হইলেই, ভুমি 
তাহাতে সত্বগ্রণপ্রধানা নারারণীরূপে প্রকাশিত হও। বিশেষতঃ 
স্থরাস্থুর নর সকলেই তোমাকে আশ্রয় করিয়াই ধুত পরিপালিত 
পরিপুষ্ট তাই তুমি অনন্তবীধ্য। বৈষ্ণবী-শক্তি নারারণী। [নাসা 
জীবনমৃহস্ত আক্নী জননীব আশ্রয়ভৃতা ইতি 
তত্বসমূহম্‌ অয়তে আশ্রয়তি প্রেরয়তি বা ইতি নারায়ণঃ ণ তক্ছক্তিঃ 
নারায়ণী। অথবা নারায়ণন্ত বিষ্চোঃ শক্তিন' রায় রী 1176 

















*্ ইহলোকের নখ-ভৌগাদি যেমন নশ্বর, সেইরূপ কর্মদ্বার! লন্ধ শবগন্গখ-ভোগাদিও 


নশ্বর : কেননা যাহার উৎপত্তি হয়, তাহ! অবধিন্খর হইতে পাছে নাত এজন্য উহার 
বিনাশও অশস্থষ্ভাবী! তবে পারত্রিক শগন্ুখাদি দী্বকাল- রি এক কল্পকাল পথ্য 
স্থায়ী হইতে পারে । 


+ কাহারও মতে, নারায়ণ ও কৃষ্ণে পার্থক্য_ ্ব্যময় নাগায়ণে সান ন্বিভাব 
তির বথা- শান্ত দান্ত ও সখাভাবের অদ্ধণংশ (অর্থাৎ 'স্রম' সখ্য )। রাঙ্গা বা 
বড়লোকের বন্ধু, খেলার সাথী হন, কিন্বা মোসাহেবী ব! চাটুকারী করেন বে, 7 কন্ধ 
বুকে নি কাধে চড়ান না; কিন্বা উচ্ছিষ্ট ভোঞ্জনাদি দ্বারা সাধারণতঃ অভেদ তাঁনও 





কান গলয় 78,388 


হে কাল-শকতিকপিণি নারায়ণি! তষিই অখণ্ড  কালরূপে নি স্থির 
ও নিতা-শিখ-রদ্ধাণডেল প্রলয় সাধন করিয্নাও তৃমি পূর্ণকূপেই অবশিষ্ট 
-থাক। আবার কালের পরিচ্ছেদরূপে অর্থাৎ পরিচ্ছন্ন কালপক্তিরূপে 
কল্প যুগ, বদর, অয়ন, মাঁস, পঞ্চ, অতোরাত্রি, দণ্ড পল বিপল, কল। 
কাষ্ঠা নিমেষ প্রভৃতি খগ্ু-বিখগুভাবে অবস্থিতি করিয়া, তুমিই 
জীব-জগতের নিরত পরিবর্তন বা পরিণাম সাধন করিতেছি! ভে 
কালরূপিণি মা! এইরূপে জীব-জগতের উপরতি অর্থাৎ মৃত্যু বা 
প্রলয়রূপী শেষ পরিণামও তুমিই আবহমান কাল হইতে,সতত সংঘটন 
করির়া আসিতেছ-তুমি ব্রঙ্গা-বিষ্ট-মহেশ্বরেরও প্রলয় বা সংহরণকত্রা 
তোমাকে কায়মনোবাক্ে নমস্কার করি। হে প্রলয়ঙ্করি মৃত্যুরূপিণি 
মা! তোমার এই সংশার, মৃত্যুর লীলাভূমি--একটা ক্ষুদ্র কীটও 
ক্রমান্বয়ে মৃত্যুর মর্গলময় স্তরসমূহ পর পর অতিক্রম করত, একদিন 
্রাঙ্মীস্থিতি লাভ করিবে বা দুক্ত হইবে । তোমার মৃত্যুূপী লীলা 
বিনাশ নহে--উহ। বিকাশের ব| ভ্রমোমতির পূর্বরাগমান্র ! মরণের 
কোলেই নব জীবন লীলাধিত !_ নব নিশ্মিত দেহটা পূর্ণতপ্রাঞ্ত হইলেই, 
পূর্বব দেহটী ত্যাগ ভইয়া থাকে; তাই গীতাতেও ভগবানরূপে তুমি 
বণিয়াছ_জীপবনথ পরিত্যাগ: করত, নববস্ত্র পরিধান করাই মৃত্যু। 











করেন না: একগ্ত উহাকে 'সম্রম' সখ্য বলা হয় । আর শ্রীকৃষ্ণের সখ্যভাব - কাধে করা 
কাঁধে চড়া, সর্বতোভাবে প্রাণে প্রাণে মিশাসিশি,। সন্ত্রশূন্ত অভেদ বা একা্ম-ভাব ! - 
তার্ই এবিধ সথ্যভাবের নাম -বিশরন্ত (প্রণয় ও কেলিযুক্ত সখ্য)। এইপ্রকার 
অভেদাঝুক সখাযভাব কিম্বা যশোদ। মায়ের মত বাৎসলাভার, অথবা শ্রীরাধার স্ভায় 
মধুর ভাবাপন্্ বা মাধুধ্যময় লীলা, নারায়ণ কাহাগও সহিত প্রকাশ করেন নাই এজন্য 
পঞ্চ মহাভাবের শবধ্যাংশমাত্র ষ্ঠাহাতে বিকশিত! আর প্রীকৃষে পরশধধ্যাংশ সান িতাব 
এবং 5০ সান্ধদ্ধিভাব, মোট পঞ্চ মহণভীবই স্ববিকশিত || | 


২৬৬ শ্রীশ্ীচ গী-তত্ব ও সাধন-রহস্ত 


 স্বীজট মরি | অধুরক্ধপে বিকশিত হয়, ফুটা মরিয়া ফলে পরিণত হয়, 
রঃ শিশিরবিন্দুসমূহ ক্ষণিক উজ্জল হীরকজ্যোতি: (বিকাশপূর্্বক আতগ 
১. তাপে মরিয়া যায়; অর্থাৎ প্রক্কতির শ্যামল অঙ্গ স্গিগ্ক করত, তাহারা 
_বিলয় হয় কিছ্বা বাম্পাকারে মাকাশে চলিয়া যায়। এইরূপে 
জীব-দেহের মৃত্যুও বিস্তৃতি, পরিশতি, এবং পততপ্রাপ্তি । কিবা 


ক্রমোন্নতিন্ববূপ! হে গ্রলয়রূপিণি মা! এইভাবে চিরস্তন প্রমরুতিক 
নিয়মে, কশ্ব-ক্লান্ত দিবস, রজনীর শান্তিময় দেহে বিলয় হইয়| বিশ্রামানন্দ 
লাভ করে; আর রজনীর মৃত্যুতে উষার রক্তিম রাগ, হ্থরঞ্িত হইয়। 
উদ্ভাসিত হয়--অতঃপর দিবসের ক্রম-অভ্াদয়ে প্রকৃতিদেবী, শব্দে স্পর্শে 
রূপে রসে গন্ধে ভরপুর হইরা চতুর্দিক আহাদিত ও আমোদিত 
করত, যেন ঢল ঢল ভাব প্রকাশ করেন। আবার কল্লান্তে, দিবসের 
আলো এবং রজনীর অন্ধকারও মহাশৃন্তে বা ত্রন্জানন্দে বিলীন হইয়া 
'যায়। ম্ৃত্যুরূপী হরের কোলেই প্রেঘানন্দমরী গৌরি অধিষ্ঠিত। ! 
স্তরাং মরহঠোের কোলেই প্রত জীবন !--মরণরূপ যবনিকার পরপারেই 
অম্বতসিন্ধু অবস্থিত! বিশেষতঃ সাধকের পক্ষে, সচ্চিদানন্দমযী 
মাতৃ-ক্রোড়ে বা স্বস্বরূপে অধিষ্ঠিত হইতে হইলে, মৃত্যুই যে অমৃতময় 
টির তাই প্রসিদ্ধ কবি, মৃত্যুকে লক্ষ করিয়! বলিয়াছেন-_ 

ওহে স্ৃত্যু! ুভলগ্নে, বরবেশে আসি মোর হস্ত ধরি নিও। রক্তিম 
অধরে মোর, নিবিড় চুষ্বনদানে পাণডু করি কবি? অতএব হে 
কল্যাণময়ি মা! তোমার মঙ্গলপ্রদ প্রলয়রূপী ৃত্মষ্ঠিকে পুনঃ পুনঃ 
নমস্কার । .[ দেহতত্ববিদ্গণ বলেন থে, প্রতি সাত বৎসরে জীব-দ্েহের 
সমস্ত পরমাণুগুলি পরিবভিত হইয়! যায়-_স্থতরাং উহাও দেহের 
ৃত্য্বক্ূপ ]| [অষ্টাদশ নিমেষ-এক কাঠা; ভ্রিংশৎ কাঠাল 
এক কলা 11--৬৯) | 








 সর্বমঙগলমঙ্গল্যে শিবে সর্ববার্থসাধিকে | টে ১ 

- শরণ্যেত্রস্বকে গৌরি নারায়নি নমোহস্ব তে ১৯: 

_ ্ব্টিস্থিতিবিনাশানাং শক্তিভূতে সনাতনি। 

_- গ্ণাশ্রয়ে গুণময়ে * নারায়ণি নমোহস্ত তে ॥১১ 
 শবশাগহদীন]ভ্পবিভ্রাণপবায়ণে | 


সর্ধবস্তাত্তিহরে ' দেবি নারায়ণি নমোইস্ত্ব তে ॥১২ 

হে সর্ধমঙ্গলের মঙ্গলরূপিণি, হে কলাণদািনি (শিবে); হে 
ধন্মার্থ-কাম-মোক্ষ-সাধিকে, হে শরণো, হে ভ্রিলোচনে, হে গৌরি, হে 
নারায়ণি, তোমাকে নমস্কার ॥১০| হে স্থট্টি-স্থিতি বিনাশের শক্কিরূপিণি, 
হে সনাতনি, হে গুশীশ্রয়ে  পুরুষরূপে ] হে গুণময়ে [ গ্রকৃতিরপে 0. 
হে নারায়ণি! তোমাকে নমস্কার 1১১। হে শরণাগত দীন আর্ত (গীড়িত) 
জনের পরিত্রাণকারিণি, হে সর্ধ-ছুঃখবিনাশিনি, হে দেবি নারায়ণি!, 
তোমাকে নমস্কার ॥১২। হে প্্কামঙ্গলা মা! তুমি অখিল জগতে সকলেরই 
মঙ্গলকারিণী, এজন্য তোমার গৌরবর্ণা £গারীযৃদ্দিতে পালনকারিণী 
নারায়ণী ভাব অভিব্াক্ত। তুমিই রক্তবর্ণ। গৌরি মৃদ্িতে রজোগুণান্বিতা 
হইয1 জীব-জগতের স্থট্টিকারিণী নারায়ণীরূপে উদ্ভাসিতা হও; আবার 
গীত বা কুদ্রবর্ণী গৌরীমুদ্তিতে তমোগুশান্বিতা হইয়া মাহেশ্বরী নারায়ী- 

& এখানে অতি সংক্ষেপে ত্রিগুণের বর্গ আলোচনা কর! ষাউক । সন্ব-নির্দল 
প্রকাশক এবং জ্ঞানদঙ্গী : এজন্য নিয়ত নুখদায়ী.। রজঃতৃষ্ণ প্রবৃত্তি সমুক্তব, 
অনুরা্গয্মক এবং কর্ণসঙ্গী ; এজগ্য নখ-দুখেদায়ী । তমঃ--প্রমাদ আলম্ত ( অনুদ্ভম ) ও 
জড়তাব-সম্পর, ভ্রান্তি ও বন্ধনকারী; এজন্য নিয়ত ছুঃখদায়ী। আধ্যাস্মিক-জগতে 
সাধকের ব্রিগুণ বখন .বিলোমগতি প্রাপ্ত হয়, তখন তাহার সন্বগ্ণ, ক্রমে নির্দল 
অথণড জানরূপে গ্রকাশ পায়; তাহার রজৌগুণ, গরবৈরা গ্য পরাভক্তি ও প্রেমান্গরাগয়পে 
প্রকাশ গায়; আর তমোগুগ, সংঘদ ব! নিবৃত্তির ধারণশীলতারপে বা আত্ম-নিরোধসগে 





 ন্ধপে ধ্বংসলীলা 


সে 


২৬৮ রে শীনৃতী- -তত্ব ও সাধন-রহস্থা 


সম্পাদন করিয়া খ ধাক। অতএব হে শরণযোগো 
ত্রিগুণময়ি ত্রি-অগ্গারুপিণি ত্রিনেতে বর্ষা ঠা মাধিব নারায়ণি' 
তোমাকে নমস্কার । হে ত্রান্থকেশ্বরি মা! ভোমার ত্রান্ধক মুধিতে 
জগতের স্থূল কুশ্ম কারখারি ভ্রিধা ভাবসমূহ নিহিত । তোমার চন্তর-স্থদা 
অগ্নিরূপা ত্রান্ষক বা ত্রিনয়ন, ভূত ভবিম্তৎ বর্তমান এই জ্িকাল এবং 


এ, জাগ্রত স্বপ্ন ুযুপ্থি এই বিবা দরিনী হে মাত: । তোমার ত্রি-অঙ্গ 
, € মাত) রূপে, জননী দৃহিতা জায়া এই ভ্রিভাব্ আর ভবাক্ত! তাই সাধক 


গাহিয়াছেন__“এক দেহে তুমি সতী, জননী ছুহিতা জায়া-_মহামায়" 


_ অতঞএৰ হে ্রয্করূপিণি নারায়ণ! তোমাকে পুনঃ পুনঃ ন্মস্কার। 


ত্রান্বক-ত্রিনয়নী বা ত্রিজননী__ত্রীনি অগ্ককানি লোচনানি যন্থা; 
সা”। যদ্ধ। “ভ্িভির্লোৈঃ ত্র্ধ-বিষু-শিবৈব্বা অদ্থাতে অসৌ। ত্রান, 
স্বার্থে ক ইতি ত্রাঙ্ছকঃ। অথবা “শ্রী অঙ্থা স্বপা (কন্য!) তিমৃতিয্ত 
সা) 
হে মহ।শপিনপিশি সনাতনি ! তুদি স্বরং সষ্ট-স্থিতি-লয়কারিণ 
হইয়াও স্বেচ্ছায় ব্রঙ্গা-বিষুহরের বধু বা শভিূপে ক্রিয়াশীলা হইয়াছ। 
তুমিই পুরুষরূপে ত্রিগুণের আশ্রয় বা আধারম্থবূপ; আবার তুমি 
প্রকৃতিরূপে ব্রিগ্ণমহ়ী হইয়া অনস্করূপে বিরাজিত !-_অতএব হে 
মহিমমগি নারায়ণ! তোমাকে নমন্কার। হে সর্বছুখ বিনাশিনি ম:! 
শরণাগত দীন এবং আর্ত ন| হইলে, তোমার করুণ সহজে কেহ লা 
করিতে পারে ন1। কেননা শরণাগতির ্ ভিত্তির উপরেই 


| আধ্যাত্মিক পরম ভাবসমূহ অধিষ্ঠিত ! তাই গ্ীতাতেও সর্বত্র শরণাগতির 


পাপী পিপিপি পিপিপি ৭০৮ পপীপিিলা পাতিল 


.. উপদেশ ৃষ্ট হর। ভগবান শ্রীকুষ্ণের ব্রদ্রলীলাটাও শরণাগতিময় আত্ম- 


তি শিশাটিশিশিশিশিিপীিলাশা পাশ০০০০পপিশন পা সপ পা 5 সাপ  া 


-প্রক্টিত। হয় | ইহাই জীবের ব্যঙি গুধমন্পভাব ; $; আর এই বিন, শ্ীবাত্মাকে আশ্রয় 
কাই জীব-দেহে যখাবথভাবে ক্রিয়াশীল হয় -_ইহাঁই পিবরাগী জীবের গুণাশ্রয় ভাব। 


শরণাগতি | ২৬৯. 


নিবেদনের পরমভাবে বিভাবিত ও অভিষিক্ত! আর এখানে দেবী-. 
মাহাজ্যেও সরথ-সমাধি এবং দেবগণের চরিত্রও ত্যাগ শরণাগতির 
অপূর্ব বিকাশে ও বিলাসে লীলারিত! আবার সংসার-সাধনাতেও 
প্রিতাপ-জালার কিছ রিপুর ভাড়নার অতিষ্ঠ হইয়া, দানব যখন, 
তোমাতে শরণাগত হন, এবং প্রার্থনা করে--গিতিস্তং গতিন্তং ত্বমেকা 
ভবানি !” তখনই, হে মাতঃ! তোমার করুণা ও স্েহ-ধারা জের. 
প্রতি অফুরস্তভাবে উৎসারিত হ হয়! স্থতরাং দৈনয বৰা. অং কারের 
অবনমিত অবস্থা এবং আর্তভভাবও আধ্যাত্মিক উন্নতি লাভের অন্ততম 
উপায়ন্বরূপ। অতএব, হে আর্ডত্রাথকারিণি নারায়ণি, তোমাকে 
নমস্কার (১১১২) ২ 
২সধুক্তবিমানন্তে ত্রন্মাণীরূপধারিণি। 

কৌশাস্তক্ষরিকে দেবি নারায়ণি নমোহন্ত্ তে ॥১৩ 

ধিশুলন্দ। ধন মহাবৃষভবাহিনি। 

মাহেশ্বরী স্বরূপেণ নারায়ণি নমোইস্তব তে ॥১৪ 

ময়ুরকুকুটবৃতে মহাশক্তিধরেইনঘে । 

কৌমানীবপসনস্থানে নারায়ণি নমোইস্ত তে ॥১৫ 

হে দেবি নারায়ণি! তুমি ব্রক্ধাণীরূ,প হংসযুক্ত বিমানে অবস্থান 
করিয়। থাক; তুমি কুশপুত বা কমগ্ুলু-জল প্রক্ষেপ করিয়া থ